প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আব্দুস সালামের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (নিটোর) গেছেন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) কেন্দ্রীয় নেতারা।
গত ২২ জানুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা শেষে রংপুরে ফেরার পথে জেলার শঠিবাড়ি এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন আব্দুস সালাম। এতে তার বাম পা মারাত্মকভাবে আহত ও ভেঙে যায়। দীর্ঘদিন চিকিৎসা নেওয়ার পরও তার শারীরিক জটিলতা ও দুর্ভোগ অব্যাহত ছিল।
সম্প্রতি তার অসুস্থতা ও চিকিৎসার বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজরে আসে। এরপর তিনি আব্দুস সালামের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংযুক্তিতে কর্মরত অধ্যাপক ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর অধ্যাপক ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহর পরামর্শে ডা. এম. আর. হাসান আব্দুস সালামের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিটোরে ভর্তি করার ব্যবস্থা করা হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় গত সোমবার (২ নভেম্বর) দেশের বিশিষ্ট অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে আব্দুস সালামের চিকিৎসার বিষয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। বোর্ড তার শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনা করে পরবর্তী চিকিৎসা পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) আব্দুস সালামের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে হাসপাতালে যান ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদ ও মহাসচিব ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ড্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি ও নিটোরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কেনান, সহসভাপতি ও বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সহসম্পাদক ডা. পারভেজ রেজা কাকন, সহসভাপতি ডা. সামিউল হাসান বাবু, যুগ্ম মহাসচিব ডা. মুরাদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা শিশু হাসপাতাল ড্যাবের সেক্রেটারি ডা. ফারুক আহমেদ, আইনবিষয়ক সম্পাদক ডা. এম. আর. হাসান এবং সহসাংগঠনিক সম্পাদক ডা. কামরুজ্জামানসহ সংগঠনটির অন্য নেতারা।
এ সময় আহত যুবদল নেতা আব্দুস সালাম তার উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করায় এবং পাশে দাঁড়ানোয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।
চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে আবারও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হওয়ার পাশাপাশি সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।
দুঃসময়ে একজন রাজনৈতিক কর্মীর পাশে দাঁড়িয়ে তার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার এ উদ্যোগকে মানবিক দায়িত্ববোধ ও সহমর্মিতার দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম