খুঁজুন
সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১২ শ্রাবণ, ১৪৩৩

বোতাম চাপলেই বিস্ফোরণ, মেট্রোরেলের নিচে পাইপ বোমা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ জুলাই ২০২৬, ৩:৩৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বোতাম চাপলেই বিস্ফোরণ, মেট্রোরেলের নিচে পাইপ বোমা

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে উদ্ধার হওয়া সন্দেহজনক একটি ফোল্ডিং ছাতার ভেতরে লুকানো ছিল শক্তিশালী ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) বা পাইপ বোমা। পুলিশের ভাষ্য, ছাতার বোতাম চাপলেই বিস্ফোরণ ঘটতে পারত। তাদের প্রাথমিক ধারণা, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উল্টোরথ যাত্রাকে লক্ষ্য করে নাশকতার উদ্দেশ্যে ডিভাইসটি রাখা হয়েছিল। তবে সময়মতো সেটি শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয় করায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের দিকে মতিঝিল ট্রাফিক বিভাগ ডিএমপির কন্ট্রোল রুমে খবর দেয় যে, মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে জেনারেটরের পাশে পড়ে থাকা একটি ফোল্ডিং ছাতার ভেতর থেকে মিটমিট করে আলো জ্বলছে। খবর পেয়ে এসআই মোহাম্মদ মুক্তার নেতৃত্বে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকাটি নিরাপত্তা বেষ্টনী দিয়ে ঘিরে ফেলে।

এ সময় দৈনিক বাংলা মোড় হয়ে শাপলা চত্বরের দিকে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উল্টোরথ যাত্রা অগ্রসর হচ্ছিল। জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এড়াতে পুলিশ ঘটনাস্থলে ‘শর্টসার্কিট’ হয়েছে বলে জানিয়ে শোভাযাত্রার অংশগ্রহণকারীদের নিরাপদে পাশ কাটিয়ে যেতে অনুরোধ করে। শোভাযাত্রা চলে যাওয়ার পর ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে ডিভাইসটি শনাক্ত করে এবং নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করে।

ঘটনার পর মতিঝিল থানায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করেছে। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, পূর্বপরিকল্পিতভাবে জনসাধারণের জীবন বিপন্ন করা এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে ওই বিস্ফোরক ডিভাইসটি সেখানে রাখা হয়েছিল।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে জিআই পাইপের খণ্ডিত অংশ, ব্যাটারি এবং বিয়ারিংয়ের বলসহ বিভিন্ন আলামত জব্দ করেছে। এসব আলামত পরীক্ষা করে বিস্ফোরকটির উৎস এবং এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

উল্লেখ্য, শুক্রবার বিকেলে পুরান ঢাকার ঢাকেশ্বরী মন্দির থেকে শুরু হওয়া উল্টোরথ যাত্রায় বিপুলসংখ্যক ভক্ত অংশ নেন। শোভাযাত্রাটি পলাশীর মোড়সহ রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অতিক্রম করে স্বামীবাগ ইসকন আশ্রমে গিয়ে শেষ হয়। পুলিশের ধারণা, মানুষের ব্যাপক উপস্থিতিকে লক্ষ্য করেই নাশকতার পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান তালুকদার জানিয়েছেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট একাধিক সংস্থা। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

নরসিংদীর শিবপুরে বিষ প্রয়োগে তিনটি গরু হত্যা, প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষতি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৭ জুলাই ২০২৬, ১:৪২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নরসিংদীর শিবপুরে বিষ প্রয়োগে তিনটি গরু হত্যা, প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষতি

ছবিতে মৃত গরু




আবু নাঈম রিপন | নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি :

নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের দড়িপাড়া গ্রামে বিষ প্রয়োগে তিনটি গরু হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় খামারির প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

রবিবার (২৬ জুলাই) সকালে গ্রামের রাজমিস্ত্রি মো. স্বপন মিয়া (৪২) প্রতিদিনের মতো গোয়ালঘর থেকে গরু বের করতে গিয়ে দেখতে পান, তার পালিত দুটি বাছুর ও একটি গাভিন গরু মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

খবর পেয়ে শিবপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের চিকিৎসক ঘটনাস্থলে গিয়ে গরুগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। প্রাথমিকভাবে তিনি জানান, বিষক্রিয়ার কারণেই গরুগুলোর মৃত্যু হয়েছে। তবে কে বা কারা রাতের আঁধারে গরুগুলোকে বিষ প্রয়োগ করেছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দুলালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এদিকে, গরুর মালিক মো. স্বপন মিয়া জানান, বিভিন্ন আইনি জটিলতার আশঙ্কায় তিনি শিবপুর মডেল থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে আগ্রহী নন।

