খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩

দুই মাসে অগ্রগতি না হলে ওয়াসার প্রকল্প পরিচালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৪৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দুই মাসে অগ্রগতি না হলে ওয়াসার প্রকল্প পরিচালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রকল্প অনুমোদনের পর বাস্তবায়নে বছরের পর বছর সময়ক্ষেপণ গ্রহণযোগ্য নয়। আগামী দুই মাসের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ব্যর্থ কর্মকর্তাদের সরিয়ে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ঢাকা ওয়াসা ভবনের সম্মেলনকক্ষে সংস্থাটির সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

প্রতিমন্ত্রী চলমান প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করার নির্দেশ দিয়ে বলেন, দাসেরকান্দি স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট থেকে গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় পাইপলাইন সংযোগ প্রকল্প দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে। পাশাপাশি পূর্বাচল এলাকায় পানি সরবরাহের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে দ্রুত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রণয়নের নির্দেশ দেন তিনি।

ওয়াসার বোর্ড ব্যবস্থা প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, বর্তমান আইনে ওয়াসাগুলোতে বোর্ড গঠনের বিধান থাকলেও সরকার যেকোনো সময় তা গঠন বা ভেঙে দিতে পারে। মন্ত্রণালয়ের পর্যালোচনায় দেখা গেছে, অনেক ক্ষেত্রে ওয়াসা বোর্ডের অপ্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ জনসেবামূলক কার্যক্রমের গতি কমিয়ে দিচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে আইন সংশোধন করে দেশের সব ওয়াসা থেকে বোর্ড তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

ঢাকা ওয়াসার কার্যক্রমের ধীরগতিতে অসন্তোষ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজধানীতে প্রতিদিন পানির চাহিদা ও সরবরাহ উভয়ই ৩১৪ কোটি লিটার। জনসংখ্যা ও বাসাবাড়ির সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পানির চাহিদাও বাড়ছে। কিন্তু গত সাত মাসে ওয়াসার কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য নতুন উদ্ভাবন বা প্রকল্প বাস্তবায়নে দৃশ্যমান গতি দেখা যায়নি, যা দুঃখজনক।

তিনি বলেন, পানির সংকট তৈরি হলে এর দায় সরকারের ওপরই বর্তায়। তাই নগরবাসীর পানির চাহিদা পূরণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

পানির উৎসের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে ঢাকা ওয়াসার সরবরাহ করা পানির ৭৪ শতাংশ ভূগর্ভস্থ এবং ২৬ শতাংশ উপরিভাগের উৎস থেকে আসে। ভূমিকম্পের ঝুঁকি কমানো এবং ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা হ্রাস করতে ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার ২০ থেকে ২৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যে উপরিভাগের পানিনির্ভর প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দেন তিনি।

ঢাকা ওয়াসার আর্থিক সক্ষমতা ও আধুনিকায়নের বিষয়ে মীর শাহে আলম বলেন, সেবার মান বজায় রেখে নিজস্ব রাজস্ব আয় বাড়াতে হবে। এতে বিদেশি ঋণের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব তহবিল থেকে জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।

তিনি মিটার রিডিং ও বিলিং কার্যক্রমে অটোমেশন জোরদারের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ২০৫০ সালের পানির চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে ঢাকা ওয়াসার আধুনিকায়নে নতুন ও পূর্ণাঙ্গ জনবল কাঠামো বা অর্গানোগ্রাম তৈরি করে অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে বলেন।

শহরের অবৈধ ও চোরাই পানির সংযোগ চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব কর্মকাণ্ডে প্রভাবশালী ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দুর্বৃত্তরা জড়িত থাকলেও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিতে হবে। সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠানে দলীয় বা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষের সেবা ব্যাহত করা যাবে না বলে সিবিএ ও কর্মচারী সংগঠনগুলোকেও সতর্ক করেন তিনি।

পানির অপচয় রোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন প্রতিমন্ত্রী। ব্রাশ করা বা শেভ করার সময় অপ্রয়োজনে পানির কল খোলা না রাখা এবং সচেতনতামূলক প্রচার চালানোর নির্দেশ দেন তিনি।

মীর শাহে আলম বলেন, আগামী দুই মাস পর তিনি আবারও ঢাকা ওয়াসার কার্যক্রম পর্যালোচনা করবেন। এর মধ্যে দৃশ্যমান ও আমূল পরিবর্তন দেখতে চান তিনি, যাতে নগরবাসী পানির বিষয়ে স্বস্তি পান।

ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মুহা. মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রকৌশলী সমিতি, ডিপ্লোমা অ্যাসোসিয়েশন, সিবিএর নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

তাহিরপুরের পাতারগাঁও খেয়াঘাটে টাকা আদায় বন্ধের নির্দেশ ইউএনওর

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৩৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তাহিরপুরের পাতারগাঁও খেয়াঘাটে টাকা আদায় বন্ধের নির্দেশ ইউএনওর

ছবি যোগফল

আমির হোসেন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি 

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার তাহিরপুর–পাতারগাঁও খেয়াঘাটে পারাপারের নামে টাকা আদায় সম্পূর্ণ বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিপামনি দেবী। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় তিনি এ ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে কেউ টাকা আদায় করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।

উপজেলা প্রশাসনের এ সিদ্ধান্তের ফলে খেয়াঘাট ব্যবহারকারী সাধারণ মানুষের যাতায়াতে ভোগান্তি কমবে বলে আশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপামনি দেবী জানান, বুধবার থেকে পাতারগাঁও খেয়াঘাটে খেয়া পারাপারের নামে টাকা আদায় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ টাকা আদায় করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয়দের মতে, খেয়াঘাটে টাকা আদায় বন্ধের সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তির খবর। তবে প্রশাসনের এ নির্দেশনা মাঠপর্যায়ে যথাযথভাবে বাস্তবায়ন এবং নিয়মিত তদারকির প্রয়োজন রয়েছে।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির মাধ্যমে খেয়াঘাটে টাকা আদায় স্থায়ীভাবে বন্ধ থাকবে এবং সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারবেন।

তবে ঘোষণার পর খেয়াঘাটে টাকা আদায় পুরোপুরি বন্ধ হয়েছে কি না, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় গোপালগঞ্জ শহর সমাজসেবা অফিসের সেমিনার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় গোপালগঞ্জ শহর সমাজসেবা অফিসের সেমিনার
সাইফুল ইসলাম ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি


চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বিশ্বমানের উদ্যোক্তা তৈরি ও নতুন কর্মসংস্থান সৃজনে গোপালগঞ্জ শহর সমাজসেবা কার্যালয়ের অংশীদারিত্ব শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেলা সমাজসেবা কমপ্লেক্সের মধুমতি সম্মেলন কক্ষে আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) গোপালগঞ্জ শহর সমাজসেবা কার্যালয় এ সেমিনারের আয়োজন করে। 

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন  সমাজসেবা অধিদপ্তরের গোপালগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক  মুহাম্মদ মুরাদ হোসেন। 

সেমিনারের আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( শিক্ষা ও আইসিটি) শোভন সরকার ও জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক মিজানুর রহমান। 

গোপালগঞ্জ শহর সমাজসেবা কার্যালয়ের সমাজসেবা কর্মকর্তা আল আমিন মোল্লা সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন।

বেহেশতের টিকিট বিক্রি করে বিরোধী দলের আসনে বসেছে জামায়াত- এসএম জিলানী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বেহেশতের টিকিট বিক্রি করে বিরোধী দলের আসনে বসেছে জামায়াত- এসএম জিলানী

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাইফুল ইসলাম ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

বাংলাদেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করে ও বেহেশতের টিকিট বিক্রি করে জামায়াত বিরোধী দলের আসনে বসেছে বলে মন্তব্য করেছেন গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানী।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার গওহরডাঙ্গা চৌরঙ্গী মোড়ে আয়োজিত যুব সমাবেশে তিনি একথা বলেন। 

এসএম জিলানী বলেন, বাংলাদেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করে ও বেহেশতের টিকিট বিক্রি করে জামায়াত বিরোধী দলের আসনে বসেছে। ভেবেছিলাম সংসদের বিরোধী দল দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে। কিন্তু তাদের মুখে একটা, অন্তরে আরেকটা। একাত্তরের পরাজিত শক্তি সংসদে দাঁড়িয়ে এক কথা বলে, আর সংসদের বাইরে গিয়ে আরেক কথা বলে। 

তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছেন, বর্তমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট বিএনপি সরকারের সৃষ্টি নয়। অথচ সংসদের বাইরে এসে এই সংকটের জন্য সরকারের পতনের দাবি তোলা হচ্ছে। গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে লংমার্চও শুরু করেছে তারা। কিন্তু তাদের বোঝা দরকার একটি গণতান্ত্রিক সরকারকে সংকট মোকাবিলার জন্য ন্যূনতম সময় দেওয়া উচিত। তারপর আপনারা আন্দোলন করেন। কারন আমরা ১৭ বছর তারেক রহমানের নেতৃত্বে লড়াই-সংগ্রাম করেছি। সেই আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আজ বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

এসএম জিলানী গ্যাস সংকট প্রসঙ্গে বলেন, বিগত ১৭ বছর ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ সরকার আমদানিনির্ভর গ্যাসের ওপর নির্ভর করেছে। বঙ্গোপসাগরে থাকা গ্যাসকূপ থেকে গ্যাস উত্তোলনের কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে ১৫০টি গ্যাসকূপের মধ্যে ৩০টির কাজ শুরু করেছে। বাকি ১২০টির কাজও শিঘ্রই শুরু হবে। 

যুব সমাবেশে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মুক্তার হোসেন মোল্লার সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আমিনুল ইসলামের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কাজী আবুল বাশার খায়ের, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ সালাউদ্দিন, সহ-সভাপতি জিল্লাল শেখ, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিহাদুল ইসলাম বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক গোপাল সরকার সহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বক্তব্য রাখেন।