খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৮ ভাদ্র, ১৪৩৩

পথশিশুদের স্বপ্ন-ভালোবাসার গল্পে কাজল ব্যানার্জীর ‘রাজকুমার’

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পথশিশুদের স্বপ্ন-ভালোবাসার গল্পে কাজল ব্যানার্জীর ‘রাজকুমার’

 যোগফল প্রতিবেদক:

পথশিশুদের জীবন, স্বপ্ন ও মানবিক অনুভূতিকে ঘিরে নতুন গান প্রকাশ করেছেন কণ্ঠশিল্পী কাজল ব্যানার্জী। ‘রাজকুমার’ শিরোনামের গানটিতে সমাজের প্রান্তে বেড়ে ওঠা শিশুদের জীবনসংগ্রাম ও স্বপ্নের গল্প তুলে ধরা হয়েছে।

গানটি প্রকাশ করেছে অডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ধ্রুব মিউজিক স্টেশন (ডিএমএস)। গানটির কথা, সুর ও কণ্ঠ দিয়েছেন কাজল ব্যানার্জী। সংগীতায়োজন করেছেন রোজেন রহমান। ভিডিও নির্মাণ করেছেন শুভব্রত সরকার। ভিডিওতে অংশ নিয়েছেন কয়েকজন পথশিশু। ফলে গানটির ভিডিওতেও ফুটে উঠেছে তাদের জীবন ও স্বপ্নের নানা দিক।

শৈশব থেকেই সংগীতের প্রতি আগ্রহ ছিল কাজল ব্যানার্জীর। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও গানকে সঙ্গী করে এগিয়ে গেছেন তিনি। নিজের সংগীতজীবনে যাঁরা সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণা দিয়েছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছেন এই শিল্পী।

‘রাজকুমার’ প্রসঙ্গে কাজল ব্যানার্জী বলেন, ডিএমএসের পৃষ্ঠপোষকতা তাঁকে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে ও সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের সাহস দিয়েছে। একই সঙ্গে নিজের ওস্তাদদের দোয়া ও ভালোবাসার কথাও স্মরণ করেন তিনি। গানটি প্রকাশের পর বিভিন্ন মহল থেকে প্রশংসা পাচ্ছেন বলেও জানান কাজল।

নিজের সংগীতজীবনে মির্জা খায়রুল হোসেন মনু, প্রয়াত রুমু ভাই, সুইট ভাই, মিতা বিশ্বাস ও নন্দ দার অবদানের কথা বিশেষভাবে স্মরণ করেন তিনি। মির্জা খায়রুল হোসেন মনুকে নিজের জীবনের অন্যতম আলোকবর্তিকা উল্লেখ করে কাজল বলেন, তিনিই তাঁকে স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছেন।

‘রাজকুমার’ গানটি ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের ইউটিউব চ্যানেলের পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মিউজিক প্ল্যাটফর্মে শোনা যাচ্ছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

আ.লীগের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার দেশে ফেরার পরিকল্পনা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:২১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আ.লীগের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার দেশে ফেরার পরিকল্পনা

যোগফল প্রতিবেদক:

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ভারতে চলে যান আওয়ামী লীগ সভাপতি ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি ভারতেই অবস্থান করছেন। এরই মধ্যে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণাকে ঘিরে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। দলটির কার্যক্রম বর্তমানে নিষিদ্ধ থাকলেও নেতাকর্মীদের একটি অংশ মনে করছে, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আওয়ামী লীগ নতুন করে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পেতে পারে। আর তিনি দেশে না ফিরলে দলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বাড়তে পারে।

দলটির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক বৈঠকে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। এসব আলোচনার অংশ হিসেবে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার আগে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের কয়েকজন শীর্ষ নেতার দেশে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে শেখ হাসিনার সঙ্গে আরও অনেক নেতাকর্মী দেশে ফিরবেন বলেও দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে।

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনেও নানা আলোচনা ও গুঞ্জন চলছে। তিনি সত্যিই দেশে ফিরবেন কি না, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ডিসেম্বরের মধ্যে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা কিংবা না ফেরা—দুই পরিস্থিতিরই বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব পড়তে পারে। তবে তার সাম্প্রতিক বক্তব্যগুলো বাস্তব প্রত্যাবর্তনের প্রস্তুতির ইঙ্গিত, নাকি দলীয় নেতাকর্মীদের চাঙা রাখা ও রাজনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল—তা নিয়েও আলোচনা রয়েছে।

তাদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক ও আইনি পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার পথ সহজ নয়। তাকে ফিরতে হলে বহুমুখী ঝুঁকির মুখোমুখি হতে হবে। অন্যদিকে ঘোষণা দেওয়ার পরও দেশে না ফিরলে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে তার নেতৃত্ব নিয়ে আস্থার সংকট তৈরি হতে পারে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের কেউ কেউ মনে করছেন, ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার ঘোষণা শেখ হাসিনার জন্য বড় ধরনের রাজনৈতিক ঝুঁকিও তৈরি করেছে। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে তিনি দেশে ফিরতে না পারলে পরবর্তী সময়ে তার রাজনৈতিক নেতৃত্ব আরও বেশি প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। ভবিষ্যতে দেশে ফেরার বিষয়ে নতুন কোনো ঘোষণা দিলেও সেটি আগের মতো বিশ্বাসযোগ্যতা নাও পেতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

এদিকে সরকার শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আইনের মুখোমুখি করার বিষয়ে অনড় অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল শেখ হাসিনার দেশে ফেরার নৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। যুগান্তরকে তিনি বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর প্রাণহানির ঘটনায় শেখ হাসিনার প্রথম দায়িত্ব ছিল মানুষের কাছে দুঃখ প্রকাশ ও অনুশোচনা করা। কিন্তু তার বক্তব্যে এখনো বলপ্রয়োগ ও জেদের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।

আলাল বলেন, এই অবস্থান নিয়ে শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করবেন—এমন ধারণা বাস্তবসম্মত নয়। তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা নিজেই তার উত্তরাধিকার হিসেবে শেখ সেলিমকে দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন। শেখ সেলিমের সাহস থাকলে তিনি দেশে ফিরে আসতে পারেন।

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে নিষিদ্ধ করা হয়েছে উল্লেখ করে আলাল বলেন, ওই নিষেধাজ্ঞার গেজেট চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট হয়েছে। বিষয়টি এখন বিচার বিভাগের এখতিয়ারাধীন।

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামিম যুগান্তরকে বলেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এছাড়া ট্রাইব্যুনালের একটি মামলায় তিনি দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছেন।

তিনি বলেন, ভারত প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে—এটাই প্রত্যাশা। তিনি বাংলাদেশে ফিরলে বিমানবন্দরেই গ্রেফতার হতে পারেন। এরপর আদালতের রায় অনুযায়ী পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলবে।

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা বাস্তবে কতটা কার্যকর হয় এবং তিনি ঘোষিত সময়ের মধ্যে দেশে ফেরেন কি না—এখন সেটিই বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

জয়পুরহাটে অভিযান টের পেয়ে অস্ত্র ফেলে পালাল দুর্বৃত্তরা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:২২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জয়পুরহাটে অভিযান টের পেয়ে অস্ত্র ফেলে পালাল দুর্বৃত্তরা

 যোগফল প্রতিবেদক:

জয়পুরহাট সদর উপজেলায় র‍্যাবের অভিযানের সময় অস্ত্র ফেলে পালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। পরে ঘটনাস্থল থেকে একটি অবৈধ ওয়ান শুটারগান, ম্যাগাজিন, এয়ারগান ও রামদা উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে র‍্যাব-৫-এর জয়পুরহাট ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার সাইদ আনোয়ার রাহি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

র‍্যাব জানায়, শনিবার জয়পুরহাট সদর উপজেলার ঘোষণাপাড়া গ্রামের ফিরতি ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে দুর্বৃত্তরা ঘটনাস্থলে অস্ত্র ফেলে পালিয়ে যায়। পরে সেখানে তল্লাশি চালিয়ে একটি ওয়ান শুটারগান, একটি ম্যাগাজিন, একটি এয়ারগান ও একটি রামদা উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব আরও জানায়, উদ্ধার করা অস্ত্রগুলো পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জয়পুরহাট সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

নবীনগরে ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৫৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নবীনগরে ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

যোগফল প্রতিবেদক: 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল মিয়াকে (৩৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে নবীনগর বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

গ্রেফতার সোহেল মিয়া উপজেলার ৭ নম্বর নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি ওই ইউনিয়নের ফতেহপুর গ্রামের মো. মোখলেছুর রহমান ও আনোয়ারা বেগম দম্পতির ছেলে।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর নবীনগর-রাধিকা সড়কের কনিকারা সেতুর পূর্ব পাশে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা জড়ো হয়ে এলাকায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়।

পরে পুলিশ ধাওয়া দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে মো. রাজিব (৩২) ও মো. জামাল হোসেন (৪২) নামে দুজনকে আটক করে। একই সময় ঘটনাস্থল থেকে ১৫টি বাঁশের লাঠি ও ২২টি ইটের টুকরা জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ৬ ডিসেম্বর নবীনগর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর (সংশোধনী ২০১৩) ৬, ১০, ১১ ও ১২ ধারায় মামলা করা হয়। মামলার তদন্তে সোহেল মিয়ার সম্পৃক্ততার তথ্য-প্রমাণ পাওয়ায় তাকে তদন্তে প্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও নবীনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) খন্দকার মো. আজাদুল ইসলাম আদালতে দেওয়া আবেদনে উল্লেখ করেন, সোহেল মিয়া এলাকায় রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছিলেন। জামিনে মুক্তি পেলে তিনি এলাকা ছেড়ে পালিয়ে তদন্ত ও বিচার কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটাতে পারেন। এ কারণে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে জেলহাজতে আটক রাখার আবেদন করা হয়।

নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলার তদন্তে পাওয়া আসামি হিসেবে পশ্চিম ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল মিয়াকে নবীনগর বাজার থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে শনিবার তাকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম