করোনাভাইরাস

কোনো মৃত ব্যক্তির টাকা দরকার নাই ও জীবন টাকার জন্য নয়

শাহ আলম

19 May, 2020 08:15am


কোনো মৃত ব্যক্তির টাকা দরকার নাই ও জীবন টাকার জন্য নয়
করোনা ভাইরাস

আপনারা জানেন যে, বৈশ্বিক মহামারি করোনার বিরুদ্ধে বৈজ্ঞানিকভাবে লড়াই করতে দুনিয়ার প্রধান নির্বাহিদের ক্লাবের সকল সদস্যরা একত্রে ও ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা দরকার ছিল। 

কিন্তু, করোনা যখন বিশ্ব জয় করেছে তখন তারা গতনুগতিক প্রতিরোধক পদ্ধতি অনুসরণ ও প্রয়োগ করেছে। 

সর্বজনীন স্থানে জনসমাগমে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে গৃহে থাকার প্রাচীনতম প্রতিরোধক ব্যবস্থা অনুশীলন করে করোনা ট্রেনকে থামাতে পারেনি শাসক পুঁজিপতি শ্রেণির সরকারি মোড়লেরা নিশ্চয়ই, এটা ছিল তাদের বড় একটা ব্যর্থতা। যা হউক, এখনও করোনা হচ্ছে বিজয়ী এবং তদানুযায়ী সংক্রমিত হওয়া ও মৃতের হার বাড়ছে। 

তা সত্ত্বেও, জীবন ও সম্পদ বাঁচাতে আক্রান্তকে সুস্থ্য করতে স্বাস্থ্য সেবা ব্যবস্থার সুব্যবস্থাপনা এবং করোনা নিয়ন্ত্রণ করে সংক্রমনের হার হ্রাস করতে প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে কার্যকরভাবে কার্যকর করতে ভুক্তভোগীদের নগদ ও উপকরণাদি সমেত আবশ্যকীয় সমর্থন করার দায়িত্ব না নিতে, বাজে অবস্থা এবং এর পরিণতিকে উপেক্ষা করে এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শকে অস্বীকার করে ক্লাবের বেশ কিছু সদস্য সর্বজনীন স্থানে জনসমাগমের উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শীতল করছে। 

বস্তুতপক্ষে, করনোকে পরাজিত করতে নিজেদের দায়িত্বকে অস্বীকার করে এবং বৈজ্ঞানিক উন্নয়নকে ব্যবহার করে একটি সর্বোত্তম যুদ্ধ করাকে উপেক্ষা করে তারা যুদ্ধ ময়দান পরিত্যাগ করছে। অতঃপর, কেবল তাদের নয় বরং মানবজাতির পরাজয় স্বীকার করে তারা করোনার দীর্ঘস্থায়ী বিজয় নিশ্চিত করতে যাচ্ছে। কিন্তু, ক্লাবের সীমাহীন ব্যর্থতার কারণে করোনার নিকট এমন পরাজয়ে সম্পদের অগণন ক্ষতি এবং বিশাল জীবনহানি সমেত অচিন্তনীয় বিপর্যয় সৃষ্টি হবে। 

কিন্তু, কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তি তাতে সম্মতি এবং নীরবে দেখতে পারে না, উপরন্ত, প্রত্যেকে বাঁচতে ইচ্ছুক অতঃপর, আমরা ইনফরমেশন সেন্টার ফর ওয়ার্কার্স ফ্রিডম আমাদের দ্বিতীয় চিঠি ক্লাবের নিকট ইসু করেছি।

জীবন ও সম্পদ বাঁচাতে ভালোভাবে লড়াই করে সম্ভাব্য স্বল্পতম সময়ের মধ্যে করোনা বৈশ্বিক মহামারিকে পরাজিত করতে গত ৮ এপ্রিল  ইসু করা ১৩ দফা প্রস্তাব সম্বলিত আমাদের খোলা চিঠি আপনারা বিশ্বের প্রধান নির্বাহিদের ক্লাব  বিবেচনা না করার জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু, কিছু অঞ্চল ও দেশ ব্যতীত সমগ্র বিশ্বে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এবং জীবনহানির হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিঃসন্দেহে, প্রত্যেক আক্রান্ত ব্যক্তি হচ্ছে এক একটি জীবন্ত করোনা বোমা তদানুযায়ী প্রত্যেকটি করোনা বোমা অজানা করোনা ভাইরাস ছড়াচ্ছে।

মহামারি প্রতিরোধ ও লড়াইয়ে পৃথকীকরণ, বিচ্ছিন্নকরণ, সামাজিক দূরত্ব ইত্যাদি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা মানব ইতিহাসে নতুন নয় কিন্তুফল সন্তোষজনক নয় এবং তদানুযায়ী সম্পদ ও বিপুল জীবনহানির মুখোমুখি ও ভোগান্তি সহ্য করেছে মানবজাতি অতঃপর, অমন বিয়োগান্তক ও মর্মান্তিক ইতিহাস আপনাদের অজানা নয়। কিন্তু, দুঃখের বিষয়, সেসব প্রাচীনতম হাতুড়ে পদ্ধতিও অনুসরণ, গ্রাহ্য এবং  প্রয়োগ করতেও আপনারা ব্যর্থ হতে যাচ্ছেন।

স্মরণীয়, এমনকি নিষেধাজ্ঞা শীতলকরণে বিশ্বের সকলের জন্য নিরাপদ স্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণে আপনাদের একমাত্র বৈশ্বিক সংগঠন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শকে গ্রাহ্য  না করে যখন করোনার বৈশ্বিক মহামারির খারাপ পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে, তখন  ক্লাবের কমবেশি সকল সদস্য আপনারা  সর্বসাধারণের স্থানে  জমায়েতের উপর হতে বিধি-নিষেধ অথবা তথাকথিত লকডাউন তুলে দিতে যাচ্ছেন।  

বস্তুত, আপনাদের সকলের সমন্বিত বৈজ্ঞানিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে সর্বাধিক স্বল্পতম সময়ে করোনাকে পরাজিত করে সকলের নিরাপদ স্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণে করোনা বিরোধী যুদ্ধে আপনারা সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে আপনাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে। এমনকি, করোনাকে জেনে বৈশি^ক মহামারি করোনার বিরুদ্ধে উত্তমভাবে যুদ্ধ করতে ইহার উৎপত্তি, রাসায়নিক উপাদান, প্রকৃতি ইত্যাদি আবিষ্কার করতে জীবানু বিজ্ঞানী সমেত বিশ্বের অভিজ্ঞ বিজ্ঞানীদের একত্রে কাজ করতে সমবেত করতে ব্যর্থ হয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।  

যদি, মজুরদের তৈরি অথচ পুঁজিপতি শে্িরণর মালিকানাধীন টাকা বাঁচাতে জীবন বাঁচানোর প্রথম প্রাগ্রাধিকারকে উপেক্ষা করে বি স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শগুলোকে গ্রাহ্য না করে সর্বজনীন স্থানে জনসমাগমের উপর হতে আপনারা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেন তখন হয়তো বিপুল সম্পদ খোয়ানো এবং ব্যাপক জীবনহানি অথবা অচিন্তনীয় ধ্বংসযজ্ঞ সমেত দুনিয়াব্যাপী দীর্ঘদিনের জন্য একটি সর্বাত্মক লকডাউনে ফিরে যেতে অনাক্সিক্ষত তবে আসন্ন পরিস্থিতি আপনাদেরকে বাধ্য করবে। জনসমাগম হতে নিশেধাজ্ঞা প্রত্যাহৃত হলে দুনিয়াটা হয়তোবা একটি মৃত্যুকুপে পরিণত হবে তবে করোনায় নিহত বহুজনের স্বজনেরা লাশ সৎকার করতে সক্ষম হবে না, এবং তখন কি হবে? জীবন হচ্ছে প্রথম এবং বেঁচে থাকতে সম্পদ এবং টাকা পরবর্তী অর্থাৎ এই নীতি বিবেচনা ও গ্রহণ না করে দুনিয়ার এক নম্বর সন্ত্রাসী তদানুযায়ী খুনি করোনার সহযোগী হিসাবে কি আপনারা পরবর্তী প্রজন্ম কর্তৃক নথিভুক্ত হতে ইচ্ছুক? নিশ্চয়ই, কোনো মৃত ব্যক্তির টাকা দরকার নাই এবং জীবন টাকার জন্য নয়। সুতরাং, টাকা কখনও জীবনের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নয়, এমনকি তুলনীয় নয় তাই, জীবন্ত মানুষ ছাড়া টাকা অকেজো। যা হউক, আপনারা কি নিশ্চিত যে, পুঁজিপতি শ্রেণীর নিকটে থাকা টাকা খুয়িয়ে বা খরচ না করার জন্য বৈশি^ক মহামারি করোনার সাথে যুদ্ধ না করে আপনারা যুদ্ধ ময়দান ত্যাগ করলে  একতরফা বিজয়ী করেনা ভাইরাসে শাসক পুঁজিপতি শ্রেণীর কোনো অর্থশালী ব্যক্তি নিহত হবে না? না। 

সুতরাং, জীবন বাঁচাতে ও অচিন্তনীয় বিপর্যয় ঠেকাতে এক নম্বর গণশত্রু করোনা ভাইরাসকে পরাজিত ও নির্মূলীকরণে প্রয়োজনীয় টাকাসহ সকল সম্পদের উৎস যা আপনারা ভাল জানেন সেই আবশ্যকীয় টাকা ও সকল সম্পদের সমাবেশ ঘটিয়ে জয় লাভ না করা পর্যন্ত আপনারা ক্লাব সদস্যরা একতাবদ্ধভাবে ও বৈজ্ঞানিকভাবে করেনাকে পরাজিত এবং যুদ্ধ করতে শেষ ঘোড়া, শেষ যোদ্ধা নীতি অনুসরণ করা প্রয়োজন।  

সত্যিই, আপনারা প্রমাণ করছেন যে, আপনারা শোষক, লোভী, আত্মকেন্দ্রীক ও এক-চোখা পুঁজিপতি শ্রেণির রাজনৈতিক সেবক এবং তদানুযায়ী পুঁজি ও পুঁজিপতি শ্রেণির সংকীর্ণ স্বাথে আপনারা পুঁজিপতি শ্রেণির সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি দ্বারা সমাজকে পর্যবেক্ষণ ও বিবেচনা করছেন। অতঃপর, করোনা ভাইরাসের ফল ও প্রভাবে  সমাজের প্রকৃত অবস্থা, পরিস্থিতি এবং চিত্র পর্যবেক্ষণ, নিরূপণ, মূল্যায়ন এবং অনুধাবন করতে আপনারা ব্যর্থ হচ্ছেন। তাই, আপনারা প্রত্যেকের জীবনের গুরুত্ব অনুধাবন ও বিবেচনা করতে ব্যর্থ হয়েছেন এবং তদানুযায়ী মানুষ হিসাবে  পুঁজি'র উৎপাদক, মজুরি দাসদের জীবনকে অবমূল্যায়ন করছেন, এমনকি, কাজে না থাকাকালেও গৃহপালিত পশুরা তাদের মালিকদের থেকে যা পায় সেই আবশ্যকীয় খাদ্য ও আশ্রয়, এই বাজে পরিস্থিতিতে আপনাদের কেউ কেউ মজুরদেরকে না দিয়ে তাদের গৃহপালিত পশুর নিচে ঠেলে দিচ্ছেন। প্রকৃতপক্ষে, আপনারা প্রমাণ করেছেন যে, করোনার বৈশ্বিক মহামারি ও এর ভয়াবহ পরিণামে সৃষ্ট সমগ্র ব্যাপার ও ঘটনাসমূহ বৈজ্ঞানিকভাবে অনুধাবন করতে আপনারা ব্যর্থ হয়েছেন কিন্তু আপনারা বিজ্ঞান জানেন এবং তদানুযায়ী আপনারা জানেন যে, বৈজ্ঞানিক প্রচেষ্টাই কোন সমস্যা অধিকতর সহজভাবে সমাধানে শ্রেষ্ঠ প্রচেষ্টা এবং কোন বাজে পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে এটাই শ্রেষ্ঠ পন্থা। অতঃপর, কেবলমাত্র পুঁজি ও পুঁজিপতি শ্রেণির সংকীর্ণ স্বার্থে নয়, বরং আপনাদের সমন্বিত তবে বৈজ্ঞানিক প্রচেষ্টার দ্বারা সমাজের প্রত্যেকের জীবন বাঁচাতে আপনারা ব্যাপকভাবে ও বৈজ্ঞানিকভাবে চিন্তা করার চেষ্টা করা প্রয়োজন। 

সুতরাং, অবিলম্ভে নিন্মুক্তগুলি কর: 

১.বাস্তবায়নের জন্য আমাদের ১৩ দফা ইতিবাচকভাবে বিবেচনা কর।

২. জরুরি পরিষেবায় কর্তব্যরত ব্যক্তি ব্যতীত সকলের ঘরে থাকা নিশ্চিত করতে সার্বজনীন স্থানে জমায়েতে সকল বিধি-নিষেধ প্রত্যাহার অথবা লক ডাউন তুলে দেওয়ার সকল পরিকল্পনা বন্ধ কর। উপেক্ষা করা বা এড়ানো নয় বরং নিষেধাজ্ঞা শীতলকরণে বা তবে লক ডাউন প্রত্যাহার করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ ও উপদেশগুলো অনুসরণ, গ্রাহ্য ও অনুশীলন করতে হবে। 

৩. ব্যাপক পরীক্ষা দ্বারা সংক্রমিত ও সন্দেহভাজনদের পৃথকীকরণ ও বিচ্ছিন্নকরণের মাধ্যমে কোভিড-১৯ ছড়ানো সীমাবদ্ধ ও নিয়ন্ত্রণ করে করোনা ভাইরাসে সংক্রমণের হার হ্রাস করতে প্রথাগত প্রচেষ্টা সর্বাত্মক বৃদ্ধিকরণে সব অভাবী মানুষকে সকল দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ ও সমর্থনের মাধ্যমে সারা দুনিয়ায় একটি একক তারিখ থেকে ৪৫ অথবা ৫০ দিনের জন্য সর্বাত্মক লক ডাউনের জন্য যাও তবে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা দুনিয়ার সকলের জন্য বিনামূল্যে সকল পরীক্ষা উপকরণ সরবরাহ ও ব্যবস্থা করবে।  

৪. সকল সন্দেহভাজন, সংক্রমিত এবং মৃতের জন্য বিনামূল্যে পরীক্ষা, বিনামূল্যে চিকিৎসা এবং বিনামূল্যে সৎকার পরিষেবা নিশ্চিত কর। অতঃপর, রোগীদের মধ্যে কোন বৈষম্য নয় বরং পরীক্ষা, অনুসন্ধান ও রোগ নির্ণয়ের মাধ্যমে সকল সন্দেহভাজন ও সংক্রমিতদের সুরক্ষা ও সুস্থ করতে সর্বশেষ চিকিৎসা, প্রতিষেধক, ঔষধ, থেরাপি, পরামর্শ এবং যদি অন্যকিছু প্রয়োজন হয় তা সরবরাহ করে সমান চিকিৎসা নিশ্চিত কর।

৫. বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা'র প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সম্মিলিতভাবে কাজ করে স্বল্পতম সময়ের মধ্যে করোনা ভাইরাসকে উদ্ঘাটন, এবং ভ্যাকসিন, ঔষধ ও অন্য জিনিস আবিষ্কার করতে এবং বিশ্বের সকল সংক্রমিতকে চিকিৎসা দিতে জীবানু বিজ্ঞানীসহ বিশ্বের প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিশেষজ্ঞ ও সুদক্ষ তবে,সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীদের জরুরীভাবে নিয়োগ ও নিযুক্ত কর। যথাযথ ও ঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে প্রয়োজনবোধে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পূনর্গঠিত হতে পারে।

৬. খাদ্য সমস্যাকে রাসায়নিকভাবে সমাধানে পরিকল্পনা ও প্রকল্প গ্রহণ কর ।

৭. যত দ্রুত সম্ভব বিশ্বের ৩ বিলিয়ন ভুক্তভোগী সকলের জন্য বাড়িতে প্রয়োজনীয় সাবান ও পানি; এবং সকল গৃহহীনের জন্য আশ্রয় নিশ্চিত কর। 

যদি আপনাদের সকলের সমন্বিত বৈজ্ঞানিক প্রচেষ্টা দ্বারা সম্পদ ও জীবন বাঁচানোকে আপনাদের ক্লাব ইতিবাচকভাবে ও গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে, তাহলে সর্বনিম্ন খরচে তবে স্বল্পতম সময়কালের মধ্যে করোনা ভীতি ও আতঙ্কমুক্ত একটি নতুন বিশ্ব প্রত্যাশা করতে পারে সমগ্র সমাজ।

জীবন প্রথম, প্রয়োজনীয় সবকিছু করার মাধ্যমে করোনা বৈশ্বিক মহামারি থেকে জীবন বাঁচাও। কেননা, প্রত্যেকেই গুরুত্বপূর্ণ এবং বেঁচে থাকতে আকাংখী  এবং  নিরাপদ স্বাস্থ্য সহ বেঁচে থাকার অধিকার আছে প্রত্যেকের।

উল্লেখ্য, কাজগুলো করতে সমাজের সম্পদ ও টাকা যথেষ্ঠ। সর্বোত্তমের জন্য আশা।


বিভাগ : মুক্তমত