আমি গোয়ারতমি করি, না লড়াই করি?

আসাদুল্লাহ বাদল

10 Jun, 2020 10:15am


আমি গোয়ারতমি করি, না লড়াই করি?
আসাদুল্লাহ বাদল

যোগফল অনলাইনে ৩ লাখ ৮০ হাজার অনুসারী রয়েছে। এদের এক লাখ ১৪ হাজার গাজীপুর জেলার। গাজীপুর জেলায় গণমাধ্যমে যত অনলাইন অনুসারী আছে, তাদের সকলের ‘যোগফল’ আমাদের ‘তিন ভাগের এক ভাগ’। তবু আমি গর্বিত নই। আরও সময় দরকার আমাদের মূল্যায়নের জন্য। অন্তত ১০ লাখ অনুসারী যোগ হউক যোগফলে। তাদের ৪-৫ লাখ গাজীপুরের হবে আশাবাদী। পাঠকই আমাদের প্রাণ।

কতিপয় দুর্নীতিবাজের ধারণা যোগফল পুলিশ বা প্রশাসন বিরোধী সংবাদকে প্রাধান্য দেয়। এটি কেবল নিজের অপকর্ম ঢেকে রাখার জন্য প্রচারণা বইকি। যারা এমন প্রচার চালান, তারা দুর্নীতি থেকে দূরে থাকতে পারেন না? স্মরণীয়,  যোগফল পেজে একটি ভিডিয়ো দেখা হয়েছে প্রায় ৪৪ লাখ বার। মাত্র ৮ মাসে এই সংখ্যায় আপনি খুশি না হলেও, আমি খুশি। ভিডিয়োটি পুলিশের একটি অভিযানের। একজন হত্যাকারীর ‘রোমহর্ষক’ বর্ণনা যোগফল ইউটিউব চ্যানেলে দেখা হয়েছে প্রায় ২৮ লাখ বার। নামজারি করতে কিভাবে ‘গুনে গুনে ঘুষ নেওয়া’ হয় ওই ভিডিয়ো দেখা হয়েছে ১৫ লাখ বার। একজন হাসপাতালের আয়াকে লাথি মারার বর্ণনা দেখা হয়েছে ১৩ লাখ বারের বেশি। লাখে দুই অঙ্কের নিচের হিসাব দেইনি।

একজন এসআইয়ের অনিয়মের খবর ছাপা হয়েছিল যোগফলে ২০১৯ খ্রিস্টাব্দে। তিনি প্রায় সব অভিযোগ স্বীকার করেছিলেন। খবর প্রকাশের পর ভুল ভেঙেছে তার। তার ভাষ্য, যোগফলে ওই খবর প্রকাশের পর তিনি গত এক বছরে এক ওয়াক্ত নামাজও মসজিদে জামাত ছাড়া পড়েননি। রোজাও রেখেছেন সবগুলো। আর কোনদিন অনিয়ম করবেন না বলেও ‘তওবা’ করেছেন। পরিবারের সদস্যদের তিনি একমত করিয়েছেন, কষ্ট করে হলেও বেতনের টাকায় চলতে চান তারা।

আমাদের তিনি বিভ্রান্ত করতে এসব কথা বলেছেন বলে ধারণা করি না। গণমাধ্যম মানুষের কল্যাণের জন্যই কেবল কাজ করতে পারে, এই ধারণাকে সবসময় সম্মান জানাই। তার মানসিকতাকে গুরুত্ব দিয়ে পরিচয় প্রকাশ করছি না। খবরের সূত্রে একটি পরিবার ‘হারাম’ উপার্জন বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ঘটনাটি সামান্য হলেও আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

এক বন্ধুর সঙ্গে ছাত্রত্বকালে তার বোনের স্বামীকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলাম। ওই রোগীর রক্তের দরকার ছিল। রোগীর, আমার বন্ধুর ও আমার একই গ্রুপের রক্ত। রক্ত না দিয়ে বন্ধুটি হাসপাতাল থেকে পালিয়ে গিয়েছিল। আমি রক্ত দিয়েই ফেরত এসেছি। বাংলা সংবাদপত্রের অন্যতম নবজাগরেণর উদ্যোক্তা বিদ্যাসাগরের মতকে গ্রহণ করেই নিজের ‘ঢোল’ নিজে পিটাই। ভাওতাবাজ ধরনের ভাড়াটিয়া দিয়া ঢোল পিটাই না। তাতে অন্তত আমার ঢোলটি ভালো না বাজলেও, ফাটবে না।

২৩ বছর বয়সে সন্ধানীতে অঙ্গীকার করে মরণোত্তর চোখ দান করেছি। ২৫ বছর বয়সে ২০০০ খ্রিস্টাব্দে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অ্যানাটমি বিভাগে মরণোত্তর দেহদানের অঙ্গীকার করেছি। আমিই বাংলাদেশে সবচেয়ে কম বয়সী ব্যক্তি। সিদ্ধান্ত নিতে ‘চুল পাকাতে’ হয় না। একজনে ‘সিস্টেম’ বদলানো যায় না, মতের সঙ্গে আমি একমত নই। আলো জ্বালাতে মিছিল লাগে না। একজনেই পারা যায়। আপনি পারতে চান কিনা এটি আগে কনফার্ম করেন। ভালো কাজের দল ভারি করেন। বিজ্ঞান চিন্তাকে গুরুত্ব দিয়েই মরার পরেও মানুষের কল্যাণ করার ভাবনা জারি রেখেছি। আরজ আলী মাতুব্বর, ডক্টর আহমদ শরীফ, ডক্টর নরেন বিশ্বাস, জুয়েল আইচ ও কামাল লোহানীর কাতারে রেখেছি আরও ২০ বছর আগে।

শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, ৬ দফার আন্দোলন করে জেলে এসেছি, জেল থেকে বের হয়ে ৬ দফার আন্দোলনই করব। সিদ্ধান্তে স্থির থাকার এমন দৃঢ় মানসিকতা নিয়েই সাংবাদিকতা করি।

আমি পরিবারের সদস্যদের অনুধাবন করাতে অক্ষম হলেও ফরায়েজ লঙ্ঘন করিনি। বোনদের পাওনা সম্পত্তি দিয়েছি, যতটুকু পাওনা। দেওয়ার ক্ষেত্রে যে আপত্তি চালু রাখে আমাদের সমাজ, তা দৃঢ়তার সঙ্গেই প্রত্যাখ্যান করেছি। খুব অল্প সম্পত্তি ভাগে পেলেও ৫ শতাংশ দান করেছি। ১১ শতাংশ বিক্রি করেছি। একটি প্রতিষ্ঠানে ২ শতাংশ সম্পত্তি দান না করলে প্রতিষ্ঠানটি হবে না বিধায়, পরিবারের সম্মতি ছাড়াই রাজি হয়েছি। করোনার কারণে কাজটি আটকে আছে।

এসব কথা বলছি জয়দেবপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আফজাল হোসাইন যোগফলের নামে দায়ের করা মামলায় যোগফল ‘আর্থিকভাবে লাভবানের অপচেষ্টা’ করে বলে দাবি করেছেন। তার এই শিশুসুলভ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বলতে চাই আফজাল কি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবে, তিনি আমাকে তার টাকায় কোনদিন ‘এক কাপ চা’ পান করাতে পেরেছেন? বরং আফজাল যোগফল অফিসে...। বেচারার এমন কথা লেখা কাগজে ‘সই’ করতে হাত কাঁপলো না! এমনকি তার আরও শত সহকর্মীও ‘এক কাপ চা’ পান করানোর দাবি সততার সঙ্গে করতে পারবে না।
আফজাল তার এজাহারে মামলার ঘটনা উল্লেখ করেছেন ৩১ মে ২০২০ খ্রিস্টাব্দ রাত এগারোটা ২০ মিনিটের আগে যেকোন সময়। আমি আমার ফেসবুক আইডিতে ওই সময়ের আগে তাকে নিয়ে বা তার থানা নিয়ে কোন স্ট্যাটাস দেইনি। ফৌজদারি কার্যবিধির ২২২ ধারার বিধান লঙ্ঘন করার চেষ্টা না করলে খুশি থাকব।

২০০৭ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশ থেকে ১০ জন পেশাজীবী সুইডেনের ভিসা পেয়েছিল। তাদের অন্তত ৬ জন দেশে ফিরেননি। আমি ভিসা পেয়েও ৬ মাস বয়সী সন্তানের কারণে যাইনি। আর পাসপোর্ট ফেলে দিয়ে, না ফেরার ইচ্ছাও ছিল না। ২০১০ খ্রিস্টাব্দে যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি পেয়েও যাইনি। সেকেন্ড লেটার পেয়েও থেমে গিয়েছিলাম। তখন ‘মা’ ছিল ক্যান্সারে আক্রান্ত [৯ জুন ২০১১ খ্রিস্টাব্দে তিনি প্রয়াত হন, আজ এই দিনে দূরে থাকতে বাধ্য হয়েছি একজন ক্ষমতার অপব্যবহারকারীর কারণে]। এমন অনেক কারণে আমি অনেকের মতে গোয়ারতমি করি অথবা নির্বোধের জগতে বাস করি।
যারা আমার সহকর্মী হয়েও কোনো দুর্নীতিবাজকে রেহাই দেওয়ার জন্য তদবির করে, তাদের সঙ্গে কখনও একমত হই না বলে আমি নির্বোধই। এমন নির্বোধ অনেকেই হতে পারে না। ত্রাণের লাইনে ৫০০ জন দাঁড়িয়ে গেলেও যোগফলের কেউ দাঁড়ায় না।

আবার যারা নিজেদের বিকিয়ে দিতে বিবেক খাটান না, তারা কেউ যোগফলের বিরুদ্ধে, চক্রান্তের বিরুদ্ধে, ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে অবস্থান না নিলেও আপত্তি নেই। ত্রাণের লাইনের ব্যক্তিরা প্রতিবাদ করলেই কি, না করলেই কি?
মনে রাখবেন, আপনি সাংবাদিক দাবিদার হয়ে বিপদে পড়লে আমি দাঁড়াব আপনার পক্ষে। আপনি আমার জন্য দাঁড়াননি, এই হীনতায় আমি ‘সটকে’ পড়ব না। নিশ্চয়ই সামনে অনেক বিপদ আপনাকেও মোকাবেলা করতে হতে পারে।

৯৯ জন ‘দল পাকিয়ে’ যখন দিনকে ‘রাত’ বলে, তখন আমি দিনকে ‘রাত’ মেনে নেই না। ‘মেজরিটি’  দিয়ে সব মিথ্যাকে সত্য হিসাবে প্রতিষ্ঠা করা যায় না। এই যে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাহি প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন খুন হয়েছেন, তাতে কতজন সাংবাদিক কলম চালিয়েছেন। অন্তত একজন সৎ প্রকৌশলীর বিচারের জন্য। খুনের রহস্য বের করার জন্য। যোগফল দেখুন, হিসাবটা মিলিয়ে নিতে পারবেন।

১৬ বছর যাবত ওকালতি করে সংসার চালাই। পাক্ষিক সোপানের প্রতিনিধি হিসাবে ১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দে সাংবাদিকতায় নাম লেখানোর পর থেকে এখন পর্যন্ত কলমের কালিকে শ্রদ্ধা জানিয়েছি বলেই জমি বিক্রি করতে হয়েছে। বাড়ি বানাইনি, ফ্ল্যাট কিনিনি, এসব আমার চরম অযোগ্যতা। যারা না খেয়ে থাকার অজুহাত দেখিয়ে ‘গোবর’ খেতে চায়, তাদের আমি বরাবরই প্রত্যাখ্যান করি। ‘আর্থিক সুবিধা’ নিলে কি আমার জমি বিক্রি করতে হতো? আমি কখনও আমার পারা, না পারা নিয়ে আফসোস করি না।

গাজীপুর গণজাগরণ মঞ্চের সমন্বয়েকর দায়িত্ব পালনকালে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি, এতে অনেক নেতার বহুরূপি চরিত্র আমাকে ভাবিয়ে তুলে। মঞ্চের অন্যতম সংগঠক রাজিব হায়দার আমার আত্মীয়। তিনি খুন হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে (রাজিব) দ্বিতীয় প্রজন্মের প্রথম শহিদ বলে উল্লেখ করেছিলেন।

ভারতবর্ষে ১৭৮০ খ্রিস্টাব্দের ২৯ জানুয়ারি ‘জেমস অগাস্টাস হিকি’ সংবাদপত্রের সূচনা করেন। তিনি কেবল হয়রানির শিকার হননি, আরামে মরতেও পারেননি। কাজী নজরুল ইসলাম কেবল কবিতা লেখার কারণে নয়, পত্রিকা সম্পাদনার কারণে কারাবরণ করেছেন। বাংলা ভাষায় পৃথিবীর সবেচেয় বেশি পাঠকের পত্রিকা ‘প্রথম আলো’ সম্পাদক মতিউর রহমান সম্প্রতি অবহেলাজনিত খুনের মামলায় আসামি হয়েছেন। অকপটে একটি ব্যাপার স্বীকার করে ৭৮ মামলার আসামি হয়েছেন ‘ডেইলি স্টার’ সম্পাদক মাহফুজ আনাম। এক ঘটনায় পৃথিবীর আর কোন দেশে এমন মামলাবাজ গজিয়ে ওঠে। ‘পাপিয়ার ডেরার’ কথা লিখে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন মানবজমিন সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী। আমি তাদের কাতারের সমকক্ষ নই। একটি মামলায় মতিউর রহমান চৌধুরীর পক্ষে ওকালতি করতে পেরেছিলাম।

গাজীপুর জেলায় কর্মরত একজন পুলিশ কর্মকর্তা ফেসবুক আইডিতে নারী শিশু নির্যাতন মামলার ভিকটিমের ছবি আপলোড করে নাম পরিচয় প্রকাশ করেছিলেন। নারী শিশু আইনের ১৪ ধারায় এহেন কাজ বেআইনি। জেল জরিমানারও বিধান রয়েছে। তাকে ফোন করেছিলাম বছর দেড়েক আগে, যখন তিনি ওই ঘটনা ঘটিয়েছেন। বিষয়টি বলতেই তিনি ফোনের লাইনে থেকেই ‘গ্যাচ গ্যাচ’ করে ওই পোস্ট ‘ডিলিট’ বরেছেন। ওই খবর প্রকাশ হলে কি হতো। যার কথা বলছি, তিনি নিশ্চয়ই এই লেখা পড়বেন। নিজের হিসাবটা নিজেই মিলিয়ে নিতে পারবেন।

শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজের তৎকালীন আরএমও প্রণয় দাস লাশ কাটা ঘরে ডিউটি না করে ঘুমিয়ে থাকার ভিডিয়ো যোগফলে প্রকাশ করেছিল। যোগফলের খবরের কারণে অযোগ্য ব্যক্তি কাপাসিয়া কলেজে প্রিন্সিপাল নিয়োগ পাননি। একটি পাতানো অডিটও ভেস্তে গেছে যোগফলের খবরের সূত্রে।

শ্রীপুর ও কাপাসিয়ায় জুয়ার আসরের টাকা আত্মসাৎ, মাদক ব্যবসায় ওপেন সিক্রেট, মাদক সেবনের ফিরিস্তি, সালনা হাইওয়ে থানা পুলিশের জব্দ করা ব্যাটারি বেচে দেওয়া, মায়ের সঙ্গে শিশুকে কালিয়াকৈরে গ্রেপ্তার করে আদালতে নিয়ে আসা, কাপাসিয়া উপজেলার ঘাগটিয়ায় ইসুহীন হাতকড়া নিয়ে আসামির পলায়ন, ডাকাতির মামলার আলামত কম দেখিয়ে বেচে দেওয়া, মুচী জসিম গ্রেপ্তার হয়েছেন এমন সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর, তার লাশ পড়ে থাকায় কে কে রেহাই পেয়েছেন, দেওয়ানি আদালতের নোটিশ অতি উৎসাহী হয়ে পুলিশের দ্বারা জারি করানোসহ অসংখ্য খবরের প্রতিবাদ যোগফলে ছাপাতে হয়নি। কারণ এখন পর্যন্ত দুই বছর দুই মাসের মধ্যে কোন প্রতিবাদ যোগফলে আসেনি। এতটা সতর্কভাবে সংবাদ প্রকাশ করেছি বলেই দ্বিধাহীন চিত্তে এই দাবি করছি।
ওকালতির জন্য দরকারি মৌলিক আইন বই সংগ্রহ করেছিলাম চাহিদা মতো। রাজনীতির কারণে বিশ্ব সাহিত্যের অন্তত আড়াই হাজার বইপত্র সংগ্রহ করেছিলাম। এসব সাজিয়ে রাখিনি। বাস্তবতার সঙ্গে অমিল দেখেই অর্জন বিসর্জন দিয়ে এসেছি।

বাংলাদেশে দশটা গণমাধ্যমের অফিস নেই যেখানে কেবল সাংবাদিকতা সংক্রান্ত ৫০০ থেকে হাজার বই, হ্যান্ডনোট ও গাইড পাওয়া যায়। যোগফল ওই হিসাবের মধ্যে আছে। যোগফল মর্গে বইপত্রের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়েছে। জীবনের সমস্ত সময়টা যোগফলে দিতে চাই বলেই রাজনীতির ইস্তফাটা দিয়েছিলাম। ওকালতি করে সংসার চালানোর পরও তা ত্যাগ করতে চাই।

১২ ঘণ্টা থেকে ১৭ ঘণ্টাও সজাগ থেকে কাজ করি। তবু আমি খুশি, কারণ এছাড়া কি করতাম। এখন আমি আমার সব সময় কাজে লাগাতে পারি না, বরং সময় অপচয় ঘটে। নিজের অবস্থান জানাতে এসব কথা কখনও বলার সুযোগ পাই না। আফজাল এই সুযোগ করে দিয়েছে। তাকে ধন্যবাদ জানাই। লড়াই করেই টিকে থাকতে চাই। কারও করুণা কখনও আশা করি না।

আসাদুল্লাহ বাদল: প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক যোগফল। ১০ জুন ২০২০।

পরের কিস্তি: যোগফলের কোন খবরটি মিথ্যা? প্রমাণ আছে তো!




এই বিভাগের আরও