যোগফল প্রতিবেদক:
চাঁদপুরের মাছঘাটে ইলিশের দাম আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। তবে বাজারে ইলিশের সরবরাহ এখনো চাহিদার তুলনায় কম থাকায় দাম আরও কমেনি। নদীতে ইলিশের সরবরাহ বাড়লে বাজারে দাম আরও কমতে পারে বলে আশা করছেন জেলে ও ব্যবসায়ীরা।
ঢাকা থেকে চাঁদপুরে বেড়াতে আসা ক্রেতা শামীম আহমেদ জানান, বন্ধুদের সঙ্গে তিন নদীর মোহনায় ঘুরতে এসে কাছের মাছঘাট থেকে ইলিশ কেনার ইচ্ছে হয়। আগের তুলনায় দাম কিছুটা কমেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দাম আরও কমানো প্রয়োজন।
তার মতে, কেজিপ্রতি ইলিশের দাম সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকার মধ্যে থাকলে সাধারণ মানুষও স্বাচ্ছন্দ্যে কিনতে পারবেন।
ষাটনল জেলেপাড়ার জেলে টিটু বর্মণ ও দিলীপ চন্দ্র রায় বলেন, নদীতে এখন ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে, তবে আগের মতো পর্যাপ্ত নয়। অনেক সময় জেলেরা ঘাটে ফিরলেও আশানুরূপ মাছ না পাওয়ায় জ্বালানি ও অন্যান্য খরচ বাদ দিয়ে লাভ খুব কম থাকে।
তারা জানান, নদীতে ইলিশের পরিমাণ বাড়লে স্বাভাবিকভাবেই ঘাটে সরবরাহ বাড়বে। এর প্রভাব বাজারেও পড়বে এবং দাম কমে আসতে পারে।
ইলিশ ব্যবসায়ী কামাল হোসেন বলেন, বর্তমানে ঘাটে যে পরিমাণ ইলিশ আসছে, তা চাহিদার তুলনায় কম। ফলে দাম এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। নদীতে মাছের সরবরাহ বাড়লে বাজারে ইলিশের দামও আরও কমতে পারে।
ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, সামনে নদীতে ইলিশের সরবরাহ বাড়লে বাজারে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে ভারসাম্য তৈরি হলে ইলিশের দাম আরও কমে আসতে পারে। এতে স্বস্তি ফিরবে ক্রেতাদের পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসায়ী ও জেলেদের মধ্যেও।
সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম