খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৮ ভাদ্র, ১৪৩৩

বিষ খাইয়ে স্বামীকে হত্যার অভিযোগে ৩২ বছর পর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিষ খাইয়ে স্বামীকে হত্যার অভিযোগে ৩২ বছর পর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা

যোগফল প্রতিবেদক: 

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে দুধের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে স্বামীকে হত্যার অভিযোগে ঘটনার ৩২ বছর পর স্ত্রীসহ দুজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়েছে। পরকীয়া প্রেমের সম্পর্কের জেরে পরিকল্পিতভাবে ওই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

গত সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) গোবিন্দগঞ্জ থানায় মামলাটি করেন নিহত ঘেংগারু শেখের চাচাতো ভাই কাবেজ আলী শেখ।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৭ সালে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার জরিপপুর গ্রামের মৃত আজিজার শেখের ছেলে মো. ঘেংগারু শেখের (২৮) সঙ্গে একই গ্রামের মৃত ইছাহাক আলী শেখের মেয়ে রেশেনা বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর ঘেংগারু শেখ শ্বশুরবাড়িতে ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করতেন।

পরবর্তীতে রেশেনা বেগমের ছোট বোন রাশেদা বেগমের বিয়ে হয় পার্শ্ববর্তী গোয়ালপাড়া গ্রামের মৃত নকিম উদ্দীনের ছেলে মন্ডু মিয়ার (৫৮) সঙ্গে। ছোট বোনের জামাই হিসেবে মন্ডু মিয়ার নিয়মিত শ্বশুরবাড়িতে যাতায়াতের একপর্যায়ে রেশেনা বেগমের সঙ্গে তার পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

বিষয়টি জানতে পেরে ঘেংগারু শেখ ওই সম্পর্কের প্রতিবাদ করলে রেশেনা বেগম ও মন্ডু মিয়ার সঙ্গে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়।

মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়, সম্পর্ক বজায় রাখতে ১৯৯৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৯টার দিকে রেশেনা বেগম ও মন্ডু মিয়া পরিকল্পিতভাবে ঘেংগারু শেখকে দুধের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে পান করান।

বিষ মেশানো দুধ পান করার পর ঘেংগারু শেখ তীব্র যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকেন। এ সময় অভিযুক্তরা ঘরের দরজা বাইরে থেকে শিকল দিয়ে আটকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮ সেপ্টেম্বর তিনি মারা যান বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

দীর্ঘ ৩২ বছর পর এ ঘটনায় নিহতের চাচাতো ভাই কাবেজ আলী শেখ বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন।

কাবেজ আলী শেখ বলেন, ‘এতদিন আমরা মানুষের ভয়ে মামলা করতে পারিনি। এখন দেশ পরিবর্তন হয়েছে, তাই আমরা মামলা করেছি। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই। আমার ভাইকে যারা হত্যা করেছে, আমরা তাদের ফাঁসি চাই। সঠিক বিচার পাওয়ার আশায় ৩২ বছর পর মামলা করেছি।’

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, ঘটনার ৩২ বছর পর মামলা করা হয়েছে। এজাহার পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে পুলিশের একটি দল কাজ করছে

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

জমির বিরোধে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ১০

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জমির বিরোধে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ১০

 যোগফল প্রতিবেদক:

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারীসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের চর ভবনাথপুর এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও থানায় দেওয়া অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চর ভবনাথপুর এলাকার ২০ শতাংশ জমি নিয়ে স্থানীয় মোস্তাক আহমেদ ও বকুল মিয়ার লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। জমিটি নিয়ে আদালতে দেওয়ানি মামলা চলমান রয়েছে। মোস্তাকের দাবি, জমিটিতে আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞাও রয়েছে।

শনিবার দুপুরে মোস্তাক আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যরা বিতর্কিত জমির পাশে কাজ করতে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে মোস্তাক আহমেদ, তার ভাই গোফরান উদ্দিন, ভাবি পারভীন ও লাইলী এবং ভাতিজা ইমন ও ইমরুলসহ কয়েকজন আহত হন। পরে আহতদের উদ্ধার করে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

মোস্তাক আহমেদ অভিযোগ করেন, হামলার সময় তার গলা থেকে স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। পরে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৪ থেকে ৫ জনকে আসামি করে সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রতিপক্ষের বকুল মিয়া। তার দাবি, সংঘর্ষে তাদের পক্ষেরও চারজন আহত হয়েছেন। তার ছোট ভাই রাসেল গুরুতর আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার চোয়ালের হাড় ভেঙে যাওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিশেষায়িত ডেন্টাল হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

বকুল মিয়া জানান, এ ঘটনায় তাদের পক্ষ থেকেও থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বারিক জানান, জমি নিয়ে দুই পক্ষের দীর্ঘদিনের বিরোধের বিষয়টি পুলিশের জানা ছিল। বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য উভয় পক্ষকে সুযোগ দেওয়া হলেও তারা তা না মেনে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। উভয় পক্ষের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

জিরার ট্রাক আটকে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ছাত্রদল নেতা আটক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জিরার ট্রাক আটকে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ছাত্রদল নেতা আটক

যোগফল প্রতিবেদক:

হবিগঞ্জের বাহুবলে সরকারিভাবে নিলামে কেনা ভারতীয় জিরাবোঝাই একটি ট্রাক আটকে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ছাত্রদল নেতা হেলাল মহালদার ও বিলাল মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় জিরাসহ ট্রাকটি উদ্ধার করা হয়।

আটক হেলাল মহালদার হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বাহুবল উপজেলার পশ্চিম জয়পুর গ্রামের হাজি খোর্শেদ মিয়ার ছেলে। অপর আটক ব্যক্তি বিলাল মিয়া একই উপজেলার মামদনগর গ্রামের বাসিন্দা।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ভোরে উপজেলার তিতারকোনা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সরকারিভাবে নিলামে কেনা ১৭১ বস্তা জিরা একটি ট্রাকে করে সিলেটে নেওয়া হচ্ছিল। পথে বাহুবল উপজেলার তিতারকোনা এলাকায় পৌঁছালে ট্রাকটি আটকে নিরাপদ পেট্রোল পাম্পের পেছনে নিয়ে রাখা হয়। পেট্রোল পাম্পটি হেলাল মহালদারের বাবার মালিকানাধীন বলে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, ট্রাকটি আটকে রাখার পর জিরার মালিক মো. ওবায়দুল্লাহকে ফোন করে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন হেলাল মহালদার ও তার সহযোগীরা। পরে বিষয়টি জানিয়ে বাহুবল মডেল থানায় অভিযোগ করেন জিরার মালিকপক্ষ।

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বাহুবল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রুহুল আমিন তালুকদারের নির্দেশে টহল পুলিশ অভিযান চালিয়ে হেলাল মহালদার ও বিলাল মিয়াকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সকাল ৯টার দিকে ভুগলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে জিরাসহ ট্রাকটি উদ্ধার করা হয়। পরে দ্বিতীয় দফায় মিরপুর তিতারকোনা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও কিছু জিরার বস্তা উদ্ধার করা হয়।

বাহুবল মডেল থানার ওসি মো. রুহুল আমিন তালুকদার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বাসের গোপন চেম্বারে মিলল ৪০ হাজার ইয়াবা, চালক-হেলপার গ্রেপ্তার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাসের গোপন চেম্বারে মিলল ৪০ হাজার ইয়াবা, চালক-হেলপার গ্রেপ্তার

 যোগফল প্রতিবেদক:

চট্টগ্রামের পটিয়ায় ঢাকাগামী একটি বাসে অভিযান চালিয়ে ৪০ হাজার ইয়াবা জব্দ করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। বাসটির ব্যাটারি বক্সের পাশে বিশেষ কায়দায় তৈরি গোপন চেম্বার থেকে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় বাসটির চালক ও হেলপারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে বাসটিও।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার আঞ্চলিক মহাসড়কের মুজাফরাবাদ কলেজের পশ্চিম পাশে অভিযানটি চালানো হয়। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক রামেশ্বর দাস।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন বাসের চালক মো. হোসেন (৪৬) ও হেলপার মো. পারভেজ মিয়া (৩৩)। হোসেনের বাড়ি চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার চিকনদণ্ডী ইউনিয়নে। পারভেজ মিয়ার বাড়ি মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলায়। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামের রাউজানে বসবাস করেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকাগামী হানিফ পরিবহনের বাসটিতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় বাসটির ব্যাটারি বক্সের পাশে ভেতরের অংশে বিশেষ কৌশলে তৈরি একটি গোপন চেম্বার পাওয়া যায়। পরে চেম্বারটি খুলে সেখান থেকে ৪০ হাজার ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়।

অধিদপ্তরের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাসটি দীর্ঘদিন ধরে যাত্রী পরিবহনের আড়ালে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম ও ঢাকায় ইয়াবা পাচারে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক রামেশ্বর দাস জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বাসটি থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বাসটি দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা পাচারে ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক লোকাশীষ চাকমা বাদী হয়ে পটিয়া থানায় মামলা করেছেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম