চট্টগ্রামের সনাতন ধর্মাবলম্বীরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণ করে নিতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন বলে মন্তব্য করেছেন সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান। তিনি বলেছেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও ভ্রাতৃত্বের উজ্জ্বল ঐতিহ্য ধারণ করে আসছে চট্টগ্রাম। বৈষম্যহীন, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়তে সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার, মর্যাদা, নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় নগরীর দক্ষিণ কাট্টলী উত্তর নাথপাড়া সার্বজনীন শ্রী শ্রী দুর্গাপূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে শারদীয় দুর্গোৎসবের মহাষষ্ঠী উপলক্ষে আয়োজিত মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্বালন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সাঈদ আল নোমান বলেন, “চট্টগ্রামের সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণ করে নিতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। তাঁর আগমনকে ঘিরে চট্টগ্রামের মানুষের মধ্যে প্রত্যাশা, উৎসাহ ও আন্তরিকতার এক ইতিবাচক আবহ তৈরি হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, আবহমানকাল থেকেই চট্টগ্রাম সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও ভ্রাতৃত্বের ঐতিহ্য ধারণ করে আসছে। ধর্ম, বর্ণ ও সম্প্রদায়ের ভিন্নতা সত্ত্বেও এ অঞ্চলের মানুষ পারস্পরিক সহাবস্থান, সৌহার্দ্য ও মানবিক মূল্যবোধ সমুন্নত রেখেছেন।
সংসদ সদস্য বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়তে সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার, মর্যাদা, নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। উৎসবের আনন্দ, সামাজিক সম্প্রীতি এবং মানুষের পারস্পরিক ভালোবাসাই আমাদের সম্মিলিত শক্তি।”
তিনি বলেন, চট্টগ্রামের সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ সর্বস্তরের মানুষ এমন একটি বাংলাদেশ প্রত্যাশা করেন, যেখানে প্রত্যেকে নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস ও সংস্কৃতি স্বাধীনভাবে চর্চা করতে পারবেন এবং রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে সমান মর্যাদা নিয়ে বসবাস করবেন।
উত্তর নাথপাড়া সার্বজনীন শ্রী শ্রী দুর্গাপূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শিপন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সুজন কুমার নাথের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপির সদস্য আবুল হাশেম, মোশাররফ হোসেন ডিপ্টি, পাহাড়তলী থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন জিয়া, পূজা কমিটির সাংস্কৃতিক সম্পাদক নকুল চৌধুরীসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা।
তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম