গাজীপুর সিটির

প্রকৌশলী দেলোয়ার হত্যার জট খুলতে কত দেরি?

আসাদুল্লাহ বাদল

19 May, 2020 09:10am


প্রকৌশলী দেলোয়ার হত্যার জট খুলতে কত দেরি?
প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কোনাবাড়ী অঞ্চলের নির্বাহি প্রকৌশলী ছিলেন দেলোয়ার হোসেন। দীর্ঘদিন ধরেই সুনামের সঙ্গে চাকুরি করছিলেন তিনি। কোনো অদৃশ্য শক্তির কাছে মাথা নত করেননি। নিয়মের মধ্যে থেকেই সবাইকে সহযোগিতা করতেন তিনি। ঠিকাদাররা ফাইল ছাড়িয়ে নিতে নিয়মিত ঘুষ সাধতেন দেলোয়ারকে কিন্তু তিনি তা ফিরিয়ে দিতেন। এ নিয়ে অনেকের বিরাগভাজন হন দেলোয়ার। তাকে ওএসডি পর্যন্ত করা হয়েছিল। আর সৎ থাকাই যেন কাল হলো এ প্রকৌশলীর। এসব এখন আহাজরির মতো শুনায়।

ফেসবুকে অনেকে প্রশ্ন করছেন সৎ থাকার কারণেই দেলোয়ার খুন হয়েছেন কিনা? এটি একটি প্রশ্ন। সৎ থাকার পরিণতি তা হলে খুন? আর কেউ তা হলে সৎ থাকতে চাইবে না। অসৎ হওয়ার প্রবণতা বাড়বে?

সৎ ব্যক্তি যদি সততা রক্ষার কারণে খুন হয়ে যায়, তা হলে কি আর একটি বার্তা সৎ ব্যক্তিকে দেওয়া হয় না? যাতে অন্য সৎ ব্যক্তিও সাবধান হয়ে যায়। সাধারণ ভোগান্তি নয়, একেবারে খুন হতে হয়। কারণ যদি সততার পরিণতি খুনের শিকার হয় হয়, তা হলে একটি ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। নিজে বাঁচার যে প্রবণতা এটি আরও শক্তপোক্ত হয়। অনিয়ম দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়।

এ কারণে সৎ ব্যক্তির সৎ গুন চাপা দেওয়াও ঠিক হবে না। এতে আরও বেশি পোক্ত হবে অসৎরা। যত তাড়াতাড়ি খুনের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির মুখোমুখি করা যাবে তাতেই স্বস্তি মিলতে পারে। আইনের শাসন ধারণাকে পিছনে ফেলা যাবে না কোন মতেই।

একজন সৎ ব্যক্তির খুন হওয়ার ঘটনায় বিচার দাবি করা খুবই স্বাভাবিক। তা না হলে খুনিরা আরও বেশি গতিতে সমাজ ধ্বংস করতে তৎপর হবে। অ্যাক্টিভিস্টরা একটু হলেও ঘাপটি মেরেছে। করোনার অজুহাত হউক, আর কারও পছন্দের তালিকায় আঘাত হানার কারণে হউক, খুনির প্রশ্রয় উচিত নয়। অন্তত সিটি করপোরেশনে যুক্ত সকলের প্রেরণায় খুনের বিচার হলে নিজেকেও স্বস্তি দেওয়া যাবে।

তুরাগ থানার এসআই মো. সফিউল আলম জানিয়েছেন, প্রকৌশলী দেলোয়ার মিরপুরের বাসা থেকে সোমবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে গাজীপুরের সিটির কর্মস্থলের রওনা হন। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। সোমবার [১১ মে ২০২০] বিকাল চারটার দিকে উত্তরা ১৭ নম্বর সেক্টরের ৫ নম্বর ব্রিজের পশ্চিম দিকের ৮ নম্বর রোডের পাশের একটি জঙ্গল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। [দৈনিক যোগফল, ১২ মে ২০২০]


মেয়র জাহাঙ্গীর আলম রোববার [১৭ মে ২০২০] দেলোয়ার এর বাসায় তার স্ত্রী সন্তানদের সঙ্গে দেখা করেছেন

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলম রোববার [১৭ মে ২০২০] দেলোয়ার এর বাসায় তার স্ত্রী সন্তানদের সঙ্গে দেখা করেছেন। এরই মধ্যে এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেছে। আরও আগেই দেখার করলে ভরসা বাড়তো। ওই পরিবারকে অন্তত আইনি সহায়তার জন্য সহায়তা করা জরুরি। প্রথমত তারা নোয়াখলীর বাসিন্দা। বাস করেন ঢাকার মিরপুরে। লাশ উদ্ধারের ঘটনা তুরাগে। কর্মস্থল গাজীপুরে। ফলে অনেকগুলো ধাপ পেরিয়ে চতুর খুনিদের বিচারের আওতায় আনার জন্য মেয়রের ভূমিকা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। এর আগে মেয়র কোন সহায়তা করলেও তা প্রকাশ্যে আসেনি।

যখন তোলপাড় হয়েছে স্যোসাল মিডিয়ায় বিচার দাবি তখন গণমাধ্যমে [দৈনিক ইত্তেফাক ও দেশ রূপান্তর] অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। গণমাধ্যমে যতটুকু তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব ততটুকু প্রকাশ হয়েছে। বাকিটা তদন্তকারি সংস্থার দায়িত্ব।

মামলা হওয়ার পর র‌্যাবসহ বিভিন্ন সংস্থা ছায়া তদন্ত শুরু করলে চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকান্ডের রহস্য বের হয়ে আসছে। ঘুষের বিনিময়ে শতকোটি টাকার কাজের ফাইল ছাড়তে রাজি না হওয়ায় নিজ গাড়িচালকের সহায়তায় প্রকৌশলী দেলোয়ারকে হত্যা করা হয়েছে বলে তদন্ত সংস্থাগুলোর অনুসন্ধানে জানা গেছে।

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক কার্যালয় ৭-এর অধিকাংশ কর্মকর্তাই প্রকৌশলী দেলোয়ারের মৃত্যুর বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হয় না। এই রাজি না হওয়ার দুইটা কারণ বিদ্যমান থাকে। প্রথম জানা তথ্য প্রকাশ করলে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার ব্যাপার থাকে। কিন্তু বিচার হীনতার অপসংস্কৃতিকে বাড়তে দেওয়া যাবে না। সাক্ষ্য দেওয়ার কারণে শত্রুতা তৈরি হতে পারে। নিজেকে গুটিয়ে রাখতে পারলে সুবিধা বিবেচনা করা হয়। সৎ থাকার যে বিপদ, ওই বিপদে আরও কেউই পড়তে চায় না। আবার নিজের চাকুরি বাঁচিয়ে রাখার জন্য আর কারও বিরাগভাজন হওয়াও বিপদের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। যে কারণে দেলোয়ার খুন হয়েছে, একই কারণে কথা বলে খুন হবে না এর কী কোনও গ্যারান্টি আছে? তবু দেলোয়ার হত্যার বিচার কেবল বিচার নয়, আরও জটিলতার জাল বেরিয়ে আসতে পারে। ফলে বিচার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হওয়ার নতুন লক্ষণ জেগে উঠে। সাক্ষির অভাবে অনেক ঘটনারই বিচার হতে পারে না। ভয় যেন একজন সৎ ব্যক্তির খুনে চাপা না পড়ে এজন্য তৎপরতা জরুরি।

নাম প্রকাশ না করে গোপনের শর্তে যারা বলেন, প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন ভালো লোক ছিলেন। অন্যায় তদবির ও অন্যায় কাজকে তিনি পছন্দ করতেন না। যার কারণে তার কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয় অনেকে। এজন্য তাকে খুন করতে হবে সেটা তারা মেনে নিতে পারছেন না। 

সাহস না দেখালেও যারা এইটুকু তথ্য দিয়েছেন, তাদের সূত্র ধরেই আরও আগানো যেতে পারে।

খুনে সহায়তা করেছে দেলোয়ারের গাড়িচালক এ কথা প্রথম থেকেই অনুমান করা হচ্ছে। দেলোয়ার হত্যায় এরইমধ্যে একজন প্রকৌশলী ও চালকসহ বেশ কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে একটি সংস্থা। তবে তদন্তের স্বার্থে তাদের পরিচয় জানাতে চাচ্ছে না সংশ্লিষ্টরা। এটিই স্বাভাবিক। তারপরও কিছু কথা বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এই ঘুরে বেড়ানো কথাগুলোও তদন্তকারিরা কাজে লাগাবেন এ আশা করাই যেতে পারে।

এই খুনের রহস্য উদঘাটনে মাঠে কাজ করছে পুলিশ, র‌্যাব, পিবিআই ও ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশসহ কয়েকটি সংস্থা। তদন্তকারী কর্মকর্তারা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছেন, ঘটনার দিন গাড়িচালক এক রিকশাওয়ালার মোবাইল ফোন থেকে কল করে দেলোয়ারকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায়। 

 এ ব্যাপারে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলম যোগফলকে জানিয়েছেন, হাবিব গাজীপুর সিটি করপোরেশনের চালক নয়।

একজন রিকশাওয়ালাকে ব্যবহার করার মূল কারণ দেলোয়ারের গাড়ি চালক নিজেকে সতর্কতার সঙ্গে আড়াল করতে চেয়েছেন। আড়ালের পর্দাটা সরাতে পারলেই অনেক কিছু বেরিয়ে আসতে পারে। সম্প্রতি গাজীপুর জেলার শ্রীপুরে চার খুনের ঘটনায় একাধিক সংস্থা আসামি গ্রেপ্তার করে। এতে দুই রকমের তথ্য জানা যায়। প্রথমে একজন কিশোর আসামি আদালতে স্বীকারোক্তি দেয়। স্বীকারোক্তির ওই বক্তব্য কেউ বিশ্বাস করতে চায়নি। এটি মোটেও স্বাভাবিক বক্তব্য মনে করা হয়নি। জনগণের সাধারণ ধারণা খুব দ্রুতই পাল্টে যায় আরও পাঁচ আসামি গ্রেপ্তারের পর। খুন ও ধর্ষণের মতো একটি ঘটনায় পরস্পর বিরোধী বক্তব্য ভবিষ্যতে মামলাটিকে চ্যালেঞ্জে ফেলে দিবে।

একাধিক গণমাধ্যমের সূত্র বলছে, দেলোয়ার খুনের ঘটনায় কয়েক কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। আরও কয়েক কোটি টাকা যে লেনদেন হবে না, তা তো নয়। ফলে ঘটনা সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা জরুরি। খুনের ঘটনা চাপা দিতে বা দায় থেকে রেহাই পেতে নানামুখি ফাঁদপাতা গল্প সাজাতে পারেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বেশ কয়েকজন ঠিকাদারকে নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। গোয়েন্দারা নিশ্চিত হয়েছেন, শতকোটি টাকার ফাইল ছাড়াতে ঘুষ লেনদেন না করায় দেলোয়ারকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার পেছনে কয়েকজন প্রভাবশালীও জড়িত।

প্রভাবশালী কেবল একটি শব্দ নয়। এর বহুরুপ অর্থ ও প্রভাব কাজ করে প্রভাবক হিসাবে। এই প্রভাবশালী আদৌ শনাক্ত হবে কিনা এই প্রশ্ন জারি রাখাই উত্তম। প্রভাবশালী নিজেকে ঘটনা থেকে সরাতে কত আয়োজনে যুক্ত হতে পারে এরও ইয়ত্তা নেই। শত কোটি টাকার যে কারবার, এখানে আরও কত ফাইল জেগে উঠবে কে জানে। যে দেশে দরিদ্র ব্যক্তির ১০ কেজি দরের চাল বা মোবাইল ফোনে দেওয়া আড়াই হাজার টাকা গায়েব করার জন্য চক্র সক্রিয় হয়ে থাকে, সেখানে শত কোটির টাকার জন্য কত কোটি টাকা বিনিয়োগ হবে?

আরও ভয়ংকর পরিস্থিতি যাতে তৈরি না হয়, এ কারণে দ্রুত আসল ঘটনা জানার জন্য স্যোসাল মিডিয়া অনেকে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। উদ্বেগ যেন ক্রান্তিকাল পার হতে পারে এই আশাও করছেন অনেকে।

দেলোয়ারের পরিবারের সদস্যরাও অভিযোগ করেছেন, কয়েক মাস ধরে ঠিকাদারদের সঙ্গে ঝামেলা চলছিল দেলোয়ারের। ওইসব ঠিকাদার খুবই প্রভাবশালী। তাদের সঙ্গে মেয়রসহ গাজীপুর সিটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সুসম্পর্ক ছিল। কারও সঙ্গে সম্পর্ক থাকার কারণে অপরাধের বিচার হতে বাধা কোথায়। বরং আইন তার নিজস্ব গতিতে চললে সব সমস্যাস সমাধান সহজ।


হত্যাকান্ডের পরের দিনই একটি সংস্থার কাছে নিহতের স্ত্রী খাদিজা আক্তার এসব বিষয়ে অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেছেন, এসব গত বছর সেপ্টেম্বর থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত বিনা কারণে গাজীপুর সিটি করপোরেশন থেকে দেলোয়ার হোসেনকে ওএসডি করে রাখা হয়। পরে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে তাকে বদলি করা হয় কোনাবাড়ী অঞ্চলে। ঠিকাদাররা বিভিন্ন ফাইল নিয়ে আসত তার কাছে। ওইসব ফাইলে হিসাব-নিকাশে আকাশপাতাল পার্থক্য থাকত। ১০ টাকার কাজ ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা দেখানো হতো। আর এসব কারণে তিনি ফাইলে কোনো সই করতেন না। তা ছাড়া ফাইল ছাড়িয়ে নিতে মোটা অঙ্কের ঘুষের প্রস্তাবও দেওয়া হতো তাকে। কিন্তু তার স্বামী ওইসব প্রস্তাব ফিরিয়ে দিতেন।

বিবেচনায় রাখা দরকার কয়েক হাজার কোটি টাকার বাজেট বাস্তবায়নে সাধারণ যে রীতি, সেই রীতির বাইরে কি কি ব্যাপার রয়েছে। আরও ২০ বছর আগে বাংলাদেশে অর্থনীতি সমিতি সমীক্ষায় জানিয়েছিল, এ দেশে কর্মসূচি বাস্তবায়নে ২৫ শতাংশের বেশি খরচ করা হয় না।

“একটি তদন্ত সংস্থার এক কর্মকর্তা বলেন, ‘দেলোয়ার হোসেনকে ওএসডি করার পেছনে ঠিকাদারদের হাত রয়েছে। অভিযুক্ত কিছু ঠিকাদারের সঙ্গে মেয়রসহ অনেক কর্মকর্তার সুসম্পর্ক আছে। তদন্ত করে আমরা নিশ্চিত হয়েছি যে, সিটি করপোরেশনের কোনাবাড়ী অঞ্চলের ঠিকাদারদের কাজের পাওনা শতকোটি টাকার একাধিক ফাইল আটকা রয়েছে। আর ওইসব ফাইল তদন্ত করে ঠিকাদারি কাজে গাফিলতি পেয়েছে সিটি করপোরেশনের প্রকৌশল শাখা। ফাইলগুলো দেলোয়ার হোসেনের টেবিলে আটকা পড়ে আছে। ঠিকাদারদের একটি চক্র ফাইল ছাড়পত্র দেওয়ার জন্য তার কাছে বেশ কয়েকবার তদবির করে। ঘুষের প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু দেলোয়ার কোনো অবস্থাতেই ঘুষ নেবেন না বলে জানিয়ে দেন। এসব বিষয় নিয়ে মেয়রের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠকও করেন তিনি। তাতেই দেলোয়ারের সঙ্গে ঠিকাদারদের প্রকাশ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। আর হত্যাকান্ডের পেছনে এসব কারণ রয়েছে” [দেশ রূপান্তর, ১৮ মে ২০২০]।

একজন সৎ কর্মকর্তার ওএসডি হওয়ার কারণ খতিয়ে দেখার সময় এসেছে। অসৎ ব্যক্তিরা কতটা শক্তিশালী হয়ে একজন সৎ ব্যক্তিকে তার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিতে পারে? তাকে পরে মন্ত্রণালয়ের আদেশে পোস্টিং দেওয়া হয়েছিল। যেসব ফাইল আটকানোর কারণে দেলোয়ার খুনের শিকার হয়েছে, ওই ফাইলের সূত্র ও টেন্ডার বিবেচনায় আনা জরুরি। গোড়ায় কোন গলদ আছে কিনা এটিও খতিয়ে দেখা দরকার। আমাদের দেশে বালিশ কান্ডের যে ঘটনা আগে ঘটেছে, তাতে কোনকিছুই স্বাভাবিক ভাবে দেখা যায় না।

যারা খুনের বিচার ও তদন্ত নিয়ে শঙ্কা রপ্রকাশ করেন, তারা যেন হতাশ না হয় ওই কারণেও দ্রুত একটি পরিণতি দেখার ইচ্ছা জেগে রয়। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীও সহায়তা পেতে পারে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনগুলো থেকে।

আসাদুল্লাহ বাদল, প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক যোগফল