খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩

রুহিয়া টাঙ্গন ব্যারেজে মৎস্য উৎসবের উদ্বোধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:২০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রুহিয়া টাঙ্গন ব্যারেজে মৎস্য উৎসবের উদ্বোধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

মো. আরফান আলী  ।। ঠাকূরগাঁও প্রতিনিধি

ঠাকূরগাঁওয়ের রুহিয়া উপজেলা রাজাগাঁও টাঙ্গন ব্যারেজ সেচ প্রকল্পে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মৎস্য উৎসবের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর)  সকাল ৯টায় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ফরহাদ হোসেন আজাদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নদীর জলকপাট খুলে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনের পর প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে গতিশীল করতে সরকার কাজ করছে। সেচ প্রকল্পগুলোর বহুমুখী ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি আরও বলেন, সরকার দেশব্যাপী খাল ও নদী খননের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এসব কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রী নিজেই তত্ত্বাবধান করছেন। কোথাও কোনো ধরনের অনিয়ম পাওয়া গেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সময় ঠাকূরগাঁও-১ আসনের উপ-নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপনির্বাচনে জনগণ প্রমাণ করেছে বিরোধী দলের জনপ্রিয়তায় ধস নেমেছে। বিএনপি সরকার আট মাসে কী করেছে, কী করে নি, তার মূল্যায়ন করেছেন ঠাকূরগাঁওয়ের মানুষ। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার দেশের জন্য কী করছে, সেটিও জনগণ দেখছে।
পরে প্রতিমন্ত্রী টাঙ্গন ব্যারাজের তিনটি জলকপাট খুলে দেন। এ সময় স্থানীয় জেলে ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে মৎস্য উৎসব প্রাণবন্ত হয়ে উঠে। আগামীকাল নদীতে মাছ ধরারউৎসবে চলবে কয়েক দিন। 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঠাকূরগাঁও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক ঠাকুরগাঁও জেলা পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কৃষ্ণকমল সরকার, রুহিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলাউদ্দিন, ঠাকূরগাঁও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. পয়গাম আলী, রুহিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল জব্বার, সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম রিপন, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন জুয়েল, রাজাগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নুর ইসলামসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, মৎস্যজীবী ও গণমাধ্যমকর্মীরা। বর্ণাঢ্য এ আয়োজনকে ঘিরে টাঙ্গন ব্যারেজ এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

সুপারি পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে সাবেক ইউপি সদস্যের মৃত্যু

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৪৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সুপারি পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে সাবেক ইউপি সদস্যের মৃত্যু

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

পিরোজপুরের কাউখালীতে গাছ থেকে সুপারি পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে আবুল বাশার (৭০) নামে এক সাবেক ইউপি সদস্যের মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার শিয়ালকাটি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জোলাগাতি গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আবুল বাশার জোলাগাতি গ্রামের মৃত সৈয়জ উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাড়ির পাশের পুকুরপাড়ে মই লাগিয়ে সুপারি পাড়ছিলেন আবুল বাশার। এ সময় সুপারি গাছের পাশ দিয়ে সেচের পাইপের সঙ্গে বিদ্যুতের তার টানা ছিল। সুপারি পাড়ার একপর্যায়ে তিনি ওই বিদ্যুতের তারের ওপর পড়ে যান। এতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, বিদ্যুৎস্পর্শে সাবেক ইউপি সদস্য আবুল বাশারের মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

হোটেল নয়, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সঙ্গে রোটারি ক্লাবের অভিষেক উদ্‌যাপন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৪:০৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
হোটেল নয়, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সঙ্গে রোটারি ক্লাবের অভিষেক উদ্‌যাপন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

অভিজাত হোটেলের পরিবর্তে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সঙ্গে ৪২তম অভিষেক অনুষ্ঠান উদ্‌যাপন করেছে রোটারি ক্লাব অব মেট্রোপলিটন চট্টগ্রাম। এ উপলক্ষে চট্টগ্রাম নগরীর রৌফাবাদের তিনটি প্রতিষ্ঠানের শিশুদের জন্য তিন মাসের প্রয়োজনীয় ওষুধ, ডায়াবেটিস মাপার মেশিন, রক্তচাপ পরিমাপের যন্ত্রসহ বিভিন্ন চিকিৎসাসামগ্রী বিতরণ করেছে সংগঠনটি।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে রৌফাবাদের বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী শিশু বিদ্যালয়, সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা) ও ছোটমণি নিবাসে ক্লাবটির ৪২তম অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। শিশুদের সঙ্গে সময় কাটানো, তাদের খোঁজখবর নেওয়া এবং একসঙ্গে দুপুরের খাবার খাওয়ার মধ্য দিয়ে ব্যতিক্রমী এ আয়োজন সম্পন্ন হয়।

সাধারণত রোটারি ক্লাবের অভিষেক অনুষ্ঠান অভিজাত হোটেল কিংবা রেস্তোরাঁয় আয়োজন করা হলেও এবার সেই প্রচলিত ধারা থেকে বেরিয়ে এসেছে সংগঠনটি। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগির পাশাপাশি তাদের স্বাস্থ্যসেবার বাস্তব চাহিদা জানতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা।

অনুষ্ঠানের চেয়ারম্যান পিপি রোটারিয়ান ওয়াহিদুজ্জামান চৌধুরী বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন, সুবিধাবঞ্চিত ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরা বসবাস করে। তাদের শুধু অন্ন ও আশ্রয় নয়, প্রয়োজন ভালোবাসা, মর্যাদা ও সামাজিক স্বীকৃতি। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এলে তাদের জীবনযাত্রার মান আরও উন্নত করা সম্ভব।

তিনি বলেন, এ আয়োজনের উদ্দেশ্য শুধু অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা নয়; বরং শিশুদের জীবন ও চ্যালেঞ্জগুলো কাছ থেকে বোঝা এবং ভবিষ্যতে তাদের জন্য কী করা যায়, তা চিহ্নিত করা। পরিবারের সদস্য ও তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করে তাদের মধ্যে মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা গড়ে তোলাও এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

রোটারি ক্লাবের উদ্যোগে তিন প্রতিষ্ঠানের আবাসিক শিশুদের জন্য তিন মাসের প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে। পাশাপাশি ডায়াবেটিস মাপার মেশিন, রক্তচাপ পরিমাপের যন্ত্রসহ বিভিন্ন চিকিৎসাসামগ্রী দেওয়া হয়। ভবিষ্যতেও শিশুদের প্রয়োজন অনুযায়ী সহযোগিতা অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান ওয়াহিদুজ্জামান চৌধুরী।

প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকেও এ ধরনের সহযোগিতাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে চিকিৎসাসামগ্রীর পাশাপাশি জনবল ও পরিবহনসংকটসহ আরও কিছু চাহিদার কথা তুলে ধরেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী শিশু বিদ্যালয়ের প্রিন্সিপাল ও উপপরিচালক সাইফুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা, চিকিৎসা ও পরিচর্যা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। প্রতিষ্ঠানে একটি পুরোনো গাড়ি রয়েছে, যা সব সময় জরুরি প্রয়োজনে কাজে আসে না। ছেলে ও মেয়েশিশুদের পরিচর্যার জন্য পৃথক দুজন নার্স থাকলে সেবা কার্যক্রম আরও সহজ হতো।

তিনি আরও বলেন, সমাজের সামর্থ্যবান চিকিৎসকেরা যদি প্রতি সপ্তাহে কিংবা মাসে অন্তত একবার বিনা মূল্যে শিশুদের চিকিৎসাসেবা দিতেন, তাহলে প্রতিষ্ঠানটি আরও উপকৃত হতো। প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রীর পাশাপাশি এ ধরনের সহযোগিতা শিশুদের সুস্থতা ও স্বাভাবিক বিকাশে সহায়ক হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোটারি ক্লাব অব মেট্রোপলিটন চট্টগ্রামের সাবেক সভাপতি এবং বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য রোটারিয়ান পিপি ড. এ এফ ইমাম আলী।

তিনি বলেন, সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো রোটারির অন্যতম মূল লক্ষ্য। বিশেষ করে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন কিংবা বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কারণে স্বাভাবিক জীবনযাপনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত শিশুদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পুনর্বাসনে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। এ ধরনের আয়োজন অন্যদেরও মানবিক কাজে উৎসাহিত করবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোটারিয়ান পিপি জসীম উদ্দিন চৌধুরী, সহকারী কান্ট্রি কোঅর্ডিনেটর, আরআইডি-৬৫, বাংলাদেশ এবং চেয়ারম্যান, দৈনিক পূর্বকোণ লিমিটেড। তিনি বলেন, পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য কার্যকর ও টেকসই উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা ও জীবনমান উন্নয়নে রোটারির এ ধরনের কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানের শিশুরা যেন অন্য শিশুদের মতো বেড়ে উঠতে পারে এবং সবার সঙ্গে মিশে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে, সেটিই তাদের প্রত্যাশা। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে বেড়ে উঠে অনেকে ভালো অবস্থানে পৌঁছেছেন। একজন চিকিৎসক বর্তমানে কক্সবাজারে কর্মরত রয়েছেন, অন্যরাও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন। একসময় যারা সমাজে অবহেলিত ছিল, আজ তারা নিজেদের স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। তাদের এ অবস্থানে পৌঁছানোই আমাদের সফলতা।

তিনি আরও বলেন, সরকারি সমাজকল্যাণ প্রতিষ্ঠানে বসবাসরত শিশুদের পরিচর্যা, স্বাস্থ্যসেবা ও পুনর্বাসনে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি সংগঠনগুলোর সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রোটারি ক্লাবের এ উদ্যোগ শিশুদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রী সরবরাহের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবায় সহায়ক হবে।

চট্টগ্রাম জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোতে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সুরক্ষা, পরিচর্যা ও পুনর্বাসনে কাজ করা হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বাসিন্দাদের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে সামাজিক সংগঠন ও সচেতন নাগরিকদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে রোটারি ক্লাব অব মেট্রোপলিটন চট্টগ্রামের প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান ফজলুল করিম চৌধুরী, আইপিপি রোটারিয়ান আফিয়া খাতুন মীরা, রোটারিয়ান সাজেদা বেগম, রোটারি ক্লাব অব চট্টগ্রাম সেন্ট্রালের প্রেসিডেন্ট মতিউর রহমানসহ বিভিন্ন রোটারি ক্লাবের নেতৃবৃন্দ, রোটারিয়ান, রোটার্যাক্ট ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও রোটারি ডিস্ট্রিক্টের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। পরে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা শেষে শিশুদের সঙ্গে দুপুরের খাবার ভাগাভাগি করেন অতিথিরা। এ ছাড়া বিদ্যালয়ে একটি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করে রোটারি ক্লাব। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সংগঠনটির নেতারা।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শিল্পখাতের চাহিদা ও উচ্চশিক্ষার সমন্বয়ে চবির গোলটেবিল বৈঠক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ২:৪৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শিল্পখাতের চাহিদা ও উচ্চশিক্ষার সমন্বয়ে চবির গোলটেবিল বৈঠক

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

শিল্পখাতের চাহিদার সঙ্গে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সমন্বয় ঘটাতে ‘ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেশন’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ও দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিসিসিআই)।

আগামী বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টায় চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের কনফারেন্স হলে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

আয়োজকরা জানান, গবেষণা ও উদ্ভাবনকে শিল্পখাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ-আল-মামুন। চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান এবং চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক সভাপতি ও পোর্ট ইউজার্স ফোরামের চেয়ারম্যান আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমিন এবং উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম।

আলোচনায় শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা বাড়ানোর বিভিন্ন দিক উঠে আসবে। বিশেষ করে শিল্পখাতের চাহিদাভিত্তিক দক্ষ জনশক্তি তৈরি, শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ, যৌথ গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং জ্ঞান ও কারিগরি অভিজ্ঞতা বিনিময়ের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

এ ছাড়া শিল্পপ্রতিষ্ঠানের বাস্তব সমস্যার সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা কাজে লাগানোর বিষয়েও আলোচনা হবে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বৈশ্বিক অর্থনীতিতে শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সেতুবন্ধন গড়ে তোলা জরুরি। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা, মেধা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা শিল্পখাতে কাজে লাগানোর পাশাপাশি কর্মবাজারের উপযোগী দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা সম্ভব হবে। এতে চট্টগ্রাম অঞ্চলের শিল্পায়ন, বিনিয়োগ, উৎপাদনশীলতা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখার সম্ভাবনা রয়েছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম