‘মন রে কৃষি কাজ জানো না’

আসাদুল্লাহ বাদল

28 Nov, 2020 04:09pm


‘মন রে কৃষি কাজ জানো না’
নলী বিল

“মন রে কৃষি কাজ জানো না, এমন মানব জমিন রইল পতিত, আবাদ করলে ফলত সোনা” এই গান বাঙালি কৃষকের মুখে শোনা যেত। গানের রচয়িতা রামপ্রসাদ সেন। কিন্তু এই গানে কৃষি কাজ না জানার অক্ষমতা আর প্রস্তত কৃষকের কচুরিপানায় আটকে থাকা এক নয়। যোগফল অনুসন্ধানী টিম অচিরেই বের করে আনবে একটি সমস্যার সমাধান।

গত ৭ বছর যাবত বিলটি কচুরিপানায় ছেয়ে গেছে গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার নলী বিল। নানা রকমের ফল পরিবহণ ও বিলে মাছের উৎপাদন ছিল কৃষকের মুখের হাসি। যা এখন মলিন।

কচুরিপানার নিচে তলিয়ে আছে ৩ হাজার বিঘার অধিক তিন ফসলী জমি। ধান ও রবি শস্যের বাম্পার ফলনের এ জমির ফসলে স্থানীয় ছয়টি গ্রামের ২০ হাজার মানুষের সারা বছরের খাদ্য সংস্থান হতো। এখানে উৎপাদিত সবজি স্থানীয়দের চাহিদা পূরণ করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হতো। এখন এটি সম্ভব হচ্ছে না।

সরকারি উদ্যোগে সামান্য পরিমাণ খাল কাটা ও সংস্কারের অভাবে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে সোনা ফলানো বিস্তৃর্ণ কৃষিজমি কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে রয়েছে। অতিরিক্ত কচুরিপানার কারণে বিল মৌসুমে মাছ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এ যেন দেখার কেউ নেই। 

পলাশপুর, ফুলবাড়ীরা, রাওনাট, দুর্গাপুর, চাকৈল, মাশক ও চাঁদপুর গ্রামের কৃষকরা পরিবার পরিজন নিয়ে অনাহারে অর্ধাহারে দিনাতিপাত ও নিরবে চোখের পানি ফেলছেন। জমি থেকেও জমির ফল পাচ্ছে না তারা।

মাত্র এক কিলোমিটার খাল খননের অভাবে (যা ভরাট হয়ে আছে) নলীবিল এখন দুঃখের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কৃষকরা জনপ্রতিনিধিদের নিকট ধরনা দিলেও এখনও ফল পাননি। ফেসবুকে সচেতন কয়েকজন নাগরিক ছবিসহ পোস্ট করেছেন সমস্যাটির। কিন্তু ফলের  দেখা মিলেনি।


বিভাগ : খেতখামার


এই বিভাগের আরও