খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৩১ আশ্বিন, ১৪৩৩

ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৯২০

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৫৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৯২০

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৯২০ জন। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩২১ জনে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ১ লাখ ৫ হাজার ৩১৬ জন। তাঁদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৯৯ হাজার ২০১ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগভিত্তিক হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা হলো—বরিশাল বিভাগে ২১৫, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৫৬, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪১৩, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৭০, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২৪১, খুলনা বিভাগে ২৫৪, ময়মনসিংহ বিভাগে ১১৪, রাজশাহী বিভাগে ১৭০, রংপুর বিভাগে ৭০ এবং সিলেট বিভাগে ১৭ জন।

এর আগে, ২০২৫ সালে দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন। ওই বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছিল ৪১৩ জনের। ২০২৪ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মারা যান ৫৭৫ জন।

অন্যদিকে, ২০২৩ সালে দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করে। ওই বছর ডেঙ্গুতে ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয় এবং হাসপাতালে ভর্তি হন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

রাজাপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডকে মডেল ওয়ার্ড গড়তে চান মেম্বার প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রাজাপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডকে মডেল ওয়ার্ড গড়তে চান মেম্বার প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া

মেম্বার প্রার্থী গোলাম কিবরিয়

‎মনজুরুল ইসলাম | বেলকুচি, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: 

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে আসন্ন ২নং রাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ২নং ওয়ার্ড মাইঝাইলে লেগেছে উৎসবের আমেজ। সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় ও জনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন সহ-সভাপতি বেলকুচি উপজেলা জাসাস এবং উক্ত ওয়ার্ডের জনপ্রিয় মেম্বার পদপ্রার্থী মোঃ গোলাম কিবরিয়া।  
‎
‎​স্থানীয় জনগণের দাবি ও সমর্থনে প্রার্থী হওয়া মোঃ গোলাম কিবরিয়া এলাকার কৃষক, শ্রমিক এবং সর্বস্তরের খেটে খাওয়া মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, "মাইঝাইল ২নং ওয়ার্ডকে অবহেলা ও অবক্ষয় থেকে মুক্ত করে একটি আধুনিক ও মডেল ওয়ার্ডে রূপান্তর করাই আমার মূল লক্ষ্য।"
‎  
‎​ওয়ার্ডের সাধারণ ভোটার ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, বিশেষ করে কৃষক ও শ্রমিক শ্রেণির মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একজন সৎ, যোগ্য ও নিষ্ঠাবান প্রতিনিধির প্রয়োজন। এলাকার সুখে-দুঃখে যাকে পাশে পাওয়া যায়, সেই আস্থা থেকেই তারা মোঃ গোলাম কিবরিয়াকে মেম্বার পদে দেখতে চান।
‎  
‎​সংবাদ সম্মেলনে মোঃ গোলাম কিবরিয়া বলেন, "আমি জনসেবাকেই ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেছি। ২নং ওয়ার্ডের সুশীল সমাজ ও সর্বস্তরের জনগণ আমাকে যে ভালোবাসা ও সমর্থন দিচ্ছেন, তার মর্যাদা আমি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত রক্ষা করব।
‎
‎মেম্বার নির্বাচিত হলে, এই ওয়ার্ডের রাস্তাঘাট, শিক্ষা ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা ও খেটে খাওয়া মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাব এবং রাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ২ নং ওয়ার্ডকে সারা দেশের মধ্যে একটি দৃষ্টান্তমূলক মডেল হিসেবে গড়ে তুলব।
‎যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে ফিরে আনতে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করাই হবে আমার মূল লক্ষ্য।
‎
‎​প্রচার-প্রচারণায় তিনি সকল স্তরের সাধারণ মানুষের সার্বিক সহযোগিতা, দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করেছেন।  

টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের কার্যকরী পরিষদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৬:২১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের কার্যকরী পরিষদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

 আবু মুসা | টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি :

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের কার্যকরী পরিষদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর ২০২৬) বিকেল ৪টায় টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নতুন কার্যকরী পরিষদের নাম ঘোষণা করা হয়।

প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নুরুল হোসাইনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় কার্যকরী পরিষদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নুরুল হোসাইন। নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চলবে টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাব। 

অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নুরুল হোসাইন বলেন, টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাব ১৩ জানুয়ারি ২০২২ ইং তারিখ থেকে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সংগঠনের সভাপতি ও সদস্যদের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাব কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের অধীনে কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে না। সংগঠনটি নিজস্ব ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

তিনি আরও বলেন, টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের বিদ্যমান নাম, পরিচিতি ও সাংগঠনিক কার্যক্রম অক্ষুণ্ন রেখে সংগঠনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চায় সংগঠনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

কার্যকরী পরিষদে যারা দায়িত্ব পেয়েছেন
ঘোষিত কার্যকরী পরিষদে দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন-
১. প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি: নুরুল হোসাইন ২. সিনিয়র সহ-সভাপতি: নজরুল ইসলাম ৩. সহ-সভাপতি: মো. কলিম ৪. সাধারণ সম্পাদক: ফরহাদ রহমান ৫. সহ-সাধারণ সম্পাদক (১) মো. আফতাব হোসেন আশিক ৬. সহ-সাধারণ সম্পাদক (২) মো. শফিক ৭. সাংগঠনিক সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন সাজ্জাদ ৮. মহিলা বিষয়ক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস ৯. অর্থ সম্পাদক মোজাম্মেল হক ১০. দপ্তর সম্পাদক সালাহ উদ্দিন আহমেদ ১১. সাংস্কৃতিক সম্পাদক রহমত উল্লাহ ১২. প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সুলতান আহমদ ১৩. ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শাব্বির আহমদ ১৪. তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন ১৫. আইন বিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম ১৬. যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক মো. হোসাইন ১৭. নির্বাহী সদস্য (১) রাসেল মির্জা ১৮. নির্বাহী সদস্য (২) আবু মুসা ১৯. সদস্য মো. রশিদ ২০. সদস্য মাজিবুল হক ২১. সদস্য আব্দুল্লাহ আল নোমান ২২. সদস্য জসিম উদ্দিন।

সাংবাদিকদের অধিকার ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় গুরুত্ব টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য ও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার চর্চা এবং জনস্বার্থে সত্যনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের লক্ষ্যে সংগঠনটি কাজ করে যাবে।

একই সঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্বশীলতা, নৈতিকতা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখতে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে প্রেসক্লাবটি।
নতুন কার্যকরী পরিষদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা সংগঠনের সভাপতি ও সদস্যদের সম্মিলিত সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের প্রকাশ বলে জানানো হয়।

এ সময় সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ রহমান ও সাংগঠনিক সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন সাজ্জাদ সংগঠনের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম, সাংবাদিকদের ঐক্য এবং পেশাগত মানোন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

নরসিংদীর গর্ব হাতবিহীন "দুঃখু মিয়া " অদম্য মনোবলে জ্বালিয়েছেন শিক্ষার আলো

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৯:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নরসিংদীর গর্ব হাতবিহীন "দুঃখু মিয়া " অদম্য মনোবলে জ্বালিয়েছেন শিক্ষার আলো

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আবুনাঈম রিপন | নরসিংদী থেকে :

নরসিংদী সহ সারা বাংলাদেশের মানুষ ও দেশের প্রধানমন্ত্রী দৃষ্টি গোচর হওয়াতে ভাগ্যের চাকা খুলে গেল, যার জন্ম থেকেই দুই হাত নেই। তবু শারীরিক সীমাবদ্ধতাকে জয় করে অদম্য ইচ্ছাশক্তি ও আত্মবিশ্বাসের বলিয়ান, পা দিয়ে লিখে পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন নরসিংদীর আলতাফ হোসেন, যিনি সবার কাছে পরিচিত ‘দুঃখু মিয়া’ নামে। চাকরি না পেয়ে থেমে যাননি তিনি; নিজের পৈতৃক জমিতে প্রতিষ্ঠা করেছেন ‘প্রতিভা দুঃখু মিয়া কিন্ডারগার্টেন’। তাঁর এই উদ্যোগে আজ শিশুরা পাচ্ছে শিক্ষার সুযোগ, দেখছে সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন।

হাতবিহীন,দুঃখু মিয়ার এই জীবনসংগ্রাম ও মহতী উদ্যোগের প্রতি সহমর্মিতা ও অনুপ্রেরণা জানিয়েছেন গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের  প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এমপি। তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে প্রধানমন্ত্রী তাঁর উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা দেন। প্রধানমন্ত্রীর এই আন্তরিকতা দুঃখু মিয়ার স্বপ্নপূরণের পথে নিঃসন্দেহে এক অনন্য প্রেরণার উৎস।

গত ১২ অক্টোবর ২০২৬ সকালে নরসিংদী সদর উপজেলার নগর পাঁচদোনা এলাকায় অবস্থিত বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন নরসিংদীর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট,ইসরাত জাহান কেয়া। এ সময় তিনি বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম, শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পরিবেশ এবং দুঃখু মিয়ার জীবনসংগ্রাম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

পরিদর্শনকালে সরকারের পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিদ্যালয়ের ১৪৫ জন শিক্ষার্থীর প্রত্যেকের হাতে একটি করে গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্কুলব্যাগ, খেলার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিদ্যালয়টির জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়। বিদ্যালয়টির পাঠদানের অনুমতি এবং নিবন্ধন  প্রাপ্তির লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন প্রয়োজনীয় উদ্যোগও গ্রহণ করেছে। 

জেলা প্রশাসক বলেন, “আলতাফ হোসেন দুঃখু মিয়া শুধু নরসিংদীর গর্ব নন, তিনি সারা দেশের গর্ব। তাঁর অদম্য মনোবল আমাদের সকলের জন্য অনুপ্রেরণার।" বিদ্যালয়টির অবকাঠামোগত ও শিক্ষাগত উন্নয়ন এবং ভবিষ্যতে এটিকে উচ্চবিদ্যালয়ে রূপান্তরের সম্ভাবনা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের আশ্বাসও তিনি প্রদান করেন। 

দুঃখু মিয়ার এই উদ্যোগ কেবল একজন মানুষের ব্যক্তিগত স্বপ্ন নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে ১৪৫টি শিশুর শিক্ষাজীবন, তাদের পরিবারের প্রত্যাশা এবং একটি এলাকার সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ। প্রয়োজন যথাযথ সহযোগিতা, পরিকল্পিত উদ্যোগ ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা—যাতে এই ছোট্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি একদিন আরও বৃহৎ পরিসরে শিক্ষার আলো ছড়াতে পারে।

দুঃখু মিয়ার জীবন আমাদের শেখায়—শারীরিক সীমাবদ্ধতা স্বপ্নের সীমা হতে পারে না; প্রতিকূলতা কখনোই অদম্য ইচ্ছাশক্তির চেয়ে বড় নয়। আসুন, তাঁর পাশে দাঁড়াই, শিশুদের শিক্ষার পথ সুগম করি এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গড়ে তুলি একটি মানবিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শিক্ষাবান্ধব বাংলাদেশ।