শ্রীপুরে ফুলের বাগান পরিদর্শন করেছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মণি

রোকুনুজ্জামান খান

02 Feb, 2021 07:35pm


শ্রীপুরে ফুলের বাগান পরিদর্শন করেছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মণি
ছবি : সংগৃহীত

গাজীপুর জেলার শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া পূর্ব খন্ড এলাকায় দেলোয়ার হোসেন দম্পত্তির মৌমিতা ফ্লাওয়ার্স ফুল সবজির বাগান পরিদর্শন করেন শিক্ষামন্ত্রী ডাক্তার দীপু মণি।

মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি ২০২১) সকালে পরিদর্শন শেষে শিক্ষামন্ত্রী উপস্থিত সাংবাদিকদেরকে বলেন, দেলেয়ার দম্পতি বাগানে আধুনিক পদ্ধতিতে ফুল, ফল ও সবজির চাষ করছেন। তাদের উৎপাদিত ফসলগুলোতে বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। তারা এরমেধ্য এধরনের ফুল ও সবজি চাষে ৩০০ জন উদ্যোক্তা তৈরি করে দিয়েছেন। অনেককে প্রশিক্ষণও দিয়েছেন। আমাদের দেশে এমনিতেই মাটি এত উর্বর যে, তাতে ফুল চাষ করে তার বাজারজাত করার সম্ভাবনা রয়েছে। এফুল বিদেশে রপ্তানি করার সম্ভাবনা রয়েছে। এ দম্পতি যেভাবে উদ্যোক্তা তৈরি করে দিচ্ছেন আমি বিশ্বাস করি যে, সরকারের সহযোগিতা পেলে নিশ্চয়ই তারা এটাকে বিশাল আকারে নিয়ে যেতে পারবেন।

দীপু মণি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যার সরকার সবসময়ই উদ্যোক্তাদের পাশে আছে। কেউ নতুন কিছু করতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী তাদের সহায়তা দেন, উৎসাহ দেন। দেশে এভাবে ফুল চাষ হলে আমরাও সবজির পাশাপাশি ফুলও রপ্তানি করতে পারবো। এসময় তিনি দেলোয়ার দম্পতির টিউলিপ, বিদেশি গোলাপ, ক্যাপসিকাম, স্ট্রবেরি বাগানসহ অন্য কার্যক্রম দেখেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, গাজীপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট রিনা পারভীন, শ্রীপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শামসুল আলম প্রধান, শ্রীপুর পৌরসভার মেয়র আনিছুর রহমান, শ্রীপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল, শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা তাসলিমা মোস্তারী, আওয়ামীলীগ নেতা হুমায়ুন কবির হিমু, গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল আলম রবিন উপস্থিত ছিলেন। 

দেলোয়ার হোসেন জানান, প্রায় ৭ একর জমিতে কালার ক্যাপসিকাম, গ্রীণ ক্যাপসিকাম, টিউলিপ, ওরিয়েন্টাল লিলি, ডাচ গোলাপ, দেশি গোলাপ, স্ট্রবেরি, জি-৯ কলাসহ বিভিন্ন ফুল ফলের চাষ ও চারা তৈরি করেন। 

২০০২ সাল থেকে নিজের কিছু জমিতে এসব চাষাবাদ শুরু করেন। পরে তা নিজের ৫ বিঘা ও লিজে নেওয়া ১৫ বিঘা জমিতে তা সম্প্রসারণ করেন। সারাদেশে তিনি এসব চাষে ৩০০ জন উদ্যোক্তা তৈরি করেছেন। এসব চাষাবাদে কিছু সমস্যার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এ প্রকল্পে ব্যাংকগুলো পর্যাপ্ত ব্যাংক ঋণ দেয় না। যে ঋণ পাওয়া যায় তাও চড়া সুদে। সরকার তাকে সহযোগিতা করলে ফুল সবজি চাষ করে ভারত ও চীনের মতো হতে দুই থেকে তিন বছর সময় লাগবে বলে তিনি জানান।


বিভাগ : খেতখামার