এপিবিএনের তিনজন র‌্যাবের রিমান্ডে

যোগফল রিপোর্ট

22 Aug, 2020 02:38pm


এপিবিএনের তিনজন র‌্যাবের রিমান্ডে
ছবি : সংগৃহীত

মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ হত্যা মামলার আসামি বরখাস্ত হওয়া টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া ফাঁড়ির ইনচার্জ লিয়াকত আলী ও এএসআই নন্দদুলাল রক্ষিত এবং চার পুলিশ সদস্য ও স্থানীয় ৩ জনের পর এবার গ্রেপ্তার এপিবিএন এর তিন সদস্যকেও রিমান্ডে নিয়েছে র‌্যাব। শনিবার [২২ আগস্ট ২০২০] দুপুর সোয়া বারোটার দিকে র‌্যাবের একটি দল বিশাল নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে ককসবাজার জেলা কারাগার থেকে তাদের হেফাজতে নেয়। এরা হলেন: এসআই শাহজাহান, কনস্টেবল রাজিব ও আবদুল্লাহ। জেল সুপার মোকাম্মেল হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত ১৮ আগস্ট গ্রেপ্তার করে ওইদিনই  আদালতে তোলা হয় এই ৩ জনকে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই তিন আসামির ৭দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন।

র‌্যাব সূত্রে জানা গেছে, মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ হত্যার ঘটনায় তার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌসর দায়ের করা মামলায় বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ, এসআই লিয়াকত ও এএসআই নন্দদুলাল রক্ষিতসহ ৭ পুলিশ সদস্যসহ ১০ জনের ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। পৃথকভাবে তাদের রিমান্ড আবেদন এবং মঞ্জুর করা হয়।

এরমধ্যে সাত পুলিশ ছাড়া অন্য ৩ আসামি টেকনাফ বাহারছড়া বাসিন্দা এবং সিনহা হত্যার ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলা সাক্ষি। পরে তাদের সিনহার পরিবারের দায়ের করা মামলায় আসামি দেখিয়ে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

ওই দিন ঘটনাস্থলে দায়িত্ব পালন করা এপিবিএন-এর তিন সদস্যকে গত ১৮ আগস্ট আটক করে র‌্যাব। পরে তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে তোলা হয়। র‌্যাব তাদের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত তাদেরও সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর অংশ হিসেবে র‌্যাব আজকে তাদের হেফাজতে নিলো।

এর আগে হেফাজতে নেয়া চার পুলিশ সদস্য ও স্থানীয় তিনজনের রিমান্ড শেষ হয়েছে এবং বর্তমানে ওসি প্রদীপ, লিয়াকত ও নন্দদুলালের রিমান্ড চলমান রয়েছে।

সমরণীয়, গত ৩১ জুলাই খুন হওয়া মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান পুলিশের গুলিতে খুন হন। এরপর ৫ আগস্ট তার বড়বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বাদি হয়ে বরখাস্ত হওয়া প্রদীপ কুমার দাশ, লিয়াকত আলী, নন্দলাল রক্ষিত, সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন ও এএসআই লিটন মিয়াসহ ৯ জনকে আসামি করে টেকনাফ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। পরে মামলা টেকনাফ থানায় নিয়মিত মামলা হিসেবে রুজু হয়।


বিভাগ : আড়চোখ


এই বিভাগের আরও