খুঁজুন
সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ, ১৪৩৩

২০০ কোটি টাকার বেশি খেলাপি ঋণে নজর বাংলাদেশ ব্যাংকের

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২৬, ২:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
২০০ কোটি টাকার বেশি খেলাপি ঋণে নজর বাংলাদেশ ব্যাংকের

২০০ কোটি টাকার বেশি খেলাপি ঋণ রয়েছে—এমন প্রায় ৪২টি ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব ঋণের মধ্যে কোনো অর্থ বিদেশে পাচার হয়েছে কি না, তা যাচাই করে পাচারের ঘটনা পাওয়া গেলে আলাদাভাবে অর্থ উদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

রোববার (৯ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ২০০ কোটি টাকার বেশি ঋণ নিয়ে খেলাপি হওয়া কিছু ঋণের অর্থ বিদেশে পাচার হয়ে থাকতে পারে। আবার কিছু ক্ষেত্রে ঋণগ্রহীতা বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মালিকের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ব্যাংকগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফেরাতে আন্তর্জাতিকভাবে অভিজ্ঞ আটটি আইনি প্রতিষ্ঠান বা লিগ্যাল ফার্মের সহায়তা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র। যেসব দেশে অর্থ পাচার হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সেসব দেশের আইন অনুযায়ী আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অর্থ ফেরত আনার চেষ্টা করা হবে।

আরিফ হোসেন খান বলেন, খেলাপি ঋণ আদায় এবং বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা দুটি পৃথক প্রক্রিয়া। কোনো ঋণগ্রহীতা ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ না করলে সেটি খেলাপি ঋণ হিসেবে গণ্য হবে এবং ব্যাংক প্রচলিত নিয়মে তা আদায়ের চেষ্টা করবে। তবে তদন্তে যদি প্রমাণ পাওয়া যায় যে ঋণের অর্থ বিদেশে পাচার করা হয়েছে, তাহলে সংশ্লিষ্ট দেশের আইন অনুযায়ী আলাদা আইনি প্রক্রিয়ায় যেতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বড় অঙ্কের ঋণ নিয়ে খেলাপি হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো ঋণের অর্থ কীভাবে ব্যবহার করেছে, তা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক কার্যক্রম নিয়ে সন্দেহ রয়েছে কিংবা ঋণের অর্থ অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে, সেগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, ব্যবসায়িক লোকসান বা অন্য স্বাভাবিক কারণে কোনো প্রতিষ্ঠান ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তা সাধারণ খেলাপি ঋণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। কিন্তু ব্যবসার নামে ঋণ নিয়ে বাস্তবে ব্যবসার অস্তিত্ব না থাকা কিংবা ঋণের অর্থ বিদেশে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনা আলাদাভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে যেসব আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান এর আগে সফলভাবে কাজ করেছে, তাদের সঙ্গে চুক্তি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানকে কাজের শুরুতে কোনো পারিশ্রমিক দেওয়া হবে না। অর্থ উদ্ধারে সফল হলে তাদের প্রস্তাব অনুযায়ী উদ্ধার করা অর্থের একটি অংশ আনুপাতিক হারে পারিশ্রমিক হিসেবে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রথম দফায় ১১ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে শনাক্ত করেছে। তাদের মাধ্যমে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এসব অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক ও আইনি—দুই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা দীর্ঘ ও জটিল প্রক্রিয়া। যে দেশে অর্থ পাচার হয়েছে, সেই দেশের আইন ও বিচারিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই অর্থ উদ্ধারের উদ্যোগ নিতে হয়। এ কারণে সংশ্লিষ্ট দেশের আইন সম্পর্কে অভিজ্ঞ আন্তর্জাতিক আইনি প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তা নেওয়া হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতে, বড় অঙ্কের খেলাপি ঋণের অর্থ বিদেশে পাচারের প্রমাণ পাওয়া গেলে শুধু প্রচলিত ঋণ আদায় প্রক্রিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে আন্তর্জাতিক আইনি ব্যবস্থার আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। এতে ব্যাংকের পাওনা আদায়ের পাশাপাশি বিদেশে পাচার হওয়া অর্থও দেশে ফিরিয়ে আনার সুযোগ তৈরি হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

যশোর বোর্ডে মানবিকে ধস, ১১ প্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যশোর বোর্ডে মানবিকে ধস, ১১ প্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ

যশোর শিক্ষা বোর্ডে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ। তবে ফলাফলে বড় ধাক্কা এসেছে মানবিক বিভাগে। এ বিভাগে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হলেও পাসের হার নেমে এসেছে ৪৮ দশমিক ৮২ শতাংশে। একই সঙ্গে বোর্ডের ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই এবার পাস করতে পারেনি।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় সারাদেশের সঙ্গে একযোগে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। পরে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফলাফলের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন বোর্ডের সচিব (প্রেষণে) প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মতিন।

বোর্ড সূত্রে জানা যায়, এবার যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১ লাখ ৪১ হাজার ৬৪ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ছাত্র ৬৯ হাজার ৮৫ জন এবং ছাত্রী ৭১ হাজার ৯৭৯ জন। ফলাফলে পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ছাত্রীদের ফলাফল তুলনামূলক ভালো হয়েছে।

বিভাগভিত্তিক ফলাফলে সবচেয়ে ভালো করেছে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এ বিভাগে পাসের হার ৮১ দশমিক ২৩ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার ৬৪ দশমিক ২৮ শতাংশ।

অন্যদিকে মানবিক বিভাগের ফলাফল সবচেয়ে হতাশাজনক। এ বিভাগে মোট ৮৫ হাজার ২৩৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে পাসের হার মাত্র ৪৮ দশমিক ৮২ শতাংশ।

যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে খুলনা বিভাগের ১০ জেলার আড়াই হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৩৬টি প্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেছে। বিপরীতে ১১টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে শিক্ষা বোর্ড। বোর্ডের সচিব প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মতিন বলেন, শূন্য পাস করা ১১টি প্রতিষ্ঠানকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে। তদন্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একাডেমিক দুর্বলতা কিংবা শিক্ষকদের গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি বাতিলের বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।

ফলাফল বিশ্লেষণে বোর্ড সচিব বলেন, বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৮১ দশমিক ২৩ শতাংশ হলেও মানবিক বিভাগে তা ৪৮ দশমিক ৮২ শতাংশ হওয়া উদ্বেগের বিষয়। বিভাগগুলোর ফলাফলের এই বৈষম্য কমাতে শিক্ষার গুণগত মান বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, এবারের ফলাফলেও ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা ভালো করেছে। খাতা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা বজায় রেখে নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীর সংখ্যা নয়, শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করাই বোর্ডের মূল লক্ষ্য।

এবার যশোর শিক্ষা বোর্ড থেকে ১১ হাজার ৪৭৮ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ হলেও যশোর বোর্ডে পাসের হার ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ। ফলে জাতীয় গড়ের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে এ বোর্ড।

ফলাফলে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীদের খাতা পুনঃনিরীক্ষণের সুযোগ রয়েছে। বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বগুড়ায় ৮২ পিস ইয়াবাসহ যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বগুড়ায় ৮২ পিস ইয়াবাসহ যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

বগুড়ার শাজাহানপুরে ৮২ পিস ইয়াবাসহ যুবলীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (৯ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জামালপুর পূর্বপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার রাজু ইসলাম শাজাহানপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি নয় মাইল মণ্ডলপাড়া গ্রামের আব্দুর রউফের ছেলে।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শাজাহানপুর থানার একটি দল জামালপুর পূর্বপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। পরে মণ্ডল ট্রেডার্সের সামনে থেকে রাজু ইসলামকে আটক করা হয়। এ সময় তার দেহ তল্লাশি করে ৮২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিক ইকবাল জানান, গ্রেপ্তার রাজু ইসলামের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পানি জমে থাকায় খনন হয়নি খাল, ফেরত গেল সোয়া ২ কোটি টাকা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পানি জমে থাকায় খনন হয়নি খাল, ফেরত গেল সোয়া ২ কোটি টাকা

অতিবৃষ্টি ও খালে পানি জমে থাকায় রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার মিঠিপুর ইউনিয়নের আত্রাই খাল খনন প্রকল্পের কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। নির্ধারিত সময়ে কাজ বাস্তবায়ন না হওয়ায় প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ পাওয়া ২ কোটি ১৯ লাখ ৫০ হাজার ৫০৪ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে সারা দেশে ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন ও সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে পীরগঞ্জের মিঠিপুর ইউনিয়নের আত্রাই খাল খননের জন্য এ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা যায়, ‘আত্রাই বিল থেকে গোপালগঞ্জ ব্রিজ পর্যন্ত ডোমজান খাল’ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৮৫০ মিটার খাল খননের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু বর্ষা মৌসুমজুড়ে টানা বৃষ্টি ও খালে পর্যাপ্ত পানি থাকায় নির্ধারিত সময়ে খননকাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি।

কাজ শুরুর উপযোগী পরিবেশ তৈরি না হওয়ায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা যায়নি। পরে গত ১৬ জুলাই চালানের মাধ্যমে প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ করা পুরো ২ কোটি ১৯ লাখ ৫০ হাজার ৫০৪ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।

পীরগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আব্দুল আজিজ বলেন, অতিবৃষ্টি ও দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার কারণে নির্ধারিত সময়ে খননকাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। সরকারি বিধি অনুযায়ী বরাদ্দের অর্থ ফেরত দেওয়া হয়েছে।

পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান বলেন, অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে ভবিষ্যতে পুনরায় বরাদ্দ পাওয়া গেলে খালটির খননকাজ সম্পন্ন করা হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম