মো. মোজাহিদ :

নির্দোষ চা দোকানি রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তারের আগের রাতে পুলিশ মূল আসামিকে ধরেও ঘুষের বিনিময়ে ছেড়ে দিয়েছিল পুলিশ। ঘুষ নেওয়ার সময় পরামর্শ দিয়েছিল হাইকোর্ট থেকে জামিন নেওয়ার জন্য। এই কথাগুলো যোগফল প্রতিবেদককে জানিয়েছেন আসামি রফিকুলের স্ত্রী, তার স্ত্রীর বক্তব্য সঠিক বলে জানিয়েছেন আসামি রফিকুল। তবে নির্দোষ ‘চা দোকানি' তার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।

স্মরণীয়, ১৭ জানুয়ারি গাজীপুর জেলার শ্রীপুর মডেল থানার এএসআই কফিল উদ্দিন কেওয়া পশ্চিম খন্ড গ্রামের নির্দোষ চা দোকানি রফিকুল ইসলামকে তার দোকান থেকে বিকেল চারটায় একটি বন মামলার ওয়ারেন্টের কথা বলে গ্রেপ্তার করে। এরপর বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) গাজীপুর জেলার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের (বন) বিচারক শেখ নাজমুন নাহার তার জামিনের আদেশ দেয়।

এ ব্যাপারে তেলিহাটি ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম যোগফলকে জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারের পর চা দোকানি নির্দোষ রফিকুলসহ স্থানীয়রা এএসআই কফিল উদ্দিনকে মামলার ব্যাপারে নিশ্চিত করার অনুরোধ করলে তিনি গুরুত্ব দেয়নি। পরে আমি শ্রীপুর থানার ওসিকে অনুরোধ করে বলি, আসলেই তার নামে মামলা আছে কি না ভালোভাবে যাচাই করার জন্য। তবে ওসি লিয়াকত আলী আমার অনুরোধে কর্ণপাত করেনি।

এই ঘটনায় আসল আসামির গ্রেপ্তার এড়ানোর ক্ষেত্রে কতিপয় সংবাদকর্মী ঘটনা জেনেও চেয়ে যায়। নির্দোষ ব্যক্তিকে জেল খাটানোর ব্যাপার হাইলাইট করলেও আসল ঘটনা আলোর মুখ দেখেনি।