খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৩ কার্তিক, ১৪৩৩

দেশের আট বিভাগে দ্রুত ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব স্থাপন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দেশের আট বিভাগে দ্রুত ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব স্থাপন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সাইবার অপরাধ, ডিজিটাল প্রতারণা ও অনলাইন আর্থিক জালিয়াতি দমনে দেশের আটটি বিভাগীয় সদরে দ্রুত ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষাগার স্থাপন করবে সরকার। একই সঙ্গে কেন্দ্র থেকে জেলা ও উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত পুলিশের ডিজিটাল তদন্ত সক্ষমতা বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ লাইন্সের দামপাড়ায় সাইবার পুলিশ কেন্দ্র ও ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষাগারের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের সরকারের সহযোগিতায় নির্মিত ভবন ও পরীক্ষাগার পুলিশের অপরাধ তদন্তে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়াবে। নতুন পরীক্ষাগারটি অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) নেতৃত্বে পরিচালিত হবে। তবে ডিজিটাল আলামত বিশ্লেষণ ও পরীক্ষার ক্ষেত্রে পুলিশের বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সমন্বয় থাকবে।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে আটটি বিভাগীয় সদর দপ্তরে আমরা খুব দ্রুত ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব স্থাপন করব। আমরা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চেয়েছি। কোরীয় সরকারের সহযোগিতা আজকেও আমরা চেয়েছি আমাদের এই ফরেনসিক ল্যাবগুলো প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে।’

সাইবার অপরাধের বিস্তার তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বর্তমান বিশ্বে অপরাধের ধরন পাল্টেছে। সাইবার স্পেস ব্যবহার করে প্রতারণা থেকে শুরু করে শেয়ারবাজারে কারসাজির মতো অপরাধও সংঘটিত হচ্ছে। এসব অপরাধ প্রতিরোধ ও দমনে ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষাগারের বিকল্প নেই।

সাইবার পুলিশ ইউনিটের কার্যক্রম শুরু

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশ সাইবার ইউনিট গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গত ১ অক্টোবর থেকে ইউনিটটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। একজন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের নেতৃত্বে ইউনিটটি পরিচালিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, সাইবার পুলিশ ইউনিটের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের পাশাপাশি বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ডিজিটাল বিশ্লেষণের সক্ষমতা বাড়ানো হবে। অপরাধের ধরন ও প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পুলিশকে আধুনিক পরীক্ষাগার, প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম ও প্রয়োজনীয় উপকরণ দিয়ে প্রস্তুত করা হবে।

সিআইডির বিদ্যমান পরীক্ষাগার সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তাঁর ভাষ্য, সিআইডি প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই রাসায়নিক পরীক্ষাগার পরিচালনা করে আসছে। সেখানে বিভিন্ন নমুনা পরীক্ষা ও প্রতিবেদন তৈরির কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

বিচারপ্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার সঙ্গে পরীক্ষাগারের সক্ষমতার সম্পর্ক তুলে ধরে তিনি বলেন, মানুষের দ্রুত বিচারপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে বিভিন্ন ধরনের বিশ্লেষণ, সাক্ষ্যপ্রমাণ ও সংশ্লিষ্ট সনদ প্রয়োজন হয়।

প্রকল্পে ব্যয় ৫৯ কোটি টাকার বেশি

বাংলাদেশ পুলিশের ডিজিটাল তদন্ত ও সাইবার অপরাধ মোকাবিলার জাতীয় ও আঞ্চলিক সক্ষমতা বাড়াতে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য নিরাপদ সাইবার পরিসর’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোরীয় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (কোইকা) প্রকল্পটিতে সহায়তা দিচ্ছে।

২০২৩ সালের ১৮ এপ্রিল জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। একই বছরের ১৫ মে জারি করা হয় প্রশাসনিক আদেশ। প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৯ কোটি ৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকা।

প্রকল্পের আওতায় ১০ তলা ভবনের ভিত্তির ওপর চারতলা ভবন নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। পাশাপাশি সিআইডি সদর দপ্তরে সাইবার পুলিশ কেন্দ্র ও ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষাগারের সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। সাইবার অপরাধ তদন্তে দক্ষ জনবল তৈরির লক্ষ্যে ইতোমধ্যে তিনটি দেশীয় ও আটটি বিদেশি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে।

ডিজিটাল অপরাধ মোকাবিলায় বাড়ছে চ্যালেঞ্জ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও অপপ্রচার, পরিচয় জালিয়াতি, ভুয়া ওয়েবসাইট, আর্থিক প্রতারণা, অনলাইন হয়রানি, ডিজিটাল ব্ল্যাকমেল এবং ব্যক্তিগত তথ্য ও ছবি অননুমোদিতভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার মতো অপরাধ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য ক্রমেই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে।

অনলাইন ব্যাংকিং, মোবাইল আর্থিক সেবা, ই-কমার্স ও ডিজিটাল লেনদেনের বিস্তারের সঙ্গে এসব মাধ্যম ব্যবহার করে অর্থ আত্মসাৎ ও অবৈধ লেনদেনের ঝুঁকিও বাড়ছে। এক দেশ থেকে অন্য দেশের ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্য করে অপরাধ সংঘটন, একাধিক ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে অর্থ স্থানান্তর এবং ডিজিটাল আলামত মুছে ফেলা বা পরিবর্তনের কারণে তদন্ত আরও জটিল হয়ে উঠছে।

এ পরিস্থিতিতে অপরাধী শনাক্তকরণ, অর্থের গতিপথ অনুসরণ, ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চট্টগ্রামে সাইবার পুলিশ কেন্দ্র ও ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষাগারের কার্যক্রম এবং পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ ধরনের পরীক্ষাগার স্থাপনের উদ্যোগ তদন্তে পুলিশের সক্ষমতা বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পুলিশের কাজে বাধা দিলে আইনি ব্যবস্থা

অনুষ্ঠান শেষে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে সম্ভাব্য নাশকতা, বিরোধী দলের আন্দোলন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের চ্যালেঞ্জ ও পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সব বিষয়ে দায়িত্ব আছে, চ্যালেঞ্জ নাই।’

পুলিশের অভিযানে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপ এবং আসামি গ্রেপ্তারে বাধা দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, অপরাধ দমন করতে গিয়ে পুলিশ মাঝেমধ্যে হামলার শিকার হয়, এটি নতুন ঘটনা নয়। অপরাধীদের দমনে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘পুলিশ গ্রেপ্তার করতে গেলে কেউ যদি আসামিকে সহায়তা দিয়ে থাকে, সেই ক্ষেত্রেও আমরা যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেব, যদি আপনারা তথ্য দেন। আমরা আমাদের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রদূত কিম জি-জুন এবং চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। এ ছাড়া পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক সরদার নুরুল আমিন এবং কোইকার বাংলাদেশ কার্যালয়ের পরিচালক জি-হুন কিম উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ব্রাহ্মণপাড়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ব্রাহ্মণপাড়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১

ছবি যোগফল

সিমান্ত তালুকদার ।  কুমিল্লা

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার বাগড়া নোয়াপাড়া এলাকায় থানা পুলিশের অভিযানে ৬ কেজি গাঁজাসহ টিটু (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর কুমিল্লা থেকে বাগড়াগামী পাকা সড়কের পূর্ব পাশে বাগড়া নোয়াপাড়া এলাকায় আরএমসি ট্রেনিং সেন্টারের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামী মো: টিটু ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার রামচন্দ্রপুর এলাকার ওহিদ মেম্বারের বাড়ির সোনা মিয়ার ছেলে।

থানা পুলিশ সুত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার সন্ধার পর উপজেলার বাগড়াগামী পাকা সড়কের পূর্ব পাশে বাগড়া নোয়াপাড়া এলাকায় আরএমসি ট্রেনিং সেন্টারের সামনে থেকে ৬ কেজি গাজাসহ টিটু নামে এক মাদক ব্যাবসায়ীকে আটক করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক হোসেন জানান আটককৃত আসামীর বিরুদ্ধে থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের শেষে রবিবার দুপুরে কুমিল্লা আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ডব্লিউএইচওর পদ পেতে তথ্য জালিয়াতির অভিযোগ, পুতুলের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ডব্লিউএইচওর পদ পেতে তথ্য জালিয়াতির অভিযোগ, পুতুলের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

যোগফল প্রতিবেদক:

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক পদে নিয়োগ পেতে ব্যক্তিগত বৃত্তান্তে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার (১৮ অক্টোবর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে কমিশনের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান এ তথ্য জানান।

দুদকের তদন্তে বলা হয়েছে, ডব্লিউএইচওর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক পদে নিয়োগ পাওয়ার উদ্দেশ্যে সংস্থাটিতে জমা দেওয়া ব্যক্তিগত বৃত্তান্তে সাবেক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল, বর্তমানে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সম্মানিত বিশেষজ্ঞ’ হিসেবে কাজ করার মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দেন সায়মা ওয়াজেদ।

তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ন্যাশনাল অ্যাডভাইজরি কমিটি অন অটিজম অ্যান্ড নিউরোডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার এবং সূচনা ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি ডব্লিউএইচওর আঞ্চলিক পরিচালক পদে নিয়োগ পাওয়ার জন্য ওই তথ্য ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

দুদকের তদন্তে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাইয়ের সুযোগ না দিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট নথি পাঠানোর জন্য চাপ প্রয়োগ করা হয়। পরে জেনেভায় জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের মাধ্যমে ব্যক্তিগত বৃত্তান্ত ডব্লিউএইচওর সদর দপ্তরে পাঠানো হয়।

তদন্তে দাবি করা হয়েছে, ওই তথ্য ব্যবহার করেই ডব্লিউএইচওর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক পদে নিয়োগ পান সায়মা ওয়াজেদ। এসব কর্মকাণ্ডকে ক্ষমতার অপব্যবহার, রাষ্ট্রীয় সুনাম ক্ষুণ্ন করা এবং অপরাধমূলক অসদাচরণ হিসেবে উল্লেখ করেছে দুদক।

এ ঘটনায় গত বছরের ২০ মার্চ দুদকের ঢাকা-১ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলা করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন দুদকের প্রধান কার্যালয়ের মানিলন্ডারিং-১ শাখার উপপরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হক।

মামলায় দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৮ ও ৪৭১ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

তদন্তে পাওয়া তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ধারায় সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে দুদক। তবে চার্জশিটে আনা অভিযোগের বিষয়ে আদালতে বিচারিক প্রক্রিয়ায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়া সাপেক্ষেই তাঁর দায় নির্ধারিত হবে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বাংলাদেশের নারী টি-টোয়েন্টি দলের নতুন অধিনায়ক নাহিদা, সহ-অধিনায়ক সোবহানা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাংলাদেশের নারী টি-টোয়েন্টি দলের নতুন অধিনায়ক নাহিদা, সহ-অধিনায়ক সোবহানা

যোগফল প্রতিবেদক:

বাংলাদেশ নারী টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট দলের নতুন অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বাঁহাতি স্পিনার নাহিদা আক্তার। তাঁর সহ-অধিনায়ক করা হয়েছে ব্যাটার সোবহানা মোস্তারিকে। সাবেক অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি দায়িত্ব ছাড়ার পর নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

রোববার (১৮ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়কের নাম ঘোষণা করে বিসিবি।

এশিয়ান গেমসের আগেই নারী টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন নিগার সুলতানা জ্যোতি। এশিয়ান গেমসই ছিল অধিনায়ক হিসেবে তাঁর শেষ টুর্নামেন্ট। তাঁর জায়গায় এবার নেতৃত্বের দায়িত্ব পেলেন দলের অভিজ্ঞ স্পিনার নাহিদা আক্তার।

নারী টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি নাহিদা ইতোমধ্যে দেশের অন্যতম সেরা স্পিনার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর থেকে বাংলাদেশ নারী দলের হয়ে ১১৩টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলে ১৩২টি উইকেট নিয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে, সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পাওয়া সোবহানা মোস্তারিও ব্যাট হাতে ধারাবাহিকতার পরিচয় দিয়েছেন। ২০১৯ সালে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অভিষেকের পর থেকে বাংলাদেশের জার্সিতে ৭২টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি।

সম্প্রতি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এক হাজারের বেশি রান করা বাংলাদেশি নারী ব্যাটারদের বিশেষ তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন সোবহানা। নিগার সুলতানা জ্যোতি ও ফারজানা হকের পর বাংলাদেশের তৃতীয় নারী ক্রিকেটার হিসেবে এ মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।

নতুন নেতৃত্বে বাংলাদেশ নারী দলের সামনে পরবর্তী চ্যালেঞ্জ আইসিসি নারী ইমার্জিং নেশনস ট্রফি ২০২৬। আগামী ১২ থেকে ২৫ নভেম্বর এ টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। আসন্ন প্রতিযোগিতায় নাহিদা ও সোবহানার নেতৃত্বে মাঠে নামবে বাংলাদেশ নারী দল।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম