খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১ কার্তিক, ১৪৩৩

সিদ্ধিরগঞ্জে সাহেব আলী হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার, পিস্তল উদ্ধার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে শীর্ষ সন্ত্রাসী সাহেব আলী (৪০) হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. রনিকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি। এ সময় একটি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এসআরবির দাবি, উদ্ধার করা অস্ত্রটি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহার করা হয়েছিল।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় এসআরবি-১১। এর আগে বৃহস্পতিবার ভোরে এসআরবি-১১ ও ৮-এর যৌথ দল শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ থানার শাহজাহানপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে রনিকে গ্রেপ্তার করে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১২ অক্টোবর বিকেল পৌনে ৬টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের আটি ওয়াবদা কলোনির ইত্তেহাদ টাওয়ারের সামনে অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি হয়। এ সময় সাহেব আলীকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি সড়কের পাশের একটি খালে পড়ে গেলে সেখানেও তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়।

পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়।

এসআরবি জানায়, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে সাহেব আলীকে লক্ষ্য করে রনিকে গুলি চালাতে দেখা যায় বলে দাবি করেছে সংস্থাটি। গোয়েন্দা তথ্য ও ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে তাঁর অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রনি হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের আটি ওয়াবদা কলোনিতে তাঁর বাসায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

এর আগে গত ১৩ অক্টোবর একই মামলার এজাহারভুক্ত তিন নম্বর আসামি সাব্বিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি। রনিকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

কক্সবাজারে কালবেলার চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, পুলিশ-সাংবাদিক সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কক্সবাজারে কালবেলার চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, পুলিশ-সাংবাদিক সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে দেশের পাঠকপ্রিয় দৈনিক কালবেলার চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) আয়োজিত অনুষ্ঠানে পুলিশ ও সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয়, সহযোগিতা ও গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান।

তিনি বলেন, পুলিশ ও সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় ও সহযোগিতা থাকলে একটি সুন্দর, নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

সাংবাদিকতার গুরুত্ব তুলে ধরে পুলিশ সুপার বলেন, সাংবাদিকতা সমাজের দর্পণ। বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, অনিয়ম-অসংগতি চিহ্নিত করা এবং প্রশাসনের জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব।

কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালী, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন বাহারী, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির জেলা ইউনিটের সদস্যসচিব অধ্যাপক আজিজুর রহমান, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ জসিম উদ্দিন, সাংবাদিক নেতা সাফওয়ানুল করিম ও শামসুল হক শারেক। স্বাগত বক্তব্য দেন কালবেলার কক্সবাজার প্রতিনিধি এম আর মাহবুব।

বক্তারা বলেন, ব্যতিক্রমী ও মানসম্মত সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যে গণমাধ্যমে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে দৈনিক কালবেলা। পত্রিকাটি দেশজুড়ে পাঠকের মধ্যে সাড়া ফেলেছে। এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে কালবেলা আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।

বক্তারা কক্সবাজারের পর্যটনশিল্পের বিকাশ ও সম্ভাবনা তুলে ধরতে কালবেলার আরও কার্যকর ভূমিকা প্রত্যাশা করেন। একই সঙ্গে কক্সবাজারের সন্তান কালবেলার সম্পাদক সন্তোষ শর্মার প্রতিও বিভিন্ন প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন তাঁরা।

অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে অতিথিরা কেক কেটে দৈনিক কালবেলার চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেন এবং পত্রিকাটিকে শুভেচ্ছা জানান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও বিশিষ্ট আইনজীবী আবু সিদ্দিক ওসমানী, প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকরাম চৌধুরী টিপু, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সাধারণ সম্পাদক এসএম জাফর, টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এম আর খোকন, বিশিষ্ট স্থপতি সাহেদ সালাহউদ্দিন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সহসভাপতি হারুনর রশিদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব সরওয়ার রোমন, আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদের জেলা সভাপতি নাছির উদ্দীন বাচ্চু ও সাধারণ সম্পাদক মোর্শেদ আলম।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন এনজিও ব্যক্তিত্ব জাহাঙ্গীর আলম, ব্যবসায়ী নেতা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, চ্যানেল আইয়ের স্টাফ রিপোর্টার সরওয়ার আজম মানিক, আরটিভির স্টাফ রিপোর্টার সাইফুর রহীম শাহীন, মোহনা টিভির আমানুল হক বাবুল, আলোকিত বাংলাদেশের স্টাফ রিপোর্টার এএইচ সেলিম উল্লাহ, দৈনিক ইত্তেফাকের জেলা প্রতিনিধি সায়ীদ আলমগীর, এসএ টিভির প্রতিনিধি আহসান সুমন, সিবিএনের নির্বাহী সম্পাদক ইমাম খাইর, সাংবাদিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহেদ মিজান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এম. বেদারুল আলম এবং সদস্য জসিম উদ্দিন সিদ্দিকী।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন যুগান্তরের জেলা প্রতিনিধি জসিম উদ্দিন, সাংবাদিক নেতা হুমায়ুন সিকদার ও আজিজ রাসেল, স্টার নিউজের প্রতিনিধি মুহিবুল্লাহ মুহিব, চ্যানেল ওয়ানের প্রতিনিধি এফএম সুমন, চ্যানেল নাইনের প্রতিনিধি শেখ সেলিম, কালবেলার মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি রিয়াদ ফয়সাল, সিজেএনের বার্তা সম্পাদক অন্তর দে বিশাল, কালবেলার চকরিয়া প্রতিনিধি মনিরুল আমিন ও মাতামুহুরি প্রতিনিধি জুলফিকার ভূট্টোসহ স্থানীয় সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ধামরাইয়ে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে ৫ শিশু আহত, আইসিইউতে এক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ধামরাইয়ে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে ৫ শিশু আহত, আইসিইউতে এক

যোগফল প্রতিবেদক:

ঢাকার ধামরাইয়ে নির্মাণাধীন একটি অরক্ষিত ভবনের ছাদ থেকে পড়ে পাঁচ শিশু আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে আল আমিন হোসেন নামে এক শিশুর অবস্থা গুরুতর। মাথা ফেটে যাওয়া ও হাত-পা ভাঙা অবস্থায় তাকে ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে ধামরাইয়ের বাগনগর মডেল টাউন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আল আমিনের বাবা বিপ্লব হোসেন ও মা খাদিজা বেগম দুজনই পোশাকশ্রমিক। তারা ধামরাই পৌরসভার পাঠানটুলা মহল্লায় একটি ভাড়া বাসায় থাকেন। তাদের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাগনগর মডেল টাউন এলাকায় সাইদুর রহমান একটি বহুতল ভবন নির্মাণ করছেন। ভবনটিতে কোনো নিরাপত্তাবেষ্টনী নেই। ছাদে ওঠার সিঁড়িও অরক্ষিত এবং ছাদের চারপাশে কোনো সুরক্ষাবেষ্টনী নেই।

শুক্রবার আল আমিনসহ সাত শিশু ওই ভবনের ছাদে খেলাধুলা করছিল। এ সময় পাঁচ শিশু ছাদ থেকে নিচে পড়ে আহত হয়। পরে আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।

এ বিষয়ে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা খান বলেন, নিরাপত্তাবেষ্টনী ছাড়া ভবন নির্মাণের নিয়ম নেই। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

জামায়াতের সঙ্গে আদর্শিক মতপার্থক্য, এনসিপি ছাড়লেন কেন্দ্রীয় সংগঠক আব্দুর রহমান

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জামায়াতের সঙ্গে আদর্শিক মতপার্থক্য, এনসিপি ছাড়লেন কেন্দ্রীয় সংগঠক আব্দুর রহমান

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আদর্শিক মতপার্থক্যের কারণে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) মো. আব্দুর রহমান পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে দলের আহ্বায়ক বরাবর পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। পরে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পদত্যাগপত্রটি প্রকাশ করেন তিনি।

পদত্যাগপত্রে আব্দুর রহমান উল্লেখ করেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় গণতন্ত্র, সুশাসন ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা নিয়ে তিনি এনসিপিতে যোগ দিয়েছিলেন। তবে দলের নির্বাচনী ও নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক অবস্থান, সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং রাজনৈতিক আদর্শ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তিনি হতাশ হয়েছেন।

তিনি অভিযোগ করেন, স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে এনসিপির নির্বাচনী ও রাজনৈতিক জোটের ফলে কেন্দ্র থেকে ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত জামায়াতের আদর্শের বিস্তার ঘটছে। এ কারণে তিনি দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। জামায়াতের সঙ্গে জোটের প্রশ্নে এনসিপির অনেক প্রতিষ্ঠাকালীন মেধাবী, পরিশ্রমী ও সম্ভাবনাময় নেতাও দল ছেড়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

আব্দুর রহমান আরও বলেন, জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির রাজনৈতিক জোট হলেও দুই দলের আদর্শিক অবস্থান এক হবে না—এমন ধারণা থেকেই তিনি এতদিন দলের সঙ্গে ছিলেন। কিন্তু দিন দিন দুই পক্ষের রাজনৈতিক ও আদর্শিক অবস্থান একাকার হয়ে যাচ্ছে। একজন কর্মী হিসেবে বিষয়টি তাঁর মৌলিক আদর্শ ও চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেন তিনি।

পদত্যাগপত্রে সহকর্মীদের আচরণ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন আব্দুর রহমান। তিনি জানান, গত ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট শেয়ার করেছিলেন। ওই পোস্টের পর সহকর্মীদের কেউ কেউ তাঁকে ‘মুজিববাদী’ আখ্যা দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এতে তাঁর মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং সহকর্মীদের প্রতি অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বলেও দাবি করেন আব্দুর রহমান।

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা নিয়ে এনসিপিতে যুক্ত হয়েছিলেন। কিন্তু দলের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান তাঁর প্রত্যাশার সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ মনে হওয়ায় তিনি দলটির সঙ্গে পথচলা শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তবে ভবিষ্যতে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় এনসিপি ঐতিহাসিক ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি।

আব্দুর রহমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর-১ আসনে এনসিপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত জোটের মনোনীত প্রার্থীকে সমর্থন জানান। বর্তমানে তিনি স্ত্রীকে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করছেন।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম