খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২১ ভাদ্র, ১৪৩৩

তারেক রহমানের ভারত সফরের সঙ্গে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ যুক্ত করায় ঢাকার সমালোচনা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৪:৫১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তারেক রহমানের ভারত সফরের সঙ্গে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ যুক্ত করায় ঢাকার সমালোচনা

যোগফল প্রতিবেদক:

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের সঙ্গে যুক্ত করায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক অবস্থানের কঠোর সমালোচনা করেছেন ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক হাইকমিশনার বীণা সিক্রি। ঢাকার এ অবস্থানকে তিনি ‘অত্যন্ত রূঢ়’ ও ‘অহংকারী’ বলে মন্তব্য করেছেন।

ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বীণা সিক্রি বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টের ভাষা অত্যন্ত রূঢ় ও অহংকারী। এ ধরনের বক্তব্য কূটনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সিক্রির দাবি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের তারিখ চূড়ান্ত করতে দুই দেশের সরকারের মধ্যে এখনো আলোচনা চলছে। সফর বাতিল হয়েছে—এমন কোনো সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ সরকার জানায়নি বলেও দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের সঙ্গে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি যুক্ত করার চেষ্টা করছে—এটা খুবই বিস্ময়কর। গতকাল বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যে বিবৃতি বা ফেসবুক পোস্ট দিয়েছে, সেটি খুবই রূঢ় ও অহংকারী। এমন পরিস্থিতি তৈরি করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’

বীণা সিক্রি আরও বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভেতরে কী ধরনের আলোচনা চলছে, তা তিনি জানেন না। তবে ভারত ও বাংলাদেশের সরকারের মধ্যে তারেক রহমানের সফর নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে এবং সফরের তারিখ ও অন্যান্য প্রস্তুতি নিয়ে কাজ চলছে।

তারেক রহমানের ভারত সফরকে বাংলাদেশ সরকার যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে না বলেও মন্তব্য করেন সাবেক এই কূটনীতিক। তাঁর ভাষ্য, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে দুবার আমন্ত্রণ জানালেও বাংলাদেশ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

সিক্রি বলেন, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর তারেক রহমানের জন্য নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণটিই ছিল কোনো বিদেশি নেতার প্রথম আমন্ত্রণ। ওই আমন্ত্রণে তারেক রহমান ও তাঁর পরিবারকে সুবিধাজনক সময়ে দ্বিপক্ষীয় সফরে ভারত যাওয়ার কথা বলা হয়েছিল।

সাবেক হাইকমিশনার বলেন, তখন ধারণা করা হয়েছিল, তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফরের গন্তব্য হতে পারে ভারত। কিন্তু সেটি হয়নি। এরপর ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও এ বিষয়ে বাংলাদেশ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

এরপর কয়েক সপ্তাহ আগে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়ার জন্যও তারেক রহমানকে ভারত দ্বিতীয়বার আমন্ত্রণ জানায় বলে দাবি করেন সিক্রি। তাঁর দাবি, সেই আমন্ত্রণেরও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের সঙ্গে তারেক রহমানের ভারত সফরকে যুক্ত করার বিষয়টিকেও অপ্রয়োজনীয় ও কূটনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত বলে মন্তব্য করেন বীণা সিক্রি।

তিনি বলেন, প্রত্যর্পণ একটি আইনি প্রক্রিয়া এবং এটি শেষ হতে কয়েক বছরও লেগে যেতে পারে। বিভিন্ন দেশে প্রত্যর্পণের আবেদন করার পর সেসব প্রক্রিয়া শেষ হতে দীর্ঘ সময় লেগেছে; অনেক ক্ষেত্রে এখনো প্রক্রিয়া শেষ হয়নি। এমনকি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরও চূড়ান্ত স্বাক্ষরের বিষয় থাকে।

এ প্রসঙ্গে সিক্রি প্রশ্ন তোলেন, ‘তাহলে কি তারেক রহমান আগামী দুই-তিন বছর ভারতে আসতে চান না? প্রশ্নটা হলো সেটাই।’

সিক্রির মতে, দ্বিপক্ষীয় সফরের প্রস্তুতির জন্য তারেক রহমানের ভারত সফরের সুযোগ এখন খুবই সীমিত। সম্ভবত চলতি সপ্তাহের শেষ নাগাদও সফর হতে পারে বলে তিনি দাবি করেন। তবে এখনো বাংলাদেশের পক্ষ

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

নাটোর-রাজশাহী রুটে বাস চলাচল বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নাটোর-রাজশাহী রুটে বাস চলাচল বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

যোগফল প্রতিবেদক:

বাস মালিকদের দ্বন্দ্বের জেরে রাজশাহী-নাটোর রুটে দুই জেলার বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে অন্যান্য জেলার বাসগুলো নাটোরের ওপর দিয়ে রাজশাহী রুটে চলাচল করছে।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ভোর থেকে এ অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। দিনভর দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সমাধান না হওয়ায় বিকেল পর্যন্ত ওই রুটে বাস চলাচল বন্ধ ছিল।

নাটোরের পরিবহন শ্রমিকরা জানান, রাব্বি পরিবহণের একটি বাস চলাচলকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার রাতে রাজশাহী বাসস্ট্যান্ডে আরপি রোকেয়া ও তুহিন পরিবহণের শ্রমিকদের সঙ্গে রাজশাহীর শ্রমিকদের মারামারির ঘটনা ঘটে।

নাটোর পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বলেন, এ ঘটনার পর রাজশাহীর মালিকের একটি বাস নাটোরে আটকে রাখা হলেও পরে সেটি ছেড়ে দেওয়া হয়। কোনো শ্রমিককে মারধর করা হয়নি। বর্তমানে শুধু নাটোর ও রাজশাহীর মালিকদের বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। ঘটনার বিচার না হওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।

নাটোর বাস মালিক সমিতির সভাপতি লক্ষণ পোদ্দার বলেন, রাব্বি পরিবহণের একটি বাস নিয়ম না মেনে রাজশাহী থেকে নাটোর হয়ে আলমডাঙ্গা রুটে চলাচলের উদ্যোগ নেয়। বাসটি চলাচলে নাটোর মালিক সমিতি সম্মতি না দেওয়ায় বৃহস্পতিবার রাতে যাত্রীসহ নাটোরের তুহিন পরিবহণ, আরপি নাইচ পরিবহণসহ নয়টি বাস আটকে রেখে শ্রমিকদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, এ ঘটনার পর থেকে রাজশাহীর কোনো বাস নাটোরের ওপর দিয়ে চলাচল করতে দেওয়া হচ্ছে না। একইভাবে নাটোরের মালিকদের বাসও রাজশাহী রুটে যাচ্ছে না। তবে ঢাকাগামী বাস চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

অন্যদিকে রাজশাহী পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক ও রাব্বি পরিবহণের মালিক রজব আলী বলেন, জনদুর্ভোগ এড়াতে রাজশাহী থেকে আলমডাঙ্গা রুটে রাব্বি পরিবহণ চালানোর বিষয়ে নাটোর মালিক সমিতিকে জানানো হয়েছিল। কিন্তু তারা অসৌজন্যমূলক আচরণ করে।

তিনি দাবি করেন, পরে রাতে নাটোরে রাব্বি পরিবহণের একটি বাস আটক করে এর শ্রমিককে মারধর করা হয়। এ খবর পাওয়ার পর রাজশাহীতে নাটোরের কয়েকটি বাস আটকে রাখা হয়। তবে রাজশাহীর শ্রমিকদের পক্ষ থেকে নাটোরের কোনো শ্রমিককে মারধরের ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেন তিনি।

দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অবস্থানের কারণে রাজশাহী-নাটোর রুটে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ নয়, আমাদের বড় পরিচয় আমরা বাংলাদেশি: খাদ্যমন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:৩৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ

 যোগফল প্রতিবেদক: 

ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ নয়, দেশের মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয় আমরা বাংলাদেশি—এমন মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীবাড়ী প্রাঙ্গণে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, মানিকগঞ্জে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানদের মধ্যে দীর্ঘদিনের সুন্দর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রয়েছে। এই সম্প্রীতি সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ধরে রাখতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের সবার একটি পরিচয়—আমরা বাংলাদেশি। এটিই আমাদের বড় পরিচয়। আমাদের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ নেই। আমাদের ঐক্য ধরে রাখতে হবে।’

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আফরোজা খানম বলেন, তারা অতীতে যেভাবে তাঁর পাশে ছিলেন, এখনো আছেন এবং ভবিষ্যতেও পাশে থাকবেন—এটাই তাঁর প্রত্যাশা। সুখের সময়ে না ডাকলেও দুঃখের সময়ে তাঁকে ডাকলে তিনি পাশে থাকার চেষ্টা করবেন বলেও জানান।

তিনি আরও বলেন, জনগণের ভালোবাসা ও সহযোগিতার কারণেই তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে সংসদে যেতে পেরেছেন। মানুষের পাশে থেকে তাদের জন্য কাজ করার মাধ্যমে সেই দায়িত্বের প্রতিদান দিতে চান তিনি।

জন্মাষ্টমীর আয়োজনকে একটি সুন্দর মিলনমেলা উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, অনুষ্ঠানে সবার মধ্যে আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে, যা তাঁকে আনন্দিত করেছে।

অনুষ্ঠানে শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীবাড়ী পূজা উদযাপন কমিটিকে এক লাখ টাকা অনুদান দেন খাদ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন দাবির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা দেন।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, মানিকগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি প্রণব কুমার সিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন অ্যাডভোকেট সুনীল কুমার, শ্রী কালীপদ ঘোষ, অনিল কুমার ও রঞ্জিত কুমার দে। অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

পরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মানিকগঞ্জের বেউথা মসজিদ প্রাঙ্গণ ও বেউথা-আন্ধারমানিক সড়কের পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন খাদ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরে দলীয় নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষকে বেশি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম


চট্টগ্রামে বিশুদ্ধ পানির সংকট নিরসনে নতুন মডেলে কাজ শুরু: অর্থমন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ

যোগফল প্রতিবেদক: 

চট্টগ্রাম মহানগরীতে বিশুদ্ধ পানির সংকট নিরসন ও জনদুর্ভোগ লাঘবে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) নতুন মডেলে কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে নগরীর হোটেল রেডিসন ব্লুর একটি হলরুমে সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর পানি সরবরাহ সেবার মান বাড়াতে নতুন পিপিপি মডেল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম নগরীর উত্তর ও দক্ষিণ পতেঙ্গার ৪০ ও ৪১ নম্বর ওয়ার্ডে পাইলট প্রকল্প হিসেবে এ উদ্যোগের যাত্রা শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে নগরীর পানি সংকট অনেকটাই কেটে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এ প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রাম ওয়াসা, ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এবং ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড যৌথভাবে কাজ করবে। প্রতিষ্ঠান তিনটির মধ্যে তিন বছর মেয়াদি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় পরিষ্কার ও বিশুদ্ধ খাবার পানি পৌঁছে দেওয়া সরকারের দায়িত্ব। তবে সবকিছু শুধু সরকারের একার পক্ষে করা সম্ভব নয়। এ কারণে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, এখন অর্থনীতির সংজ্ঞা বদলে গেছে। আগে সরকার একাই অনেক কাজ করত। বর্তমানে সরকারি সেবা সঠিকভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে পার্টনারশিপ মডেল প্রয়োগ করা হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার, বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর সম্মিলিত অংশগ্রহণে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই মডেল গড়ে তোলা হচ্ছে। এ ধরনের প্রকল্পের সুফল ধরে রাখতে রক্ষণাবেক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, বিশুদ্ধ পানির পাশাপাশি বর্ষাকালে চট্টগ্রাম নগরীর পানি নিষ্কাশন সমস্যাও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন (বাণিজ্য ও উন্নয়ন বিভাগের প্রধান) ইয়ান ভ্যান ডার লিন্ডেন উপস্থিত ছিলেন। সমঝোতা স্মারকে চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম, ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. এটিএম তারিকুল ইসলাম এবং ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইয়ামিন ফারুক নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন।

নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের পানি ও জলবায়ু বিষয়ক প্রথম সচিব ইজে ক্রুজেন সমঝোতা স্মারকের সাক্ষী ছিলেন। এ উদ্যোগে নেদারল্যান্ডস দূতাবাস আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে।

চট্টগ্রাম ওয়াসা কর্মকর্তারা জানান, প্রকল্পের শুরুতে সিটি করপোরেশনের ৪০ ও ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের পানি সরবরাহের চাহিদা নিরূপণ করা হবে। এরপর সেখানে পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি উদ্ভাবনী সরকারি-বেসরকারি পানি সরবরাহ মডেল পরীক্ষা করা হবে।

তাদের মতে, চট্টগ্রাম ওয়াসা, ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ও ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের মধ্যে এটি এ ধরনের প্রথম আনুষ্ঠানিক সহযোগিতা। বাংলাদেশের পানি সরবরাহ খাতে এ উদ্যোগ নতুন দিক উন্মোচন করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এর আগে চলতি বছরের মে মাসে ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ও ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের উদ্যোগে পরিচালিত একটি সমীক্ষার পর এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম