যোগফল প্রতিবেদক:
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চে প্রায় ১ লাখ লিটার তেল অপচয় হওয়ায় জনভোগান্তি ও জ্বালানি সংকট আরও বাড়ছে বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন।
রাশেদ খাঁন তার পোস্টে দাবি করেন, জামায়াত ঘোষিত লংমার্চে দলীয় নেতাকর্মীদের বাইরে সাধারণ মানুষের তেমন আগ্রহ ও অংশগ্রহণ নেই। লংমার্চকে ঘিরে প্রত্যাশা অনুযায়ী সাধারণ মানুষের উপস্থিতি হয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি লেখেন, সাধারণ মানুষ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও গ্যাস নিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংকট সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান রাখে। ছয় মাসের সরকারের ওপর ১৮ থেকে ২০ বছরের সমস্যা, সংকট ও অব্যবস্থাপনার দায় চাপানোর চেষ্টা মূর্খতার শামিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রাশেদ খাঁন আরও দাবি করেন, রাস্তাঘাট বন্ধ রেখে লংমার্চ আয়োজনের কারণে জনভোগান্তি বাড়ছে। পাশাপাশি এতে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি ব্যবহৃত হওয়ায় জ্বালানি সংকটও আরও তীব্র হচ্ছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধের দাবি
রাশেদ খাঁনের ভাষ্য, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী ও পণ্যবাহী যান চলাচল করে। লংমার্চের কারণে এসব যান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকার লোকসান হতে পারে।
তিনি অভিযোগ করেন, দলীয় স্বার্থে এবং মিথ্যাচার ও প্রতারণাকে পুঁজি করে জামায়াত জনগণের ওপর ‘লংমার্চ’ নামের আন্দোলন চাপিয়ে দিয়েছে।
এর আগে ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য শনিবার সকালে রাজধানীর শাপলা চত্বর থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ শুরু করে।
কর্মসূচিতে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি সংকট নিরসন, রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংস্কার এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের গণহত্যার বিচারসহ জনজীবনের বিভিন্ন সংকটের বিষয় তুলে ধরা হচ্ছে।
পথে নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, ফেনী ও মিরসরাইসহ বিভিন্ন স্থানে পথসভা ও সমাবেশ করার কথা রয়েছে। রাতে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে সমাপনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা।
কর্মসূচিতে জোটের শীর্ষ নেতারা অংশ নিয়েছেন। লংমার্চের বহরে এক হাজারের বেশি গাড়ি রয়েছে বলেও জানা গেছে।
তানজিলা / অনলাইন
ডেস্ক / যোগফল.কম