খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৮ ভাদ্র, ১৪৩৩

ডার্ড গ্রুপের সম্পদ বিক্রি করে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধের দাবি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৪৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ডার্ড গ্রুপের সম্পদ বিক্রি করে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধের দাবি

যোগফল প্রতিবেদক:

দুই মাসের মধ্যে ৫০–৭০ কোটি টাকা পরিশোধের আহ্বান

ডার্ড গ্রুপের পাঁচটি প্রতিষ্ঠান বন্ধের প্রায় তিন বছর পেরিয়ে গেলেও শ্রমিক-কর্মচারীদের পুরো পাওনা পরিশোধ হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকরা। তাদের দাবি, বর্তমানে প্রায় ৫০ থেকে ৭০ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে।

শ্রমিকদের ভাষ্য, ২০২৩ সালের ২২ নভেম্বর ডার্ড গ্রুপের পাঁচটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। এর কয়েক দিন পর, ২৮ নভেম্বর সরকার, মালিকপক্ষ ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা চুক্তি হয়। তবে চুক্তি অনুযায়ী এখনো শ্রমিকদের সম্পূর্ণ পাওনা পরিশোধ করা হয়নি।

কারখানা বন্ধের পর কিছু পাওনা পরিশোধ করা হলেও বড় অঙ্কের অর্থ এখনো বকেয়া রয়েছে বলে দাবি শ্রমিকদের।

পাওনা পরিশোধের জন্য সরকার ডার্ড গ্রুপকে ১৩ কোটি টাকা ঋণ সহায়তা দিয়েছিল বলেও জানান শ্রমিকরা। তাদের অভিযোগ, ওই অর্থও যথাযথভাবে ও স্বচ্ছতার সঙ্গে বণ্টন করা হয়নি। এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশের পাশাপাশি অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এদিকে শ্রমিকদের পাওনা আদায়ের বিষয়টি হাইকোর্ট পর্যন্ত গড়িয়েছে। মালিকপক্ষের করা একটি রিট মামলায় ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকরা পক্ষভুক্ত হয়েছেন। চলমান বিচারিক প্রক্রিয়ায় তাদের ন্যায্য পাওনা ও অধিকার নিশ্চিত হবে বলে আশা করছেন তারা।

শ্রমিকরা দাবি করেছেন, ডার্ড গ্রুপের মালিকপক্ষের নামে থাকা সম্পদ ও সম্পত্তি আইনগত প্রক্রিয়ায় শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এরপর এসব সম্পদ বিক্রি করে পাওয়া অর্থ থেকে শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা পরিশোধের ব্যবস্থা করতে হবে।

তাদের জোর দাবি, আগামী দুই মাসের মধ্যে অবশিষ্ট ৫০ থেকে ৭০ কোটি টাকা সম্পূর্ণ পরিশোধ করতে হবে। এজন্য সরকারের দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপও কামনা করেছেন তারা।

শ্রমিকদের ভাষ্য, তারা কোনো দয়া বা অনুদান চান না; দীর্ঘদিনের ন্যায্য পাওনা চান। তাই আর কোনো দীর্ঘসূত্রতা না করে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে তাদের পাওনা পরিশোধের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

চুরির ভোট, রাতের ভোট এ দেশে আর হবে না: হুইপ অপু

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চুরির ভোট, রাতের ভোট এ দেশে আর হবে না: হুইপ অপু

যোগফল প্রতিবেদক:

চুরির ভোট, রাতের ভোট এ দেশে আর হবে না। জনগণ এবার নিজের ভোট নিজে দেবেন এবং পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করবেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার কোদালপুর বাজারে বিএনপির কার্যালয়ে ইউনিয়ন পর্যায়ের বিএনপি নেতাকর্মী ও সম্ভাব্য চেয়ারম্যান-মেম্বার প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

গোসাইরহাট, ডামুড্যা ও ভেদরগঞ্জ উপজেলার আংশিক এলাকার নেতাকর্মী ও সম্ভাব্য প্রার্থীরা সভায় অংশ নেন।

হুইপ অপু বলেন, ‘আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হবে জনগণের ভোটে। ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে চেয়ারম্যান ও মেম্বার নির্বাচিত করবেন। কোনো ধরনের ভোট চুরি, কারচুপি কিংবা রাতের ভোটের সুযোগ এবার থাকবে না।’

তিনি বলেন, ‘চুরির ভোট, রাতের ভোট—এ দেশে আর হবে না। জনগণ নিজের ভোট নিজে দেবে। যাকে যোগ্য মনে করবে, ভোট দিয়ে তাকেই নির্বাচিত করবে।’

তৃণমূলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে হুইপ অপু বলেন, বিএনপিকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও শক্তিশালী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। শুধু দলীয় কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না থেকে নেতাকর্মীদের ঘরে ঘরে যেতে হবে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলতে হবে, তাদের সমস্যার কথা শুনতে হবে এবং সুখে-দুঃখে মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে।

সম্ভাব্য চেয়ারম্যান ও মেম্বার প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যারা প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, তাদের প্রত্যেককে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে হবে। জনগণের কাছে নিজেদের যোগ্যতা ও কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরতে হবে এবং মানুষের আস্থা অর্জন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, তৃণমূলে অনেক যোগ্য ও জনপ্রিয় নেতা প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করছেন। তবে দলীয়ভাবে যাচাই-বাছাই শেষে যাকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হবে, সবাইকে তার পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে উঠে দলের সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দিতে হবে।

হুইপ অপু বলেন, ‘ব্যক্তির চেয়ে দল বড়। দল যাকে প্রার্থী ঘোষণা করবে, সবাইকে তার পক্ষে কাজ করতে হবে। আমাদের লক্ষ্য হবে তৃণমূলকে শক্তিশালী করা এবং জনগণের আস্থা অর্জন করা।’

এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এলাকার উন্নয়নে জনপ্রতিনিধিদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। এজন্য এখন থেকেই তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সম্ভাব্য প্রার্থীদের মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।

মতবিনিময় সভায় গোসাইরহাট, ডামুড্যা ও ভেদরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বিএনপি নেতাকর্মী ও সম্ভাব্য প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় স্থানীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সাংগঠনিক কার্যক্রম, সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাই এবং আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

দুবাই গিয়েও সাইবার হয়রানি থেকে রেহাই পেলেন না অভিনেত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:৩৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দুবাই গিয়েও সাইবার হয়রানি থেকে রেহাই পেলেন না অভিনেত্রী

 যোগফল প্রতিবেদক:

ভারত ছেড়ে দুবাইয়ে পাড়ি দেওয়ার পরও সাইবার হয়রানি থেকে রেহাই পাচ্ছেন না অভিনেত্রী মান্দানা করিমি। তার অভিযোগ, দেশ বদলালেও অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির পাঠানো রহস্যময় ই-মেল এখনো তার পরিচিতজনদের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে।

অভিনেত্রীর দাবি, এসব ই-মেলে কখনো তাকে নিয়ে নানা ধরনের অভিযোগ করা হচ্ছে, আবার কখনো টাকা চাওয়া হচ্ছে। প্রায় ছয় বছর ধরে চলা এই সাইবার হয়রানি নিয়ে সম্প্রতি মুখ খুলেছেন সাবেক ‘বিগ বস’ প্রতিযোগী মান্দানা।

মান্দানা জানান, তার বিবাহবিচ্ছেদের পর থেকেই অজ্ঞাতপরিচয় একজন ব্যক্তি তাকে অনুসরণ করছেন বলে তিনি মনে করেন। শুধু তাকে নয়, তার সঙ্গে কাজ করা প্রযোজক, সহ-অভিনেতা ও পরিচিত ব্যক্তিদের কাছেও বিভিন্ন বার্তা পাঠানো হচ্ছে। এসবের উদ্দেশ্য তার কাজ, সম্পর্ক ও সামাজিক পরিচিতি ক্ষতিগ্রস্ত করা বলে অভিযোগ অভিনেত্রীর।

অভিনেত্রীর ভাষ্য, ছুটিতে থাকার সময়ও একই ধরনের ঘটনার মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। কয়েক বছর আগে এসব ঘটনার উৎস খুঁজে বের করতে ব্যক্তিগতভাবে তদন্তের চেষ্টা করেছিলেন। তখন তাকে জানানো হয়, একজন পেশাদার হ্যাকারকে ব্যবহার করে তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কার্যক্রম নজরদারি করা হচ্ছে।

মান্দানার দাবি, ‘মীনাক্ষী’ নামে একটি ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে তার পরিচিত বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ই-মেল পাঠানো হচ্ছে। ভারত ছাড়ার পরও সেই যোগাযোগ বন্ধ হয়নি। এখনো তার বন্ধুদের কাছে ওই ধরনের ই-মেল পৌঁছাচ্ছে বলে জানান তিনি।

এ পরিস্থিতিতে পরিচিতদের সতর্ক করে মান্দানা বলেছেন, তাকে ঘিরে কোনো ই-মেল পেলে যেন কেউ তাতে বিশ্বাস না করেন বা টাকা পাঠান। বরং বার্তাটি সংরক্ষণ, স্ক্রিনশট নেওয়া এবং তার কাছে পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

অভিনেত্রীর অভিযোগ, ভারতে থাকাকালে একাধিকবার সাইবার অপরাধের অভিযোগ করেও কাঙ্ক্ষিত সমাধান পাননি। এবার তাই প্রকাশ্যে বিষয়টি তুলে ধরে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে চেয়েছেন তিনি। দীর্ঘদিনের এই হয়রানির বিরুদ্ধে আর নীরব থাকতে চান না বলেও জানিয়েছেন মান্দানা।

মান্দানার ব্যক্তিগত জীবনেও অতীতে নানা টানাপোড়েন ছিল। ব্যবসায়ী গৌরব গুপ্তের সঙ্গে দীর্ঘ সম্পর্কের পর ২০১৭ সালে বিয়ে করেন তিনি। কয়েক বছরের দাম্পত্যের পর ২০২১ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সেই সম্পর্কের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথাও জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

চলতি বছর প্রায় ১৬ বছর ভারতে থাকার পর দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন মান্দানা। নতুন জীবন শুরুর আশায় দুবাইয়ে পাড়ি জমালেও পুরোনো সাইবার হয়রানি এখনো তার পিছু ছাড়েনি বলে অভিযোগ তার।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

দুবাই গিয়েও সাইবার হয়রানি থেকে রেহাই পেলেন না অভিনেত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:১৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দুবাই গিয়েও সাইবার হয়রানি থেকে রেহাই পেলেন না অভিনেত্রী

 যোগফল প্রতিবেদক:

ভারত ছেড়ে দুবাইয়ে পাড়ি দেওয়ার পরও সাইবার হয়রানি থেকে রেহাই পাচ্ছেন না অভিনেত্রী মান্দানা করিমি। তার অভিযোগ, দেশ বদলালেও অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির পাঠানো রহস্যময় ই-মেল এখনো তার পরিচিতজনদের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে।

অভিনেত্রীর দাবি, এসব ই-মেলে কখনো তাকে নিয়ে নানা ধরনের অভিযোগ করা হচ্ছে, আবার কখনো টাকা চাওয়া হচ্ছে। প্রায় ছয় বছর ধরে চলা এই সাইবার হয়রানি নিয়ে সম্প্রতি মুখ খুলেছেন সাবেক ‘বিগ বস’ প্রতিযোগী মান্দানা।

মান্দানা জানান, তার বিবাহবিচ্ছেদের পর থেকেই অজ্ঞাতপরিচয় একজন ব্যক্তি তাকে অনুসরণ করছেন বলে তিনি মনে করেন। শুধু তাকে নয়, তার সঙ্গে কাজ করা প্রযোজক, সহ-অভিনেতা ও পরিচিত ব্যক্তিদের কাছেও বিভিন্ন বার্তা পাঠানো হচ্ছে। এসবের উদ্দেশ্য তার কাজ, সম্পর্ক ও সামাজিক পরিচিতি ক্ষতিগ্রস্ত করা বলে অভিযোগ অভিনেত্রীর।

অভিনেত্রীর ভাষ্য, ছুটিতে থাকার সময়ও একই ধরনের ঘটনার মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। কয়েক বছর আগে এসব ঘটনার উৎস খুঁজে বের করতে ব্যক্তিগতভাবে তদন্তের চেষ্টা করেছিলেন। তখন তাকে জানানো হয়, একজন পেশাদার হ্যাকারকে ব্যবহার করে তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কার্যক্রম নজরদারি করা হচ্ছে।

মান্দানার দাবি, ‘মীনাক্ষী’ নামে একটি ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে তার পরিচিত বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ই-মেল পাঠানো হচ্ছে। ভারত ছাড়ার পরও সেই যোগাযোগ বন্ধ হয়নি। এখনো তার বন্ধুদের কাছে ওই ধরনের ই-মেল পৌঁছাচ্ছে বলে জানান তিনি।

এ পরিস্থিতিতে পরিচিতদের সতর্ক করে মান্দানা বলেছেন, তাকে ঘিরে কোনো ই-মেল পেলে যেন কেউ তাতে বিশ্বাস না করেন বা টাকা পাঠান। বরং বার্তাটি সংরক্ষণ, স্ক্রিনশট নেওয়া এবং তার কাছে পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

অভিনেত্রীর অভিযোগ, ভারতে থাকাকালে একাধিকবার সাইবার অপরাধের অভিযোগ করেও কাঙ্ক্ষিত সমাধান পাননি। এবার তাই প্রকাশ্যে বিষয়টি তুলে ধরে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে চেয়েছেন তিনি। দীর্ঘদিনের এই হয়রানির বিরুদ্ধে আর নীরব থাকতে চান না বলেও জানিয়েছেন মান্দানা।

মান্দানার ব্যক্তিগত জীবনেও অতীতে নানা টানাপোড়েন ছিল। ব্যবসায়ী গৌরব গুপ্তের সঙ্গে দীর্ঘ সম্পর্কের পর ২০১৭ সালে বিয়ে করেন তিনি। কয়েক বছরের দাম্পত্যের পর ২০২১ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সেই সম্পর্কের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথাও জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

চলতি বছর প্রায় ১৬ বছর ভারতে থাকার পর দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন মান্দানা। নতুন জীবন শুরুর আশায় দুবাইয়ে পাড়ি জমালেও পুরোনো সাইবার হয়রানি এখনো তার পিছু ছাড়েনি বলে অভিযোগ তার।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম