যোগফল প্রতিবেদক:
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় জশনে জুলুস ও আন্তর্জাতিক শান্তি মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ও বিদেশ থেকে আসা ওলামা, শিক্ষাবিদ, ধর্মীয় নেতা এবং বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন।
বুধবার (২৬ আগস্ট) আঞ্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভান্ডারিয়া ও ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।
সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মাইজভান্ডার দরবার শরীফের ভক্তরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আসতে শুরু করেন। সকাল ৯টার মধ্যেই অনুষ্ঠানস্থলে মানুষের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। নারী ও পুরুষদের জন্য আলাদা প্যান্ডেলের ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি স্থাপন করা হয় ডিজিটাল স্ক্রিন।
বেলা ১১টার দিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দক্ষিণ গেট থেকে জশনে জুলুস বের হয়। শোভাযাত্রাটি দোয়েল চত্বর ও হাইকোর্ট মোড় হয়ে আবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ফিরে আসে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জুলুস শেষ হয়।
জুলুসে নেতৃত্ব দেন আঞ্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভান্ডারিয়া ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) চেয়ারম্যান শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ মাইজভান্ডারি।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জশনে জুলুস ও শান্তি মহাসমাবেশে বিভিন্ন দেশ থেকে ওলামা, শিক্ষাবিদ ও ধর্মীয় নেতাসহ বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন।
জুলুসের আগে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশ-বিদেশের অতিথিরা বক্তব্য দেন।
জুলুস শেষে একই স্থানে অনুষ্ঠিত হয় আন্তর্জাতিক শান্তি মহাসমাবেশ। এতে সভাপতিত্ব করেন সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ মাইজভান্ডারি।
জশনে জুলুস ও শান্তি মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। আয়োজকদের স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য মোতায়েন ছিলেন।
এদিকে, বুধবার সকালে বৃষ্টি হওয়ায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের অনুষ্ঠানস্থলের কিছু অংশে কাদা ও পানি জমে যায়। এতে সেখানে আসা অংশগ্রহণকারীদের সাময়িক দুর্ভোগে পড়তে হয়।
বৃষ্টির পরও বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণে জশনে জুলুস ও আন্তর্জাতিক শান্তি মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
তানজিলা / অনলাইন
ডেস্ক / যোগফল.কম