বরমী বাজারের তাবিজ বিক্রেতা সোহেল রানার পরিণতি কী?

আসাদুল্লাহ বাদল

09 Oct, 2020 08:20am


বরমী বাজারের তাবিজ বিক্রেতা সোহেল রানার পরিণতি কী?
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বব্যাপী জঙ্গিগোষ্ঠীর অনলাইন তৎপরতা পর্যবেক্ষণকারী সাইট ইন্টেলিজেন্স গ্রুপ গত ১৬ আগস্ট দুইটি ছবি প্রকাশ করে। ছবির শিরোনামে তারা লিখেছিল, ‘বাংলাদেশের রাজধানীর উত্তরে জাদুবিদ্যার চর্চাকারীকে আইএসের হত্যার প্রমাণাদি’। কিন্তু ওই ব্যক্তির নাম-পরিচয় কিছুই সেখানে উল্লেখ ছিল না।

আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস তাদের অনলাইন চ্যানেল বা সাইটে ওই ছবি ও দাবির কথা প্রকাশ করে, যা পরে সাইট ইন্টেলিজেন্স তাদের সাইটে দেয়। যদিও এ ধরনের কোনো হত্যার ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়নি। 

পরে ‘প্রথম আলো’ ও ‘জনকণ্ঠ’ দুইটি রিপোর্ট প্রকাশ করে। দৈনিক যোগফল আলোচিত এই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সমাজের নানা স্তরের ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সাংস্কৃতিক সংগঠক যোগফলকে বলেন, র‌্যাডিকেলাইজেশন যেমন ভয়ঙ্কর, এসব ব্যাপারে কথা বলাও তেমন ভয়ঙ্কর। কারণ, সোহেলের মতো একজন নিরীহ মানুষের প্রাণের কথা ভাবলে সহজে কেউ মন্তব্য করতে রাজি হয় না। সম্ভবত জঙ্গিরা যে নামেরই হউক তারা একটি বার্তা বা নিজের অস্তিত্ব জানান দিতে এই ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে।  

‘গাজীপুর জেলার মামলাগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখভাল ও তদন্ত করা হচ্ছে মামলাটি।’ এ কথা জানিয়েছেন গাজীপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোহাম্মদ রাসেল শেখ। মামলাটি গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানার ৫০(৯)২০ নম্বর। রাসেল শেখ নিজেই মামলাটির তদারকির দায়িত্বে আছেন। মামলার আইও বর্তমানে শ্রীপুর থানার এসআই আব্দুল হামিদ। প্রথমে আইও ছিলেন এসআই আলাউদ্দিন। এই মামলার সার্বিক খবর রাখেন শ্রীপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুজ্জামান খান।

আলোচিত ও বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনায় থাকা মামলার বাদি গফরগাঁও পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শিলাসী গ্রামের বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম জুয়েল। জুয়েল এখন মাওনার পাশে চা সিগারেটের দোকানদার। তিনি আবুল কাশেম এর সন্তান। আবুল কাশেম এর অপর সন্তান সোহেল রানা (৪০) গত ইদের আগে নিখোঁজ হয়েছেন। 

আবুল কাশেম যোগফলকে জানিয়েছেন, তিনি এখন ৬৭ বছর বয়সী বৃদ্ধ। তার শ্বাসকষ্ট রয়েছে। ফলে তিনি ঘর থেকে বের হতে পারেন না। শ্রীপুর উপজেলার বরমী বাজার থেকে নিখোঁজ হওয়ার খবর শুনে তিনি সোহেল রানার আশ্রয়দাতা নিরু দাসের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। আগ্রহ ও ইচ্ছা থাকা সত্তে¡ও সন্তানের নিখোঁজ হওয়ার স্থান দেখা ও তার আশ্রয়দাতার সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারেননি। তবে জুয়েল সব যোগাযোগ রাখছেন।

আবুল কাশেম সংবাদপত্রের মাধ্যমে তার সন্তান সোহেলকে জঙ্গিরা হত্যা করেছে বলে জানতে পেরেছেন। পরে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের একজন কর্মকর্তা তার এলাকার ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফয়জুর রহমান জীবনের মাধ্যমে যোগাযোগ করেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় যোগফলের নিকট আবুল কাশেম কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি। কারণ চার আসামি গ্রেপ্তারের খবরে তিনি কিছুটা আশ্বস্থ হয়েছেন।

নিরু দাস জন্ম নেন ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দের ১৫ আগস্ট। তার জন্ম তারিখ ইতিহাসের এক কলঙ্কময় দিনে হওয়ায় তার কোন হাত না থাকার পরও তিনি বিব্রত বোধ করেন। অন্তত ১০ বছর নিজের সেলুনে যাকে থাকতে দিয়েছেন, তার (সোহেল) খুনের খবর শুনে তিনি ১৫ আগস্টের মতোই বিমর্ষ। যোগফল অনুসন্ধানী টিম যখন বরমী বাজারের কাঠমহলের পাশে নিরুর সেলুনে সোহেল রানার কথা বলছিলেন, তখন তিনি অঝোরে কাঁদছিলেন। নিরুর সহকর্মী সুনীল রবিদাস। তিনি আদি পেশা ত্যাগ করে চুলকাটার কাজ করেন। অল্প আয়ের জীবন ধারণ করা সোহেল রানা একাধিকবার তাকে আজমির শরিফ থেকে বিভিন্ন রকমের খাবার এনে খাইয়েছেন বলে দাবি করেন। কয়েকমাস আগে নিরুর কোমরের পিছনে রড ঢুুকে গিয়েছিল। সোহেল তার জন্য সর্বাত্বক চেষ্টা করে চিকিৎসার খোঁজ নিয়েছেন। নিরুর নিকট সোহেলের একটি ছবি রয়েছে, অন্তত ৭-৮ বছর আগে তোলা। ছবিটি তিনি লেমিনেশন করে নিজের কাছে রেখেছেন।

নিরুকে ঢাকার গোয়েন্দা পুলিশের দুই সদস্য সোহেলের বিষয়টি জানিয়েছেন।

নিরুর সেলুনে নিয়মিত আসেন ভালুকার পির নুরচাঁনের মুরিদ রফিকুল ইসলাম। সোহেল চট্টগ্রামের মাইজভান্ডার শরিফের মুরিদ। তাদের পির আলাদা হলেও তাদের মধ্যে খাতির ছিল। তিনিও সোহেল রানার খুনের খবরে উদ্বিগ্ন।

বরমী বাজারে পুরাতন চায়ের স্টল রয়েছে নিরুর সেলুনের পাশে। এটি অনুপের স্টল নামে পরিচিত। এখানে দৈনিক হাজারও ব্যক্তির সমাগম ঘটে। অনুপের স্টলে চা পান করতেন সোহেল। এই স্টলে যারা নিয়মিত আসেন সকলেরই প্রিয়ভাজন ছিলেন সোহেল রানা। এমন একজন মানুষকে খুন করা হতে পারে এই খবরে তাদের অনেকেই আতঙ্কিত।

বরমী বাজার বটতলায় এখন মাইক্রোবাসের স্ট্যান্ড। পাশেই দুইটি সেলুন ও একটি খাবারের দোকান রয়েছে। সোলেমানি আংটি ও অষ্টধাতুর আংটিসহ কিছু সামগ্রী বিক্রি করতেন সোহেল রানা। অবসরে বসে থাকতেন বটতলায়। এখানে চটপটি বিক্রি করেন তপন মিয়া ও সাইফুল ইসলাম। তারা যোগফলকে জানিয়েছেন, অভাবে পড়লে সোহেল ৫-১০ টাকা চেয়ে নিতেন খাবারের জন্য। তবে সোহেলের গাঁজার নেশা ছিল বলে জানিয়েছেন একাধিক ব্যক্তি। সোহেলের নামে কারও কোন অভিযোগ নেই। বরং সকলের আফসোস সোহেলের মতো একজন নিরীহ মানুষ খুনের ঘটনায়।

সোহেলের পিতা আবুল কাশেম যোগফলকে জানিয়েছেন, তার সন্তান সামান্য কিছু খাবার নিয়ে যেতেন পিতামাতার জন্য। তাতেই তারা সন্তুষ্ট ছিলেন। সোহেল কুমিল্লায় এক নারীকে বিয়ে করেছিলেন। উদাসীন জীবনের কারণে বছর খানেক পরে ওই নারী সোহেলকে ত্যাগ করে পিতার বাড়িতে চলে যান। এরপরে আর কখনও ওই নারীর সঙ্গে যোগাযোগ নেই।

সংসদ সদস্য মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন সবুজ যোগফলকে জানিয়েছেন, জঙ্গিদের ব্যাপারে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও সতর্ক রয়েছে। ফলে ওই ঘটনার অগ্রগতি হচ্ছে। এরইমধ্যে আসামি গ্রেপ্তার হচ্ছে। আশা করা যায় প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে নীতিতে জঙ্গি দমন করছেন, এতে এই ঘটনারও সমাপ্তি দেখা যাবে।

মনিরুজ্জামান খান একজন আসামিকে শ্যোন অ্যারেস্ট করা হয়েছে বলে জানান শনিবার [৩ অক্টোবর ২০২০]। তখন তিনি আসামির নাম বলতে অস্বীকৃতি জানান। আসামির বাড়ি সিলেট বলে জানিয়েছেন। কত তারিখে অ্যারেস্ট দেখানোর আবেদন করা হয়েছে এবং অ্যারেস্ট দেখানোর আবেদন মঞ্জুর হয়েছে কিনা এই তথ্য জানতে কয়েকদফা কথা হয় মনিরুজ্জামান খানের সঙ্গে। পরে যোগফলের কথা হয় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাসেল শেখের সঙ্গে। তিনি তথ্য জানাতে কোন বাধা নেই বলে জানান।

মনিরুজ্জামান খানকে তিনদিনে সাতবার ফোন করে শেষে মামলার পরিণতি সম্পর্কে অবগত হওয়া যায়। এরই মধ্যে শেখ সুলতান মোহাম্মাদ নাইমুজ্জামান ওরফে মেজর নেওয়ালকে রিমান্ডে পেয়েছিল পুলিশ। আদালত এর আগে আইওর শ্যোন অ্যারেস্টের আবেদন মঞ্জুর করেন। আরও তিন আসামিকেও শ্যোন অ্যারেস্টের আবেদন জানানো হয় আদালতে। বৃহস্পতিবার [৮ অক্টোবর] শ্যোন অ্যারেস্টের আবেদনের ওপর শুনানি হয় সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইলিয়াস রহমানের আদালতে।

ধারণা করা হয়েছিল মেজর নেওয়াল ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিবে। কিন্তু শেষে তা দেয়নি। তবে ঢাকার পল্টন থানার মামলায় যে জবানবন্দি দিয়েছে তাতে এই ঘটনার সূত্র রয়েছে। ফলে এই মামলার জন্য যথেষ্ট প্রয়োজনীয় তথ্য বেরিয়ে আসছে বলে জানান মনিরুজ্জামান খান। 


১১ সেপ্টেম্বর উত্তরার আজমপুর থেকে মামুন আল মুজাহিদ ওরফে সুমন ওরফে আব্দুর রহমান, আল আমীন ওরফে আবু জিয়াদ, মোজাহিদুল ইসলাম ওরফে রোকন ওরফে আবু তারিক ও সারোয়ার রহমান রাহাতকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর চার জঙ্গি পল্টনে বোমা বিস্ফোরণে জড়িত থাকার পাশাপাশি বরমী মাইজভান্ডারী সোহেল রানাকে জবাই করে হত্যার কথাও স্বীকার করে।

আসামিদের বক্তব্য মতে, ঘটনার সময়ে বন্যা ও নদীতে খরস্রোত থাকার কারণে অনুসন্ধান চালানো একটু জটিল হয়েছে। ঘটনার সূত্রেও নির্দিষ্ট লক্ষণ নেই বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র। প্রায় আড়াই মাসেও সোহেলের লাশ পাওয়া যায়নি। 

এ ব্যাপারে সাইফুল ইসলাম জুয়েল যোগফলকে বলেন, গত ৩ এপ্রিল তার মা মারা গেছে। এরইমধ্যে ভাই মারা যাওয়ার খবরে তাদের পরিবার মারাত্বক বিপর্যস্ত। তিনি তার ভাইয়ের ‘হাড়’ হলেও পেতে চান।

সোহেল রানার পিতা আবুল কাশেমের তথ্য মতে, ১ আগস্ট ইদ হয়েছে। ইদের দিন শনিবার ছিল। এর আগের শনিবার অর্থাৎ ২৫ জুলাই সোহেল বাড়ি থেকে বরমী বাজারে আসেন। ৩১ জুলাই সোহেল নিখোঁজ হলে ও খুনের খবর ধরে নিলে এত পরে অপহরণের মামলা দায়েরের ফল কী, এমন প্রশ্নে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ যোগফলকে জানান, মামলার তদন্ত করার সুযোগ অবারিত। অপহরণ হউক বা খুন হউক ৩৬৪ ধারার মামলার সূত্র ধরেই প্রকৃত ঘটনা বের করা সম্ভব। অচিরেই পুলিশ একটি ভালো ফল দেখাতে পারবে বলেও জানান তিনি।

একই রকম আশ্বাস দেন পরিদর্শক মনিরুজ্জামান খানও। এরই মধ্যে এই মামলায় চার আসামির জড়িত হওয়ার মধ্যে দিয়ে শেষ পরিণতি দেখার সুযোগ ঘটছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বরমী বাজারের পশ্চিম পাশে পাঠানটেক গ্রামের যুবক তোফায়েল মোড়ল ও রুবেল মিয়াসহ আরও কয়েকজন যোগফলকে জানিয়েছেন, তারা খবর জানতে পেরেছেন। কিন্তু বরনল ও পাঠানটেক এলাকার কে বা কারা ঢাকায় একটি জঙ্গি মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি। এলাকার আরও বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা হয় যোগফলের। কিন্তু স্পর্শকাতর বিষয় বিবেচনায় অনেকেই এড়িয়ে যেত চান ঘটনাটির।

কবিরাজির কথা বলে একটি পরিত্যক্ত ইটভাটায় ডেকে নেওয়া হয় মাইজভান্ডারী সোহেল রানাকে। শরবতের সঙ্গে ঘুমের ঔষধ খাওয়ানোর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু সোহেল শরবত খেতে না চাইলে তার হাত-পা বাঁধা হয়। জঙ্গি নেতা সুমন তাকে নিজ হাতে জবাই করে। জবাইয়ের পুরো দৃশ্য ভিডিয়ো করা হয় মোবাইলে। তারপর সেই লাশ বস্তায় ভরে নৌকায় করে নেওয়া হয় কাপাসিয়া ব্রিজ এলাকায়। নাড়িভুঁড়ি কেটে বের করে পাথর বেঁধে লাশ ফেলে দেওয়া হয় নদীতে। 

জিজ্ঞাসাবাদে মামুন আল মোজাহিদ ওরফে সুমন জানান, আল-আমীন, রোকন ও রাহাত তার মাধ্যমেই নব্য জেএমবিতে সম্পৃক্ত হয়। আরবি জিলহজ মাসের ১০ তারিখের মধ্যে তাদের কোনও একটি ‘কাজ’ করে দেখানোর দায়িত্ব ছিল। নাইমুজ্জামানের নির্দেশনা মতে তারা টার্গেট ফিক্সড করতে গিয়ে বরমী বাজারের মাইজভান্ডারী সোহেল রানাকে টার্গেট করে। 

মামুন আল মোজাহিদ ওরফে সুমন জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, তারা প্রথমে হত্যার বিষয়ে দ্বিধাগ্রস্ত ছিল। এদিকে নির্দেশনা মতো জিলহজ মাসের ১০ তারিখও অতিক্রম হয়ে যাচ্ছিল। রাতে তারা একবার শরবতের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাওয়াতে চেয়েছিল সোহেলকে। কিন্তু সোহেল শরবত খেতে না চাওয়ায় তার হাত-পা বেঁধে কিছুক্ষণ ফেলে রাখা হয়। পরে মামুন নিজ হাতে সোহেলকে জবাই করে। পুরো বিষয়টি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ভিডিয়ো করে নাইমুজ্জামানের কাছে পাঠায়। পরে লাশটির পেট কেটে নাড়িভুঁড়ি বের করে শরীরের সঙ্গে ইট বেঁধে বস্তায় ভরে। সকালে একটি নৌকায় করে কাপাসিয়া ব্রিজের কাছে নদীতে ফেলে দেয়।

যে নৌকায় করে লাশ বহন করা হয়েছে, নৌকার সেই মাঝিকে শনাক্ত করা সম্ভব হলে ঘটনা আরও স্পষ্ট হবে। বরমী থেকে কাপাসিয়া পর্যন্ত ব্রিজ রয়েছে দুইটি। একটি দুই কিলোমিটারের মধ্যে বরামা সিংহশ্রী ব্রিজ ও অপরটি কাপাসিয়ার ফকির মজনু শাহ সেতু। নিকটবর্তী বরামা সিংহশ্রী ব্রিজের নিচে লাশ ফেলে ওেয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

পুলিশের আশ্বাস ও বাদির পরিবারের আশা অনুযায়ী সোহেলের পরিণতি সম্পর্কে জানার আগ্রহ রয়েছে এলাকাবাসীরও। সম্ভবত নতুন গ্রেপ্তার হওয়া তিন আসামির ওপর নির্ভর করবে বাকি ঘটনা।


বিভাগ : তালাশ


এই বিভাগের আরও