খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫ কার্তিক, ১৪৩৩

তাহিরপুরে আটক ভারতীয় বিড়ি নিয়ে নানা প্রশ্ন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৫৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তাহিরপুরে আটক ভারতীয় বিড়ি নিয়ে নানা প্রশ্ন

 যোগফল প্রতিবেদক:

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক প্রায় দুই লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় নাসির বিড়ি পুলিশের কাছে হস্তান্তর না করে ফেরত দেওয়ার ঘটনায় নানা প্রশ্ন উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা মাদক নির্মূল ঐক্য পরিষদের কার্যক্রম নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন উপজেলা মাদক নির্মূল ঐক্য পরিষদ, তাহিরপুর কমিটির সাধারণ সম্পাদক আল আমিন হুদা। তিনি উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কামড়াবন্দ গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বাদাঘাট এলাকার কুকুরকান্দি থেকে আল আমিন হুদার নেতৃত্বাধীন একটি দল চার কার্টন ভারতীয় নাসির বিড়ি আটক করে। স্থানীয়দের দাবি, আটক করা বিড়িগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য দুই লাখ ২০ হাজার টাকা। এসব বিড়ির মালিক ফকিরনগর গ্রামের কুদ্দুস মিয়া বলে দাবি করা হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, আটকের পর বিড়িগুলো পুলিশের কাছে হস্তান্তর না করে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। পরে বিড়িগুলো প্রকৃত মালিকের কাছে ফেরত দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আল আমিন হুদা। রোববার রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, ভারতীয় নাসির বিড়ি বিক্রির লাইসেন্স রয়েছে কি না, সে বিষয়ে জেলা কমিটির সভাপতির কাছ থেকে নিশ্চিত হন। যাচাই-বাছাইয়ের পর আটক করা বিড়িগুলো মাদকদ্রব্য নয় বলে নিশ্চিত হয়ে প্রকৃত মালিকের কাছে ফেরত দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। তবে ওই পোস্টে তিনি মালিকের নাম উল্লেখ করেননি।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় বাসিন্দা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন তুলেছেন। আটক করা পণ্য পুলিশের কাছে হস্তান্তর না করে ফেরত দেওয়ার বৈধতা এবং এর প্রমাণ কী—তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

ছাত্রদল নেতা আবুল হাসনাত আবদুল্লাহও বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর প্রশ্ন, চার কার্টন বিড়ি আটকের পর দীর্ঘ সময় তা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি কেন এবং মাদক নির্মূল কমিটির এ ধরনের কার্যক্রমের জবাবদিহি কীভাবে নিশ্চিত হবে।

ফকিরনগর গ্রামের কুদ্দুস মিয়া দাবি করেন, আল আমিন হুদার নেতৃত্বাধীন দল তাঁর চার খাঁচা ভারতীয় নাসির বিড়ি ও একটি কাঠের নৌকা নিয়ে যায়। তাঁর দাবি, এসব বিড়ির আনুমানিক মূল্য দুই লাখ ২০ হাজার টাকা। তবে পরবর্তীতে বিড়িগুলোর বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

এ বিষয়ে তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফারুক আহমেদ বলেন, ভারতীয় নাসির বিড়ি অবৈধ ও নিষিদ্ধ। মাদক নির্মূল কমিটির সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে এসব বিড়ি আটক করা হয়ে থাকলে তা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা উচিত ছিল।

তিনি আরও বলেন, আটক করা কোনো পণ্য যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজন হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু আটক করা পণ্য অন্য কারও কাছে হস্তান্তরের সুযোগ নেই।

এদিকে স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা আটক করা বিড়ির উৎস, বৈধতা, মালিকানা এবং আটকের পর কীভাবে তা ফেরত দেওয়া হয়েছে—এসব বিষয় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার করার দাবি জানিয়েছেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া দুর্গাৎসবের নবমীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে সাঁথিয়া বারোয়ারী কালি মন্দির পরিদর্শন পরবর্তী অনুষ্ঠানে  জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহ। 

তিনি বলেন, আবহমান কালের ধর্মীয় সম্প্রীতি  আমাদের রক্ষা করে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। পাবনার ৩৬৪ টি মন্দিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতকার ঘটনা ঘটেনী এ জন্য পাবনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান  প্রদান করেন। সাঁথিয়া মহাশ্মশানের উন্নয়ন কাজ এই বছরেই শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুশীল কুমার দাস,সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল হাই ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
‎
‎নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে। এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 
‎
‎মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাদাঘাট বাজারের মেইন রোডে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
‎
‎বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী , সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি এম এ রাজ্জাক, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল হোসেন, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, গণকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার ইবনে গিয়াস প্রমুখ। 
‎
‎এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  

এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ পত্রিকাযর সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক হত্যা ও হামলার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
‎
‎
‎মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংবাদ  প্রতিনিধি কামাল হোসেন রাফি, দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি আবুল কাশেম, এনটিভি মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, দৈনিক এদিনের প্রতিনিধি সামায়ুন আহমদ, দৈনিক আলোর সকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক মোঃ আঃ মান্নান, দৈনিক নিউজ বাংলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ।।  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ বিভিন্ন মামলার মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার চারজন, জিআর সাজাপ্রাপ্ত দুইজন এবং মোবাইল কোর্টে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজন রয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমন (২৯), উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের কোনাপাড়ার মো. কলি মোল্লা (২৮), রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জুবায়ের (২৬) এবং রাজাপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ পুকুরিয়ার আবুল কাসেম ওরফে পেটান আলী (৩৯)।

এ ছাড়া জিআর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর সামছুল হক ওরফে বেলাল (২৬) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সৈয়দ আহমেদ মনির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামছুল হক ওরফে বেলালকে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৩ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দ আহমেদ মনিরকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বশির আহম্মদ (২৮) ও কাফায়েত উল্লাহ (৪৩) ২০ দিন করে এবং কাফায়েত উল্লাহ (২৪), মো. সাদেক (১৮) ও মো. রফিক (২৪) এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১১ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।