খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫ কার্তিক, ১৪৩৩

গোপালগঞ্জ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুলটি অস্তিত্ব সংকটে

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৩১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জ  প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুলটি অস্তিত্ব সংকটে

ছবিতে জীর্ণীশীর্ণ স্কুল ঘর

সাইফুল ইসলাম ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীরা ক্যাম্পাসের কোয়ার্টারে বসবাস করেন। তাদের সন্তানদের দূরের স্কুলে না পাঠিয়ে, ক্যাম্পাসের মধ্যেই মানসম্মত শিক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয় ।

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের চমৎকার ও নিরাপদ পরিবেশ শিশুদের মানসিক এবং সামাজিক বিকাশে সাহায্য করে। ক্যাম্পাসের বিশাল জায়গা, খেলার মাঠ এবং অন্যান্য অবকাঠামো ব্যবহারের মাধ্যমে স্থানীয় বা ভেতরের শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা সহজ হয়। এমন বিবেচনায়  ২০১৭ সালে  গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়  ক্যাম্পাসের লাইব্রেরীর পাশে মনোরম পরিবেশ একটি স্কুল যাত্রা শুরু করে । 

নাম দেওয়া হয় গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজ। তখন ১৬ জন শিক্ষক ও ৩ জন কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রথম বছর এখানে ৬৭৫ শিক্ষার্থী ভর্তি হয়। খোলা হয়নি কলেজ শাখা ।  

২০১৯ সালের পর শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন-ভাতা  বন্ধ হয়ে যায় । ২০২০ সালে ঢাকা বোর্ড থেকে  বিদ্যালয়টি পাঠদানের অনুমোদন পায়। পরে স্কুলটিকে ভিসির বাসভবনের পাশে স্থানান্তর করা হয় । 

তারপর থেকেই বিদ্যালয়টির সৌন্দয্য হারাতে থাকে। শ্রেণিকক্ষ সংকট, নিরাপদ খাবার পানির অভাব, স্যানিটেশন  ও পরিবহন সমস্যায় বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী কমতে থাকে । বর্তমানে এ বিদ্যালয়ের প্লে শ্রেণি থেকে ১০ম শ্রেণিতে মাত্র ১৬০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে।

৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী রুকাইয়া খানম বলে, আমি এখানে প্লে থেকে ৫ শ্রেণিতে পড়ছি। আমাদের বিদ্যালয়ের ভৌত অবকাঠানো ভাল নয়। ওয়াশ রুম ও নিরাপদ খাবার পানির সমস্যা রয়েছে। ভিসি স্যার আমাদের এ সমস্যা সমাধান করবেন বলে আমি প্রত্যাশা করছি।

৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফরিদুজ্জামান আহসাফ বলে, ওষাশ রুমের সাথে ঝোপ-জঙ্গল। সেখানে সাপ থাকে । ভয় লাগে। এছাড়া বৃষ্টি হলে ক্লাস রুমের চাল দিয়ে পানি পড়ে।

৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিয়ান বলে, খেলার মাঠ নেই। রোদে প্রচন্ড গরমের মধ্যে ক্লাস করতে হয়। বৃষ্টি হলে টিনের চাল দিয়ে পানি পড়ে ভিজে যাই । খুব কষ্ট করে ক্লাস করি। স্কুলে  খেলার মাঠ নেই। শ্রেণি কক্ষের অবস্থা খুব খারাপ। তাই স্কুলের খেলার মাঠ ও নতুন ভবন চাই।

প্রাক প্রাথমিকের তাইবুল্লাহ রোহান ও প্লে শ্রেণির শিক্ষার্থী আশিকুল্লাহর মা তাসলিমা বেগম বলেন, এখানে শিক্ষকরা আন্তরিকতার সাথে পাঠদান করেন। তারা শিশুদের সুন্দরভাবে টেক কেয়ার করেন। তাদের কারণেই ২ ছেলেকে  এখান থেকে নিয়ে অন্য স্কুলে দেইনি। তারা এখানেই  পড়ছে । 

৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী আব্দুর রহিমের মা সায়লা জামান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের চমৎকার ও নিরাপদ পরিবেশ শিশুদের মানসিক এবং সামাজিক বিকাশে সাহায্য করে। এ কারণে এখানে সন্তানকে ভর্তি করিয়েছে। কিন্তু এখানে সুযোগ সুবিধিার তুলনায় সমস্যা অনেক বেশি । এক কক্ষে একই সাথে ২টি ক্লাস নেওয়া হয়। ক্লাসে পর্যাপ্ত ফ্যান নেই। আর অন্যান্য সমস্যাতো রয়েছেই।

বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মো: নাজমুল ইসলাম নাহিদ বলেন, আমি এ স্কুল থেকে এসএসসি পাশ করেছি। এখন  গোপালগঞ্জ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সিএসই বিভাগে পড়ছি। স্যার-ম্যামরা বিদ্যালয়টিকে নিজের সন্তানেরমতো করে গড়ে তুলেছেন। কিন্তু তারা বেতন-ভাতা  পাচ্ছেন না। এটি খুব কষ্টের। ‍বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এটির সমাধান দেবেন বলে আমি আশা প্রকাশ করছি।

বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ঈমান আলী বলেন, আমি বর্তমানে গোপালগঞ্জ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফাইন্যান্স এ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগে পড়াশোনা করছি। আমাদের সময় বিদ্যালয়ের অবস্থা খুব ভাল ছিল। এখন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অবহেলায় বিদ্যালয়টি অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। এটি সমাধান করে বিদ্যালয়টিকে মডেল বিদ্যালয়ে পরিনত করতে হবে।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নাদিম আহমেদ বলেন, ২০১৯ সালে ভিসি চলে যওয়ার পর আমাদের বেতন ভাতা বন্ধ হয়ে আছে। স্কুলটি লাইব্রেরির পাশ থেকে  স্থানান্তর করে ভিসি স্যারের বাড়ির পাশে আনা হয়। তারপর থেকে সংকট বাড়তে থাকে। এখন শিক্ষার্থী কমে যাচ্ছে।  ভিসি স্যার স্কুলের সমস্যা দূর করলে এথানে শিক্ষারমান ও

 শিক্ষার্থী বৃদ্ধি পাবে। এটি জেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ হতে পারবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

সহকারী শিক্ষক আফরোজা খানম বলেন, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে, বিদ্যালয়টির সমস্যা সমাধানের জন্য ভিসি স্যারের কাছে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি ।

সহকারী শিক্ষক আলেয়া বেগম বলেন, দীর্ঘ ৭ বছর বেতন-ভাতা পাচ্ছি না। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা টাকা ও আমাদের পকেটের টাকা দিয়ে স্কুল চালিয়ে যাচ্ছি। এতে আমাদের পরিবার পরিজন নিয়ে চলতে খুব কষ্ট হচ্ছে। কোন কোন শিক্ষক খুলনা, কোটালীপাড়া সহ বিভিন্ন জেলা,উপজেলা থেকে নিয়মিত স্কুল করেন। তাদের কষ্ট আরো বেশি। তাই সদ্য যোগদান করা ভিসি স্যার বিষয়টি বিশেষভাবে বিবেচনা করবেন বলে দাবি জানাচ্ছি।

ভিসি প্রফেসর ড. মো: সোহেল হাসান বলেন, বিদ্যালয়টির কোন অনুমোদন নেই। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্গানোগ্রামেও নেই। এখানে বিদ্যালয় হয়েছে। শিক্ষক, কর্মচারী-শিক্ষার্থীও রয়েছে। তাই আমি কমিটি করে এটি অর্গানোগ্রামের মধ্যে অন্তভূক্ত করব। তারপর ইউজিসির অনুমোদন নিয়ে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দেব। স্কুলের ব্যাপারে যা যা করার, তা আমি করব। শিশুরা জাতির জাতির ভবিষ্যত। তাদের শিক্ষা প্রসার, মেধা মনন ও কল্যাণে আমি বিদ্যালয়ের সমস্যার সমাধান করব।

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া দুর্গাৎসবের নবমীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে সাঁথিয়া বারোয়ারী কালি মন্দির পরিদর্শন পরবর্তী অনুষ্ঠানে  জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহ। 

তিনি বলেন, আবহমান কালের ধর্মীয় সম্প্রীতি  আমাদের রক্ষা করে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। পাবনার ৩৬৪ টি মন্দিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতকার ঘটনা ঘটেনী এ জন্য পাবনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান  প্রদান করেন। সাঁথিয়া মহাশ্মশানের উন্নয়ন কাজ এই বছরেই শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুশীল কুমার দাস,সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল হাই ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
‎
‎নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে। এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 
‎
‎মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাদাঘাট বাজারের মেইন রোডে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
‎
‎বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী , সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি এম এ রাজ্জাক, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল হোসেন, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, গণকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার ইবনে গিয়াস প্রমুখ। 
‎
‎এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  

এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ পত্রিকাযর সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক হত্যা ও হামলার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
‎
‎
‎মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংবাদ  প্রতিনিধি কামাল হোসেন রাফি, দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি আবুল কাশেম, এনটিভি মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, দৈনিক এদিনের প্রতিনিধি সামায়ুন আহমদ, দৈনিক আলোর সকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক মোঃ আঃ মান্নান, দৈনিক নিউজ বাংলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ।।  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ বিভিন্ন মামলার মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার চারজন, জিআর সাজাপ্রাপ্ত দুইজন এবং মোবাইল কোর্টে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজন রয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমন (২৯), উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের কোনাপাড়ার মো. কলি মোল্লা (২৮), রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জুবায়ের (২৬) এবং রাজাপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ পুকুরিয়ার আবুল কাসেম ওরফে পেটান আলী (৩৯)।

এ ছাড়া জিআর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর সামছুল হক ওরফে বেলাল (২৬) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সৈয়দ আহমেদ মনির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামছুল হক ওরফে বেলালকে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৩ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দ আহমেদ মনিরকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বশির আহম্মদ (২৮) ও কাফায়েত উল্লাহ (৪৩) ২০ দিন করে এবং কাফায়েত উল্লাহ (২৪), মো. সাদেক (১৮) ও মো. রফিক (২৪) এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১১ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।