খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৩০ আশ্বিন, ১৪৩৩

বিশ্বম্ভরপুরে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে সরকারি নির্দেশনা অনুসরণের তাগিদ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিশ্বম্ভরপুরে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে সরকারি নির্দেশনা অনুসরণের তাগিদ

ছবি যোগফল

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের আওতায় পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ নিয়ে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের মধ্যে প্রাথমিকভাবে ফতেপুর ও সলুকাবাদ ইউনিয়নের ছয়টি ওয়ার্ডে তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের নির্দেশক্রমে ইউনিয়ন দুটির ১, ৩ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ড নির্বাচন করা হয়েছে বলে সভায় জানানো হয়।

সোমবার (১২ অক্টোবর) বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা পরিষদের সম্মেলনকক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে এ অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের উদ্দেশ্য, তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি, তথ্যের নির্ভুলতা এবং স্বচ্ছ যাচাই-বাছাইয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সখিনা আক্তার, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. নুর উদ্দিন মাহমুদ এবং ইউনিয়ন সমাজকর্মী মো. আলমগীর ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

সভায় জানানো হয়, নির্ধারিত ফরম ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে নির্বাচিত ওয়ার্ডগুলোর পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এ ক্ষেত্রে পরিবারের সদস্যসংখ্যা, পরিচয়, বয়স, পেশা, আয়, বসতবাড়ির অবস্থা, জমির মালিকানা ও অন্যান্য আর্থসামাজিক তথ্য সংগ্রহ করা হবে। সংগৃহীত তথ্য পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি নির্দেশনা ও নীতিমালা অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করা হবে।

বক্তারা বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের সুষ্ঠু বাস্তবায়নে সঠিক ও নির্ভুল তথ্য সংগ্রহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তথ্য প্রদানকারীদের প্রকৃত তথ্য দিতে হবে। কোনো তথ্য গোপন করা বা ভুল তথ্য দেওয়ার কারণে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। তাই দায়িত্বপ্রাপ্ত তথ্য সংগ্রহকারীদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তাঁরা আরও বলেন, তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাইয়ের প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। কোনো ধরনের অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি কিংবা রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের সুযোগ রাখা যাবে না। সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করে প্রকৃত তথ্যের ভিত্তিতে পরিবারগুলোর আর্থসামাজিক অবস্থা নিরূপণ করতে হবে।

সভায় আরও উল্লেখ করা হয়, তথ্য সংগ্রহের অর্থই ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার নিশ্চয়তা নয়। নির্ধারিত নীতিমালা ও যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

সভায় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মো. আশিকুর রহমান আশিক, প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক মদিনা আক্তার, মো. আব্দুল হাইসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বিশ্বম্ভরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি স্বপন কুমার বর্মন, সাংবাদিক মিজানুর রহমান, মো. শুকুর আলীসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা সভায় অংশ নেন।

ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমে তথ্য সংগ্রহের দায়িত্বে নিয়োজিত সুপারভাইজার খাদিজা আক্তার এবং তথ্য সংগ্রহকারী সাব্বির আহমেদ, ঝরনা আক্তার ও মো. মোজাম্মেল হোসেন সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সভা থেকে ফতেপুর ও সলুকাবাদ ইউনিয়নের নির্বাচিত ওয়ার্ডগুলোর বাসিন্দাদের দায়িত্বপ্রাপ্ত তথ্য সংগ্রহকারীদের প্রয়োজনীয় ও সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়। সংশ্লিষ্টদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই কার্যক্রম স্বচ্ছ, নির্ভুল ও গ্রহণযোগ্যভাবে সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

পাইকগাছায় স্কাউট সমাবেশ পরিদর্শনে এমপি আবুল কালাম আজাদ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৫৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় স্কাউট সমাবেশ পরিদর্শনে এমপি আবুল কালাম আজাদ

ছবি যোগফল

এম. জালাল উদ্দীন | পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি :

খুলনার পাইকগাছায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ৭ম উপজেলা স্কাউট সমাবেশ-২০২৬। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে পাইকগাছা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ সমাবেশ ও প্যারেড পরিদর্শন করেন খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রা) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মাওলানা আবুল কালাম আজাদ।

প্রধান অতিথি হিসেবে সমাবেশে উপস্থিত হয়ে সংসদ সদস্য উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে আগত স্কাউটদের কুচকাওয়াজ ও প্যারেড উপভোগ করেন। এ সময় স্কাউটদের শৃঙ্খলা, দক্ষতা ও অংশগ্রহণে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেন, “শিশু-কিশোর ও তরুণ প্রজন্মের সুস্থ মেধা ও মানসিক বিকাশে স্কাউটের ভূমিকা অপরিসীম। স্কাউটিং তরুণদের আত্মনির্ভরশীল, দেশপ্রেমিক ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।”

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আজহারুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রওশানারা পারভীন, একাডেমিক সুপারভাইজার মীর নূরে আলম সিদ্দিকী, জেলা সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা গোলাম সরোয়ার, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ্ব মাওলানা আমিনুল ইসলাম, জেলা ইউনিট সদস্য সহকারী অধ্যাপক আব্দুল মোমিন সানা, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা সাঈদুর রহমান, নায়েবে আমির মাওলানা জিএম বুলবুল আহমেদ, সেক্রেটারি মাওলানা আলতাফ হোসেন ও জামায়াত নেতা এ্যাডঃ মোর্তজা জামান আলমগীর রুলুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ।

এ ছাড়া বাংলাদেশ স্কাউটস পাইকগাছা উপজেলা শাখার কমিশনার মো. নুরুজ্জামান, উপজেলা কমিটির সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ আজহার আলী, উপজেলা শাখার সম্পাদক ও ডেপুটি কমিশনার রহিমা আখতার শম্পা, প্রোগ্রাম চিফ প্রদীপ কুমার শীল, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল আলীম গাজী, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দেবাশীষ সরদার, প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল ওহাব, জেলা স্কাউট লিডার মো. আব্দুল্লাহ হাওলাদারসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, স্কাউট লিডার ও শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

বাদঘাট বাজারে প্রশাসনের অভিযান নিয়ে আতঙ্ক কেন, তদন্ত চান সচেতন মহল

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৪২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাদঘাট বাজারে প্রশাসনের অভিযান নিয়ে আতঙ্ক কেন, তদন্ত চান সচেতন মহল

ছবি যোগফল

আমির হোসেন | সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক কেন্দ্র বাদাঘাট বাজারে প্রশাসনের অভিযানকে কেন্দ্র করে দোকানপাট বন্ধ রাখার অভিযোগ উঠেছে।

বিশেষ করে বাজারের ফার্মেসিগুলোর কার্যক্রম ও ওষুধ বিক্রির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। প্রশাসনের অভিযান চলাকালে দোকান বন্ধ রাখার অভিযোগের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান এবং বাজারের ওষুধের দোকানগুলোতে নিয়মিত তদারকির দাবি উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত কিংবা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়লে বাজারের কিছু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়। তবে কোন অভিযানে কতটি ফার্মেসি বন্ধ ছিল এবং কী কারণে সেগুলো বন্ধ রাখা হয়েছিল, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে প্রশাসনের অভিযানের সময় ফার্মেসি বন্ধ রাখার অভিযোগ ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি প্রশ্ন সামনে এসেছে। সংশ্লিষ্ট দোকানগুলোতে বৈধ ড্রাগ লাইসেন্স রয়েছে কি না, মেয়াদোত্তীর্ণ কিংবা অননুমোদিত ওষুধ মজুত বা বিক্রি করা হচ্ছে কি না এবং ওষুধ সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় নিয়মকানুন মানা হচ্ছে কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে।

এর আগেও বাদাঘাট বাজারে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। ২০২১ সালের ১৪ নভেম্বর বাজারের ওষুধ, মুদি ও কসমেটিকসসহ পাঁচটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে মোট ২১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

এ ছাড়া ২০২২ সালের ৮ ডিসেম্বর বাদাঘাট বাজারের চারটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ও মূল্যতালিকাসংক্রান্ত অনিয়মের কারণে মোট ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

সর্বশেষ পাওয়া প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর বাদাঘাট বাজারে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে একটি দোকানে অননুমোদিত খাদ্যপণ্য, মসলা, আয়ুর্বেদিক পণ্যসহ ক্ষতিকর সামগ্রী মজুত ও বিক্রির অপরাধে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

তবে এসব পুরোনো অভিযানের তথ্য দিয়ে বর্তমানে বাজারের সব ফার্মেসিতে অনিয়ম হচ্ছে বলে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। এ জন্য প্রয়োজন সরেজমিন পরিদর্শন, সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই এবং প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য।

সচেতন মহলের মতে, ওষুধ মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্যের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ফলে ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ, নকল কিংবা অনুমোদনহীন ওষুধ বিক্রির সুযোগ রয়েছে কি না, তা যাচাই করা জরুরি। একই সঙ্গে বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনাকারী ফার্মেসিগুলো যেন অযথা হয়রানির শিকার না হয়, সেদিকেও নজর রাখতে হবে।

এ অবস্থায় বাদাঘাট বাজারের সব ফার্মেসির ড্রাগ লাইসেন্স, ওষুধের মেয়াদ, সংরক্ষণব্যবস্থা এবং অনুমোদিত পণ্য বিক্রির বিষয়গুলো যাচাই করতে উপজেলা প্রশাসন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সমন্বিত অভিযান পরিচালনার দাবি উঠেছে।

পাশাপাশি প্রশাসনের অভিযানের সময় কোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বন্ধ রাখা হচ্ছে কি না, তা অনুসন্ধান করে প্রকৃত কারণ প্রকাশ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

কপোতাক্ষের ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি আবুল কালাম আজাদ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কপোতাক্ষের ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি আবুল কালাম আজাদ

ছবি যোগফল

এম জালাল উদ্দীন | পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি :

খুলনার পাইকগাছায় কপোতাক্ষ নদের ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। এ সময় নদীভাঙন রোধে জরুরি ও টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেন তিনি।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে উপজেলার হরিঢালী ইউনিয়নের মাহমুদকাটী খেয়াঘাটসংলগ্ন ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন সংসদ সদস্য। এ সময় তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং নদীভাঙনের কারণে সৃষ্ট দুর্ভোগের বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

পরিদর্শনকালে আবুল কালাম আজাদ বলেন, নদীভাঙন উপকূলীয় জনপদের মানুষের জীবন ও জীবিকার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত বিপর্যয়ের প্রভাবে বিভিন্ন এলাকায় নদীভাঙন তীব্র হচ্ছে। এতে কৃষিজমি ও বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে বহু পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ছে।

তিনি বলেন, সামনে ঘূর্ণিঝড়ের মৌসুম। এর আগেই নদীভাঙন প্রতিরোধে জরুরি ও টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। যথাসময়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। মাহমুদকাটীসহ আশপাশের ভাঙনকবলিত এলাকার মানুষের জানমাল ও সম্পদ রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন তিনি।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা গোলাম সরোয়ার, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ্ব মাওলানা আমিনুল ইসলাম, জেলা ইউনিট সদস্য সহকারী অধ্যাপক আব্দুল মোমিন সানা, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা সাঈদুর রহমান, নায়েবে আমীর মাওলানা জিএম বুলবুল আহমেদ, সেক্রেটারি মাওলানা আলতাফ হোসেন, ইউনিয়ন আমীর মাওলানা আতাউর রহমান, চেয়ারম্যান প্রার্থী মুফতি মাওলানা আব্দুল হান্নান ও ডা. কালিদাস রায়সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসী।