খুঁজুন
advertisement
advertisement
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৪ ভাদ্র, ১৪৩৩

গবেষণাভিত্তিক শিক্ষায় নতুন দৃষ্টান্ত গড়ল সিকৃবি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:২৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গবেষণাভিত্তিক শিক্ষায় নতুন দৃষ্টান্ত গড়ল সিকৃবি

গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং ব্যবহারিক দক্ষতা বৃদ্ধিতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (সিকৃবি)। প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের গবেষণার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকোসিস্টেম থিংকিং অ্যান্ড রিসোর্স ডাইনামিকস (ইটিআরডি) ল্যাবের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘উপকূলীয় ও সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রে প্রাকৃতিক মূলধনের মূল্যায়ন’ শীর্ষক পোস্টার প্রেজেন্টেশন।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষের লেভেল-১-এর ৯৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। তারা ১৯টি গবেষণা প্রস্তাবনা দুইটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করে পোস্টার আকারে উপস্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম। সঞ্চালনা করেন কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোশাররফ হোসেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে ডিন অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে পোস্টার প্রেজেন্টেশন গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও অনেক ক্ষেত্রে তা নিয়মিত আয়োজন করা হয় না। কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এ উদ্যোগ সফল হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এ ধরনের কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের গবেষণায় আগ্রহ বাড়াবে এবং মানসম্মত গবেষণা প্রকাশে উৎসাহিত করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পোস্টারগুলোর মূল্যায়ন করেন কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোস্তফা শামসুজ্জামান, সহকারী অধ্যাপক অনুরাধা তালুকদার এবং সহকারী অধ্যাপক মাফিয়া আক্তার।

প্রধান বিচারক অধ্যাপক ড. মো. মোস্তফা শামসুজ্জামান বলেন, প্রথম বর্ষ থেকেই শিক্ষার্থীদের গবেষণাভিত্তিক কার্যক্রমে যুক্ত করার উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী। এ ধরনের আয়োজন গবেষণার মৌলিক ধারণা অর্জনের পাশাপাশি ভবিষ্যতে মানসম্পন্ন গবেষণায় অংশগ্রহণের শক্ত ভিত্তি তৈরি করবে।

আয়োজক ও সঞ্চালক অধ্যাপক ড. মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক (বিএনকিউএফ) অনুযায়ী একজন স্নাতকের ২১ ধরনের দক্ষতা অর্জনের কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রেই তার ঘাটতি দেখা যায়। এই আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গবেষণা দক্ষতা, যোগাযোগ সক্ষমতা, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং দলগতভাবে কাজ করার সক্ষমতা বিকাশে উৎসাহিত করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, গবেষণার সূচনা, সারসংক্ষেপ, উদ্দেশ্য, ফলাফল ও আলোচনা—একটি গবেষণার মৌলিক কাঠামো সম্পর্কে শিক্ষার্থীরা বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। একই আয়োজনে ১৯টি গবেষণা পোস্টার উপস্থাপন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম বৃহৎ গবেষণাভিত্তিক শিক্ষামূলক উদ্যোগ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে দুই ক্যাটাগরিতে উপস্থাপিত ১৯টি পোস্টারের মধ্য থেকে সেরা ছয়টি দলকে পুরস্কৃত করা হয়।

অনুষ্ঠানে কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক ড. পার্থ প্রতিম বর্মন, ফিশ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিকস বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মাহবুব ইকবাল, অ্যাগ্রিকালচারাল ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শাহ আলমগীর, ক্রপ বোটানি বিভাগের অধ্যাপক ড. মাসুদুর রহমান, এন্টোমোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ফুয়াদ মণ্ডলসহ বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, গবেষক এবং শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শেখ হাসিনার আসতে হবে না, তাকে ধরে আনতে চাই: তথ্য উপদেষ্টা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শেখ হাসিনার আসতে হবে না, তাকে ধরে আনতে চাই: তথ্য উপদেষ্টা

 যোগফল প্রতিবেদক:

ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের অবস্থান দৃঢ় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনা নিজে দেশে ফিরুন বা তাকে ফিরিয়ে আনা হোক—সরকার প্রত্যর্পণের দাবি থেকে সরে আসবে না।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তথ্য উপদেষ্টা।

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি ভারতের ওপর চাপ তৈরির কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে—এমন আলোচনা নাকচ করে জাহেদ উর রহমান বলেন, শেখ হাসিনা বর্তমানে একজন পলাতক আসামি এবং তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় রয়েছে। তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি করাই সরকারের লক্ষ্য বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা নিজে দেশে আসুন কিংবা সরকার তাকে ফিরিয়ে আনুক, প্রত্যর্পণের দাবি বাস্তবায়নে সরকার কাজ করে যাবে। এ বিষয়ে কোনো কৌশল বা ভিন্ন উদ্দেশ্য নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সম্প্রতি শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন এবং ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেওয়ার বিষয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন তথ্য উপদেষ্টা। তার ভাষ্য, শেখ হাসিনার এ ধরনের বক্তব্য বাংলাদেশের জন্য বিরক্তিকর ও সংবেদনশীল। এ বিষয়ে ভারত সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জাহেদ উর রহমান বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে ভারত চাইলে কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ নিতে পারে। বিশেষ করে শেখ হাসিনার বিভিন্ন বক্তব্য ও গণমাধ্যমে উপস্থিতির বিষয়ে ভারতের অবস্থান পরিষ্কার করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

ভারতীয় হাইকমিশনারের কাছে এ বিষয়ে প্রশ্ন করার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, শেখ হাসিনার বক্তব্য বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া তৈরি করছে, সেটি ভারতের বোঝা উচিত। দুই দেশের মধ্যে আস্থার পরিবেশ তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে চলে যান শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি দেশটিতে অবস্থান করছেন। সম্প্রতি আগামী ডিসেম্বর মাসে দেশে ফেরার ঘোষণা দেওয়ার কথা জানা গেছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বাঘারপাড়ায় সাক্ষরতা দিবসে দক্ষতা উন্নয়নের তাগিদ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:২৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাঘারপাড়ায় সাক্ষরতা দিবসে দক্ষতা উন্নয়নের তাগিদ

 যোগফল প্রতিবেদক:

সাক্ষরতা অর্জন করি, দক্ষতা উন্নয়ন করি’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে যশোরের বাঘারপাড়ায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ উপলক্ষে বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা প্রশাসন ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ভূপালী সরকার। অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, জাতীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য সাক্ষরতার কোনো বিকল্প নেই। তবে শুধু পড়তে ও লিখতে পারার মধ্যে সাক্ষরতার লক্ষ্য সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। মানুষের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, নিরক্ষরমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলা, সবার জন্য শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা এবং সামাজিক অংশগ্রহণ বাড়ানোর মাধ্যমে একটি আত্মনির্ভরশীল ও সমৃদ্ধ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। এ লক্ষ্য অর্জনে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

নোরা ফাতেহির মন্তব্যে এভিয়েশন কোম্পানির ব্যবসায় ধসের দাবি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নোরা ফাতেহির মন্তব্যে এভিয়েশন কোম্পানির ব্যবসায় ধসের দাবি

যোগফল প্রতিবেদক:

মরোক্কান-কানাডিয়ান বংশোদ্ভূত বলিউড অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী নোরা ফাতেহির বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছে একটি এভিয়েশন কোম্পানি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোম্পানিটির চার্টার্ড উড়োজাহাজকে ‘খেলনা বিমান’ হিসেবে উল্লেখ করে মন্তব্য করায় তাদের ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

মামলাটির শুনানি আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর হওয়ার কথা রয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে মুম্বাই থেকে জয়পুর যাওয়ার সময় একটি উড়োজাহাজের ভেতরে ভিডিও ধারণ করেন নোরা ফাতেহি। পরে ভিডিওটি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করেন তিনি। সেখানে উড়োজাহাজটিকে ‘খেলনা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয় বলে অভিযোগ করেছে এভিয়েশন কোম্পানিটি।

কোম্পানিটির দাবি, নোরা ফাতেহির ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ৪ কোটি ৬০ লাখের বেশি অনুসারী থাকায় তার মন্তব্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এর প্রভাবে উড়োজাহাজটির বুকিং বাতিল হতে শুরু করে এবং প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

মামলায় আরও দাবি করা হয়েছে, ভিডিওটি প্রকাশের পর কোম্পানিটির বুকিং ১৫ থেকে ২০ শতাংশ কমে গেছে।

এভিয়েশন কোম্পানিটি নোরা ফাতেহির কাছে ৩ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে উড়োজাহাজটি নিয়ে করা তার মন্তব্য, পোস্ট ও অন্যান্য কনটেন্ট সরিয়ে নেওয়ার জন্য আদালতের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া অভিনেত্রীকে প্রকাশ্যে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা বা স্পষ্টীকরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়ারও আবেদন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

তবে মামলার অভিযোগগুলো আদালতে বিচারাধীন এবং নোরা ফাতেহির বক্তব্য বা মামলার বিষয়ে তার পক্ষের বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম