খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৯ ভাদ্র, ১৪৩৩

হ্নীলার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে আলোচনায় তরুণ প্রার্থী মোহাম্মদ ইসমাইল

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৪৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
হ্নীলার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে আলোচনায় তরুণ প্রার্থী মোহাম্মদ ইসমাইল

 যোগফল প্রতিবেদক:

আসন্ন ২ নম্বর হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে ভোটারদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে তরুণ নেতৃত্ব ও উন্নয়ন পরিকল্পনাকে সামনে রেখে ওয়ার্ডবাসীর পাশে থাকার প্রত্যয় জানিয়েছেন মোহাম্মদ ইসমাইল।

সম্ভাব্য নির্বাচনী কার্যক্রমে উন্নয়ন, জনকল্যাণ, শান্তি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব শুধু নির্বাচনের সময় মানুষের কাছে যাওয়া নয়, বরং নির্বাচিত হওয়ার পরও নিয়মিতভাবে এলাকার মানুষের সমস্যা ও প্রত্যাশা শুনে তা সমাধানে কাজ করা—এমন প্রত্যয়ের কথা জানিয়েছেন মোহাম্মদ ইসমাইল।

তিনি বলেন, তরুণদের মধ্যে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার সাহস এবং উন্নয়ন নিয়ে নতুন চিন্তাভাবনা রয়েছে। তরুণ প্রজন্মের কর্মক্ষমতা ও উদ্যমকে কাজে লাগিয়ে মানুষের সেবা করার সুযোগ রয়েছে বলেও তিনি মনে করেন।

ভোটারদের সমর্থন পেলে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের উন্নয়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন মোহাম্মদ ইসমাইল। তাঁর পরিকল্পনায় রয়েছে রাস্তা ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, ড্রেনেজ সমস্যা সমাধান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, কৃষি ও মৎস্য খাতের উন্নয়ন এবং স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির উদ্যোগ।

এ ছাড়া তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মমুখী করে তোলা, মাদক এবং বিভিন্ন সামাজিক অনিয়মের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরির বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।

মোহাম্মদ ইসমাইলের ভাষ্য, এলাকার টেকসই উন্নয়নের জন্য জনপ্রতিনিধি ও জনগণের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ থাকা প্রয়োজন। জনপ্রতিনিধিত্বকে ক্ষমতার বিষয় হিসেবে না দেখে জনগণের কাছে জবাবদিহিতার দায়িত্ব হিসেবে দেখার কথা জানান তিনি।

দল-মত ও ব্যক্তিগত বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেছেন মোহাম্মদ ইসমাইল। তাঁর মতে, একটি এলাকার উন্নয়ন শুধু একজন জনপ্রতিনিধির পক্ষে সম্ভব নয়; এজন্য প্রয়োজন জনগণের অংশগ্রহণ, সামাজিক ঐক্য ও সম্মিলিত উদ্যোগ।

এদিকে নির্বাচনকে সামনে রেখে স্থানীয় পর্যায়ে তরুণ নেতৃত্বের সম্ভাবনা নিয়েও ভোটারদের মধ্যে আলোচনা চলছে। নতুন প্রজন্মের নেতৃত্ব উন্নয়ন পরিকল্পনা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনসম্পৃক্ততাকে কতটা গুরুত্ব দিতে পারে, সেটিও বিবেচনায় রাখছেন অনেকে।

তবে শেষ পর্যন্ত ভোটারদের রায়েই নির্ধারিত হবে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নেতৃত্ব কার হাতে যাবে। নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা বাড়ার পাশাপাশি মোহাম্মদ ইসমাইলের তরুণ নেতৃত্ব ও উন্নয়ন ভাবনা ভোটারদের মধ্যে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, এখন সেদিকেই নজর স্থানীয়দের।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

সিলেটে ‘নিরাপদ যাতায়াত বাস্তবায়ন পরিষদ’-এর বর্ণাঢ্য অভিষেক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিলেটে ‘নিরাপদ যাতায়াত বাস্তবায়ন পরিষদ’-এর বর্ণাঢ্য অভিষেক

ছবিতে প্রধান অতিথি

আফজাল মিয়া, বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:

সিলেটে ডাক্তার জহিরুল ইসলাম (অচিনপুরী) প্রতিষ্ঠিত ‘নিরাপদ যাতায়াত বাস্তবায়ন পরিষদ’-এর সিলেট জেলা নতুন কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যায় সিলেটস্থ প্যারালাক্স পার্টি সেন্টারে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। নবনির্বাচিত সভাপতি অধ্যক্ষ শামছুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. জিয়াউর রহমান চৌধুরী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, মানুষের নিরাপদ চলাচল ও সড়ক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ডা. জহিরুল ইসলামের উদ্যোগে এই স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনটির যাত্রা শুরু হয়েছে। নিরাপদ যাতায়াতের পরিবেশ গড়ে তুলতে সংগঠনটি যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি বলেন, ‘নিরাপদ যাতায়াত আমাদের সবার দায়িত্ব।’ সকলের সচেতন পথচলা নিশ্চিত করতে সম্মিলিতভাবে নিরাপদ যাতায়াতের পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।
অনুষ্ঠানে স্ক্রিন প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে সড়ক, রেল, বিমান ও নৌপথের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, সিলেট বিভাগের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও অনুষ্ঠানে গুরুত্বারোপ করা হয়।
বক্তারা নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চালক, পথচারী, যাত্রী, পরিবহন মালিকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সংগঠনের নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের অভিষেকের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সদস্য, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

যোগফল অনলাইন নিউজ ডেস্ক 

মোটরসাইকেলে ঢাকা যাওয়ার পথে প্রাণ গেল সাংবাদিকের

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:৫৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মোটরসাইকেলে ঢাকা যাওয়ার পথে প্রাণ গেল সাংবাদিকের

 যোগফল প্রতিবেদক:

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় এশিয়া টেলিভিশনের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি কাজী আশরাফ (৪৬) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার সঙ্গে থাকা মাহামুদুল হাসান অনিক নামে আরও একজন আহত হয়েছেন।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ভাঙ্গার মনসুরাবাদ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত কাজী আশরাফ নড়াইলের লোহাগড়া পৌরসভার গোপিনাথপুর গ্রামের কাজী শামসুর রহমানের ছেলে। তিনি সাংবাদিকতার পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে পরিচিত ছিলেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, সকালে ব্যক্তিগত কাজে কাজী আশরাফ ও মাহামুদুল হাসান অনিক মোটরসাইকেলে করে লোহাগড়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। মনসুরাবাদ এলাকায় পৌঁছালে চলন্ত মোটরসাইকেলটির সঙ্গে একটি বাসের ধাক্কা লাগে। এতে দুজনই গুরুতর আহত হন।

পরে পুলিশ ও স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কাজী আশরাফের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে ঢাকায় নেওয়ার পথে দুপুর ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক সোহেল রানা জানান, সকালে মনসুরাবাদ এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী দুজন আহত হন। তাদের হাসপাতালে নেওয়া হলে একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় ঢাকায় পাঠানো হয়। পরে পথে তার মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

চরিত্র পেতে আপত্তিকর প্রস্তাব, ‘না’ বলেই এগিয়ে যান স্যান্ড্রা বুলক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:০৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চরিত্র পেতে আপত্তিকর প্রস্তাব, ‘না’ বলেই এগিয়ে যান স্যান্ড্রা বুলক

হলিউডে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার আগে কঠিন সময় পার করতে হয়েছে অভিনেত্রী স্যান্ড্রা বুলককে। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে অডিশন দিতে গিয়ে চরিত্র পাওয়ার বিনিময়ে আপত্তিকর প্রস্তাবও পেয়েছিলেন তিনি। এমনকি কয়েকজন তাকে সরাসরি পোশাক খুলতে বলেছিলেন বলেও জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

সম্প্রতি বন্ধু ও সহ-অভিনেত্রী জেনিফার অ্যানিস্টনের সঙ্গে এক আলাপচারিতায় ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের এসব অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন স্যান্ড্রা। তিনি জানান, নিউইয়র্কে ওয়েট্রেস হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি তখন নিয়মিত অভিনয়ের অডিশন দিতেন।

স্যান্ড্রার ভাষ্য অনুযায়ী, অডিশনে এমন কিছু পুরুষের মুখোমুখি হতে হয়েছে, যারা চরিত্র পাওয়ার বিনিময়ে অশোভন প্রস্তাব দিতেন। কেউ কেউ তাকে সরাসরি ‘প্যান্ট খুলতে’ বলতেন। এসব পরিস্থিতিতে তার উত্তর ছিল স্পষ্ট—‘না, এই চরিত্র আমার জন্য নয়।’

তবে এমন অভিজ্ঞতা তাকে অভিনয়ের স্বপ্ন থেকে সরিয়ে দিতে পারেনি। বরং সংগ্রামের সেই সময়েও কাজ পাওয়ার অনিশ্চয়তার ভয়কে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে গেছেন তিনি। তার উপলব্ধি ছিল, একজন সংগ্রামী অভিনেতার মনে সবসময়ই থাকে—হয়তো এরপর আর কোনো কাজ পাওয়া যাবে না। তাই সুযোগ পেলে সেটিকে কাজে লাগিয়েই সামনে এগোতে হয়।

ক্যারিয়ারে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পর স্যান্ড্রা বুলক বুঝতে পারেন, একটি নির্দিষ্ট ঘরানার মধ্যে আটকে থাকলে অভিনেত্রী হিসেবে নিজের সামর্থ্য পুরোপুরি তুলে ধরা সম্ভব নয়। রোমান্টিক কমেডির মাধ্যমে জনপ্রিয়তা পেলেও একসময় এই পরিচিতিই তার জন্য সীমাবদ্ধতা হয়ে দাঁড়ায়।

১৯৯৫ সালের ‘হোয়াইল ইউ ওয়ার স্লিপিং’ ছবির মাধ্যমে রোমান্টিক কমেডিতে তার জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। এরপর ‘ফোর্সেস অব নেচার’, ‘টু উইকস নোটিশ’, ‘হোপ ফ্লোটস’ ও ‘মিস কনজেনিয়ালিটি’র মতো ছবিতে অভিনয় করে বড় তারকা হয়ে ওঠেন তিনি।

কিন্তু জনপ্রিয়তার সেই ধারার বাইরে নিজেকে প্রমাণ করতে মধ্য ২০০০-এর দশকে রোমান্টিক কমেডি থেকে বিরতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন স্যান্ড্রা। জেনিফার অ্যানিস্টনের সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি জানান, তখন সচেতনভাবেই মনে করেছিলেন—এবার তাকে অন্য ধরনের চরিত্রে কাজ করতে হবে।

এরপর ২০০৪ সালের ‘ক্রাশ’ ছবিতে ভিন্ন এক স্যান্ড্রা বুলককে দেখেন দর্শক। নাটকীয় এই ছবিতে অভিনয় করে তিনি প্রমাণ করেন, শুধু রোমান্টিক কমেডির অভিনেত্রী হিসেবে নয়, গুরুতর চরিত্রেও নিজের দক্ষতা দেখাতে পারেন তিনি।

‘ক্রাশ’ সেরা ছবির অস্কার জেতে। ছবিটিতে অভিনয়ের জন্য স্যান্ড্রা স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড অ্যাওয়ার্ডে সেরা সম্মিলিত অভিনয়ের পুরস্কারও পান।

পরবর্তী সময়ে আবারও রোমান্টিক কমেডিতে ফেরেন স্যান্ড্রা। ২০০৯ সালে রায়ান রেনল্ডসের সঙ্গে ‘দ্য প্রোপোজাল’ ছবিতে অভিনয় করেন। ছবিটি বক্স অফিসে বড় সাফল্য পায়। একই বছর মুক্তি পাওয়া ‘অল অ্যাবাউট স্টিভ’ অবশ্য প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি।

তবে ওই বছরই ‘দ্য ব্লাইন্ড সাইড’ ছবিতে অভিনয় করে ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় অর্জন পান স্যান্ড্রা। ছবিটির জন্য সেরা অভিনেত্রী হিসেবে অস্কার জেতেন তিনি।

এরপরও কমেডি ঘরানাকে পুরোপুরি বিদায় জানাননি এই অভিনেত্রী। ২০২২ সালে চ্যানিং ট্যাটামের সঙ্গে ‘দ্য লস্ট সিটি’ ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। মহামারির পর মুক্তি পাওয়া ছবিটি বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৯২ মিলিয়ন ডলার আয় করে বক্স অফিসে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পায়।

ক্যারিয়ারের শুরুতে অপমানজনক ও অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হলেও সেসব অভিজ্ঞতা পেছনে ফেলে নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে হলিউডে আলাদা অবস্থান তৈরি করেছেন স্যান্ড্রা বুলক।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম