খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২২ ভাদ্র, ১৪৩৩

এক কোটি মানুষকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরের উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রীর: ড. মুজিবুর রহমান

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এক কোটি মানুষকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরের উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রীর: ড. মুজিবুর রহমান

 যোগফল প্রতিবেদক:

সিলেটের বিশ্বনাথের কৃতি সন্তান ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী অধ্যাপক এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) সদস্য ড. মুজিবুর রহমান বলেছেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে সন্তানদের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জন ছাড়া বর্তমান বিশ্বের প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। দেশের এক কোটি মানুষকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর অন্যতম ভিশন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে বিশ্বনাথ প্রেসক্লাব ওয়েল ফেয়ার ফান্ডের উদ্যোগে সংগঠনের সদস্য ও তাদের সন্তানদের মধ্যে ‘শিক্ষা ও প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ বৃত্তি’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. মুজিবুর রহমান বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ওয়েল ফেয়ার ফান্ডের মাধ্যমে সাংবাদিকদের কল্যাণ ও আর্তমানবতার সেবায় নেওয়া বিভিন্ন কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে সংগঠনের এই অগ্রযাত্রায় সমাজের বিত্তবান ও প্রবাসীদের এগিয়ে এসে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

সংগঠনের সভাপতি ও বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সভাপতি রফিকুল ইসলাম জুবায়েরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ১৪ জন সাংবাদিক ও তাদের সন্তানদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার নগদ বৃত্তি ও সনদপত্র দেওয়া হয়। বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সদস্য মাওলানা শহীদুর রহমানের কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দি ওয়ান পাউন্ড জেনারেল হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা. শানুর আলী মামুন। স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কাজী মো. জামাল উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে ওয়েল ফেয়ার ফান্ডের সদ্য প্রয়াত গোল্ডেন মেম্বার ও বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সুহেল আহমদ চৌধুরীর রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়। পাশাপাশি সংগঠনের অন্যান্য গোল্ডেন, সিলভার ও জেনারেল মেম্বারদের সুস্থতা ও মঙ্গল কামনা করা হয়।

ওয়েল ফেয়ার ফান্ডের ট্রেজারার তজম্মুল আলী রাজুর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শিপন আহমদ, কোষাধ্যক্ষ মো. নুর উদ্দিন, সাবেক কোষাধ্যক্ষ মো. জামাল মিয়া, সদস্য আব্দুস সালাম মুন্না, মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, সুজিত দেব, মোস্তাক আহমদ মোস্তফা, মাজহারুল ইসলাম ও মো. জাহান মিয়া। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথিকে সংগঠনের পক্ষ থেকে ক্রেস্ট ও গোল্ডেন মেম্বারশিপ সনদ প্রদান করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত বছর বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সদস্যদের কল্যাণ এবং বিশ্বনাথে আর্তমানবতার সেবার লক্ষ্য নিয়ে ৫০ লাখ টাকা মূলধনের টার্গেট নির্ধারণ করে বিশ্বনাথ প্রেসক্লাব ওয়েল ফেয়ার ফান্ডের যাত্রা শুরু হয়। মাত্র ১৩ দিনের আপিলে ৫১ লাখ ২১ হাজার টাকার প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়। এরই মধ্যে প্রতিশ্রুত অর্থের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ফান্ডের নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে জমা হয়েছে। সেই মূলধনের মুনাফার ৮০ শতাংশ অর্থ দিয়ে প্রথমবারের মতো শিক্ষা ও প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ বৃত্তি প্রদান করা হলো।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ইলিশের দামে আগুন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৩৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইলিশের দামে আগুন

 যোগফল প্রতিবেদক:

বরিশালের বাকেরগঞ্জে ইলিশের বাজারে চড়া দাম অব্যাহত রয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন বাজারে আকারভেদে ইলিশ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত। এতে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের ক্রেতাদের অনেকেই ইলিশ কিনতে গিয়ে পড়ছেন বিপাকে।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) উপজেলার কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, মাছের দোকানগুলোতে ইলিশের সরবরাহ থাকলেও দাম তুলনামূলক বেশি। বড় আকারের ইলিশের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ থাকলেও উচ্চমূল্যের কারণে অনেকে মাছ না কিনে ফিরে যাচ্ছেন। কেউ কেউ আবার বিকল্প মাছ কিনছেন।

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আকার ও ওজনভেদে ইলিশের দামে বেশ পার্থক্য রয়েছে। তিনটি ইলিশে এক কেজি ওজনের মাছ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১ হাজার ৫০০ টাকা কেজি দরে। দুটি ইলিশে এক কেজি ওজনের মাছের দাম ১ হাজার ৮০০ টাকা। ৮০০ গ্রাম ওজনের একটি ইলিশের দাম রাখা হচ্ছে প্রায় ২ হাজার ৪০০ টাকা। আর এক কেজি ওজনের বড় ইলিশ বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত।

চড়া দামের কারণে ইলিশ এখন অনেক নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। কয়েক হাজার টাকা দিয়ে একটি মাছ কেনার পরিবর্তে ওই অর্থে পরিবারের প্রয়োজনীয় চাল, ডাল, তেল ও সবজিসহ অন্যান্য নিত্যপণ্য কিনছেন অনেক ক্রেতা।

বাকেরগঞ্জ বন্দর বাজারে মাছ কিনতে আসা লোকমান হোসেন বলেন, ইলিশের দাম শুনলে এখন মনে হয়, মাছ না কিনে ওই টাকা দিয়ে সংসারের অন্য বাজার করাই ভালো। এক কেজি ইলিশের দাম যদি ৩ হাজার টাকা হয়, তাহলে মাসের বাজার সামলানো কঠিন।

বাকেরগঞ্জ পৌর মার্কেটের ক্রেতা মাসুদুর রহমান বলেন, ইলিশ কিনে খাওয়া এখন মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য অনেকটা বিলাসিতার মতো হয়ে গেছে। পরিবারের অন্যান্য খরচ সামলে এত টাকা দিয়ে ইলিশ কেনা সম্ভব হচ্ছে না।

রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের বাসিন্দা দিনমজুর কালাম গাজী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ইলিশ খাওয়া হয়নি। তাঁর সন্তানরা ইলিশ খাওয়ার আবদার করায় বাজারে এসেছিলেন। কিন্তু ৬০০ গ্রাম ওজনের দুটি ইলিশের দাম দেড় হাজার টাকা চাওয়ায় তিনি আর কিনতে পারেননি। তাঁর ভাষ্য, এই টাকা তাঁর দুই দিনের আয়ের সমান।

পৌর মার্কেটের মাছ ব্যবসায়ী জাফর গাজী বলেন, আড়তদারদের কাছ থেকে বেশি দামে ইলিশ কিনতে হচ্ছে। ফলে বেশি দামে বিক্রি করা ছাড়া তাদেরও উপায় থাকছে না। আড়ত থেকে কম দামে মাছ পাওয়া গেলে তারাও কম দামে বিক্রি করতে পারবেন।

বাকেরগঞ্জ পৌর মার্কেটের উন্নয়ন কমিটির সভাপতি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মিলটন চন্দ্র পাল বলেন, মানুষের চাহিদার তুলনায় ইলিশের সরবরাহ পর্যাপ্ত নয়। ঘাটতির কারণে ভরা মৌসুমেও ইলিশের দাম বেশি রয়েছে।

ফলে একসময় সাধারণ মানুষের পাতে নিয়মিত দেখা মিললেও চড়া দামের কারণে জাতীয় মাছ ইলিশ এখন অনেক পরিবারের কাছেই হয়ে উঠেছে দুর্লভ খাবার।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

যশোরে সালমান শাহ হত্যার বিচারের দাবিতে ভক্তদের মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৫২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যশোরে সালমান শাহ হত্যার বিচারের দাবিতে ভক্তদের মানববন্ধন

 যোগফল প্রতিবেদক:

জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহর ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর মৃত্যুর ঘটনায় বিচার ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে যশোরে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছেন ভক্তরা।

রোববার সকালে বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে শতাধিক সালমান ভক্ত একটি মিছিল নিয়ে প্রেসক্লাব যশোরের সামনে জড়ো হন। পরে ‘কাঠেরপুল যুব সংঘ’-এর সহযোগিতায় সেখানে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও দাবির পর সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় মামলার কার্যক্রমে সাম্প্রতিক সময়ে গতি এসেছে। মামলার অন্যতম আসামি ডনকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তারা।

তবে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের স্বার্থে তৎকালীন স্ত্রী সামিরা, শাশুড়ি লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবী, ছাত্তার, সাজু ও ফরহাদকে (রেজভি আহমেদ) দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান ভক্তরা।

কাঠেরপুল যুব সংঘের পরিচালক শিমুল ভূঁইয়া বলেন, সালমান শাহর মৃত্যুর রহস্য উদ্‌ঘাটন ও বিচারের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে আন্দোলন করে আসছেন ভক্তরা। প্রশাসনের সাম্প্রতিক পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে তিনি মামলার বাকি আসামিদেরও দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সালমান শাহর ভক্ত তহমিনা বিশ্বাস, সুমি আক্তার, বিজয় মাহমুদ, সাবিক হাসান, রিয়া আক্তার ও পল্লব দাস।

উল্লেখ্য, প্রতিবছর ১৯ সেপ্টেম্বর সালমান শাহর জন্মদিন উপলক্ষে যশোরের ভক্তরা কেক কাটা, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনীসহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেন। একইভাবে তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষেও মানববন্ধন, মিছিল ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এবারও আসন্ন জন্মবার্ষিকী ঘিরে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন ভক্তরা।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শিবপুরে বাবাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, ২৪ ঘণ্টায় ছেলে গ্রেপ্তার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:২১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শিবপুরে বাবাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, ২৪ ঘণ্টায় ছেলে গ্রেপ্তার

 যোগফল প্রতিবেদক:

নরসিংদীর শিবপুরে পৈতৃক বাড়িতে বাবাকে ধারালো ছুরি ও কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে ছেলে শাকিল চৌধুরীকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের প্রায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গাজীপুরের একটি ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নিহত বাছেদ মিয়া (৬০) পেশায় কবিরাজি ওষুধ বিক্রেতা ছিলেন। তিনি শাকিল চৌধুরীর বাবা। গত ৩ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১০টার দিকে বাছেদ মিয়া তার বড় ছেলে শাকিলকে নিয়ে একই কক্ষে ঘুমাতে যান।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পরদিন ৪ সেপ্টেম্বর ভোর ৪টার দিকে বাছেদ মিয়ার আর্তনাদ শুনে তার ছোট ছেলে নূর নবী রাশেদ (২১) ও তার মা ছুটে যান। এ সময় শাকিল কুড়ালের উল্টো পাশের লোহার অংশ দিয়ে তার মায়ের মাথা ও কপালে আঘাত করেন। বাধা দিতে গেলে ছোট ভাই নূর নবী রাশেদকেও আঘাত করা হয়।

পরে ঘরের বাতি জ্বালিয়ে পরিবারের সদস্যরা দেখতে পান, বাছেদ মিয়া খাটের ওপর গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে আছেন। তার পেটের দুই পাশ দিয়ে নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে ছিল। স্বজনরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে শাকিল তাদেরও আঘাত করে দ্রুত পালিয়ে যান। পরে প্রতিবেশীদের সহায়তায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে বাছেদ মিয়ার মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে শিবপুর মডেল থানার এসআই কামরুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এ সময় অফিসার ইনচার্জ কোহিনুর মিয়া ও সহকারী পুলিশ সুপার (শিবপুর সার্কেল) ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত কার্যক্রম তদারকি করেন।

পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা ছুরিটি নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে নিহতের পেট থেকে উদ্ধার করে জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া হামলায় ব্যবহৃত রক্তমাখা কুড়ালটি আসামির বসতঘরের শয়নকক্ষ থেকে উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় নিহতের ছোট ছেলে নূর নবী রাশেদ বাদী হয়ে শিবপুর মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার পর জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় গাজীপুর মেট্রো এলাকায় অভিযান চালানো হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৫ সেপ্টেম্বর রাত ৩টার দিকে গাজীপুরের পূবাইল থানাধীন হায়দারাবাদ এলাকায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পূবাইল থানা পুলিশের সহায়তায় শাকিলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শাকিল তার বাবাকে ছুরি দিয়ে পেটে একাধিক আঘাত করে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম