খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৩১ আশ্বিন, ১৪৩৩

টাঙ্গুয়ার হাওরে ঘুরতে গিয়ে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৩৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
টাঙ্গুয়ার হাওরে ঘুরতে গিয়ে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে ঘুরতে গিয়ে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মো. মনিরুজ্জামান মিয়া (৪৫) নামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতার মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে হাওরে নৌকায় থাকা অবস্থায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাঁকে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মৃত মনিরুজ্জামান মিয়া গৌরনদী পৌরসভা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোতালেব হোসেন মিয়ার ছেলে।

মনিরুজ্জামানের সফরসঙ্গী আগৈলঝাড়া উপজেলার বাসিন্দা জামাল সিকদার জানান, গত ১২ অক্টোবর গৌরনদী ও আগৈলঝাড়ার প্রায় ৩০ জনের একটি দল সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে ঘুরতে আসেন। তাঁদের সফরসঙ্গী ছিলেন মনিরুজ্জামান।

তিনি বলেন, বুধবার সকালে হাওরে নৌকায় বসে থাকা অবস্থায় হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন মনিরুজ্জামান। তাৎক্ষণিক তাঁকে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে মৃত মনিরুজ্জামানের পরিবারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁর মরদেহ নিয়ে সফরসঙ্গীরা গৌরনদীর উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ভেড়ামারায় দাস সম্প্রদায়ের শ্মশানের জন্য এক বিঘা খাসজমি দিল প্রশাসন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভেড়ামারায় দাস সম্প্রদায়ের শ্মশানের জন্য এক বিঘা খাসজমি দিল প্রশাসন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় দুর্গাপূজার আগেই হিন্দু ধর্মাবলম্বী দাস সম্প্রদায়ের জন্য শ্মশানঘাটের ব্যবস্থা করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আমিরুল আরাফাত। দীর্ঘ এক বছর ধরে সম্প্রদায়টির মানুষের মরদেহ দাহ কিংবা সমাহিত করার নির্দিষ্ট কোনো জায়গা ছিল না। অবশেষে দুই মাসের প্রচেষ্টায় প্রায় এক বিঘা খাসজমি বরাদ্দ দিয়ে তাঁদের শ্মশানের জায়গা বুঝিয়ে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাসুদেবপুর মৌজায় নির্ধারিত জমি সরেজমিনে গিয়ে দাস সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের বুঝিয়ে দেন ইউএনও আমিরুল আরাফাত ও উপজেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিদল। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারাও উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায় সূত্রে জানা গেছে, ভেড়ামারা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ঠাকুর দৌলতপুর এলাকায় দাস সম্প্রদায়ের প্রায় ৩৫ থেকে ৪০টি পরিবারের বসবাস। আরকান্দি মাধবপুরে তাঁদের একমাত্র শ্মশানঘাটটি গত বছর পদ্মা নদীর ভাঙনে বিলীন হয়ে যায়। এরপর থেকে সম্প্রদায়টির মানুষের মরদেহ দাহ বা সমাহিত করার জন্য নির্দিষ্ট কোনো জায়গা ছিল না।

শ্মশানঘাটের ব্যবস্থা করতে তাঁরা এর আগে একাধিকবার আবেদন করলেও বিভিন্ন কারণে শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি। পরে নতুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রায় দুই মাস আগে তাঁরা আবারও শ্মশানঘাটের জন্য আবেদন করেন। এরপর উপজেলা প্রশাসন জমি খোঁজার উদ্যোগ নেয়। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর বাসুদেবপুর মৌজায় প্রায় এক বিঘা খাসজমি তাঁদের ব্যবহারের জন্য বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা সুধীর দাস বলেন, “গত এক বছরে সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার বিষয় ছিল শ্মশানঘাট নিয়ে। আমাদের কেউ মারা গেলে তাঁকে মাটিচাপা দেওয়ার মতো এক ছটাক জমিও ছিল না। যাব কোথায়?”

তিনি আরও বলেন, “পূজার আগে উপজেলা প্রশাসন শ্মশানের ব্যবস্থা করায় আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। ভাগ্য ভালো, গত এক বছরে আমাদের কেউ মারা যাননি।”

ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিরুল আরাফাত বলেন, “দুই মাস আগে দাস সম্প্রদায়ের শ্মশানঘাট নেই জানতে পেরে তখন থেকেই উপজেলা প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দিয়েছি। এ কাজে জেলা প্রশাসকও সহযোগিতা করেছেন। সত্যিকার অর্থে সৃষ্টিকর্তার এই জমিনে মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল থাকবে না, এটা হতে পারে না।”

দীর্ঘদিনের এই সংকটের সমাধান হওয়ায় দাস সম্প্রদায়ের পরিবারগুলোর মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। দুর্গাপূজার আগে শ্মশানের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা পাওয়ায় তাঁরা উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

তুলি আক্তার / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

রাজাপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডকে মডেল ওয়ার্ড গড়তে চান মেম্বার প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রাজাপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডকে মডেল ওয়ার্ড গড়তে চান মেম্বার প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া

মেম্বার প্রার্থী গোলাম কিবরিয়

‎মনজুরুল ইসলাম | বেলকুচি, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: 

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে আসন্ন ২নং রাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ২নং ওয়ার্ড মাইঝাইলে লেগেছে উৎসবের আমেজ। সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় ও জনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন সহ-সভাপতি বেলকুচি উপজেলা জাসাস এবং উক্ত ওয়ার্ডের জনপ্রিয় মেম্বার পদপ্রার্থী মোঃ গোলাম কিবরিয়া।  
‎
‎​স্থানীয় জনগণের দাবি ও সমর্থনে প্রার্থী হওয়া মোঃ গোলাম কিবরিয়া এলাকার কৃষক, শ্রমিক এবং সর্বস্তরের খেটে খাওয়া মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, "মাইঝাইল ২নং ওয়ার্ডকে অবহেলা ও অবক্ষয় থেকে মুক্ত করে একটি আধুনিক ও মডেল ওয়ার্ডে রূপান্তর করাই আমার মূল লক্ষ্য।"
‎  
‎​ওয়ার্ডের সাধারণ ভোটার ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, বিশেষ করে কৃষক ও শ্রমিক শ্রেণির মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একজন সৎ, যোগ্য ও নিষ্ঠাবান প্রতিনিধির প্রয়োজন। এলাকার সুখে-দুঃখে যাকে পাশে পাওয়া যায়, সেই আস্থা থেকেই তারা মোঃ গোলাম কিবরিয়াকে মেম্বার পদে দেখতে চান।
‎  
‎​সংবাদ সম্মেলনে মোঃ গোলাম কিবরিয়া বলেন, "আমি জনসেবাকেই ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেছি। ২নং ওয়ার্ডের সুশীল সমাজ ও সর্বস্তরের জনগণ আমাকে যে ভালোবাসা ও সমর্থন দিচ্ছেন, তার মর্যাদা আমি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত রক্ষা করব।
‎
‎মেম্বার নির্বাচিত হলে, এই ওয়ার্ডের রাস্তাঘাট, শিক্ষা ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা ও খেটে খাওয়া মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাব এবং রাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ২ নং ওয়ার্ডকে সারা দেশের মধ্যে একটি দৃষ্টান্তমূলক মডেল হিসেবে গড়ে তুলব।
‎যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে ফিরে আনতে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করাই হবে আমার মূল লক্ষ্য।
‎
‎​প্রচার-প্রচারণায় তিনি সকল স্তরের সাধারণ মানুষের সার্বিক সহযোগিতা, দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করেছেন।  

টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের কার্যকরী পরিষদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৬:২১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের কার্যকরী পরিষদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

 আবু মুসা | টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি :

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের কার্যকরী পরিষদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর ২০২৬) বিকেল ৪টায় টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নতুন কার্যকরী পরিষদের নাম ঘোষণা করা হয়।

প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নুরুল হোসাইনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় কার্যকরী পরিষদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নুরুল হোসাইন। নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চলবে টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাব। 

অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নুরুল হোসাইন বলেন, টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাব ১৩ জানুয়ারি ২০২২ ইং তারিখ থেকে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সংগঠনের সভাপতি ও সদস্যদের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাব কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের অধীনে কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে না। সংগঠনটি নিজস্ব ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

তিনি আরও বলেন, টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের বিদ্যমান নাম, পরিচিতি ও সাংগঠনিক কার্যক্রম অক্ষুণ্ন রেখে সংগঠনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চায় সংগঠনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

কার্যকরী পরিষদে যারা দায়িত্ব পেয়েছেন
ঘোষিত কার্যকরী পরিষদে দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন-
১. প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি: নুরুল হোসাইন ২. সিনিয়র সহ-সভাপতি: নজরুল ইসলাম ৩. সহ-সভাপতি: মো. কলিম ৪. সাধারণ সম্পাদক: ফরহাদ রহমান ৫. সহ-সাধারণ সম্পাদক (১) মো. আফতাব হোসেন আশিক ৬. সহ-সাধারণ সম্পাদক (২) মো. শফিক ৭. সাংগঠনিক সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন সাজ্জাদ ৮. মহিলা বিষয়ক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস ৯. অর্থ সম্পাদক মোজাম্মেল হক ১০. দপ্তর সম্পাদক সালাহ উদ্দিন আহমেদ ১১. সাংস্কৃতিক সম্পাদক রহমত উল্লাহ ১২. প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সুলতান আহমদ ১৩. ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শাব্বির আহমদ ১৪. তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন ১৫. আইন বিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম ১৬. যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক মো. হোসাইন ১৭. নির্বাহী সদস্য (১) রাসেল মির্জা ১৮. নির্বাহী সদস্য (২) আবু মুসা ১৯. সদস্য মো. রশিদ ২০. সদস্য মাজিবুল হক ২১. সদস্য আব্দুল্লাহ আল নোমান ২২. সদস্য জসিম উদ্দিন।

সাংবাদিকদের অধিকার ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় গুরুত্ব টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য ও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার চর্চা এবং জনস্বার্থে সত্যনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের লক্ষ্যে সংগঠনটি কাজ করে যাবে।

একই সঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্বশীলতা, নৈতিকতা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখতে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে প্রেসক্লাবটি।
নতুন কার্যকরী পরিষদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা সংগঠনের সভাপতি ও সদস্যদের সম্মিলিত সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের প্রকাশ বলে জানানো হয়।

এ সময় সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ রহমান ও সাংগঠনিক সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন সাজ্জাদ সংগঠনের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম, সাংবাদিকদের ঐক্য এবং পেশাগত মানোন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।