খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১ ভাদ্র, ১৪৩৩

যুক্তরাজ্যে বিয়ানীবাজার ক্যান্সার হাসপাতালের ফান্ড রেইজিং ইভেন্ট

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ২:০৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যুক্তরাজ্যে বিয়ানীবাজার ক্যান্সার হাসপাতালের ফান্ড রেইজিং ইভেন্ট

 যোগফল প্রতিবেদক:

সিলেটসহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের ক্যান্সার রোগীদের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিয়ানীবাজার ক্যান্সার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল ফাউন্ডেশনের ফান্ড রেইজিং ইভেন্ট।

রোববার (২৩ আগস্ট) নিউবেরি পার্কের আলডারবরাহ সাউথের ফোর্ড স্পোর্টস সোশ্যাল ক্লাবে এ আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন বিয়ানীবাজার ক্যান্সার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালের অন্যতম ফাউন্ডার ট্রাস্টি ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত আলহাজ্ব মোহাম্মদ অহিদ উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আয়োজক ও হোস্ট মোহাম্মদ অহিদ উদ্দিন। অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন সানরাইজ স্পেকট্রাম বাংলা রেডিও টিভি ও পিস হোমের ফাউন্ডার এবং মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মিছবাহ জামাল এবং ইয়াং ট্যালেন্ট প্রেজেন্টার তামান্না মিয়া। আয়োজনে সহযোগিতা করেন ফরহাদ হোসেন টিপু ও মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত চৌধুরী।

পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর হাসপাতালের কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের ক্যান্সার রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়।

আয়োজকরা বলেন, দেশের অনেক রোগী অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা ও চিকিৎসাসেবার অপ্রতুলতার কারণে সময়মতো ক্যান্সারের চিকিৎসা নিতে পারেন না। বিশেষ করে সিলেটসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের জন্য সহজলভ্য ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করাই এই হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার অন্যতম লক্ষ্য।

ফান্ড রেইজিং অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং শুভানুধ্যায়ীরা অংশ নেন। হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা ও অবকাঠামো উন্নয়নে সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়।

আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের সহযোগিতা ও সম্মিলিত উদ্যোগে বিয়ানীবাজার ক্যান্সার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল ভবিষ্যতে সিলেটসহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের ক্যান্সার রোগীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

সাভারে পৃথক স্থান থেকে নারীসহ ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১২:৫৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাভারে পৃথক স্থান থেকে নারীসহ ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার

 যোগফল প্রতিবেদক:

সাভারে পৃথক তিনটি এলাকা থেকে এক নারীসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, হেমায়েতপুরের চান্দুলিয়া এলাকা থেকে আদনান হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে মেইটকা এলাকা থেকে সালমা নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

অন্যদিকে, লালটেক এলাকা থেকে মোহাম্মদ তন্ময় হোসেন নামের এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পরে মরদেহ তিনটি ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে তিনজনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ঝিনাইদহে ঘাস কাটার মেশিনে বিদ্যুৎস্পর্শে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঝিনাইদহে ঘাস কাটার মেশিনে বিদ্যুৎস্পর্শে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

 যোগফল প্রতিবেদক:

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ঘাস কাটার মেশিনে বিদ্যুৎস্পর্শে এক কৃষক ও তাঁর স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামে মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন কৃষক অমরেন্দ্র ভৌমিক ও তাঁর স্ত্রী মিনাক্ষী রাণী ভৌমিক।

পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনের মতো বুধবার সকালে অমরেন্দ্র ভৌমিক গরুর জন্য ঘাস কাটতে মেশিন চালু করেন। এ সময় বৈদ্যুতিক তারে লিকেজ থাকায় মেশিনটি বিদ্যুতায়িত হয়ে যায়। মেশিনে হাত দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎস্পর্শে অমরেন্দ্র চিৎকার করে ওঠেন।

স্বামীর চিৎকার শুনে তাঁকে বাঁচাতে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন স্ত্রী মিনাক্ষী রাণী। স্বামীকে জড়িয়ে ধরার পর তিনিও বিদ্যুৎস্পর্শে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই অচেতন হয়ে পড়েন।

পরে পরিবারের সদস্যরা দুজনকে উদ্ধার করে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন।

শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্লা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘাস কাটার মেশিনে বিদ্যুৎস্পর্শে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

রাজবাড়ীতে সারের সংকট, বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১:৩১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রাজবাড়ীতে সারের সংকট, বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগ

 যোগফল প্রতিবেদক:

রাজবাড়ীতে চলতি রোপা আমন মৌসুমে সারের সংকট দেখা দেওয়ায় বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। বিশেষ করে টিএসপি ও ডিএপি সার চাহিদা অনুযায়ী না পাওয়ার পাশাপাশি সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। তবে কৃষি বিভাগ বলছে, জেলায় সার সংকট নেই; বরং জমিতে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি রাসায়নিক সার ব্যবহারের কারণে চাহিদা বেড়েছে।

জেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে রাজবাড়ীতে প্রায় ৫২ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরই মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ জমিতে আমন আবাদ শেষ হয়েছে। রোপা আমন ও পেঁয়াজের মৌসুমে জেলায় সারের চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে।

ডিলারদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর জেলায় টিএসপি সারের চাহিদা ৬ হাজার ১১ মেট্রিক টন হলেও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৩ হাজার ১ মেট্রিক টন। অর্থাৎ চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ প্রায় অর্ধেক।

এ ছাড়া ডিএপি সারের চাহিদা ২৬ হাজার ৮৪৫ মেট্রিক টন, বরাদ্দ ১৬ হাজার ৭১৮ মেট্রিক টন। এমওপি সারের চাহিদা ২৩ হাজার ৭৬০ মেট্রিক টন, বরাদ্দ ৯ হাজার ৭৭৯ মেট্রিক টন। ইউরিয়ার চাহিদা ৩০ হাজার ১৫৫ মেট্রিক টন হলেও বরাদ্দ হয়েছে ২২ হাজার ৪৭৪ মেট্রিক টন। জিপসামের চাহিদা ২২ হাজার ৮৯ মেট্রিক টন, বিপরীতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে মাত্র ৬ হাজার ৯৭৮ মেট্রিক টন।

ডিলারদের দাবি, চাহিদা ও বরাদ্দের বড় ব্যবধানের কারণেই বাজারে সারের সংকট তৈরি হয়েছে।

পাংশা উপজেলার সরিষা ইউনিয়নের কৃষক কার্তিক শীল বলেন, ধানের চারা রোপণের সময় টিএসপি ও ডিএপি এবং পরে ইউরিয়া সার প্রয়োজন হয়। কিন্তু দোকানে গিয়ে চাইলেও অনেক সময় সার পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে সার ছাড়াই ধান রোপণ করতে হচ্ছে তাঁকে।

তিনি অভিযোগ করেন, সরকার নির্ধারিত দামে সার পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁর দাবি, ৫০ কেজির এক বস্তা টিএসপি ও ইউরিয়া কিনতে ১ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হচ্ছে, যেখানে সরকার নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৩৫০ টাকা।

রাজবাড়ী সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নের কৃষক তুফান মণ্ডলও একই অভিযোগ করেন। তাঁর ভাষ্য, টিএসপি ও ইউরিয়া এক বস্তা করে ১ হাজার ৮০০ টাকা দরে কিনেছেন। সারের দাম বাড়ায় তাঁদের উৎপাদন খরচও বেড়ে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

রাজবাড়ী সার ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল হক বাদশা বলেন, ডিলাররা যে পরিমাণ সারের চাহিদা দিয়েছেন, সেই অনুযায়ী বরাদ্দ না পাওয়াই সংকটের অন্যতম কারণ। বরাদ্দের একটি অংশ আবার সাব-ডিলারদের মধ্যে ভাগ করে দিতে হয়। ফলে চাহিদার মৌসুমে সরবরাহ সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

একাধিক সাব-ডিলারের দাবি, বরাদ্দকৃত সার মাসের শুরুতেই শেষ হয়ে যাওয়ায় তাঁদের অন্য জেলা থেকে বাড়তি দামে সার সংগ্রহ করতে হচ্ছে। এতে পরিবহনসহ বিভিন্ন অতিরিক্ত খরচ যুক্ত হয়ে কৃষকের কাছে বেশি দামে সার বিক্রির পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

একজন সাব-ডিলার নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আগস্ট মাসে মূল ডিলারের কাছ থেকে পাওয়া সার মাসের প্রথম ১০ দিনেই শেষ হয়ে যায়। এরপর অন্য জেলা থেকে সার সংগ্রহ করতে হয়েছে। এতে অতিরিক্ত অর্থ খরচ হওয়ায় বিক্রয়মূল্যও বেড়ে যায় বলে দাবি করেন তিনি।

আরেক সাব-ডিলার অভিযোগ করেন, তাঁর ইউনিয়নের মূল ডিলারের কাছ থেকে পর্যাপ্ত সার না পাওয়ায় তাঁকে বিকল্পভাবে সার সংগ্রহ করতে হচ্ছে। এতে বাড়তি খরচের চাপ শেষ পর্যন্ত কৃষকদের ওপর পড়ছে।

তবে কৃষি বিভাগ সারের সংকটের অভিযোগ পুরোপুরি স্বীকার করছে না। রাজবাড়ী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা গোলাম রসুল বলেন, জেলায় প্রয়োজন অনুযায়ী সার বরাদ্দ রয়েছে। তবে কৃষকরা জমিতে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি রাসায়নিক সার ব্যবহার করায় চাহিদা বেড়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, অতিরিক্ত সার ব্যবহারে একদিকে মাটির ক্ষতি হয়, অন্যদিকে কৃষকের উৎপাদন খরচও বাড়ে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী সার ব্যবহারে কৃষকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে।

তবে খুচরা পর্যায়ে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন এই কর্মকর্তা। তিনি জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করা হয়েছে। নির্ধারিত মূল্যের বেশি দামে সার বিক্রি করলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম