রেহাই পাবে না এমপি পাপুল

যোগফল রিপোর্ট

15 Jun, 2020 07:19am


রেহাই পাবে না এমপি পাপুল
ছবি : সংগৃহীত

অর্থপাচার ও মানবপাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া বাংলাদেশি সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে কুয়েত সরকার। তদন্ত চলার মধ্যে এটিকে ‘সবচেয়ে বড়’ মানবপাচারের ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেছেন কুয়েতের উপপ্রধানমন্ত্রী আনাস আল-সালেহ।

পাপুলের ‘অর্থপাচার ও মানবপাচারের’ সঙ্গে কুয়েত সরকারের কারও বিরুদ্ধেও যদি জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আল-সালেহ। শনিবার [১৩ জুন ২০২০] রাতে কুয়েতের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কুনা এ খবর জানিয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা আল-সালেহ এক টুইটে বলেছেন, ‘বিগত কয়েক সপ্তাহে অভিবাদন পাওয়ার মতো কাজ করেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মীরা। যেটা একজন এশীয় অভিবাসীর মাধ্যমে সবচেয়ে বড় মানবপাচারের ঘটনা প্রকাশ করেছে। তদন্তে সন্দেহভাজন আর্থিক লেনদেনের তথ্য বেরিয়ে এসেছে। কর্মকর্তা ও কম্পানিগুলোর একটি নেটওয়ার্ক এ কাজে সহযোগিতা করেছে।

আল-সালেহ আরও বলেন, “তদন্তে যাদের নাম আসবে, হয়তো তারা সরকারি কর্মকর্তা কিংবা বিশিষ্ট কেউ, তাদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তদন্তকারীদের মুখোমুখি হতে হবে। যদি কারও সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হয়, বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ করতে তাঁদের পাবলিক প্রসিকিউশনে পাঠানো হবে।’

গত ৬ জুন পাপুলকে গ্রেপ্তারের পর থেকে তাকে টানা আট দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কুয়েতের পাবলিক প্রসিকিউশন বিভাগ।

কুয়েতের রাজনীতিতেও পাপুলের গ্রেপ্তারের বিষয়টি বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছে দেশটির বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।

আরব টাইমস জানিয়েছে, বাংলাদেশের এই সংসদ সদস্যের মানবপাচারের সঙ্গে কুয়েতের যাদেরই সম্পর্ক রয়েছে, তাদের প্রত্যেকের নাম প্রকাশ করার দাবি জানিয়েছেন কুয়েত পার্লামেন্টের সদস্য ডাক্তার আবদুল কারিম আল কাণ্ডারি। 

এক টুইট বার্তায় তিনি বলেছেন, মানবপাচার ও অর্থপাচারের মতো অপরাধে জড়িত হিসেবে বাংলাদেশিদের নাম যেমন ঘোষণা করা হয়েছিল; তেমনই কুয়েতের জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে যারা জড়িত তাদের সবার নামও প্রকাশ করা উচিত। কারণ তারা দুর্নীতি করে জনমতসংক্রান্ত ইসুতে পরিণত হয়েছেন।


বিভাগ : অভিবাসন