১১ টিকার চূড়ান্ত ট্রায়াল হচ্ছে

যোগফল রিপোর্ট

23 Nov, 2020 01:01pm


১১ টিকার চূড়ান্ত ট্রায়াল হচ্ছে
ছবি প্রতীকী

বিশ্বের সবকয়টি দেশেই হানা দিয়েছে করোনাভাইরাস। একটি ভাইরাস একবিংশ শতাব্দীতে এসে সবকিছু এমন থমকে দেবে সেটা ছিল ধারণার বাইরে। জীবন বাঁচানোর পাশাপাশি অর্থনীতি সচল করতে তাই করোনার টিকা আনতে প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা। তাতে সফলতাও মিলেছে।

এই সময় জানায়, অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা যায় টিকা আসতে ১০-১৫ বছর বা তার বেশি লেগে যেত। কিন্তু করোনার বছর ঘোরার আগেই তৃতীয় দফার ট্রায়ালের একেবারে শেষ পর্যায়ে রয়েছে ১১টি টিকা। তিনটির ফলও পাওয়া গেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) নথি অনুযায়ী, ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে শুরুর পর্যায়ে রয়েছে আরও ৩৭টি টিকা। ১৬৪টি রয়েছে তার আগের স্তরে।

ঠিক কতটা তাড়াতাড়ি হচ্ছে টিকা আনার কাজ? একটি উদাহরণই যথেষ্ট। ‘হেপাটাইটিস বি’ ভাইরাসের খোঁজ পাওয়া যায় ১৯৬৫ সালে। প্রথম টিকা তৈরিই হয় চার বছরের চেষ্টায়। আমেরিকার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এফডিএর অনুমতি পাওয়া যায় তারও ১২ বছর পর।

এবার তা হলে কেন দ্রুতগতিতে চলছে টিকার গবেষণা এমন প্রশ্নে ভারতের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োমেডিক্যাল জিনোমিক্সের ডিরেক্টর সৌমিত্র দাস বলেন, ‘একটি ভাইরাসের সঙ্গে প্রতিটি দেশকে লড়তে হচ্ছে, এ রকম ইদানীং কখনও হয়নি। তাই সব দেশের বিজ্ঞানীরা ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। একসঙ্গে কাজ হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘স্ট্র্যাটেজি যদি প্রথম কারণ হয় দ্বিতীয় কারণ অবশ্যই আধুনিক প্রযুক্তি। আগে প্রযুক্তি এত উন্নত ছিল না। কোনো প্রোটিন বা অ্যান্টিজেন চাইলেই বিপুল সংখ্যায় উৎপাদন করা যাচ্ছে।’

‘আর একটি বিষয় আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স। এর মাধ্যমে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরুর আগেই কার্যকারিতার সম্ভাবনা নিয়ে অনেকটা তথ্য পাওয়া যাচ্ছে’ যোগ করেন সৌমিত্র দাস।


বিভাগ : স্বাস্থ্য