ভারতীয় লোকশিল্পী পৌষালি স্টেজ মাতিয়ে বেড়াচ্ছেন

যোগফল প্রতিবেদক

27 Jan, 2020 11:04am


ভারতীয় লোকশিল্পী পৌষালি স্টেজ মাতিয়ে বেড়াচ্ছেন
পৌষালি ব্যানার্জি

পৌষালি একজন লোক সংগীত শিল্পী। তার পুরো নাম পৌষালি ব্যানার্জি। তিনি শান্তিনিকেতনের বাসিন্দা। তিনি ৪ বছর বয়স থেকেই তাঁর জীবনের প্রথম ও সর্বাগ্রে সংগীত গুরু হয়ে ওঠার জন্য তাঁর মাকে তার পাশে পেয়ে ধন্য হয়েছিলেন। 

পরে তিনি অনেক দক্ষ শিল্পী ব্যক্তিত্ব দ্বারা সমৃদ্ধ হওয়ার সুযোগ পান। গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড থেকে ২৯ ঘন্টা একটানা গান করার জন্য তিনি প্রশংসিত হয়েছিলেন। তিনি রবীন্দ্র সংগীতের জন্য ২০০৯ এ জাতীয় বৃত্তিও পেয়েছিলেন। 

সা-রে-গা-মা-পা ২০১৭ তে অংশ নেওয়া শিল্পী হিসাবে তাঁর যাত্রায় একটি নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। এখন তিনি পুরো পশ্চিমবাংলা ও বাইরে স্টেজ শো করে চলেছেন।

পৌষালি বীরভূমের বাসিন্দা। তার পিতা বাংলাদেশের ফরিদপুরের বাসিন্দা ছিলেন। পৌষালি বাংলাদেশে এসে ফরিদপুরে স্টেজ শো করেছেন। এই শো করে তিনি উচ্ছসিত।

তার ওস্তাদের মধ্যে কালিকা প্রসাদ ভট্টাচার্যের প্রভাব অত্যন্ত বেশি। কালিকা প্রসাদ ভট্টাচার্য সড়কে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। পৌষালি কালিকা প্রসাদ ভট্টাচার্যের কথা রেখেছেন তিনি। পৌষালি কখনও বাংলা ছাড়া গান করেনি। যদিও করেন, সেটি তার বন্ধুমহলে। একান্ত মনে বা বাথরুমে। পেশাদার শিল্পী হিমাবে তিনি লোকগীতর শিল্পী হিসাবেই পরিচিতি পেয়েছেন। তিনি বরাবর বাঙালি নারীর মতো শাড়ি পরিধান করেন।

সে প্রধানত লোকগীতি চর্চা করেন। লোকগীতি নিয়েই থাকতে চান। হরিনাম ও ঝুমুর গানও করেন। হাতে ঝুমুর রেখে নিজেই শব্দ বের করেন।

‘বীরভূমের বেটি লো’ ‘কলঙ্কিনী রাধা’ ‘পাল তুলে দে’ তার গানগুলোর মধ্যে বেশ জনপ্রিয়। তিনি তার ধর্মীয় চিন্তা আবদ্ধ থেকে গান করেন এমন নয়। হরিনাম যেমন করেছেন। তেমনি পাল তুলে দে ও করেছেন।

যারা বাংলা গান শোনেন, বিশেষত লোকগীতি বা ফোক গান শোনেন তাদের গানের রাজ্যে পৌষালি ব্যানার্জি ইতিমধ্যে স্থান করে নিয়েছেন।

ফেসবুকে তার অফিসিয়াল পেজ চালু আছে। ওই পেজে অনুসারী সংখ্যা ৯৫ হাজার। তার সঙ্গে যোগাযেগের জন্য একটি ফোন নম্বরও দেওয়া আছে। নম্বরটিতে যোগাযোগ করে তাকে গানের জন্য সম্মতি নেওয়া সুযোগ আছে।

ইউটিউবে একটি চ্যানেল আছে তার নামে। তার গান অনেক গান ৪০-৫০ লাখ বার দেখা হয়েছে।


বিভাগ : বায়োস্কোপ