খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৮ ভাদ্র, ১৪৩৩

দুজনকে বাঁচিয়ে অন্যদের উদ্ধারে ফের নদীতে, প্রাণ গেল তরুণের

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দুজনকে বাঁচিয়ে অন্যদের উদ্ধারে ফের নদীতে, প্রাণ গেল তরুণের

 যোগফল প্রতিবেদক:

নরসিংদীর শিবপুরে শীতলক্ষ্যা নদীতে গোসল করতে নেমে স্রোতের টানে তলিয়ে যাচ্ছিলেন কয়েকজন। তাদের উদ্ধারে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে এক নারী ও তার শিশুসন্তানকে তীরে তুললেও অন্যদের বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন সৌরভ মিয়া (১৫) নামে এক তরুণ। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ১৯ ঘণ্টা পর তার মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত সৌরভ মিয়া, মজিবুর শেখের বড় মেয়ের স্বামী সৌদিপ্রবাসী ওবাইদুল্লাহ (৩৫) এবং মজিবুর শেখের ছোট মেয়ে শান্তা (২২)–এই তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শান্ত মিয়া (২৪) নামে আরও একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

শুক্রবার বিকেলে শিবপুর উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের লাখপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল আবার উদ্ধার অভিযান শুরু করে। সকাল ১০টার দিকে সৌরভ ও ওবাইদুল্লাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে দুপুরের দিকে শান্তার মরদেহও উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুরের কালীগঞ্জের ভঙ্গাল এলাকার বাসিন্দা ওবাইদুল্লাহ স্ত্রী-সন্তান নিয়ে শ্বশুরবাড়ি লাখপুর গ্রামে বেড়াতে আসেন। পরে পরিবারের কয়েকজন সদস্য শীতলক্ষ্যা নদীতে গোসল করতে নামেন।

গোসলের একপর্যায়ে শান্তা আক্তার নদীর স্রোতে তলিয়ে যেতে থাকেন। তাকে ধরে রাখতে গিয়ে তার বোন শাহীনুর আক্তারও সন্তানসহ পানিতে হাবুডুবু খেতে থাকেন। তাদের উদ্ধারে ওবাইদুল্লাহ ও শান্ত এগিয়ে গেলে তারাও স্রোতের মধ্যে পড়ে যান।

এ সময় বিষয়টি দেখতে পেয়ে স্থানীয় তরুণ সৌরভ মিয়া তাদের উদ্ধারে নদীতে ঝাঁপ দেন। তিনি শাহীনুর আক্তার ও তার শিশুসন্তানকে উদ্ধার করে তীরে তুলে আনেন। এরপর অন্যদের উদ্ধারে আবার নদীতে নামলে তীব্র স্রোতের টানে তিনিও নিখোঁজ হয়ে যান।

খবর পেয়ে শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শিবপুর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। তবে নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় সন্ধ্যা পর্যন্ত অভিযান চালিয়েও নিখোঁজদের সন্ধান পাওয়া যায়নি।

শনিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ভৈরব থেকে আসা ডুবুরি দলকে সঙ্গে নিয়ে আবার উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা পর সকাল ১০টার দিকে সৌরভ মিয়া ও ওবাইদুল্লাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে শান্তার মরদেহও উদ্ধার করা হয়।

শিবপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা আবুল কাশেম বলেন, নদীতে তীব্র স্রোতের কারণে শুক্রবার উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হয়েছিল। শনিবার ডুবুরি দল নিয়ে আবার অভিযান চালিয়ে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ শান্ত মিয়ার সন্ধানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উদ্ধার হওয়া শাহীনুর আক্তার বলেন, শান্তা নদীতে তলিয়ে যাচ্ছিলেন দেখে তিনি তাকে ধরে রাখার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে নিজেও পানিতে তলিয়ে যেতে থাকেন। তাদের উদ্ধারে স্বামী ও ভাগনে নদীতে নামেন। এ সময় সৌরভ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে তাকে ও তার শিশুসন্তানকে উদ্ধার করে তীরে তুলে দেন। পরে অন্যদের উদ্ধারে গিয়ে সৌরভ নিজেই নিখোঁজ হন।

শিবপুর থানার উপপরিদর্শক নাদিম হাসান জানান, নিখোঁজ শান্ত মিয়াকে উদ্ধারে অভিযান চলছে। উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

কর্মক্ষেত্রে প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান প্রয়োগের আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:২৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কর্মক্ষেত্রে প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান প্রয়োগের আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

যোগফল প্রতিবেদক:

সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা জনসেবা এবং কর্মক্ষেত্রে কার্যকরভাবে প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

তিনি বলেন, প্রশিক্ষণের লক্ষ্য শুধু সনদ অর্জন নয়; বরং প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান বাস্তব জীবনে কাজে লাগিয়ে দায়িত্ব পালনের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট (নিমকো)-এর সেমিনার কক্ষে ১০ম গ্রেডের কর্মকর্তাদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানিয়ে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়ে প্রশাসন ও কর্মক্ষেত্রে দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে। এসব পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কর্মকর্তাদের জ্ঞান, দক্ষতা ও পেশাগত সক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে।

তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান ও দেশের কল্যাণে অবদান রাখার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী কর্মকর্তাদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন প্রতিমন্ত্রী। এর আগে প্রশিক্ষণের বিভিন্ন বিষয়ে সেরা প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে স্মারক (ক্রেস্ট) তুলে দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের (বিসিটিআই) প্রধান নির্বাহী আবুল কালাম মোহাম্মদ শামসুদ্দিন।

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মুহম্মদ হিরুজ্জামান, এনডিসি অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

আ.লীগের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার দেশে ফেরার পরিকল্পনা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:২১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আ.লীগের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার দেশে ফেরার পরিকল্পনা

যোগফল প্রতিবেদক:

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ভারতে চলে যান আওয়ামী লীগ সভাপতি ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি ভারতেই অবস্থান করছেন। এরই মধ্যে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণাকে ঘিরে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। দলটির কার্যক্রম বর্তমানে নিষিদ্ধ থাকলেও নেতাকর্মীদের একটি অংশ মনে করছে, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আওয়ামী লীগ নতুন করে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পেতে পারে। আর তিনি দেশে না ফিরলে দলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বাড়তে পারে।

দলটির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক বৈঠকে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। এসব আলোচনার অংশ হিসেবে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার আগে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের কয়েকজন শীর্ষ নেতার দেশে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে শেখ হাসিনার সঙ্গে আরও অনেক নেতাকর্মী দেশে ফিরবেন বলেও দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে।

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনেও নানা আলোচনা ও গুঞ্জন চলছে। তিনি সত্যিই দেশে ফিরবেন কি না, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ডিসেম্বরের মধ্যে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা কিংবা না ফেরা—দুই পরিস্থিতিরই বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব পড়তে পারে। তবে তার সাম্প্রতিক বক্তব্যগুলো বাস্তব প্রত্যাবর্তনের প্রস্তুতির ইঙ্গিত, নাকি দলীয় নেতাকর্মীদের চাঙা রাখা ও রাজনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল—তা নিয়েও আলোচনা রয়েছে।

তাদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক ও আইনি পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার পথ সহজ নয়। তাকে ফিরতে হলে বহুমুখী ঝুঁকির মুখোমুখি হতে হবে। অন্যদিকে ঘোষণা দেওয়ার পরও দেশে না ফিরলে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে তার নেতৃত্ব নিয়ে আস্থার সংকট তৈরি হতে পারে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের কেউ কেউ মনে করছেন, ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার ঘোষণা শেখ হাসিনার জন্য বড় ধরনের রাজনৈতিক ঝুঁকিও তৈরি করেছে। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে তিনি দেশে ফিরতে না পারলে পরবর্তী সময়ে তার রাজনৈতিক নেতৃত্ব আরও বেশি প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। ভবিষ্যতে দেশে ফেরার বিষয়ে নতুন কোনো ঘোষণা দিলেও সেটি আগের মতো বিশ্বাসযোগ্যতা নাও পেতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

এদিকে সরকার শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আইনের মুখোমুখি করার বিষয়ে অনড় অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল শেখ হাসিনার দেশে ফেরার নৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। যুগান্তরকে তিনি বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর প্রাণহানির ঘটনায় শেখ হাসিনার প্রথম দায়িত্ব ছিল মানুষের কাছে দুঃখ প্রকাশ ও অনুশোচনা করা। কিন্তু তার বক্তব্যে এখনো বলপ্রয়োগ ও জেদের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।

আলাল বলেন, এই অবস্থান নিয়ে শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করবেন—এমন ধারণা বাস্তবসম্মত নয়। তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা নিজেই তার উত্তরাধিকার হিসেবে শেখ সেলিমকে দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন। শেখ সেলিমের সাহস থাকলে তিনি দেশে ফিরে আসতে পারেন।

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে নিষিদ্ধ করা হয়েছে উল্লেখ করে আলাল বলেন, ওই নিষেধাজ্ঞার গেজেট চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট হয়েছে। বিষয়টি এখন বিচার বিভাগের এখতিয়ারাধীন।

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামিম যুগান্তরকে বলেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এছাড়া ট্রাইব্যুনালের একটি মামলায় তিনি দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছেন।

তিনি বলেন, ভারত প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে—এটাই প্রত্যাশা। তিনি বাংলাদেশে ফিরলে বিমানবন্দরেই গ্রেফতার হতে পারেন। এরপর আদালতের রায় অনুযায়ী পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলবে।

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা বাস্তবে কতটা কার্যকর হয় এবং তিনি ঘোষিত সময়ের মধ্যে দেশে ফেরেন কি না—এখন সেটিই বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

জয়পুরহাটে অভিযান টের পেয়ে অস্ত্র ফেলে পালাল দুর্বৃত্তরা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:২৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জয়পুরহাটে অভিযান টের পেয়ে অস্ত্র ফেলে পালাল দুর্বৃত্তরা

 যোগফল প্রতিবেদক:

জয়পুরহাট সদর উপজেলায় র‍্যাবের অভিযানের সময় অস্ত্র ফেলে পালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। পরে ঘটনাস্থল থেকে একটি অবৈধ ওয়ান শুটারগান, ম্যাগাজিন, এয়ারগান ও রামদা উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে র‍্যাব-৫-এর জয়পুরহাট ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার সাইদ আনোয়ার রাহি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

র‍্যাব জানায়, শনিবার জয়পুরহাট সদর উপজেলার ঘোষণাপাড়া গ্রামের ফিরতি ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে দুর্বৃত্তরা ঘটনাস্থলে অস্ত্র ফেলে পালিয়ে যায়। পরে সেখানে তল্লাশি চালিয়ে একটি ওয়ান শুটারগান, একটি ম্যাগাজিন, একটি এয়ারগান ও একটি রামদা উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব আরও জানায়, উদ্ধার করা অস্ত্রগুলো পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জয়পুরহাট সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম