খুঁজুন
advertisement
advertisement
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৪ ভাদ্র, ১৪৩৩

কিয়ারার ঝলমলে ত্বকের যত্নের রুটিন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:১০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কিয়ারার ঝলমলে ত্বকের যত্নের রুটিন

 যোগফল প্রতিবেদক:

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানির সৌন্দর্য ও গ্ল্যামার বরাবরই ভক্তদের আকর্ষণ করে। রূপালি পর্দায় তাঁর উজ্জ্বল ত্বক ও নিখুঁত লুক নিয়ে কৌতূহলও কম নয়। নিজের সৌন্দর্যের রহস্য নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে বেশ কিছু অভ্যাসের কথা জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

‘ইএলএলই ইন্ডিয়া’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কিয়ারা জানান, প্রতিদিনের জীবনযাপন, সঠিক খাবার ও নিয়মিত স্কিনকেয়ার তাঁর ত্বকের যত্নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

দিন শুরু করেন পানি দিয়ে

কিয়ারা জানান, ঘুম থেকে উঠে তিনি প্রথমেই এক গ্লাস পানি পান করেন। তাঁর মতে, সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর ত্বকের জন্য শুধু বংশগত বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ নয়; বরং প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাস ও ত্বকের যত্নের রুটিনও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

ত্বকের যত্নে তিনি সাধারণত ক্লিনজিং ও ময়েশ্চারাইজিংয়ের ওপর গুরুত্ব দেন। নিয়মিত স্কিনকেয়ারের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন সিরামও ব্যবহার করেন।

সানস্ক্রিনে বিশেষ গুরুত্ব

বাইরে দীর্ঘ সময় থাকতে হলে সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন কিয়ারা। তাঁর মতে, শুধু রৌদ্রোজ্জ্বল দিনেই নয়, মেঘলা বা বর্ষার দিনেও সানস্ক্রিন ব্যবহার করা প্রয়োজন।

তিনি জানান, বর্ষাকালে ত্বক বেশি তৈলাক্ত হওয়ার প্রবণতা থাকলে নন-অয়েলি ফর্মুলার সানস্ক্রিন ব্যবহার করা যেতে পারে।

রাতে ত্বকের যত্ন

মেকআপ ভালোভাবে পরিষ্কার করাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন কিয়ারা। রাতে ঘুমানোর আগে তিনি নির্দিষ্ট স্কিনকেয়ার রুটিন অনুসরণ করেন।

তাঁর মতে, রাতে শরীর বিশ্রাম নেওয়ার সময় ত্বকের স্বাভাবিক মেরামতের প্রক্রিয়াও চলে। তাই ত্বকের ধরন ও প্রয়োজন অনুযায়ী নাইট ক্রিম ও সিরাম ব্যবহার করেন তিনি।

ঘরোয়া প্যাকেও আস্থা

কিয়ারা জানান, প্রাকৃতিক ফেসপ্যাক ও হেয়ারপ্যাকও তাঁর পছন্দের। রান্নাঘরে থাকা বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করে ঘরেই এসব প্যাক তৈরি করেন তিনি।

এসব ঘরোয়া রূপচর্চার পদ্ধতি তাঁর পরিবারে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসছে। দাদি ও মায়ের কাছ থেকেই এমন অনেক ঘরোয়া রূপচর্চার ধারণা পেয়েছেন বলে জানান অভিনেত্রী।

সুন্দর থাকার জন্য জীবনযাপনও গুরুত্বপূর্ণ

কিয়ারার মতে, শুধু প্রসাধনী ব্যবহার করলেই সুন্দর ত্বক পাওয়া সম্ভব নয়। নিয়মিত স্কিনকেয়ারের পাশাপাশি সঠিক খাবার খাওয়া, পর্যাপ্ত তরল পান করা এবং সুষম জীবনযাপনও গুরুত্বপূর্ণ।

অভিনেত্রী মনে করেন, এসব অভ্যাসের সমন্বয়েই একজন মানুষ ভেতর ও বাইরে থেকে সুস্থ ও সুন্দর থাকতে পারেন।

এদিকে কিয়ারা আদভানিকে সম্প্রতি ‘টক্সিক’ সিনেমায় ইয়াশের বিপরীতে দেখা গেছে। ২০১৪ সালে ‘ফুগলি’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয় তাঁর। পরবর্তীতে ‘এম.এস. ধোনি: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’, ‘কবির সিং’ ও ‘শেরশাহ’-এর মতো সিনেমায় অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান তিনি।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

কুমিল্লায় গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কুমিল্লায় গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা

যোগফল প্রতিবেদক:

কুমিল্লার সদর দক্ষিণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে সোয়াগাজী উত্তর বাজারে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন।

বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সদর দক্ষিণ উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসন ও সড়ক ও জনপথ বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে পাকা, আধাপাকা ও টিনশেডসহ বিভিন্ন ধরনের স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়। এসব স্থাপনার মধ্যে মুদি দোকান, ফার্নিচারের দোকান, ওয়ার্কশপ, মনিহারি দোকানসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ছিল।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সড়কের জায়গা ও ফুটপাত দখল করে এসব স্থাপনা গড়ে ওঠায় দীর্ঘদিন ধরে সোয়াগাজী উত্তর বাজার এলাকায় যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছিল। ব্যস্ত সময়ে সড়কের দুই পাশে দোকানপাট বসায় যানবাহনের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হতো। এতে ভোগান্তিতে পড়তেন পরিবহন চালক, পথচারী, ক্রেতা-বিক্রেতা ও শিক্ষার্থীরা।

স্থানীয়রা জানান, এর আগেও বিভিন্ন সময়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগ অভিযান চালিয়ে এলাকাটি দখলমুক্ত করেছিল। তবে কিছুদিন পর আবারও একই জায়গায় অবৈধ স্থাপনা গড়ে ওঠায় সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি। এবার একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক স্থাপনা উচ্ছেদ করায় সড়ক ও ফুটপাত অনেকটাই দখলমুক্ত হয়েছে।

তবে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। তাদের অভিযোগ, দোকানের মালামাল ও ব্যবসায়িক সামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় পাননি তারা। এতে অনেক ব্যবসায়ী আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

ব্যবসায়ী মুখলেছুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা এসব স্থাপনায় ব্যবসা করে আসছিলেন। উচ্ছেদের কথা জানলেও মালামাল নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায়নি। ফলে দোকান ভাঙার সময় অনেক মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

অন্যদিকে স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা উচ্ছেদ অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত থাকলে বাজার এলাকায় যান চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরবে এবং দীর্ঘদিনের যানজট ও জনদুর্ভোগ কমবে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের কুমিল্লার উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আদনান ইবনে হাসান বলেন, মহাসড়কের জায়গা দখল করে কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ নেই। জনস্বার্থে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, একাধিকবার মাইকিং ও নোটিশের মাধ্যমে দখলদারদের স্থাপনা সরিয়ে নিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু নির্দেশনা অনুযায়ী স্থাপনা না সরানোয় শেষ পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুজন চন্দ্র রায় বলেন, দখলদারদের আগে থেকেই মাইকিং ও নোটিশের মাধ্যমে সতর্ক করা হয়েছিল। স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা না মানায় আইন অনুযায়ী উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শেখ হাসিনার আসতে হবে না, তাকে ধরে আনতে চাই: তথ্য উপদেষ্টা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শেখ হাসিনার আসতে হবে না, তাকে ধরে আনতে চাই: তথ্য উপদেষ্টা

 যোগফল প্রতিবেদক:

ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের অবস্থান দৃঢ় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনা নিজে দেশে ফিরুন বা তাকে ফিরিয়ে আনা হোক—সরকার প্রত্যর্পণের দাবি থেকে সরে আসবে না।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তথ্য উপদেষ্টা।

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি ভারতের ওপর চাপ তৈরির কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে—এমন আলোচনা নাকচ করে জাহেদ উর রহমান বলেন, শেখ হাসিনা বর্তমানে একজন পলাতক আসামি এবং তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় রয়েছে। তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি করাই সরকারের লক্ষ্য বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা নিজে দেশে আসুন কিংবা সরকার তাকে ফিরিয়ে আনুক, প্রত্যর্পণের দাবি বাস্তবায়নে সরকার কাজ করে যাবে। এ বিষয়ে কোনো কৌশল বা ভিন্ন উদ্দেশ্য নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সম্প্রতি শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন এবং ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেওয়ার বিষয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন তথ্য উপদেষ্টা। তার ভাষ্য, শেখ হাসিনার এ ধরনের বক্তব্য বাংলাদেশের জন্য বিরক্তিকর ও সংবেদনশীল। এ বিষয়ে ভারত সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জাহেদ উর রহমান বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে ভারত চাইলে কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ নিতে পারে। বিশেষ করে শেখ হাসিনার বিভিন্ন বক্তব্য ও গণমাধ্যমে উপস্থিতির বিষয়ে ভারতের অবস্থান পরিষ্কার করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

ভারতীয় হাইকমিশনারের কাছে এ বিষয়ে প্রশ্ন করার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, শেখ হাসিনার বক্তব্য বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া তৈরি করছে, সেটি ভারতের বোঝা উচিত। দুই দেশের মধ্যে আস্থার পরিবেশ তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে চলে যান শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি দেশটিতে অবস্থান করছেন। সম্প্রতি আগামী ডিসেম্বর মাসে দেশে ফেরার ঘোষণা দেওয়ার কথা জানা গেছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বাঘারপাড়ায় সাক্ষরতা দিবসে দক্ষতা উন্নয়নের তাগিদ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:২৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাঘারপাড়ায় সাক্ষরতা দিবসে দক্ষতা উন্নয়নের তাগিদ

 যোগফল প্রতিবেদক:

সাক্ষরতা অর্জন করি, দক্ষতা উন্নয়ন করি’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে যশোরের বাঘারপাড়ায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ উপলক্ষে বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা প্রশাসন ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ভূপালী সরকার। অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, জাতীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য সাক্ষরতার কোনো বিকল্প নেই। তবে শুধু পড়তে ও লিখতে পারার মধ্যে সাক্ষরতার লক্ষ্য সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। মানুষের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, নিরক্ষরমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলা, সবার জন্য শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা এবং সামাজিক অংশগ্রহণ বাড়ানোর মাধ্যমে একটি আত্মনির্ভরশীল ও সমৃদ্ধ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। এ লক্ষ্য অর্জনে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম