স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের সাবেক এমডিসহ আটজনের নামে দুদকের মামলা

যোগফল রিপোর্ট

04 Feb, 2021 06:30pm


স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের সাবেক এমডিসহ আটজনের নামে দুদকের মামলা
ছবি প্রতীকী

৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের সাবেক এমডি মামুন উর রশীদসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক)।

বৃহস্পতিবার [৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১] দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ এ মামলাটি দায়ের করা হয়েছে বলে সংস্থাটির পরিচালক প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন বাদী হয়ে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ এ মামলাটি দায়ের করেছেন।

মামলার আসামিরা হলেন ১) মিসেস জেসমিন রশিদ, নির্বাহি পরিচালক, সচেতন সাহায্য সংস্থা; ২) মিসেস হাসনা হেনা, সভাপতি, সচেতন সাহায্য সংস্থা; ৩) মিসেস নাছরিন আক্তার, সাধারণ সম্পাদক, সচেতন সাহায্য সংস্থা; ৪) শোয়াইব মাহমুদ তুহিন, সাবেক ম্যানেজার, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড, প্রগতি সরণি শাখা, ঢাকা; বর্তমানে ভিপি অ্যান্ড ম্যানেজার, প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেড, নিকুঞ্জ শাখা, খিলক্ষেত, ঢাকা; ৫) শেখ মোহাম্মদ মুনসুরুল করিম, সাবেক সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড, প্রগতি সরণি শাখা; বর্তমানে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড, গুলশান-১ শাখা, ঢাকা; ৬) মামুন-উর-রশিদ, সাবেক ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড, প্রধান কার্যালয়; বর্তমানে ম্যানেজিং ডিরেক্টর, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ, চট্টগ্রাম; ৭) মো. তারিকুল আজম, এডিশনাল এমডি, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা; (৮) মো. আমিনুল ইসলাম, সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড হেড অব এআরসিডি, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে প্রতারণা ও জাল-জালিয়াতির আশ্রয়ে কথিত ক্ষুদ্রঋণ বিতরণকারী (এনজিও) প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে এসওডি ঋণের নামে ৪ কোটি টাকা প্রদান ও পরে অত্র এনজিও দ্বারা কোনো ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ না করে ঋণের অর্থ স্থানান্তর করে মানিলন্ডারিং এর মাধ্যমে আত্মসাৎ করে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯/৪৭৭ ধারা; ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা তৎসহ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ ধারার শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

ঘটনার সময়: ২০১৭ সালের ২১ নবেম্বর থেকে ২০১৮ সালের ৬ জুন পর্যন্ত।


বিভাগ : অপরাধ


এই বিভাগের আরও