স্থানীয়দের দাবি, ঘটনাটি সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের নৃশংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

যোগফল অনলাইন নিউজ ডেস্ক 

বহিরাগত নয়, নোবিপ্রবির শিক্ষককেই ট্রেজারার চান শিক্ষার্থীরা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বহিরাগত নয়, নোবিপ্রবির শিক্ষককেই ট্রেজারার চান শিক্ষার্থীরা

ছবিতে কর্মসূচির অংশ


নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবিতে) ট্রেজারার পদে বহিরাগত নয়, নিজ ক্যাম্পাসের শিক্ষক পরিষদ থেকেই ট্রেজারার নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগ্য শিক্ষককে ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগের দাবি জানান।

রবিবার ( ২৬ জুলাই ) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা এ দাবি সংক্রান্ত বিভিন্ন ফেস্টুন প্রদশর্ন করেন।


শিক্ষার্থীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার পদটি শূন্য রয়েছে। ফলে প্রতিনিয়ত নানা জটিলতা দেখা দিচ্ছে, ব্যাহত হচ্ছে বিভিন্ন কার্যক্রম। দক্ষ অ্যাকাডেমিশিয়ান, ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণ ও জুলাই আন্দোলনে সাহসী ভূমিকা রাখা শিক্ষকদের প্রাধান্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদটিতে নিয়োগের দাবি জানান তারা।  

তারা বলেন, নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি হওয়ার মতো যোগ্যতা সম্পন্ন শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও বহিরাগত শিক্ষককে কেন এখানে ট্রেজারার পদে নিয়োগ দিতে হবে। যে সকল শিক্ষক বিগত দিনে ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সম্মুখ সারিতে থেকে নেতৃত্বে দিয়েছে, বিগত দিনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছে, তাদেরকে মূল্যায়নের সময় এসেছে এখন। শিক্ষার্থীদের দাবি,
বাইরের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কোন ট্রেজারার নিয়োগ দেওয়া হলে প্রতিষ্ঠানের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতা কম থাকে। এবং নিজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের অবমূল্যায়ন করা হয়।

এছাড়াও নতুন কেউ দায়িত্বপ্রাপ্ত হলে প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ বুঝতে বুঝতে তার অনেক সময় অতিবাহিত হয়, ফলে বুঝতে বুঝতে চাকুরির মেয়াদ শেষ হয়ে আসার পর তিনি আবার চলে যান। তাই শিক্ষার্থীদের একটাই দাবি এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যোগ্য লোককে ট্রেজারার নিয়োগ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হোক।

যোগফল অনলাইন ডেস্ক

সৌদিতে এক সপ্তাহে প্রায় ১৫ হাজার অভিবাসী গ্রেফতার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৭ জুলাই ২০২৬, ১:৫২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সৌদিতে এক সপ্তাহে প্রায় ১৫ হাজার অভিবাসী গ্রেফতার

ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবে আবাসন, সীমান্ত সুরক্ষা ও শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে গত এক সপ্তাহে প্রায় ১৫ হাজার অভিবাসীকে গ্রেফতার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৬ থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত দেশজুড়ে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে মোট ১৪ হাজার ৯৭০ জন আইন লঙ্ঘনকারীকে আটক করা হয়। গ্রেফতারদের মধ্যে ৭ হাজার ৪৩৭ জন আবাসন আইন, ৩ হাজার ৯৯১ জন সীমান্ত সুরক্ষা আইন এবং ৩ হাজার ৫৪২ জন শ্রম আইন ভঙ্গের অভিযোগে আটক হয়েছেন।

এ ছাড়া অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে সৌদি আরবে প্রবেশের সময় আরও ১ হাজার ৬২৬ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বেশিরভাগই ইথিওপিয়া ও ইয়েমেনের নাগরিক। একই সময়ে অবৈধভাবে দেশ ছাড়ার চেষ্টা করার সময় ৩৩ জন ধরা পড়েছেন। আইন লঙ্ঘনকারীদের আশ্রয়, পরিবহন বা সহযোগিতা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে আরও ১৮ জনকে।

সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে ৩০ হাজারের বেশি ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এর মধ্যে ১৩ হাজারের বেশি অভিবাসীকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে এবং বাকিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে, অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয়, পরিবহন বা যেকোনো ধরনের সহযোগিতা করলে ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ১০ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানার বিধান রয়েছে বলে আবারও সতর্ক করেছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে এ ধরনের অপরাধের তথ্য গোপনীয়ভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম