খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১৫ ভাদ্র, ১৪৩৩

চোখের চিকিৎসায় ঢাকায় এসে প্রাণ গেল শিক্ষিকার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৪:৫৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চোখের চিকিৎসায় ঢাকায় এসে প্রাণ গেল শিক্ষিকার

 যোগফল প্রতিবেদক:

চোখের চিকিৎসা শেষে আর বাড়ি ফেরা হলো না বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ি সরকারি বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রনজিলা পারভীনের। চিকিৎসা করাতে ঢাকায় গিয়ে সড়কে ছিনতাইয়ের চেষ্টার সময় রিকশা থেকে পড়ে গুরুতর আহত হয়ে মারা যান তিনি। পরে মরদেহ নিয়ে ফিরতে হয়েছে স্বজনদের।

শনিবার (২৯ আগস্ট) ভোরে রাজধানীর সংসদ ভবন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রনজিলা পারভীন বগুড়া শহরের রহমাননগর এলাকায় স্বামী আব্দুল মতিন ও একমাত্র মেয়ে রাইসা আক্তারকে নিয়ে বসবাস করতেন।

নিহতের স্বামী আব্দুল মতিন জানান, চোখের চিকিৎসার জন্য শুক্রবার রাত ১২টার দিকে বাসে করে বগুড়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন তারা। শনিবার ভোরে রিকশায় করে ফার্মগেটের ইস্পাহানী ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে যাওয়ার পথে সংসদ ভবন এলাকায় মোটরসাইকেলে থাকা দুই ব্যক্তি রনজিলার হাতে থাকা ব্যাগ ধরে টান দেন।

এ সময় রিকশা থেকে পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান রনজিলা। পরে তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

শনিবার রাতে তার মরদেহ বগুড়ায় পৌঁছায়। রোববার (৩০ আগস্ট) বাদ জোহর বাগবাড়ি সরকারি বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বাদ আসর তরফসরতাজ গ্রামে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

দীর্ঘ ৩০ বছরেরও বেশি সময় যে বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন, শেষবারের মতো সেখানেই প্রিয় শিক্ষককে বিদায় জানান সহকর্মী ও শিক্ষার্থীরা। রোববার বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ছিল শোকের পরিবেশ। প্রধান শিক্ষকের চেয়ারটি ফাঁকা পড়ে থাকলেও তাকে ঘিরে সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের স্মৃতি যেন বারবার ফিরে আসছিল।

সহকারী শিক্ষক মেহেনাজ আফরীন ও মাছুমা খাতুন বলেন, রনজিলা পারভীন নিয়মিত সবার আগে বিদ্যালয়ে আসতেন এবং নিজে ক্লাস নিতেন। তিনি শুধু প্রধান শিক্ষকই ছিলেন না, সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মতো ছিলেন। তার এমন মৃত্যু তারা মেনে নিতে পারছেন না।

শিক্ষার্থী ইকবাল ও রাকিব জানায়, রনজিলা ম্যাডাম তাদের অত্যন্ত স্নেহ করতেন এবং সহজভাবে পড়া বুঝিয়ে দিতেন।

নিহতের মেয়ে রাইসা আক্তার বলেন, ‘আমার মতো আর কেউ যেন এভাবে মা-হারা না হয়। আমি মায়ের মৃত্যুর ঘটনার বিচার চাই।’

নিহতের স্বামীও এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, রনজিলা পারভীন ১৯৮৮ সালের জানুয়ারিতে সহকারী শিক্ষক হিসেবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগ দেন। দীর্ঘ চাকরিজীবনে পদোন্নতি পেয়ে তিনি বাগবাড়ি সরকারি বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

‘সন্তান বিক্রি’ করে ঢাকায় এসে নতুন আইফোন কিনলেন বাবা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৫:৫৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘সন্তান বিক্রি’ করে ঢাকায় এসে নতুন আইফোন কিনলেন বাবা

 যোগফল প্রতিবেদক:

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় দেড় বছরের ছেলে সন্তানকে অন্যের কাছে দিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বাবা মো. মারুফের বিরুদ্ধে। পরিবারের দাবি, শিশুটিকে দেওয়ার বিনিময়ে এক লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে। তবে টাকা লেনদেনের বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার (২৯ আগস্ট) উপজেলার বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়নের মাছুয়াখালী গ্রামের মুন্সিবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত মারুফ ওই গ্রামের মফিজ মুন্সির ছেলে এবং পেশায় কাঠমিস্ত্রি। ঘটনার পর তিনি ঢাকায় চলে গেছেন বলে জানিয়েছে পরিবার।

পরিবারের সদস্যরা জানান, শনিবার সকালে মারুফ তার মা মাহফুজা বেগমকে দিয়ে ছেলে মুসাকে জামাকাপড় পরিয়ে নেন। এরপর বাজারে যাওয়ার কথা বলে শিশুটিকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। দীর্ঘ সময় পার হলেও তারা ফিরে না আসায় স্বজনরা খোঁজ শুরু করেন।

পরে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে মারুফ জানান, দশমিনা উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের রোমানাথসেন গ্রামের ইমরান হোসেনের কাছে লিখিতভাবে শিশুটিকে দিয়ে দিয়েছেন। এ সময় এক লাখ টাকা নেওয়ার কথাও তিনি জানিয়েছেন বলে পরিবারের দাবি।

শিশুটির দাদি মাহফুজা বেগম বলেন, প্রায় চার বছর আগে মারুফ সাভারের বৃষ্টি নামে এক তরুণীকে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে প্রায় তিন বছর পর মুসার জন্ম হয়। পারিবারিক বিরোধের জেরে প্রায় এক মাস আগে বৃষ্টি বাবার বাড়িতে চলে যান। এরপর মারুফও ঢাকায় চলে যান। শুক্রবার সন্ধ্যার আগে তিনি বাড়িতে ফেরেন।

দাদি বলেন, শনিবার সকালে মারুফের কথামতো তিনি নাতিকে জামাকাপড় পরিয়ে দেন। পরে জানতে পারেন, শিশুটিকে অন্যের কাছে রেখে তিনি চলে গেছেন। নাতিকে দ্রুত ফিরে পাওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে শিশুটিকে নিজের কাছে রাখা ইমরান হোসেনের দাবি, মারুফ আগে থেকেই তার কাছে শিশুটিকে দেওয়ার কথা বলে আসছিলেন। তার শ্বশুরের পাঁচ মেয়ে থাকলেও কোনো ছেলে সন্তান নেই। পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করেই শিশুটিকে নিজের কাছে রাখা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তবে শিশুটিকে দেওয়ার ক্ষেত্রে টাকা লেনদেন হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, শিশুটিকে চরকাজল এলাকার যার কাছে রাখা হয়েছে, সেখান থেকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি শিশুটির বাবাকে ঢাকা থেকে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ওসি বলেন, টাকা-পয়সা লেনদেনের বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শিশুটির বাবা-মায়ের সম্পর্কের অবনতির বিষয়টিও তদন্তে বিবেচনা করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ হলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

খাদ্যগুদামের অনিয়ম-সিন্ডিকেটে কঠোর ব্যবস্থা: খাদ্যমন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৫:৪৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
খাদ্যগুদামের অনিয়ম-সিন্ডিকেটে কঠোর ব্যবস্থা: খাদ্যমন্ত্রী

 যোগফল প্রতিবেদক:

খাদ্যগুদামকেন্দ্রিক অনিয়ম ও সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। তিনি বলেছেন, সরকারি খাদ্য কর্মসূচিতে নির্ধারিত অর্থ ও প্রকৃত সেবাগ্রহীতাদের প্রাপ্ত অর্থের ব্যবধানের সুফল কোনোভাবেই সিন্ডিকেটের পকেটে যেতে দেওয়া হবে না।

রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে আকস্মিকভাবে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলা খাদ্যগুদাম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, খাদ্যগুদামে পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে কি না এবং সেগুলো নিরাপদ ও মানসম্মত অবস্থায় আছে কি না, তা নিশ্চিত করাই তার অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। এ জন্য পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন জেলার খাদ্যগুদাম পরিদর্শন করা হবে।

তিনি জানান, মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া উপজেলার খাদ্যগুদামে পর্যাপ্ত ধান, গম ও আটা মজুত রয়েছে। এসব খাদ্যশস্যের গুণগতমানও সন্তোষজনক বলে জানান তিনি।

আফরোজা খানম রিতা বলেন, দুর্যোগ বা সংকটের সময় দ্রুত মানুষের কাছে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিতে প্রতিটি জেলায় চাহিদা অনুযায়ী মজুত গড়ে তোলা হচ্ছে। বর্তমানে দেশের সব জেলায় পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে এবং কোনো ধরনের খাদ্য সংকট নেই।

খাদ্যগুদামে অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা কিংবা খাদ্যশস্যের মান নিয়ে কোনো সমস্যা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন খাদ্যমন্ত্রী। অনিয়মের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি।

সম্প্রতি মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলা খাদ্যগুদামে অনিয়মের অভিযোগে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না।

পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

সূর্যের শক্তিতে ছুটছে অ্যাম্বুলেন্স, দুর্গম এলাকায় পৌঁছে দিচ্ছে চিকিৎসাসেবা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সূর্যের শক্তিতে ছুটছে অ্যাম্বুলেন্স, দুর্গম এলাকায় পৌঁছে দিচ্ছে চিকিৎসাসেবা

 যোগফল প্রতিবেদক:

স্বাস্থ্যসেবা ও বিদ্যুতের সংকটে থাকা দুর্গম মানুষের কাছে চিকিৎসা পৌঁছে দিতে তৈরি হয়েছে সৌরশক্তিচালিত অ্যাম্বুলেন্স ‘স্টেলা জুভা’। নেদারল্যান্ডসের একদল শিক্ষার্থীর তৈরি এই যানটি শুধু রোগী পরিবহন নয়, প্রয়োজন হলে একটি ভ্রাম্যমাণ স্বাস্থ্যকেন্দ্র হিসেবেও কাজ করতে পারে।

আফ্রিকার অনেক মানুষ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র থেকে দীর্ঘ দূরত্বে বসবাস করেন। একই সঙ্গে দুর্গম বিভিন্ন অঞ্চলের চিকিৎসাকেন্দ্রে বিদ্যুৎ-সংযোগ না থাকায় চিকিৎসাসেবা দেওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে। এই সমস্যার কথা মাথায় রেখেই স্টেলা জুভা তৈরি করা হয়েছে।

আইন্দহোভেন ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজিসহ তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২৩ শিক্ষার্থীর সমন্বয়ে গঠিত ‘সোলার টিম আইন্দহোভেন’ এই প্রকল্পটি তৈরি করেছে। দলটির দাবি, স্টেলা জুভা বিশ্বের প্রথম সৌরশক্তিচালিত অ্যাম্বুলেন্স।

যানটির ছাদে সৌর প্যানেল রয়েছে, যা চলার সময় বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। আবার গাড়ি থামানো অবস্থায় অতিরিক্ত চার্জের জন্য প্রসারণযোগ্য সৌর প্যানেল মেলে দেওয়া যায়। ফলে প্রচলিত জ্বালানি বা চার্জিং অবকাঠামোর ওপর নির্ভরতা অনেকটাই কমে যায়।

স্টেলা জুভায় রয়েছে এক্স-রে মেশিন, আলট্রাসাউন্ড, ভ্যাকসিন সংরক্ষণের জন্য ফ্রিজসহ বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জাম। অর্থাৎ রোগীদের শুধু এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নেওয়ার পরিবর্তে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম ও বিদ্যুৎ সরাসরি প্রত্যন্ত এলাকায় পৌঁছে দিতে পারে এটি।

চলতি মাসে কেনিয়ায় বেসরকারি সংস্থা আম্রেফ হেলথ আফ্রিকার সঙ্গে যৌথভাবে যানটির পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালানো হয়। দুর্গম ও কাঁচা রাস্তায় দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার পাশাপাশি দূরবর্তী এলাকায় পৌঁছে চিকিৎসা সরঞ্জামগুলো চালানোর সক্ষমতাও পরীক্ষা করা হয়।

পরীক্ষায় দেখা যায়, গাড়িটি থামানো অবস্থায় ভেতরের চিকিৎসা সরঞ্জামগুলো একসঙ্গে ব্যবহার করার পরও উৎপাদিত বিদ্যুতের পরিমাণ ব্যবহারের চেয়ে বেশি ছিল। দুই দিনের পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে প্রায় ২০০ মানুষকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া সম্ভব হতো বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

কেনিয়ায় পরীক্ষার সময় স্টেলা জুভার সাহায্যে ৮০০ কিলোমিটারের বেশি পথ পাড়ি দেন শিক্ষার্থীরা। এর মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম কেনিয়ার নারোক অঞ্চলের বিদ্যুৎবিহীন মোসিরো এলাকার একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রেও যাত্রা করা হয়। দুর্গম ও ধুলোময় রাস্তায় কয়েক ঘণ্টার যাত্রার পরও যানটি প্রত্যাশার চেয়ে ভালো পারফরম্যান্স করেছে বলে জানান প্রকল্পের সদস্যরা।

আম্রেফ হেলথ আফ্রিকার কর্মকর্তারা বলছেন, মোসিরোর মতো এলাকায় বিদ্যুতের অভাবে বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের আলট্রাসাউন্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবা পাওয়া কঠিন। এসব অঞ্চলে সৌরশক্তিচালিত মোবাইল স্বাস্থ্যকেন্দ্র কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

সোলার টিম আইন্দহোভেন ২০১৩ সাল থেকে টেকসই যানবাহন তৈরির বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রকল্পে কাজ করছে। এর আগে তারা সৌরশক্তিচালিত ক্যাম্পারভ্যান ‘স্টেলা ভিটা’ এবং অফ-রোড সৌরযান ‘স্টেলা টেরা’ তৈরি করেছে।

প্রকল্পটির সঙ্গে যুক্ত শিক্ষার্থীদের আশা, স্টেলা জুভার মতো প্রযুক্তি ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ ও স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে চিকিৎসা পৌঁছে দিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম