প্রিন্টিং তারিখ: ২৯ জুলাই ২০২৬প্রকাশের তারিখ: ২৯ জুলাই ২০২৬
মেয়ের আত্মহত্যার ৩ মাস পর পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
ছবি: সংগৃহীত
ভোলা সদর জজ আদালতে কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন ফকির (৪২) ঝুলন্ত অবস্থায় মৃত পাওয়া গেছেন। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে ভোলা পৌরসভার অফিসারপাড়া এলাকার ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত শাহাবুদ্দিন ফকির বরিশালের গৌরনদী উপজেলার দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের বাসিন্দা। ২০০৪ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দিয়ে দীর্ঘ ২২ বছর বিভিন্ন ইউনিটে দায়িত্ব পালন শেষে তিনি ভোলা সদর আদালতে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার আদালতে তার ডিউটি থাকলেও তিনি কর্মস্থলে উপস্থিত হননি। সহকর্মীরা একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া না পেয়ে তার বাসায় যান। সেখানে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে।
জানা গেছে, শাহাবুদ্দিন বাসায় একাই থাকতেন। তার স্ত্রী প্রায় ১০ দিন আগে গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলেন।
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৪ মে এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রত্যাশামতো না হওয়ায় শাহাবুদ্দিন ফকিরের একমাত্র মেয়ে তৈয়বা জাহান চৈতি (১৬) আত্মহত্যা করেন। পরিবারের সেই শোকের তিন মাসের মাথায় শাহাবুদ্দিনের এমন মৃত্যুর ঘটনায় এলাকাজুড়ে নানা আলোচনা শুরু হলেও, তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনই কোনো মন্তব্য করেনি পুলিশ।