খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫ কার্তিক, ১৪৩৩

বৃদ্ধাকে আশ্রয় দিতে গিয়ে সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ, ফের আলোচনায় মিল্টন সমাদ্দার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বৃদ্ধাকে আশ্রয় দিতে গিয়ে সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ, ফের আলোচনায় মিল্টন সমাদ্দার

যোগফল প্রতিবেদক:

মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিত হয়ে ওঠা মিল্টন সমাদ্দারের বিরুদ্ধে এবার এক সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এক বৃদ্ধ নারীকে আশ্রয় দেওয়ার উদ্দেশ্যে তাঁর পরিচালিত প্রতিষ্ঠানে নিয়ে যাওয়ার পর ওই সাংবাদিককে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।

অভিযোগকারী সাংবাদিকের নাম নাহিদ হাসান। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে কাজ করেন। বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।

নাহিদের দাবি, এক বৃদ্ধ নারীর চিকিৎসা ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করতে তিনি কয়েক দিন ধরে কাজ করছিলেন। মানুষের কাছ থেকে অর্থ সহায়তা সংগ্রহ করে ওই নারীকে ঢাকায় নিয়ে আসেন। পরে মিল্টন সমাদ্দারের পরিচালিত ‘চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এজ কেয়ার’ প্রতিষ্ঠানে তাঁকে রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

নাহিদ জানান, শুরুতে ওই নারীকে রাখার জন্য প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে মাসে ১৮ হাজার টাকা চাওয়া হয়েছিল। তাঁরা সেই অর্থ দিতে রাজিও ছিলেন। পরে প্রতিষ্ঠানটি ওই নারীকে রাখতে অস্বীকৃতি জানায়। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অর্থ সহায়তা চেয়ে পোস্ট দেওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়।

পরবর্তী সময়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে মিল্টন সমাদ্দার নাহিদকে জিডি নিয়ে আসার কথা বলেন এবং বৃদ্ধাকে আশ্রয় দেওয়ার আশ্বাস দেন বলে দাবি করেন তিনি। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে নাহিদ ওই নারীকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।

নাহিদের ভাষ্য অনুযায়ী, বুধবার রাত ২টা ৩৩ মিনিটের দিকে তাঁরা প্রতিষ্ঠানটিতে পৌঁছান। সেখানে প্রথমে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার দেবাশীষের সঙ্গে কথা হয়। কিছুক্ষণ পর মিল্টন সমাদ্দার সেখানে আসেন।

নাহিদের অভিযোগ, কথা বলার একপর্যায়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টের কারণে তাঁকে গালিগালাজ করা হয়। পরে মিল্টন সমাদ্দার তাঁর ওপর হামলা করেন এবং চোখে আঘাত করেন। তাঁর গেঞ্জি ধরে চড় মারা হয় এবং এতে বুকে আঘাত লাগে বলেও দাবি করেন তিনি।

এ সময় তাঁকে ছাড়াতে এগিয়ে আসা প্রতিষ্ঠানের কর্মী দেবাশীষও তাঁর গলা চেপে ধরেন বলে অভিযোগ নাহিদের। এতে শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল বলে জানান তিনি। তাঁর সঙ্গে থাকা ইলিয়াস নামের আরেক ব্যক্তিকেও মারধর করা হয়েছে বলে দাবি করেন নাহিদ।

নাহিদের আরও অভিযোগ, ঘটনার সময় প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেখানে প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন লোক থাকলেও তাঁরা ছিলেন মাত্র তিনজন। প্রতিষ্ঠানটি নির্জন এলাকায় হওয়ায় এবং বের হওয়ার রাস্তা সীমিত থাকায় তাঁরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

নাহিদ জানান, সেখানে যাওয়ার আগে পরিবেশ নিয়ে আশঙ্কা হওয়ায় তিনি পরিচিত কয়েকজনকে লাইভ লোকেশন পাঠিয়ে রেখেছিলেন। পাশাপাশি মোবাইলে অডিও রেকর্ডও চালু রেখেছিলেন। পুরো ঘটনার অডিও রেকর্ড তাঁর কাছে রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাঁর কাছ থেকে একটি স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়। সেখানে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে তাঁদের কাছে কোনো অর্থ চাওয়া হয়নি—এমন বক্তব্য দিতে বাধ্য করা হয় বলে দাবি তাঁর।

পরে বৃদ্ধা নারীকে ওই প্রতিষ্ঠানে রেখে তাঁরা সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। সেখানে চোখ পরীক্ষা ও এক্স-রে করানোর পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ করেন বলে জানান নাহিদ।

এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরতে সাংবাদিকদের সামনে বিষয়টি প্রকাশ করার কথা জানিয়েছেন।

এদিকে মিল্টন সমাদ্দার ২০২৪ সালে বিভিন্ন অভিযোগের কারণে ব্যাপক আলোচনায় এসেছিলেন। এর আগে তাঁর বিরুদ্ধে মানবিক কর্মকাণ্ডের আড়ালে অনিয়ম, ডেথ সার্টিফিকেট জালিয়াতি, মানবপাচার, জমি দখলসহ বিভিন্ন গুরুতর অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষাপটে তাঁকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল।

তবে বর্তমান ঘটনায় ওঠা সাংবাদিককে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের বিষয়ে মিল্টন সমাদ্দারের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া দুর্গাৎসবের নবমীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে সাঁথিয়া বারোয়ারী কালি মন্দির পরিদর্শন পরবর্তী অনুষ্ঠানে  জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহ। 

তিনি বলেন, আবহমান কালের ধর্মীয় সম্প্রীতি  আমাদের রক্ষা করে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। পাবনার ৩৬৪ টি মন্দিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতকার ঘটনা ঘটেনী এ জন্য পাবনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান  প্রদান করেন। সাঁথিয়া মহাশ্মশানের উন্নয়ন কাজ এই বছরেই শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুশীল কুমার দাস,সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল হাই ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
‎
‎নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে। এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 
‎
‎মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাদাঘাট বাজারের মেইন রোডে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
‎
‎বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী , সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি এম এ রাজ্জাক, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল হোসেন, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, গণকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার ইবনে গিয়াস প্রমুখ। 
‎
‎এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  

এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ পত্রিকাযর সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক হত্যা ও হামলার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
‎
‎
‎মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংবাদ  প্রতিনিধি কামাল হোসেন রাফি, দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি আবুল কাশেম, এনটিভি মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, দৈনিক এদিনের প্রতিনিধি সামায়ুন আহমদ, দৈনিক আলোর সকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক মোঃ আঃ মান্নান, দৈনিক নিউজ বাংলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ।।  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ বিভিন্ন মামলার মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার চারজন, জিআর সাজাপ্রাপ্ত দুইজন এবং মোবাইল কোর্টে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজন রয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমন (২৯), উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের কোনাপাড়ার মো. কলি মোল্লা (২৮), রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জুবায়ের (২৬) এবং রাজাপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ পুকুরিয়ার আবুল কাসেম ওরফে পেটান আলী (৩৯)।

এ ছাড়া জিআর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর সামছুল হক ওরফে বেলাল (২৬) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সৈয়দ আহমেদ মনির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামছুল হক ওরফে বেলালকে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৩ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দ আহমেদ মনিরকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বশির আহম্মদ (২৮) ও কাফায়েত উল্লাহ (৪৩) ২০ দিন করে এবং কাফায়েত উল্লাহ (২৪), মো. সাদেক (১৮) ও মো. রফিক (২৪) এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১১ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।