খুঁজুন
advertisement
advertisement
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৪ ভাদ্র, ১৪৩৩

অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে ধাপে ধাপে ব্যবস্থা: সড়কমন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:২৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে ধাপে ধাপে ব্যবস্থা: সড়কমন্ত্রী

 যোগফল প্রতিবেদক:

জাতীয় মহাসড়কে অটোরিকশা চলাচলের কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তবে অটোরিকশার সঙ্গে বিপুলসংখ্যক মানুষ যুক্ত থাকায় তাদের জীবন-জীবিকার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পর্যায়ক্রমে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডি লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। ধানমন্ডি ইয়ুথ ক্লাব এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

শেখ রবিউল আলম বলেন, জাতীয় মহাসড়কে অটোরিকশা চলাচলের পক্ষে সরকার নয়। এটি নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। তবে কোথায় অটোরিকশা চলবে আর কোথায় চলবে না, তা নির্ধারণে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, হাইওয়ে পুলিশ ও সড়ক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোর সমন্বয়ে এ নীতিমালা তৈরি করা দরকার। তবে কোনো নীতিমালাতেই জাতীয় মহাসড়কে অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি থাকবে না। এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, অটোরিকশার সঙ্গে অনেক মানুষ সম্পৃক্ত হয়ে পড়েছেন। তাই সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি তাদের জীবন-জীবিকার বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হবে। যারা ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন, তাদের সহযোগিতার বিষয়টিও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

অটোরিকশা চালকদের জন্য ন্যূনতম যোগ্যতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে শেখ রবিউল আলম বলেন, এসব বিষয় নীতিমালার আওতায় এনে কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।

হাইওয়ে ব্যবস্থাপনা নিয়ে তিনি বলেন, সড়ক ও মহাসড়ক নির্মাণ, সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। তবে মহাসড়ক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে একাধিক কর্তৃপক্ষ জড়িত থাকায় সব ধরনের অনিয়মের দায় এককভাবে তার মন্ত্রণালয়ের ওপর বর্তায় না। সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় করে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে।

কর্মসূচিতে মন্ত্রী ধানমন্ডি লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত ও বৃক্ষরোপণ করেন। অনুষ্ঠানে ধানমন্ডি ইয়ুথ ক্লাবের সভাপতি ও ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক শেখ খালিদ হাসান জ্যাকিসহ ক্লাবের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

কুমিল্লায় গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কুমিল্লায় গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা

যোগফল প্রতিবেদক:

কুমিল্লার সদর দক্ষিণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে সোয়াগাজী উত্তর বাজারে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন।

বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সদর দক্ষিণ উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসন ও সড়ক ও জনপথ বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে পাকা, আধাপাকা ও টিনশেডসহ বিভিন্ন ধরনের স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়। এসব স্থাপনার মধ্যে মুদি দোকান, ফার্নিচারের দোকান, ওয়ার্কশপ, মনিহারি দোকানসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ছিল।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সড়কের জায়গা ও ফুটপাত দখল করে এসব স্থাপনা গড়ে ওঠায় দীর্ঘদিন ধরে সোয়াগাজী উত্তর বাজার এলাকায় যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছিল। ব্যস্ত সময়ে সড়কের দুই পাশে দোকানপাট বসায় যানবাহনের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হতো। এতে ভোগান্তিতে পড়তেন পরিবহন চালক, পথচারী, ক্রেতা-বিক্রেতা ও শিক্ষার্থীরা।

স্থানীয়রা জানান, এর আগেও বিভিন্ন সময়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগ অভিযান চালিয়ে এলাকাটি দখলমুক্ত করেছিল। তবে কিছুদিন পর আবারও একই জায়গায় অবৈধ স্থাপনা গড়ে ওঠায় সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি। এবার একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক স্থাপনা উচ্ছেদ করায় সড়ক ও ফুটপাত অনেকটাই দখলমুক্ত হয়েছে।

তবে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। তাদের অভিযোগ, দোকানের মালামাল ও ব্যবসায়িক সামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় পাননি তারা। এতে অনেক ব্যবসায়ী আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

ব্যবসায়ী মুখলেছুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা এসব স্থাপনায় ব্যবসা করে আসছিলেন। উচ্ছেদের কথা জানলেও মালামাল নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায়নি। ফলে দোকান ভাঙার সময় অনেক মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

অন্যদিকে স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা উচ্ছেদ অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত থাকলে বাজার এলাকায় যান চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরবে এবং দীর্ঘদিনের যানজট ও জনদুর্ভোগ কমবে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের কুমিল্লার উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আদনান ইবনে হাসান বলেন, মহাসড়কের জায়গা দখল করে কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ নেই। জনস্বার্থে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, একাধিকবার মাইকিং ও নোটিশের মাধ্যমে দখলদারদের স্থাপনা সরিয়ে নিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু নির্দেশনা অনুযায়ী স্থাপনা না সরানোয় শেষ পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুজন চন্দ্র রায় বলেন, দখলদারদের আগে থেকেই মাইকিং ও নোটিশের মাধ্যমে সতর্ক করা হয়েছিল। স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা না মানায় আইন অনুযায়ী উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শেখ হাসিনার আসতে হবে না, তাকে ধরে আনতে চাই: তথ্য উপদেষ্টা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শেখ হাসিনার আসতে হবে না, তাকে ধরে আনতে চাই: তথ্য উপদেষ্টা

 যোগফল প্রতিবেদক:

ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের অবস্থান দৃঢ় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনা নিজে দেশে ফিরুন বা তাকে ফিরিয়ে আনা হোক—সরকার প্রত্যর্পণের দাবি থেকে সরে আসবে না।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তথ্য উপদেষ্টা।

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি ভারতের ওপর চাপ তৈরির কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে—এমন আলোচনা নাকচ করে জাহেদ উর রহমান বলেন, শেখ হাসিনা বর্তমানে একজন পলাতক আসামি এবং তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় রয়েছে। তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি করাই সরকারের লক্ষ্য বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা নিজে দেশে আসুন কিংবা সরকার তাকে ফিরিয়ে আনুক, প্রত্যর্পণের দাবি বাস্তবায়নে সরকার কাজ করে যাবে। এ বিষয়ে কোনো কৌশল বা ভিন্ন উদ্দেশ্য নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সম্প্রতি শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন এবং ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেওয়ার বিষয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন তথ্য উপদেষ্টা। তার ভাষ্য, শেখ হাসিনার এ ধরনের বক্তব্য বাংলাদেশের জন্য বিরক্তিকর ও সংবেদনশীল। এ বিষয়ে ভারত সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জাহেদ উর রহমান বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে ভারত চাইলে কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ নিতে পারে। বিশেষ করে শেখ হাসিনার বিভিন্ন বক্তব্য ও গণমাধ্যমে উপস্থিতির বিষয়ে ভারতের অবস্থান পরিষ্কার করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

ভারতীয় হাইকমিশনারের কাছে এ বিষয়ে প্রশ্ন করার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, শেখ হাসিনার বক্তব্য বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া তৈরি করছে, সেটি ভারতের বোঝা উচিত। দুই দেশের মধ্যে আস্থার পরিবেশ তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে চলে যান শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি দেশটিতে অবস্থান করছেন। সম্প্রতি আগামী ডিসেম্বর মাসে দেশে ফেরার ঘোষণা দেওয়ার কথা জানা গেছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বাঘারপাড়ায় সাক্ষরতা দিবসে দক্ষতা উন্নয়নের তাগিদ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:২৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাঘারপাড়ায় সাক্ষরতা দিবসে দক্ষতা উন্নয়নের তাগিদ

 যোগফল প্রতিবেদক:

সাক্ষরতা অর্জন করি, দক্ষতা উন্নয়ন করি’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে যশোরের বাঘারপাড়ায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ উপলক্ষে বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা প্রশাসন ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ভূপালী সরকার। অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, জাতীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য সাক্ষরতার কোনো বিকল্প নেই। তবে শুধু পড়তে ও লিখতে পারার মধ্যে সাক্ষরতার লক্ষ্য সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। মানুষের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, নিরক্ষরমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলা, সবার জন্য শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা এবং সামাজিক অংশগ্রহণ বাড়ানোর মাধ্যমে একটি আত্মনির্ভরশীল ও সমৃদ্ধ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। এ লক্ষ্য অর্জনে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম