খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ, ১৪৩৩

পাবনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজিনুর রহমানকে বিদায় সংবর্ধনা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ আগস্ট ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাবনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজিনুর রহমানকে বিদায় সংবর্ধনা

পাবনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. রেজিনুর রহমানের বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) পাবনা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা পুলিশের উদ্যোগে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ।

অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা পাবনায় দায়িত্ব পালনকালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজিনুর রহমানের কর্মদক্ষতা, পেশাদারিত্ব, সততা ও নিষ্ঠার প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে তাঁর বদলিজনিত নতুন কর্মস্থলে সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

বিদায়ী অতিথি রেজিনুর রহমান তাঁর কর্মকালীন বিভিন্ন স্মৃতিচারণ করেন। পাশাপাশি পাবনা জেলা পুলিশের কর্মকর্তা ও সদস্যদের সহযোগিতা ও আন্তরিকতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) সাখাওয়াত হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শরিফুল ইসলাম, ডিআইও-১, ওসি ডিবি এবং জেলা পুলিশের বিভিন্ন শাখার ইনচার্জসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

জুলাই শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের সংবর্ধনা দিল পর্যটন করপোরেশন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ আগস্ট ২০২৬, ৯:৪৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জুলাই শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের সংবর্ধনা দিল পর্যটন করপোরেশন

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ যোদ্ধাদের পরিবারের সদস্য ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পর্যটন ভবনে এ সংবর্ধনা ও আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম, এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, এমপি; পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, এমপি এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ ফাহমিদা আখতার, এনডিসি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান।

অনুষ্ঠানে পর্যটন করপোরেশনের পক্ষ থেকে শহীদ জুলাই যোদ্ধাদের পরিবারের সদস্য ও আহত যোদ্ধাদের হাতে প্রাইজবন্ড ও সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিরা। এ সময় অনুষ্ঠানে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহত যোদ্ধারা জাতীয় ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সাহসী অংশীদার। তাঁদের আত্মত্যাগ শুধু আনুষ্ঠানিকভাবে স্মরণ করলেই হবে না, তাঁদের স্বপ্ন ও প্রত্যাশাকে ধারণ করে মানবিক, বৈষম্যহীন ও মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, সন্তান হারানোর কষ্ট একজন মা-বাবাই সবচেয়ে ভালো বোঝেন। শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের আত্মত্যাগের কারণেই আজ আমরা এখানে দাঁড়িয়ে কথা বলার সুযোগ পেয়েছি। তাঁদের অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে পর্যটন খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে পর্যটন খাতকে আরও নিরাপদ, জনবান্ধব, টেকসই ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

জুলাই যোদ্ধাদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ৩৬ জুলাই স্মরণে পর্যটন করপোরেশনের হোটেলগুলোতে জুলাই যোদ্ধাদের জন্য ৩৬ শতাংশ ছাড় দেওয়া হবে। তাঁদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির পাশাপাশি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের টিকিটেও বিশেষ মূল্যছাড়ের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, জুলাই আন্দোলনের শুরু থেকেই তিনি এর সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। আন্দোলনের শেষ পর্যায়ে তাঁকে কারাগারে নেওয়া হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, আন্দোলনে বিজয় না এলে আজকের এই পরিস্থিতি তৈরি হতো না।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে, আর ২০২৪ সালের আন্দোলনের মাধ্যমে দেশের সার্বভৌমত্ব ও অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হয়েছে। জুলাইয়ের যোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে জুলাই যোদ্ধাদের বিনামূল্যে প্রবেশের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন সংস্থায় তাঁদের কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আত্মত্যাগ নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের ঐতিহাসিক দায়িত্ব সামনে এনেছে। উন্নয়ন পরিকল্পনায় বৈষম্যহীন সুযোগ, মানুষের প্রত্যাশা ও সামাজিক ন্যায়বিচারকে গুরুত্ব দিতে হবে। জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে উন্নয়নকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জনকল্যাণমুখী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান বলেন, জুলাই শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের সম্মান জানানো শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি কৃতজ্ঞতা, দায়বদ্ধতা ও জাতীয় চেতনার বহিঃপ্রকাশ। পর্যটন করপোরেশন এমন একটি পর্যটন শিল্প গড়ে তুলতে কাজ করবে, যেখানে অর্থনৈতিক অগ্রগতির পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, তরুণদের সম্ভাবনার বিকাশ ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।

অনুষ্ঠানে পাঁচজন শহীদ জুলাই যোদ্ধার পরিবারের সদস্য এবং পাঁচজন আহত জুলাই যোদ্ধা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার কর্মকর্তা, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, পর্যটন খাতের বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শ্রমিকনেতাকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ আগস্ট ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শ্রমিকনেতাকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে  ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

পরিবহণ শ্রমিকনেতা মজিবুর রহমান মুজিবকে গ্রেপ্তার ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগের প্রতিবাদে দিনাজপুরে অনির্দিষ্টকালের পরিবহণ ধর্মঘট শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়, বাসস্ট্যান্ড ও থানার সামনে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করেন শ্রমিকরা। এতে দূরপাল্লার বাসসহ বিভিন্ন রুটে যান চলাচল বন্ধ হয়ে সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

আন্দোলনরত শ্রমিকদের দাবি, গ্রেপ্তার শ্রমিকনেতা মজিবুর রহমান মুজিবকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। একই সঙ্গে তাকে নির্যাতনের অভিযোগে সিআইডির পরিদর্শক নওবুর রহমানকে গ্রেপ্তার এবং দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর নবীকে অপসারণ করতে হবে।

শ্রমিকদের অভিযোগ, গত রোববার দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ওসির কক্ষে একটি মামলার তদন্তসংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলার সময় সাধারণ পোশাকে থাকা সিআইডির পরিদর্শক নওবুর রহমানের সঙ্গে মজিবুর রহমানের বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে পুলিশ তাকে আটক করে মারধর করে। পরে তাকে আদালতে নেওয়া হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মজিবুর রহমানকে শারীরিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন আন্দোলনকারী শ্রমিকরা।

মঙ্গলবার সকাল থেকে নিমনগর ফুলবাড়ী বাসস্ট্যান্ড, দিনাজপুর সরকারি কলেজ মোড়, মেডিকেল মোড়, বালুয়াডাঙ্গা মোড়, কোতোয়ালি থানার মোড়সহ শহরের বিভিন্ন এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন পরিবহণ শ্রমিকরা। এতে শহরের বিভিন্ন সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়।

কর্মসূচিতে জেলা মোটর পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের আসন্ন নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোন্নাফ মুকুল, শ্রমিক ইউনিয়নের আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম, যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ শওকত আলী তোতা, সাবেক সহসভাপতি এনামুল হকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের শ্রমিক নেতা ও সাধারণ শ্রমিকরা অংশ নেন।

শ্রমিক ইউনিয়নের আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম বলেন, ‘মজিবুর রহমান অপরাধ করে থাকলে আইন অনুযায়ী বিচার হবে। কিন্তু তাকে আটকের পর শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। আমরা অবিলম্বে তার মুক্তি, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চাই। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কর্মসূচি চলবে।’

এদিকে ধর্মঘটের কারণে দূরপাল্লার বাসসহ বিভিন্ন রুটের যান চলাচল বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। অনেকেই বাসস্ট্যান্ডে এসে যানবাহন না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। এতে দিনাজপুরের সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থায় অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আব্দুল হালিম বলেন, সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে শ্রমিকনেতাদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তাদের যৌক্তিক দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। আলোচনার মাধ্যমেই দ্রুত একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলার গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

তিস্তা মহাপরিকল্পনা উত্তরাঞ্চলের সমৃদ্ধির সঙ্গে জড়িত: দুলু

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ আগস্ট ২০২৬, ১০:৩৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তিস্তা মহাপরিকল্পনা উত্তরাঞ্চলের সমৃদ্ধির সঙ্গে জড়িত: দুলু

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে উত্তরাঞ্চলের বন্যা ও খরার মতো দুর্যোগ অনেকাংশে কমে আসবে এবং এ অঞ্চল সমৃদ্ধ জনপদে পরিণত হবে বলে মন্তব্য করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা উত্তর জনপদের সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। এ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের বন্যা ও খরার দুর্ভো

গ কমবে এবং কৃষি, অর্থনীতি ও জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

তিনি বলেন, ষড়ঋতুর বাংলাদেশে মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে নানা ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ জড়িয়ে আছে। প্রতিবছর বন্যাসহ বিভিন্ন দুর্যোগে অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হন। এসব দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের পুনর্বাসনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে।

‘অবকাঠামোগত দক্ষতা উন্নয়ন ও তথ্যের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সহনশীলতা বৃদ্ধি’ বা ‘প্রভাতী’ প্রকল্পের আওতায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর বাস্তবায়নাধীন ‘স্থানীয় পর্যায়ে বন্যার আগাম সতর্কতা ও প্রচার ব্যবস্থার উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের অগ্রগতি অবহিতকরণ কর্মশালায় এসব কথা বলেন তিনি।

প্রকল্পটি দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বন্যাপ্রবণ গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম ও জামালপুর জেলার ১৯টি উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে মৌসুমি বন্যার আগাম পূর্বাভাস ব্যবস্থা উন্নত করা এবং দ্রুত সতর্কবার্তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে বন্যার ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠী আগেভাগে প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।

কর্মশালায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইন। এছাড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব এবিএম সফিকুল হায়দার, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম