খুঁজুন
শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩

প্রেমের টানে চীন থেকে কেরানীগঞ্জে, ইসলাম গ্রহণ করে বাংলাদেশি তরুণীকে বিয়ে

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ আগস্ট ২০২৬, ৬:১৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রেমের টানে চীন থেকে কেরানীগঞ্জে, ইসলাম গ্রহণ করে বাংলাদেশি তরুণীকে বিয়ে

ভালোবাসার টানে হাজারো কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে চীন থেকে বাংলাদেশে এসে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে কেরানীগঞ্জের এক তরুণীকে বিয়ে করেছেন চীনা নাগরিক ওয়াং জিয়াওপাং। ধর্মান্তরের পর তার নতুন নাম রাখা হয়েছে শুভ ইসলাম।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কনের নাম সানজিদা আক্তার। তিনি ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা ইউনিয়নের হাজিনগর এলাকার বাসিন্দা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের মাধ্যমে ওয়াং জিয়াওপাংয়ের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। দীর্ঘদিনের যোগাযোগ, পারস্পরিক বিশ্বাস ও ভালোবাসার সম্পর্ক একসময় বিয়ের সিদ্ধান্তে রূপ নেয়। উভয় পরিবারের সম্মতিতে গত ২৭ জুলাই বাংলাদেশে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

বিয়ের আগে ওয়াং জিয়াওপাং স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। এরপর ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে পারিবারিক পরিবেশে তাদের বিয়ের আয়োজন করা হয়।

সানজিদা আক্তার জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের পর ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে গভীর আস্থা ও বোঝাপড়ার সম্পর্ক তৈরি হয়। দীর্ঘদিনের সেই সম্পর্কের পরিণতিতেই তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। তিনি বলেন, পারস্পরিক ভালোবাসা, বিশ্বাস ও শ্রদ্ধার ভিত্তিতে তারা একটি সুখী সংসার গড়ে তুলতে চান।

শুভ ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে এসে এখানকার মানুষের আন্তরিকতা, অতিথিপরায়ণতা ও পারিবারিক বন্ধনে তিনি মুগ্ধ হয়েছেন। ইসলাম ধর্ম গ্রহণের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ নিজের ইচ্ছায় নিয়েছেন বলেও জানান তিনি। স্ত্রীকে নিয়ে শান্তিপূর্ণ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলাই এখন তার প্রধান লক্ষ্য।

সানজিদার মা নাসীমা বেগম বলেন, শুরুতে বিষয়টি পরিবারের কাছে কিছুটা অপ্রত্যাশিত মনে হলেও মেয়ের সুখের কথা বিবেচনা করে তারা বিয়েতে সম্মতি দেন। পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার মাধ্যমে তাদের দাম্পত্য জীবন সুখের হবে বলেই তিনি আশা প্রকাশ করেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রয়োজনীয় ভিসা ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলে শুভ ইসলাম তার স্ত্রীকে নিয়ে চীনে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন।

এদিকে ব্যতিক্রমী এই বিয়ের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর কেরানীগঞ্জের হাজিনগর এলাকায় ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিনই বিদেশি জামাইকে একনজর দেখতে কনের বাড়িতে ভিড় করছেন স্থানীয়রা। অনেকেই তার সঙ্গে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করছেন। ভালোবাসার এই ব্যতিক্রমী গল্প স্থানীয়দের মধ্যেও বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

‘আমার ভালোবাসা মিথ্যা ছিল না’— ফেসবুকে শেষ বার্তা, প্রেমিকার বিয়ের দিন মিলল যুবকের মরদেহ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘আমার ভালোবাসা মিথ্যা ছিল না’— ফেসবুকে শেষ বার্তা, প্রেমিকার বিয়ের দিন মিলল যুবকের মরদেহ

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় প্রেমিকার বিয়ের দিন রাকিব প্রামাণিক (২২) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) উপজেলার রায়দৌলতপুর ইউনিয়নের জটিবাড়ি গ্রামের একটি আমবাগান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া তার একাধিক পোস্ট ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাকিবের ফেসবুক পোস্টে বিদায়ী বার্তা দেখে কয়েকজন তাকে খুঁজতে গিয়ে আমবাগানের ভেতরে তার মরদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে কামারখন্দ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং আইনি কার্যক্রম শুরু করে।

মৃত্যুর আগে দেওয়া এক পোস্টে রাকিব লিখেছেন, “আমার ভালোবাসা মিথ্যা ছিল না। আমি আর নিতে পারতেছি না। আমাকে ক্ষমা করে দিয়েন সবাই।” একই পোস্টে তিনি পরিবারের একজনের উদ্দেশে মরদেহ যেন ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের ব্যবস্থা করা হয়—এমন অনুরোধও জানান।

আরেকটি পোস্টে তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে এক তরুণীর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তবে পরিবারের সিদ্ধান্তে ওই তরুণীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে অন্যত্র বিয়ে দেওয়া হচ্ছে। নিজের মৃত্যুর জন্য তিনি ওই তরুণীর পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে দায়ী বলেও উল্লেখ করেন।

এর কয়েক ঘণ্টা পর দেওয়া আরেকটি পোস্টে বাবা-মায়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে রাকিব লেখেন, “তোমাদের না জানিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি। আমাকে ক্ষমা করে দিও। আল্লাহ তুমি আমাকে মাফ করো।” তার এসব পোস্ট দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে পোস্টে উল্লেখ থাকা তরুণীর এক আত্মীয় জানান, রাকিবের সঙ্গে ওই তরুণীর সম্পর্ক ছিল কি না, সে বিষয়ে তাদের নিশ্চিত কোনো তথ্য নেই। তিনি আরও বলেন, কীভাবে তার মোবাইল নম্বর রাকিব পেয়েছিলেন, সেটিও তাদের জানা নেই।

ঘটনার পর এলাকায় শোকের পাশাপাশি নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে রাকিবের পরিবারের সদস্যরা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাশমত আলী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তসহ প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

‘আমার ভালোবাসা মিথ্যা ছিল না’—ফেসবুকে শেষ বার্তা, প্রেমিকার বিয়ের দিন মিলল যুবকের মরদেহ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ আগস্ট ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘আমার ভালোবাসা মিথ্যা ছিল না’—ফেসবুকে শেষ বার্তা, প্রেমিকার বিয়ের দিন মিলল যুবকের মরদেহ

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় প্রেমিকার বিয়ের দিন রাকিব প্রামাণিক (২২) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) উপজেলার রায়দৌলতপুর ইউনিয়নের জটিবাড়ি গ্রামের একটি আমবাগান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া তার একাধিক পোস্ট ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাকিবের ফেসবুক পোস্টে বিদায়ী বার্তা দেখে কয়েকজন তাকে খুঁজতে গিয়ে আমবাগানের ভেতরে তার মরদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে কামারখন্দ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং আইনি কার্যক্রম শুরু করে।

মৃত্যুর আগে দেওয়া এক পোস্টে রাকিব লিখেছেন, “আমার ভালোবাসা মিথ্যা ছিল না। আমি আর নিতে পারতেছি না। আমাকে ক্ষমা করে দিয়েন সবাই।” একই পোস্টে তিনি পরিবারের একজনের উদ্দেশে মরদেহ যেন ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের ব্যবস্থা করা হয়—এমন অনুরোধও জানান।

আরেকটি পোস্টে তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে এক তরুণীর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তবে পরিবারের সিদ্ধান্তে ওই তরুণীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে অন্যত্র বিয়ে দেওয়া হচ্ছে। নিজের মৃত্যুর জন্য তিনি ওই তরুণীর পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে দায়ী বলেও উল্লেখ করেন।

এর কয়েক ঘণ্টা পর দেওয়া আরেকটি পোস্টে বাবা-মায়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে রাকিব লেখেন, “তোমাদের না জানিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি। আমাকে ক্ষমা করে দিও। আল্লাহ তুমি আমাকে মাফ করো।” তার এসব পোস্ট দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে পোস্টে উল্লেখ থাকা তরুণীর এক আত্মীয় জানান, রাকিবের সঙ্গে ওই তরুণীর সম্পর্ক ছিল কি না, সে বিষয়ে তাদের নিশ্চিত কোনো তথ্য নেই। তিনি আরও বলেন, কীভাবে তার মোবাইল নম্বর রাকিব পেয়েছিলেন, সেটিও তাদের জানা নেই।

ঘটনার পর এলাকায় শোকের পাশাপাশি নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে রাকিবের পরিবারের সদস্যরা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাশমত আলী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তসহ প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

হাতাহাতির ঘটনায় নিষেধাজ্ঞার মুখে নেইমার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
হাতাহাতির ঘটনায় নিষেধাজ্ঞার মুখে নেইমার

ব্রাজিলিয়ান তারকা ফুটবলার নেইমার আবারও বিতর্কে। কোপা দো ব্রাজিলে রেমোর বিপক্ষে সান্তোসের জয়ের পর মাঠ ও ড্রেসিংরুমে ঘটে যাওয়া উত্তেজনাকর ঘটনার জেরে এবার শাস্তির মুখে পড়তে পারেন এই ফরোয়ার্ড। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে ব্রাজিলের ক্রীড়া আদালত, আর অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে এক থেকে ছয় ম্যাচ পর্যন্ত নিষিদ্ধ করা হতে পারে।

ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ইএসপিএন ব্রাজিল জানিয়েছে, ম্যাচ শেষে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে হাতাহাতির ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করছে সুপিরিয়র ট্রাইব্যুনাল অফ স্পোর্টস জাস্টিস (এসটিজেডি)। আদালতের প্রসিকিউটররা নেইমারের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনার বিষয়টি বিবেচনা করছেন। একই ঘটনায় আরও কয়েকজন খেলোয়াড় এবং স্বাগতিক ক্লাব রেমোর বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

ব্রাজিলিয়ান কোড অফ স্পোর্টস জাস্টিসের ২৫৮ নম্বর ধারা অনুযায়ী, ক্রীড়াসুলভ আচরণবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে নেইমার দোষী সাব্যস্ত হলে ১ থেকে ৬ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পেতে পারেন। যদিও ম্যাচের রেফারি অ্যান্ডারসন দারোঙ্কো তার অফিসিয়াল প্রতিবেদনে এই সংঘর্ষের উল্লেখ করেননি, তবুও ভিডিও প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

ম্যাচের শুরু থেকেই ছিল উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ। ওয়ার্মআপের সময় গ্যালারি থেকে নেইমারকে উদ্দেশ্য করে বিদ্রূপধ্বনি দেওয়া হয়। ১-০ গোলের জয়ে সান্তোসের একমাত্র গোলটিতে অ্যাসিস্ট করার পর মাঠ ছাড়ার সময় তিনি গ্যালারির দিকে তাকিয়ে প্রতিপক্ষ সমর্থকদের উদ্দেশে ‘ফ্লাইং কিস’ ছুড়ে দেন, যা উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দেয়।

ব্রাজিলিয়ান গণমাধ্যমের দাবি, ম্যাচ শেষে ড্রেসিংরুমের টানেলে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের উদ্দেশে উসকানিমূলক মন্তব্য করেন নেইমার। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সান্তোসের কর্মকর্তারা দ্রুত তাকে সেখান থেকে সরিয়ে নেন।

শুধু নেইমারই নন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগে রেমো ক্লাবও তদন্তের আওতায় এসেছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ক্লাবটিকে বড় অঙ্কের জরিমানার পাশাপাশি দর্শকশূন্য মাঠে ম্যাচ আয়োজন কিংবা হোম ভেন্যুর সুবিধা হারানোর মতো শাস্তির মুখোমুখি হতে হতে পারে। বর্তমানে তদন্তের ফলাফলের দিকেই নজর রাখছে ব্রাজিলের ফুটবল অঙ্গন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম