খুঁজুন
শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩

‘তিস্তাত পানি বাড়লেও বিপদ, নামলেও বিপদ’—দুই সংকটে তিস্তাপাড়ের মানুষ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ আগস্ট ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘তিস্তাত পানি বাড়লেও বিপদ, নামলেও বিপদ’—দুই সংকটে তিস্তাপাড়ের মানুষ

রংপুর অঞ্চলের তিস্তাপাড়ের মানুষের কাছে তিস্তা নদী যেন আশীর্বাদের চেয়ে অভিশাপই বেশি। নদীতে পানি বাড়লে বন্যায় তলিয়ে যায় ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি, আর পানি কমলেই শুরু হয় ভয়াবহ নদীভাঙন। বছরের পর বছর এই দুই সংকটের মধ্যেই জীবন কাটছে লালমনিরহাট, রংপুর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার হাজারো মানুষের।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল থেকে তিস্তার পানি কমতে শুরু করলেও বন্যাকবলিত এলাকার মানুষের উদ্বেগ কমেনি। কারণ পানি নামার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয়েছে নতুন করে নদীভাঙনের শঙ্কা।

লালমনিরহাট সদর উপজেলার পশ্চিম হরিণচড়া গ্রামের কৃষক আব্দুল বাকি জানান, বুধবার সকাল থেকে নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে তাদের বাড়িতে ঢুকে পড়ে। এতে পরিবার ও গবাদিপশু নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বাধ্য হন তারা। পানিতে তলিয়ে গেছে রোপা আমনের ক্ষেত। কয়েক দিনের মধ্যে পানি না নামলে ফসলের বড় ধরনের ক্ষতি হবে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।

স্থানীয় ভাষায় তিনি বলেন, “তিস্তাত পানি বাড়লেও হামার বিপদ, নামি গ্যাইলেও বিপদ। পানি বাড়লে বান হয়, আর পানি নামলেই শুরু হয় নদীভাঙন। হামার কষ্টের যেন শেষ নাই।”

গঙ্গাচড়া উপজেলার চর নেহালি গ্রামের কৃষক আকবর আলী জানান, গত রাতে তার বাড়িতে হাঁটুসমান পানি ছিল। তাই পরিবার নিয়ে আশ্রয় নিতে হয়েছে নিরাপদ স্থানে। তার ভাষ্য, গত দেড় মাস ধরে তিস্তার পানি বারবার বাড়ছে-কমছে। এতে একদিকে বন্যা, অন্যদিকে ভাঙনে তাদের গ্রামের প্রায় ২০০টি বসতভিটা ইতোমধ্যেই নদীগর্ভে চলে গেছে।

তিনি বলেন, “আমার বাড়িটাও এখন নদীর খুব কাছাকাছি। এবার ভাঙন শুরু হলে শেষ সম্বলটুকুও আর রক্ষা হবে না।”

একই চিত্র কালীগঞ্জ উপজেলার শৈলমারী চরেও। কৃষক হযরত আলী জানান, বুধবার সারাদিন তাদের গ্রাম পানির নিচে ছিল। ঘরে পানি ঢুকেছে, রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে। তার ভাষায়, “পানি বাড়লে বন্যা, পানি কমলে ভাঙন—দুই দিক থেকেই সর্বনাশ।”

এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় লালমনিরহাটের ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি ছিল ৫২.১০ মিটার, যা বিপৎসীমার মাত্র ৫ সেন্টিমিটার নিচে। সকাল ৯টার দিকে পানি আরও ২ সেন্টিমিটার কমে। কাউনিয়া ও তারাপুর পয়েন্টেও পানি বর্তমানে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পাউবোর রংপুর অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবীব বলেন, উজানে ভারত থেকে নতুন করে পাহাড়ি ঢল না এলে পানি আরও কমবে। গত দেড় মাস ধরে তিস্তার পানি ওঠানামা করছে এবং এ অঞ্চলে স্বল্পস্থায়ী বা ফ্ল্যাশ বন্যার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

তিনি আরও জানান, চলতি বছরে তিন দফা বন্যা ও নদীভাঙনে রংপুর অঞ্চলে ৫ শতাধিক বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে এবং কৃষিক্ষেত্রে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা ও নীলফামারী—এই পাঁচ জেলায় তৃতীয় দফার বন্যায় প্রায় ৯ হাজার ৬০০ হেক্টর জমির বিভিন্ন ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

রংপুর কৃষি অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করে সরকারের পক্ষ থেকে প্রণোদনা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

‘আমার ভালোবাসা মিথ্যা ছিল না’— ফেসবুকে শেষ বার্তা, প্রেমিকার বিয়ের দিন মিলল যুবকের মরদেহ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘আমার ভালোবাসা মিথ্যা ছিল না’— ফেসবুকে শেষ বার্তা, প্রেমিকার বিয়ের দিন মিলল যুবকের মরদেহ

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় প্রেমিকার বিয়ের দিন রাকিব প্রামাণিক (২২) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) উপজেলার রায়দৌলতপুর ইউনিয়নের জটিবাড়ি গ্রামের একটি আমবাগান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া তার একাধিক পোস্ট ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাকিবের ফেসবুক পোস্টে বিদায়ী বার্তা দেখে কয়েকজন তাকে খুঁজতে গিয়ে আমবাগানের ভেতরে তার মরদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে কামারখন্দ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং আইনি কার্যক্রম শুরু করে।

মৃত্যুর আগে দেওয়া এক পোস্টে রাকিব লিখেছেন, “আমার ভালোবাসা মিথ্যা ছিল না। আমি আর নিতে পারতেছি না। আমাকে ক্ষমা করে দিয়েন সবাই।” একই পোস্টে তিনি পরিবারের একজনের উদ্দেশে মরদেহ যেন ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের ব্যবস্থা করা হয়—এমন অনুরোধও জানান।

আরেকটি পোস্টে তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে এক তরুণীর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তবে পরিবারের সিদ্ধান্তে ওই তরুণীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে অন্যত্র বিয়ে দেওয়া হচ্ছে। নিজের মৃত্যুর জন্য তিনি ওই তরুণীর পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে দায়ী বলেও উল্লেখ করেন।

এর কয়েক ঘণ্টা পর দেওয়া আরেকটি পোস্টে বাবা-মায়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে রাকিব লেখেন, “তোমাদের না জানিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি। আমাকে ক্ষমা করে দিও। আল্লাহ তুমি আমাকে মাফ করো।” তার এসব পোস্ট দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে পোস্টে উল্লেখ থাকা তরুণীর এক আত্মীয় জানান, রাকিবের সঙ্গে ওই তরুণীর সম্পর্ক ছিল কি না, সে বিষয়ে তাদের নিশ্চিত কোনো তথ্য নেই। তিনি আরও বলেন, কীভাবে তার মোবাইল নম্বর রাকিব পেয়েছিলেন, সেটিও তাদের জানা নেই।

ঘটনার পর এলাকায় শোকের পাশাপাশি নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে রাকিবের পরিবারের সদস্যরা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাশমত আলী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তসহ প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

‘আমার ভালোবাসা মিথ্যা ছিল না’—ফেসবুকে শেষ বার্তা, প্রেমিকার বিয়ের দিন মিলল যুবকের মরদেহ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ আগস্ট ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘আমার ভালোবাসা মিথ্যা ছিল না’—ফেসবুকে শেষ বার্তা, প্রেমিকার বিয়ের দিন মিলল যুবকের মরদেহ

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় প্রেমিকার বিয়ের দিন রাকিব প্রামাণিক (২২) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) উপজেলার রায়দৌলতপুর ইউনিয়নের জটিবাড়ি গ্রামের একটি আমবাগান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া তার একাধিক পোস্ট ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাকিবের ফেসবুক পোস্টে বিদায়ী বার্তা দেখে কয়েকজন তাকে খুঁজতে গিয়ে আমবাগানের ভেতরে তার মরদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে কামারখন্দ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং আইনি কার্যক্রম শুরু করে।

মৃত্যুর আগে দেওয়া এক পোস্টে রাকিব লিখেছেন, “আমার ভালোবাসা মিথ্যা ছিল না। আমি আর নিতে পারতেছি না। আমাকে ক্ষমা করে দিয়েন সবাই।” একই পোস্টে তিনি পরিবারের একজনের উদ্দেশে মরদেহ যেন ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের ব্যবস্থা করা হয়—এমন অনুরোধও জানান।

আরেকটি পোস্টে তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে এক তরুণীর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তবে পরিবারের সিদ্ধান্তে ওই তরুণীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে অন্যত্র বিয়ে দেওয়া হচ্ছে। নিজের মৃত্যুর জন্য তিনি ওই তরুণীর পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে দায়ী বলেও উল্লেখ করেন।

এর কয়েক ঘণ্টা পর দেওয়া আরেকটি পোস্টে বাবা-মায়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে রাকিব লেখেন, “তোমাদের না জানিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি। আমাকে ক্ষমা করে দিও। আল্লাহ তুমি আমাকে মাফ করো।” তার এসব পোস্ট দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে পোস্টে উল্লেখ থাকা তরুণীর এক আত্মীয় জানান, রাকিবের সঙ্গে ওই তরুণীর সম্পর্ক ছিল কি না, সে বিষয়ে তাদের নিশ্চিত কোনো তথ্য নেই। তিনি আরও বলেন, কীভাবে তার মোবাইল নম্বর রাকিব পেয়েছিলেন, সেটিও তাদের জানা নেই।

ঘটনার পর এলাকায় শোকের পাশাপাশি নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে রাকিবের পরিবারের সদস্যরা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাশমত আলী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তসহ প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

হাতাহাতির ঘটনায় নিষেধাজ্ঞার মুখে নেইমার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
হাতাহাতির ঘটনায় নিষেধাজ্ঞার মুখে নেইমার

ব্রাজিলিয়ান তারকা ফুটবলার নেইমার আবারও বিতর্কে। কোপা দো ব্রাজিলে রেমোর বিপক্ষে সান্তোসের জয়ের পর মাঠ ও ড্রেসিংরুমে ঘটে যাওয়া উত্তেজনাকর ঘটনার জেরে এবার শাস্তির মুখে পড়তে পারেন এই ফরোয়ার্ড। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে ব্রাজিলের ক্রীড়া আদালত, আর অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে এক থেকে ছয় ম্যাচ পর্যন্ত নিষিদ্ধ করা হতে পারে।

ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ইএসপিএন ব্রাজিল জানিয়েছে, ম্যাচ শেষে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে হাতাহাতির ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করছে সুপিরিয়র ট্রাইব্যুনাল অফ স্পোর্টস জাস্টিস (এসটিজেডি)। আদালতের প্রসিকিউটররা নেইমারের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনার বিষয়টি বিবেচনা করছেন। একই ঘটনায় আরও কয়েকজন খেলোয়াড় এবং স্বাগতিক ক্লাব রেমোর বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

ব্রাজিলিয়ান কোড অফ স্পোর্টস জাস্টিসের ২৫৮ নম্বর ধারা অনুযায়ী, ক্রীড়াসুলভ আচরণবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে নেইমার দোষী সাব্যস্ত হলে ১ থেকে ৬ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পেতে পারেন। যদিও ম্যাচের রেফারি অ্যান্ডারসন দারোঙ্কো তার অফিসিয়াল প্রতিবেদনে এই সংঘর্ষের উল্লেখ করেননি, তবুও ভিডিও প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

ম্যাচের শুরু থেকেই ছিল উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ। ওয়ার্মআপের সময় গ্যালারি থেকে নেইমারকে উদ্দেশ্য করে বিদ্রূপধ্বনি দেওয়া হয়। ১-০ গোলের জয়ে সান্তোসের একমাত্র গোলটিতে অ্যাসিস্ট করার পর মাঠ ছাড়ার সময় তিনি গ্যালারির দিকে তাকিয়ে প্রতিপক্ষ সমর্থকদের উদ্দেশে ‘ফ্লাইং কিস’ ছুড়ে দেন, যা উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দেয়।

ব্রাজিলিয়ান গণমাধ্যমের দাবি, ম্যাচ শেষে ড্রেসিংরুমের টানেলে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের উদ্দেশে উসকানিমূলক মন্তব্য করেন নেইমার। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সান্তোসের কর্মকর্তারা দ্রুত তাকে সেখান থেকে সরিয়ে নেন।

শুধু নেইমারই নন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগে রেমো ক্লাবও তদন্তের আওতায় এসেছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ক্লাবটিকে বড় অঙ্কের জরিমানার পাশাপাশি দর্শকশূন্য মাঠে ম্যাচ আয়োজন কিংবা হোম ভেন্যুর সুবিধা হারানোর মতো শাস্তির মুখোমুখি হতে হতে পারে। বর্তমানে তদন্তের ফলাফলের দিকেই নজর রাখছে ব্রাজিলের ফুটবল অঙ্গন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম