সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটিতে একটি বসতবাড়িতে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। ভিডিওটির সঙ্গে দেওয়া পোস্টে দাবি করা হয়, চাঁদা না দেওয়ায় রাজনৈতিক নেতাদের পক্ষ থেকে ওই বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে।
তবে অনুসন্ধানে দেখা যায়, ভিডিওটি গত ৩০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার চরণদ্বীপ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সৈয়দনগর মাইজপাড়া এলাকার দুদু মিয়া সওদাগরের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের।
স্থানীয় দৈনিক আজাদীর ফেসবুক পেজে গত ৩০ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত একটি ভিডিওর সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির মিল পাওয়া যায়। দৈনিক আজাদী ভিডিওটির ক্যাপশনে বোয়ালখালীতে একটি বসতবাড়িতে আগুন লাগার কথা উল্লেখ করে।
পরে গণমাধ্যমটির ১ অক্টোবরের প্রতিবেদনে বলা হয়, ৩০ সেপ্টেম্বর সৈয়দনগর মাইজপাড়া এলাকায় দুদু মিয়া সওদাগরের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। বোয়ালখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ অলক চাকমা জানান, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত শানু আক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনিও বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুন লাগার কথা জানান। একই সঙ্গে চাঁদা দাবির বিষয়টি মিথ্যা বলে দাবি করেন তিনি।
শানু আক্তার বলেন, ‘বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগছে। চাঁদা দাবির ঘটনাটি মিথ্যা এবং যাদের বাড়িঘর পুড়ে গেছে তাদের মধ্যে কেউই প্রবাসী না।’
অর্থাৎ, অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বোয়ালখালীর ওই অগ্নিকাণ্ডের সঙ্গে রাজনৈতিক নেতাকর্মী বা চাঁদাবাজির কোনো সম্পর্কের তথ্য পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের কেউই প্রবাসী নন। ফলে চাঁদা না দেওয়ায় প্রবাসীর বাড়িতে রাজনৈতিক নেতাদের আগুন দেওয়ার দাবিটি মিথ্যা।