ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন কার স্বার্থে?

যোগফল রিপোর্ট

23 Jun, 2020 02:55pm


ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন কার স্বার্থে?
ছবি প্রতীকী

সম্প্রতি সরকারের সমালোচনা, গুজব ছড়ানো, মানহানি, বিভ্রান্তি সৃষ্টি ইত্যাদি অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার ও মামলা করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, কাটুনিস্ট, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষকে। আমরা প্রত্যক্ষ করছি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনটির প্রয়োগে দমন পীড়নের খড়গ নেমে এসেছে মূলত শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ,স্পর্শকাতর মানুষ ও মুক্তবুদ্ধির চিন্তা ও চর্চার উপর। তাই স্বভাবত প্রশ্ন তৈরি হয়েছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনটি কার নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে?

কার নিরাপত্তা?

যেকোন আইন প্রণীত হয় মূলত জনগণের কল্যাণে বা জানমালের সুরক্ষায়। কিন্তু এই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনটি প্রণয়ণের পর থেকেই দেখা যাচ্ছে এ আইনের ফলে সাধারণ মানুষের কন্ঠস্বরকেই দমন করা হচ্ছে। আমরা অতীতে না গিয়ে অতি সম্প্রতি ঘটে যাওয়া কিছু বিষয়ের দিকে নজর দিবো। সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাসিম কয়েক দিন আগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেন। তার মৃত্যুর পর তাকে নিয়ে কুটুক্তির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সিরাজুল মুনিরা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক জাহিদুর রহমানকে। মামলা করা হয়েছে শাবিপ্রবির শিক্ষার্থী মাহির চৌধুরী ও ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাদিকের বিরুদ্ধে। 

গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আফজাল হোসাইন একটি সংবাদের তথ্য অনুসন্ধানকালে দৈনিক যোগফলের স্টাফ রিপোর্টার মো. মোজাহিদ, প্রতিনিধি রুকনুজ্জামান খান ও দৈনিক মুক্ত বলাকার প্রতিনিধি মিলন শেখকে তাদের অফিস থেকে আটক করে। পরে  তাদের নামে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দেয়। ‘দৈনিক যোগফল’ সম্পাদক প্রকাশক অ্যাডভোকেট আসাদুল্লাহ বাদলকে ওই মামলায় উল্লিখিত সময়ের বাইরে একটি বানোয়াট অভিযোগে আসামি করা হয়েছে।

এর আগে করোনা রোগের চিকিৎসার অনিয়মের কথা ফেসবুকে লেখার কারণে শ্রীপুর গণজাগরণ মঞ্চের মুখপত্র আনোয়ার হোসাইনকে গত ১৭ মার্চ গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুধু তাই নয় এর আগে করোনা পরিস্থিতিতে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানো ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে রাষ্ট্রচিন্তার সদস্য দিদারুল ভূঁইয়া, লেখক মোশতাক আহমেদ, কার্টুনিস্ট কিশোর আহমদকে। প্রতিদিনই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অসংখ্য মামলায় বাঁধা পড়ছেন লেখক, সাংবাদিক, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টসহ অনেকেই। গ্রেফতার হওয়া বা মামলার অন্তভূক্ত সকলের ক্ষেত্রে ‘কমন’ বিষয় হলো তারা কোন না কোন ভাবে সরকারের নীতি বা মতের বিরোধীতা করেছেন। তাদের এই মত ভিন্নতাকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের লেবাসে ‘ক্রিমিনালাইজ’ করা হচ্ছে। অর্থাৎ ভিন্নমত মানে-ই অপরাধ। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হচ্ছে তারা ‘গুজব’ ছড়িয়ে জনগণের মধ্যে বিশৃংখলা সৃষ্টি করছেন। এই হচ্ছে আমাদের দেশে গণতন্ত্র নমুনা! এই হচ্ছে আওয়ামী সরকারের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নমুনা! সরকারের নিয়ন্ত্রণ এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ও ছাত্রলীগের মধ্যে মনোমালিন্য হয়! কার করা মামলায় সরকার বিরোধীতার দায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক গ্রেফতার হয়েছেন। এ এক অদ্ভুত গণতন্ত্র বটে! তাই এ কথা আজ স্পষ্ট যে ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন’ শাসক দলের ‘তকতে তাউস’র নিরাপত্তা বিধান করে।

গুজব

বর্তমান সময়ে সারা বিশ্বে জনগণের যেকোন যৌক্তিক দাবিকে ‘গুজব’ বলে চালিয়ে দেওয়া এবং ‘গুজব’ সৃষ্টির অভিযোগে শাস্তি বিধান করা শাসকদের হাতে এক মোক্ষম অস্ত্র। এতে এক ঢিলে দুই পাখি মরে। গুজব সৃষ্টি হচ্ছে আওয়াজ তুলে দৃষ্টি মূল সমস্যা থেকে সরিয়ে দেওয়া যায়। আবার একই অভিযোগ দমন পীড়নকেও একটা বৈধতা দেওয়া যায়। কিন্তু প্রশ্ন হলো এই ‘গুজব’ কে তৈরি করে? কিভাবে তৈরি করে?

আমরা দেখছি পোশাকী গণতন্ত্রের আবরনটুকু আজ শাসকদের গা থেকে খসে পড়েছে। অত্যন্ত খালি চোখেই ধনিক শে্িরণর একনায়কত্ব ধরা পড়ছে। তারা জনগণের ন্যূনতম প্রয়োজনও আজ পূরণ করতে পারছেনা। এই অবস্থায় মূল সমস্যা থেকে জনগণের দৃষ্টি সরিয়ে রাখো, জনগণকে ভয় ও আতংকের মধ্যে রাখো-এই তাদের নীতি। ফলে আমরা দেখবো, একদিকে গোটা পুঁজিবাদী দুনিয়ায় অসংখ্য মিথ্যা প্রচার আর কল্পনার কৃত্রিম ফানুস ছড়ানো হয়, অন্যদিকে প্রচন্ড দমন-পীড়ণ, কালা কানুন দিয়ে জনমনে ভয় সৃষ্টি করা হয়। এই ভয়ের পরিবেশে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, তথ্যের অবাধ প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়, তৈরি হয় আতংক। যা থেকে ‘গুজব’ সৃষ্টির উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়। যেমন: ইরাকে ভয়ংকর জৈব অস্ত্র আছে-এই হুজুগ তুলে গোটা ইরাককে মাটির সাথে মিশিয়ে দিলো আমেরিকা। আমাদের দেশের শাসকরা ‘করোনার চেয়ে আমরা শক্তিশালী’ ‘করোনা মোকাবিলায় আমরা প্রস্তুত’ ‘আমরা সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করছি’ ইত্যাদি কথা বলে সারা দেশের মানুষকে করোনায় মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিলো। সুন্দরবনে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলে পরিবেশের কোন ক্ষতি হবে না, উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন করলে পরিবেশের কোন ক্ষতি হবে না ইত্যাদি কথা বলা দেশের যে অশেষ ক্ষতি করছে এগুলো গুজব ছাড়া আর কি হতে পারে! তাই সত্যিকার অর্থে গুজব সৃষ্টি করে রাষ্ট্র বা সরকার নিজে। জনগণ তার ভুক্তভোগী মাত্র।

এখানে আর একটি বিষয় বলতে চাই, ‘গুজব’ বলে সরকার জনগণের উপর যে ‘গজব’ নামিয়ে আনছে যে আইনের সাহায্যে, সেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কোথাও গুজব সংক্রান্ত কোন কথার উল্লেখ নেই। ফলে আমরা সবাইকে আহ্বান করবো শাসকদের একটি বড় অস্ত্র ‘গুজবতন্ত্র’-এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন।

যেখানে সেখানে কাউকে গ্রেফতার করা যায় কি?

আমরা দেখেছি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৩ নম্বর ধারায় বলা হচ্ছে “এই আইনের কোন বিধানের সহিত অন্য কোন আইনের বিধান অসামঞ্জস্য হয়, তাহা হইলে অন্য আইনের বিধানের সহিত এই আইনের বিধান যতখানি অসামঞ্জস্য হয় ততখানির ক্ষেত্রে এই আইনের বিধান কার্যকর থাকিবে:” অর্থাৎ এই আইনকে সর্বেসর্বা করা হয়েছে। আবার এই আইনের ৪৩ নম্বর ধারায় স্পষ্টত পরোয়ানা ছাড়াই তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেফতার করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। যা চূড়ান্ত অগণতান্ত্রিক। অথচ ২০১৬ সালে উচ্চ আদালত একটি স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছিল যে, ‘সাদা পোশাকে’ কাউকে গ্রেফতার করা যাবে না এবং আটক করার মাত্র ৩ ঘণ্টার মধ্যে তাকে কারণ জানাতে হবে। অথচ আজ আমরা প্রতিদিনই দেখছি কোন ধরনের পরোয়ানা ছাড়ায় র‌্যাব, পুলিশ বা ডিবি পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, ৩ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারের কারণ জানানো তো দূরের কথা অনেককে তো আর পাওয়াই যাচ্ছে না। যা স্পষ্টত উচ্চ আদালতের নির্দেশের লঙ্ঘন। এদিকে আইন শাস্ত্রের ছাত্র মাত্রই জানেন, "ARREEST SHOULD BE THE LAST STEP OF AN INVESTIGATION” কিন্তু এখন আর তাও মানা হচ্ছে না। দীর্ঘদিনের লড়াই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এ জনপদের মানুষের যে ন্যূনতম গণতান্ত্রিক চর্চাটুকু গড়ে উঠেছিল আজ ক্ষমতাসীন শাসকরা তা ভুলুন্ঠিত করছে।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে দুই-চার কথা

এ আইনে ‘রাষ্ট্রের সুনাম’ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা’ ‘ধর্মীয় অনুভুতি’ ‘রাষ্ট্র বিরোধী তৎপরতা’ ‘মিথ্যা ও অশ্লীল [আপত্তিকর]’ ইত্যাদি শব্দবন্ধ ব্যবহার করা হয়েছে, কিন্তু তার কোন স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। ফলে সরকার এগুলোর যথেচ্ছা ব্যবহার করে বিরোধী মতকে দমন করছে।

আইনটির ৩ নম্বর ধরায় তথ্য অধিকারের কথা উল্লেখ করলেও  পরে ঔপনিবেশিক আমলের ‘অফিসিয়াল সিক্রেসি অ্যাক্ট’ যুক্ত করেছে, যা একটি আর একটির সম্পূর্ণ বিপরীত।

দণ্ডবিধির (২৯৫-২৯৮) ধারাগুলোতে ধর্মীয় অবমাননার শাস্তির বিধানসমূহ আছে, অথচ নতুন করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে বিষয়টি সংযুক্ত করে সরকার কার্যত এই ধারাটির অপব্যবহার করে যাকে খুশি শায়েস্তা করতে পারার সুযোগ নিলো।

মানহানির ক্ষেত্রে দেশে প্রচলিত আইন আছে, কিন্তু ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে তা নতুন করে সংযুক্ত করা হয়েছে, যার ফলে একই অপরাধে দুইরকম শাস্তির ব্যবস্থা তৈরি হলো। দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারা থেকে ৫০১ ধারায় মানহানির বিধান ও শাস্তির বর্ণনা রয়েছে।

এ আইনের ৩২ এর (১) ও (২) ধারার মাধ্যমে স্বাধীন সাংবাদিকতা, সংবাদ প্রকাশের পথ রুদ্ধ করা হয়েছে। এ দুইটি উপধারার ফলে সরকারের মন্ত্রী, এমপি, আমলা ও সরকার দলের লোকেদের সন্ত্রাস, দূর্নীতি, লোপাট ইত্যাদি প্রকাশের পথ বন্ধ করা হয়েছে। বলা হয়েছে এসব ক্ষেত্রে ‘যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপক্ষে’ যদি তথ্য প্রকাশ করা না হয় তবে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হবে। এখন সাংবাদিকরা যদি এসব ক্ষেত্রে অনুমতি নিতে হয় হয়, তবে কোন দিনই ঘুষ, দুর্নীতি, অনিয়মের তথ্য প্রকাশ পাবে না। কোন অসৎ ব্যক্তিটি স্বেচ্ছায় তার কুর্কীর্তির কথা স্বীকার করবে? একি আদৌ সম্ভব। অথচ এ সব যদি কোন সাংবাদিক পরিবেশন করেন তবে তাকে শাস্তি ভোগ করতে হবে। অদ্ভুত বটে! আর এখন এই আইন ব্যবহার করে সাংবাদিকদের গ্রেফতার,হয়রানির ঘটনা আকছার ঘটছে।

আগেই উল্লেখ করা হয়েছে এ আইনের ৪৩ নম্বর ধারায় যে কাউকে বিনা পরোয়ানায় তল্লাশি, জব্দ বা গ্রেফতারের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। যার ফলে গুম, হঠাৎ তুলে নেওয়া ইত্যাদি ব্যাপক হারে বেড়ে গেছে। যা গণতান্ত্রিক অধিকারের বিরোধী। এ সকল অগণতন্ত্রিক বিধানের কারণে আইনটি একটি কালা কানুনে পরিণত হয়েছে। আমাদের প্রতিদিনের অভিজ্ঞতা এ কথার সত্যতা প্রমাণ করে।

বিশ্ববিদ্যালয় ও রাষ্ট্র

বেরোবির শিক্ষক সিরাজুম মুনিরা, রাবি শিক্ষক জাহিদুর রহমানকে গ্রেফতার ও শিক্ষার্থী মাহির চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা, ইবির শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিস্কার ইত্যাদি একটি বিষয়কে স্পষ্ট করে যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সরকারের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। অথচ আমরা জানি বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রের ভেতরে স্বায়ত্বশাসিত একটি প্রতিষ্ঠান। বিশ্ববিদ্যালয় বাধাহীনভাবে, মুক্ত পরিবেশে জ্ঞান চর্চা করবে। সে নতুন জ্ঞান সৃষ্টি ও সংরক্ষণ করবে। রাষ্ট্র বা সরকার যাতে কোনরূপ হস্তক্ষেপ করতে না পারে সেজন্য ইউজিসি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিবে এবং রাষ্ট্রের কাছ থেকে আর্থিক নিশ্চয়তা নিশ্চিত করবে। কারণ জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চার ফলে যে সামর্থ্য তৈরি হয়, তা শেষ পর্যন্ত দেশ বা রাষ্ট্রের কাজেই লাগে। অথচ আমরা দেখছি সরকার ক্রমাগত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে নিয়ন্ত্রণ করছে। দারোয়ান থেকে ভিসি সবাই দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ পাচ্ছে। ইউজিসি নিজে দলদাস প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। পরিস্থিতি এমন জায়গায় গিয়েছে যে, একজন ভিসি বলেছেন সরকারের একটি সহযোগী সংগঠনের সভাপতি পদ পেলে উপাচার্য পদ ছেড়ে দেবেন। শুধু তাই নয়, সরকার বিশ্ববিদ্যারয়ের ধারণাকে কৌশলে খর্ব করছে। যেমন: পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, হলকে হোস্টেল, ডাইনিংকে মেস ইত্যাদি ধারণায় নামিয়ে আনার চেষ্টা করছে। যা সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয় ধারণার বিরোধী।

আমরা সংক্ষিপ্ত পরিসরে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কিছু দিক ও ধারণা নিয়ে আলোচনা করলাম। আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলছি এই আইনটি একটি নির্বতনমূলক আইন। এর বিরুদ্ধে সকল গণতান্ত্রিক শক্তিকে আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানাই। সূত্র: অনুশীলন


বিভাগ : কোমল