খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ১৪ ভাদ্র, ১৪৩৩

যাত্রাবাড়ী থানা থেকে পালানো সেই মিতু গ্রেফতার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১:৫৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যাত্রাবাড়ী থানা থেকে পালানো সেই মিতু গ্রেফতার

 যোগফল প্রতিবেদক:

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার নারী ও শিশু হেল্প ডেস্ক থেকে কৌশলে পালিয়ে যাওয়ার পর থেকেই তাকে ধরতে অভিযান চালাচ্ছিল পুলিশ। প্রায় ৪০ ঘণ্টার অভিযানের পর অবশেষে কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে হত্যা মামলার আসামি মিতু আক্তারকে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাত ১২টা ১০ মিনিটের দিকে কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে যাত্রাবাড়ী থানার নারী ও শিশু হেল্প ডেস্ক থেকে কৌশলে পালিয়ে যান মিতু। তিনি একটি হত্যা মামলার সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে পুলিশের হেফাজতে ছিলেন।

মিতু পালিয়ে যাওয়ার পর তার সন্ধানে ওয়ারী বিভাগের উপপুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বে যাত্রাবাড়ী থানার একটি দল অভিযান শুরু করে। বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানোর পর প্রায় ৪০ ঘণ্টার মধ্যে তাকে কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করা হয়।

এদিকে থানার হেফাজত থেকে আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে পুলিশের চার সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তারা হলেন উপপরিদর্শক (এসআই) নাঈম হোসেন এবং কনস্টেবল নিজাম উদ্দিন, লুৎফর রহমান ও রোজিনা আক্তার।

মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ জুলাই রাত ৯টা ৫০ মিনিট থেকে ১৭ জুলাই বেলা সাড়ে ১১টার মধ্যে যেকোনো সময় ব্যবসায়ী সোহেল আহমেদকে (৫৫) যাত্রাবাড়ী থানাধীন শহীদ ফারুক রোডের আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের গলির পাশে ২৩/এ পশ্চিমের নিজ বাসার ছাদের কক্ষে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই মো. মনিরুল ইসলাম মাসুদ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে যাত্রাবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, ওই মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে মিতু আক্তারকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদন করা হলে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ২৪ আগস্ট মিতুকে তিন দিনের রিমান্ডে যাত্রাবাড়ী থানায় আনা হয়। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ছিল তার রিমান্ডের শেষ দিন। নিয়ম অনুযায়ী ওই দিন দুপুরে তাকে আদালতে হাজির করার কথা ছিল। এর আগেই সকালে থানার নারী ও শিশু হেল্প ডেস্ক থেকে তিনি পালিয়ে যান।

পুলিশের একটি সূত্র জানায়, মিতু পালিয়ে যাওয়ার পরপরই তাকে গ্রেফতারে অভিযান জোরদার করা হয়। ওয়ারী বিভাগের উপপুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বে যাত্রাবাড়ী থানার একটি দল বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়। একপর্যায়ে কেরানীগঞ্জ এলাকায় তার অবস্থান শনাক্ত করা হয় এবং শুক্রবার রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

মিতু আক্তারকে গ্রেফতারের পর তাকে আবারও আইনগত প্রক্রিয়ার আওতায় নেওয়া হয়েছে। হত্যা মামলার পাশাপাশি থানা থেকে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাতেও তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা রয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ভয়াবহ বন্যায় চারপাশ ধ্বংস, অক্ষত সবুজ বাড়ির পরিবার উদ্ধার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট ২০২৬, ৪:৩৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভয়াবহ বন্যায় চারপাশ ধ্বংস, অক্ষত সবুজ বাড়ির পরিবার উদ্ধার

 যোগফল প্রতিবেদক:

নেপালের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় চারপাশের ঘরবাড়ি ও স্থাপনা ধ্বংস হয়ে গেলেও প্রবল স্রোতের মাঝেও অক্ষত অবস্থায় দাঁড়িয়ে ছিল একটি সবুজ রঙের দোতলা বাড়ি। বাড়িটির ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

বন্যার তীব্র স্রোতে কাদা-পানি ও ধ্বংসাবশেষের তোড়ে আশপাশের একের পর এক ঘরবাড়ি ভেসে যেতে দেখা যায়। কিন্তু প্রবল পানির মধ্যে সবুজ বাড়িটি শক্তভাবে দাঁড়িয়ে থাকায় নজর কাড়ে নেটিজেনদের।

এরই মধ্যে জানা যায়, বাড়িটির ভেতরে একটি পরিবার আটকা পড়েছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন অনেকে। পরিবারটির জন্য প্রার্থনাও করেন তারা।

পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আরেকটি ভিডিওতে জানানো হয়, বাড়ির ভেতরে থাকা পরিবারের সব সদস্যই নিরাপদে আছেন এবং তাদের উদ্ধার করা হয়েছে। এতে স্বস্তি ফিরে আসে নেটিজেনদের মধ্যে।

বাড়িটি কীভাবে ভয়াবহ স্রোতের মধ্যেও অক্ষত থাকল, তা নিয়েও অনলাইনে নানা আলোচনা চলছে। অনেকেই ভবনটির নির্মাণকৌশল ও মজবুত কাঠামোর প্রশংসা করেছেন।

ঘটনার ভিডিওগুলো ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে এবং লাখ লাখ মানুষ তা দেখেছেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

গাছে বেঁধে আগুন, ২ মাস পর ইনফ্লুয়েন্সারের মৃত্যু

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট ২০২৬, ৫:০৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গাছে বেঁধে আগুন, ২ মাস পর ইনফ্লুয়েন্সারের মৃত্যু

 যোগফল প্রতিবেদক:

ভারতের পাঞ্জাবে এক সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারকে গাছের সঙ্গে বেঁধে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। প্রায় দুই মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ২৬ আগস্ট মনজিৎ কৌর নামে ওই তরুণীর মৃত্যু হয়েছে।

এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। একই সঙ্গে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মনজিতের জবানবন্দি নেওয়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তা রেকর্ড না করার অভিযোগে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত ৩ ও ৪ জুলাইয়ের মধ্যবর্তী রাতে মনজিতের পরিচিত শুভি ও পিন্ডা তাকে চণ্ডীগড়ের সেক্টর-৩৪ এলাকায় ডেকে পাঠান। সেখানে তাকে মারধরের পর জোর করে একটি গাড়িতে তুলে পাঞ্জাবের মোরিন্ডার কাছের একটি বনাঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ।

পুলিশের ভাষ্য, বনাঞ্চলে নেওয়ার পর অভিযুক্তরা মনজিতকে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে তার শরীরে আগুন ধরিয়ে দিয়ে পালিয়ে যান। পরে এক পরিচিত ব্যক্তি ঘটনাস্থলে গিয়ে কম্বল দিয়ে আগুন নেভান। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় মনজিতকে প্রথমে মোরিন্ডার একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাকে মোহালির ম্যাক্স হাসপাতাল হয়ে চণ্ডীগড়ের পিজিআইএমইআরে ভর্তি করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মনজিৎ সচেতন ছিলেন এবং নিজের বক্তব্য দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সে সময় পুলিশ তার জবানবন্দি রেকর্ড করেনি।

গত ২৬ আগস্ট পিজিআইএমইআরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মনজিতের মৃত্যু হয়। এরপর পিজিআই পুলিশ পোস্ট থেকে খারার সদর থানায় বিষয়টি জানানো হয়। পরে তদন্তকারী কর্মকর্তা হাসপাতালে গিয়ে নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন।

পরবর্তীতে মনজিতের মাকে চণ্ডীগড়ের সেক্টর-৩৪ থানায় নিয়ে তার জবানবন্দি নেওয়া হয়। বুধবার রাতে এ ঘটনায় একটি এফআইআর দায়ের করা হয়। বৃহস্পতিবার পিজিআইএমইআরে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

তবে পুলিশের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে পাঞ্জাব পুলিশ। তাদের দাবি, অপহরণের ঘটনা চণ্ডীগড়ে হওয়ায় এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব ছিল চণ্ডীগড় পুলিশের। খারার পুলিশ নিহতের মাকে সহযোগিতা করেছে এবং মামলা দায়েরের প্রক্রিয়ায় সহায়তা করেছে বলেও জানিয়েছে তারা।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, চণ্ডীগড়ে অপহরণ থেকে শুরু করে মোরিন্ডায় হামলার ঘটনাটি পুনর্নির্মাণ করে তদন্ত করা হবে। পাশাপাশি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মনজিতের জবানবন্দি নেওয়ার সুযোগ কেন কাজে লাগানো হয়নি, সেটিও তদন্তের আওতায় আনা হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

সিলেটে ডিজিটাল জার্নালিজম বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট ২০২৬, ৪:৪৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিলেটে ডিজিটাল জার্নালিজম বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা

 যোগফল প্রতিবেদক:

সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও প্রযুক্তিনির্ভর সাংবাদিকতার জ্ঞান উন্নয়নের লক্ষ্যে সিলেটে ডিজিটাল জার্নালিজম বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সিলেট নগরীর পূর্ব জিন্দাবাজার এলাকার হোটেল নিউ গ্র্যান্ড ভিউ পার্টি সেন্টারে সিলেট বিভাগীয় প্রেসক্লাবের উদ্যোগে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

ঢাকাভিত্তিক একটি মিডিয়া ট্রেইনিং ইনস্টিটিউটের প্রশিক্ষকদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত কর্মশালায় সিলেট বিভাগের চার জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা অংশ নেন।

সিলেট বিভাগীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি খায়রুল আলম সুমনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন মিডিয়া ট্রেইনিং ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান ফরিদ আহমদ নয়ন। মুখ্য প্রশিক্ষক হিসেবে প্রশিক্ষণ দেন যুবরাজ ফয়সল, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, ইসমাঈল আহসান ও ইব্রাহিম হাসান হাসনাইন।

সিলেট বিভাগীয় প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মো. সুয়েজ হোসেনের সঞ্চালনায় এবং সাধারণ সম্পাদক সুহেল আহমদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আসকের যুগ্ম মহাসচিব ও বিভাগীয় প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা জোসেফ আলী চৌধুরী, সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম ডেনি, নিউজ বাংলার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মো. আমীর হোসেন সোহাগ, বিনোদন রিপোর্টার নোমান উদ্দিন রিপন, ফটোজার্নালিস্ট রহিমা রিমাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা।

কর্মশালায় ডিজিটাল সাংবাদিকতার বিভিন্ন দিক, সংবাদ সংগ্রহ ও পরিবেশন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের হাতে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।

আয়োজকরা জানান, আধুনিক সাংবাদিকতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে সাংবাদিকদের প্রযুক্তিগত ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম