খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১৫ ভাদ্র, ১৪৩৩

প্রতিটি উপজেলায় প্রবীণদের থাকা-চিকিৎসার ব্যবস্থা হবে: জিয়াউদ্দিন হায়দার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৪:২৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রতিটি উপজেলায় প্রবীণদের থাকা-চিকিৎসার ব্যবস্থা হবে: জিয়াউদ্দিন হায়দার

 যোগফল প্রতিবেদক:

দেশের প্রতিটি উপজেলায় প্রবীণ নাগরিকদের থাকা, খাওয়া ও সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক উপদেষ্টা ডক্টর এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।

রোববার (৩০ আগস্ট) সকালে গাজীপুরের মনিপুর এলাকায় বেসরকারিভাবে গড়ে ওঠা একটি বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। কেন্দ্রটি খতিব জাহিদ মুকুল প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করছেন।

পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক উপদেষ্টা পুনর্বাসন কেন্দ্রের বিভিন্ন কার্যক্রম সরেজমিনে ঘুরে দেখেন। সেখানে অবস্থানরত প্রবীণ নারী ও পুরুষদের সঙ্গে কথা বলে তাদের খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি প্রবীণদের নামাজের স্থান, কবরস্থানসহ কেন্দ্রের অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পরিদর্শন করেন।

জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, বর্তমান সরকার বিভিন্ন ধরনের মানবিক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এসব কর্মসূচির মধ্যে অসহায় ও বয়স্ক নাগরিকদের কল্যাণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া অন্যতম।

তিনি বলেন, ‘সরকারিভাবে দেশের প্রতিটি উপজেলায় বয়স্ক নাগরিকদের থাকা, খাওয়া ও সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে। প্রয়োজনে দেশের আর্থিকভাবে সক্ষম ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের মাধ্যমে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, প্রবীণ নাগরিকদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করাই এ ধরনের কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।

জানা গেছে, গাজীপুরের মনিপুর এলাকার ওই বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্রে বর্তমানে ৭২ জন প্রবীণ নারী ও ৬৮ জন প্রবীণ পুরুষ অবস্থান করছেন।

এদিকে পুনর্বাসন কেন্দ্রে বসবাসরত প্রবীণদের চলাচলের অনুপযোগী রাস্তাগুলো জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সংস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন গাজীপুরের জেলা প্রশাসক নুরুল করিম ভূঁইয়া।

প্রবীণদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের অধিকার, আসছে নতুন বিধান

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৫:০৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের অধিকার, আসছে নতুন বিধান

 যোগফল প্রতিবেদক:

সন্তান বা নিকটাত্মীয়ের নামে সম্পত্তি দান করার পরও দাতা যেন জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সেই সম্পত্তি ব্যবহার ও ভোগদখল করতে পারেন, সে সুযোগ রেখে আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

প্রস্তাবিত বিধান কার্যকর হলে সম্পত্তির মালিকানা অন্যের কাছে হস্তান্তর হলেও দলিলে শর্ত সাপেক্ষে দাতার আজীবন ভোগদখলের অধিকার বহাল থাকবে। বিশেষ করে প্রবীণ বাবা-মা সন্তানদের নামে বসতবাড়ি বা অন্যান্য সম্পত্তি দান করার পরও যেন তা ব্যবহার করতে পারেন, সে বিষয়টি আইনি সুরক্ষার আওতায় আসবে।

গত ২৭ আগস্ট জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের প্রথম দিনে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এ-সংক্রান্ত একটি বিল উত্থাপন করেন। পরে বিলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। কমিটিকে দুই কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত বিলে ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে নতুন ১২২ক ও ১২২খ ধারা সংযোজনের কথা বলা হয়েছে। এর মাধ্যমে দাতার আজীবন ভোগদখলের অধিকার সংরক্ষণ করে সম্পত্তি দানের পৃথক একটি পদ্ধতি চালুর প্রস্তাব করা হয়েছে।

কারা কাকে সম্পত্তি দিতে পারবেন

প্রস্তাবিত বিধান অনুযায়ী, বাবা-মা তাদের সন্তান বা নাতি-নাতনিকে সম্পত্তি দান করতে পারবেন। একইভাবে নাতি-নাতনিরাও বাবা-মা, দাদা-দাদি কিংবা নানা-নানিকে সম্পত্তি দিতে পারবেন। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেও এ ধরনের সম্পত্তি হস্তান্তরের সুযোগ থাকবে।

স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে এ ধরনের দান নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে করতে হবে।

দানের পরও থাকবে ব্যবহার ও ভোগের অধিকার

প্রস্তাবিত আইনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সম্পত্তি দানের সঙ্গে সঙ্গে দাতার ভোগদখলের অধিকার শেষ হবে না। দলিলে যদি আজীবন ভোগদখলের অধিকার সংরক্ষণ করা হয়, তাহলে দাতা জীবিত থাকা পর্যন্ত ওই সম্পত্তি ব্যবহার ও ভোগ করতে পারবেন।

অর্থাৎ কোনো বাবা সন্তানের নামে নিজের বাড়ি দান করলেও দলিলে যদি তার আজীবন বসবাসের অধিকার রাখা হয়, তাহলে তিনি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ওই বাড়িতে থাকতে পারবেন।

এমনকি দাতা জীবিত থাকা অবস্থায় সম্পত্তির গ্রহীতা মারা গেলেও দাতার অধিকার নষ্ট হবে না। গ্রহীতার উত্তরাধিকারীদের কাছে সম্পত্তির মালিকানা গেলেও দাতা জীবিত থাকা পর্যন্ত তার ভোগদখলের অধিকার বহাল থাকবে।

বিশেষ প্রয়োজনে পরিবর্তনের সুযোগ

প্রস্তাবিত আইনে বিশেষ পরিস্থিতিতে দাতার ভোগদখলের অধিকার পরিবর্তন বা প্রত্যাহারের সুযোগ রাখা হয়েছে। আর্থিক, চিকিৎসা, শিক্ষা, পারিবারিক কিংবা অন্য কোনো প্রকৃত প্রয়োজন দেখা দিলে দাতা ও গ্রহীতার পারস্পরিক সম্মতিতে নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

কোনো পক্ষ অপ্রাপ্তবয়স্ক, নিখোঁজ, মানসিকভাবে অসুস্থ বা আইনগতভাবে অক্ষম হলে জেলা জজের অনুমোদন নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিধানও রাখা হয়েছে।

প্রচলিত হেবা বা দান বহাল থাকবে

নতুন ব্যবস্থা চালু হলেও প্রচলিত দান বা মুসলিম আইনের হেবা বাতিল হবে না। সাধারণ দান, হেবা এবং আইনস্বীকৃত অন্যান্য সম্পত্তি হস্তান্তরের পদ্ধতিও আগের মতো বহাল থাকবে।

প্রস্তাবিত নতুন বিধানটি সম্পত্তি হস্তান্তরের একটি পৃথক পদ্ধতি হিসেবে যুক্ত হবে এবং সব ধর্মাবলম্বীর ক্ষেত্রে সমভাবে প্রযোজ্য হবে।

সরকারের উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো, সন্তান বা নিকটাত্মীয়ের নামে সম্পত্তি দান করার পরও যেন দাতা নিজের বসতবাড়ি বা সম্পত্তির ব্যবহার থেকে বঞ্চিত না হন।

বিলটি বর্তমানে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর্যায়ে রয়েছে। সংসদে বিলটি পাস হয়ে আইন হিসেবে কার্যকর হলে সম্পত্তি দানের ক্ষেত্রে দাতার আজীবন ভোগদখলের জন্য নতুন আইনি সুরক্ষা তৈরি হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

চোখের চিকিৎসায় ঢাকায় এসে প্রাণ গেল শিক্ষিকার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৪:৫৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চোখের চিকিৎসায় ঢাকায় এসে প্রাণ গেল শিক্ষিকার

 যোগফল প্রতিবেদক:

চোখের চিকিৎসা শেষে আর বাড়ি ফেরা হলো না বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ি সরকারি বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রনজিলা পারভীনের। চিকিৎসা করাতে ঢাকায় গিয়ে সড়কে ছিনতাইয়ের চেষ্টার সময় রিকশা থেকে পড়ে গুরুতর আহত হয়ে মারা যান তিনি। পরে মরদেহ নিয়ে ফিরতে হয়েছে স্বজনদের।

শনিবার (২৯ আগস্ট) ভোরে রাজধানীর সংসদ ভবন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রনজিলা পারভীন বগুড়া শহরের রহমাননগর এলাকায় স্বামী আব্দুল মতিন ও একমাত্র মেয়ে রাইসা আক্তারকে নিয়ে বসবাস করতেন।

নিহতের স্বামী আব্দুল মতিন জানান, চোখের চিকিৎসার জন্য শুক্রবার রাত ১২টার দিকে বাসে করে বগুড়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন তারা। শনিবার ভোরে রিকশায় করে ফার্মগেটের ইস্পাহানী ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে যাওয়ার পথে সংসদ ভবন এলাকায় মোটরসাইকেলে থাকা দুই ব্যক্তি রনজিলার হাতে থাকা ব্যাগ ধরে টান দেন।

এ সময় রিকশা থেকে পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান রনজিলা। পরে তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

শনিবার রাতে তার মরদেহ বগুড়ায় পৌঁছায়। রোববার (৩০ আগস্ট) বাদ জোহর বাগবাড়ি সরকারি বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বাদ আসর তরফসরতাজ গ্রামে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

দীর্ঘ ৩০ বছরেরও বেশি সময় যে বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন, শেষবারের মতো সেখানেই প্রিয় শিক্ষককে বিদায় জানান সহকর্মী ও শিক্ষার্থীরা। রোববার বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ছিল শোকের পরিবেশ। প্রধান শিক্ষকের চেয়ারটি ফাঁকা পড়ে থাকলেও তাকে ঘিরে সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের স্মৃতি যেন বারবার ফিরে আসছিল।

সহকারী শিক্ষক মেহেনাজ আফরীন ও মাছুমা খাতুন বলেন, রনজিলা পারভীন নিয়মিত সবার আগে বিদ্যালয়ে আসতেন এবং নিজে ক্লাস নিতেন। তিনি শুধু প্রধান শিক্ষকই ছিলেন না, সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মতো ছিলেন। তার এমন মৃত্যু তারা মেনে নিতে পারছেন না।

শিক্ষার্থী ইকবাল ও রাকিব জানায়, রনজিলা ম্যাডাম তাদের অত্যন্ত স্নেহ করতেন এবং সহজভাবে পড়া বুঝিয়ে দিতেন।

নিহতের মেয়ে রাইসা আক্তার বলেন, ‘আমার মতো আর কেউ যেন এভাবে মা-হারা না হয়। আমি মায়ের মৃত্যুর ঘটনার বিচার চাই।’

নিহতের স্বামীও এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, রনজিলা পারভীন ১৯৮৮ সালের জানুয়ারিতে সহকারী শিক্ষক হিসেবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগ দেন। দীর্ঘ চাকরিজীবনে পদোন্নতি পেয়ে তিনি বাগবাড়ি সরকারি বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

নোয়াখালীর দুই হোটেলে অভিযান, নারী-পুরুষসহ আটক ৮

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৪:৫৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নোয়াখালীর দুই হোটেলে অভিযান, নারী-পুরুষসহ আটক ৮

 যোগফল প্রতিবেদক:

নোয়াখালীর চৌমুহনী বাজারের দুটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে চার নারী ও চার পুরুষসহ আটজনকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে তাদের নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়।

পুলিশ জানায়, চৌমুহনী পৌরসভার চৌমুহনী বাজারের মিয়ামী ও স্কাইভিউ আবাসিক হোটেলে পৃথকভাবে অভিযান চালানো হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের আটক করা হয়েছে।

আটক চার পুরুষ হলেন—সোনাইমুড়ী উপজেলার পূর্ব মির্জানগর গ্রামের মো. সোহাগ (৪০), নজরপুর গ্রামের ইকবাল হোসেন (৪২), দৌলতপুর গ্রামের জুনায়েদ (২৭) এবং হাতিয়া উপজেলার জাহাজমারা গ্রামের মো. মুন্না (২৩)।

নোয়াখালী পুলিশ সুপারের নির্দেশনা এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নোয়াখালী ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে নারী-পুরুষসহ আটজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম