যোগফল প্রতিবেদক:
সিলেটের বিশ্বনাথে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ৯২ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে নাশকতার মামলা করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৬০ থেকে ৭০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
শুক্রবার রাতে বিশ্বনাথ থানায় মামলাটি করা হয়। মামলার বাদী উপজেলার অলংকারি ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি ও সাবান টেংরা গ্রামের মৃত আবদুল আলীর ছেলে ইরন মিয়া (৫৫)। মামলাটি থানায় ১৭ নম্বর হিসেবে রুজু করা হয়েছে।
মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত আসামি আবদুল কাইয়ুমকে (৪৫) গ্রেপ্তার করে। তিনি বিশ্বনাথ পৌর এলাকার অলংকারি গ্রামের মৃত তজম্মুল আলীর ছেলে এবং পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়।
মামলার এজাহারে আওয়ামী লীগ নেতা গিয়াস উদ্দিন আহমদ, কবির আহমদ কুব্বার, শাহ আসাদুজ্জামান, ফারুক আহমদ, মুহিবুর রহমান সুইট, রফিক হাসান, ফজর রহমান, শংকর দাশ শংকু, শামীম আহমদ, ফজর আলী, সিরাজ মিয়া, রুহেল খান, ওয়াহাব আলী, আলতাব হোসেন, জুনাব আলী, মকদ্দুছ আলী, পার্থ সার্থী দাশ পাপ্পু, আজিজুর রহমান, এনামুল হক এনামসহ মোট ৯২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া মামলায় আরও ৬০ থেকে ৭০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ আগস্ট রাতে উপজেলার রামপাশা এলাকায় অভিযুক্তরা সড়কে গাড়ির টায়ার জ্বালিয়ে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ও মিছিল করেন। এ সময় তারা সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে এলাকায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ও আতঙ্ক সৃষ্টি করার চেষ্টা করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান জানান, মামলার এজাহারভুক্ত আসামি আবদুল কাইয়ুমকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম